ফিরে এসো

হাতে লাল গোলাপের তোড়া।
এক দৌড়ে ছুটেছিল রাস্তায়,
নীল পদ্মের সাজে পাঞ্জাবি
পকেটে আছে শেষ চিরকুট;
কিছুক্ষণ আগেই দিয়েছিল তাকে,
মন মানে ‘নি; তাই ছুটেছিল
কালো পিচে ঢাকা রাস্তায়
উদ্‌ভ্রান্ত ও উন্মাদনার খেয়ালে,
আবেগে ভেজা চোখ দেখেছিল
ও ‘পাড়ে লাল শাড়ীর দুলুনি
মৃদু অথচ শক্ত পায়ে চলায়,
নীল পদ্মে রাঙা পাঞ্জাবী
লাল হয়ে পিচ হয়েছে লাল-
যান্ত্রিক দানবের কর্কশ ধাক্কায়।
শুধু বাতাস শুনেছিল শেষ চিৎকারঃ
“ফিরে এসো”
লাল শাড়ীটি কাল জাম রঙে ভেসেছিলো হাহাকারেঃ
“ফিরে এসো”…

মোট পড়েছেনঃ ৯৯০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৬টি মন্তব্য

    1. 😀

      এটা ঠিক হাহাকার না, সময় থাকতে ভুল শোধরানো বা কাউকে ফিরিয়ে আনার জন্য কালক্ষেপণ না করাটাই ভালো বুঝিয়েছি 😛

      সোনেলায় আমার প্রথম পোস্টও এইরকম নেতিবাচক ছিলো আর এই বছরও শুরু এইভাবে!!! হুয়াট আ কুঞ্চিদেঞ্চ :p

  1. বছর শুরুতে দারুণ এক বিয়োগান্তক লেখা দিয়ে শুরু করেছেন।
    তবে এ ফিরে আসাকে স্বাগত জানাচ্ছি।
    লেখা চাইতে চাইতে কলম ব্যথা হয়ে গেলেও হাল ছাড়িনি।

    1. তবে???

      আর আমি যে আপনার ফিলিপাইন ভ্রমণ নিয়ে কতো কিছু চাইলাম, রুপকথা চাইলাম তা যে আনলেন না??? :@

      সময় সব কিছুতেই আঁচড় লাগায় ভাইয়া 😀

  2. নীলপদ্ম ডেকেছিল তারে, “ফিরে এলো সে”, কেমন আসা কে জানে। সে ডাকলো নীলপদ্মরে, “ফিরে গেলো সে”। কারোই আর ফিরে আসা হয়না।
    এমন হাহাকারের লেখা দেয়া ঠিক না 🙁
    লাল গোলাপের তোড়াটার কি হলো?

    1. লাল গোলাপ হাতেই ধরা ছিলো শেষ পর্যন্ত… সিনেমায় দেখায় গোলাপ ছিটকে যায় এমন পরিস্থিতিতে। কিন্তু আমার মনে হয় এমন মুহুর্তেও ব্যক্তি গোলাপ ছাড়বে না বরং আরো শক্ত করে ধরে থাকবে (নার্ভ রিয়েক্ট করে শিথিল না করে বরং কিঁচুনি দিয়ে সংকুচিত হবে) 😛

      হা হা করে হাসার জন্য হাহাকারে দিয়েই শুরু :p

  3. এ ক্যামন আগমনী বার্তা! কেউ ফিরে আসেনা। আসেনি কখনো, আসবেওনা কোনদিন। সহজ সরল কথা দাদাভাই।

    মনটা খারাপ ক্যান? কারো কারো মন খারাপ করার অধিকার নাই।

    1. আপনার প্রথম লাইনের কথাগুলোর উত্তর একটা পোস্ট দিয়েই জানাবো একদিন 😀

      মন খারাপ না কিন্তু ঘোরে ছিলাম। ১ তারিখ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে আজ সকাল ৯টার ডিকে ঘুমিয়েছি… এইজন্যেই ঘোরের মধ্যে এমন পোস্ট 😛

      হাহাহহা… আমাদের মন খারাপের অধিকার নেই। কান্নাটুকু আছে আয়নায় লাগানো রঙীন প্রলেপের মতো 😀

    1. আপনার মন্তব্য বরাবরই ব্যতিক্রম হয়।

      দারুণ একটা জায়গায় দৃষ্টিপাত করেছেন 😀 … এই ‘যান্ত্রিক দানব’ চালকদের জীবনটাও যে কতোতা অমানবিক হয় কে জানে!

      অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। -{@

      1. রামদাও দিয়া কোপাইয়া টুকরা টুকরা করলেও আলিবাবার দর্জি মুস্তাফারে আইন্যা সেলাই করার ব্যবস্থা থাকে, মাগার যন্ত্রদানব চাপা দিয়া হালুয়া বানাইলে কী ব্যবস্থা হপে? ;(

  4. “ওপারের ডাক যদি আসে
    শেষ খেয়া হয় পাড়ি দিতে
    মরণ আমায় কোনদিনও
    পারবেনা কভু কেড়ে নিতে ”
    গানটি মনে পড়ে গেল |
    আমি চলে যাব না ফেরার দেশে
    তবুও রয়ে যার সেই দিগন্তে যেখানে অরুনির মায়া এসে মেশে |

  5. নীল পদ্মে রাঙা পাঞ্জাবী
    লাল হয়ে পিচ হয়েছে লাল-
    যান্ত্রিক দানবের কর্কশ ধাক্কায়।

    কেয়া বাত হে! মুগ্ধ হইলাম। :c

মন্তব্য করুন