গোলাপ ছোঁবো নির্দোষ খুনসুটিতে

ঝিনুক নীরবে সহো
ঝিনুক নীরবে সহো, ঝিনুক নীরবে সহে যাও
ভিতরে বিষের বালি, মুখ বুজে মুক্তা ফলাও!
আবুল হাসান।

 

শিশিরভেজা গোলাপি গোলাপ আলো ছড়ায় গন্ধ ঢেলে
স্বপ্নআকাশ চোখে গেঁথে রাত জাগে অন্ধকারের অপলকে।
তাকাও, দ্যাখো তো চিনতে পারো কিনা, নিষ্পলকে;
এক তুমুল দুপুরের রোদজ্যোৎস্নায় ভিজে ভিজে কাতর ভীষণ,
সম্মতির চক্ষু ঝঙ্কার তুলেছিল সূক্ষসুখের গহীন মোহনায়।
একাকীর দু’জন দু’জনের মুগ্ধতায়
কথা রহিতের নিবির নিষ্ঠতায় খুনসুটির মেলায়;

মোট পড়েছেনঃ ৬০৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪২টি মন্তব্য

      1. না ইয়ে মানে বলছিলাম কি, গোলাপ আর শিশির ভেজা গোলাপ কি একই ফুল? শিশির ভেজা গোলাপ দেখতে পারলে মন্দ হোতোনা। কবে যে দেখেছি, ঠিক মনে করতে পারছিনা। আপনার তো রাজ কপাল। আপনার ওখানে ঐসব পাওয়া যায়।
        আমি আমাকেই চিনিনা আবার অন্য কিছু চিনবো কি করে!

  1. কি অদ্ভূত আল্লাহ্‌র সৃষ্টি , বালি থেকে মুক্ত |

    গোলাপের রূপে মুগ্ধ তোমার দুনয়ন
    নিষ্পলক চেয়ে থাক আঁধারে সাথে নিদ্রাহীন শয়ন
    দুজনের মিলন মেলায় কথা যেথায় যায় হারিয়ে
    মৌনতার চাদর উড়ে জেগে থাকা ভালবাসা ছড়িয়ে,,,

  2. শিশির ভেজা গোলাপ __ এমন করে তো ভাবিনি !
    এরপর খুব সকালে এমন গোলাপ খুঁজবো, ছুঁয়ে দিবো, খুনসুটিতে মেতে উঠবো।
    চমৎকার এক আইডিয়া পেলাম। 🙂

      1. গোলাপ তো ঝরে যায় জানতাম, গলে যায় আবার কেমন করে? আচ্ছা থাক, আমার এত বুঝে কাজ নেই, কবিরা সম্ভবত এভাবেই কথা বলে।

      2. ঝড়ে যায় গোলাপ তা আমরা দেখি, গলে গলে পড়া সবাই দেখতে পায় না।
        অবশ্য সব জায়গায় গলে ও পরে না।
        সব যেহেতু বুঝিনি, তাই না বোঝার কাছেই রেখে দিচ্ছি।

      3. শুন্য,ধরা যাক এই গোলাপ একজন ব্যক্তি,
        এই লেখা পড়ে সেই ব্যক্তির মোম হয়ে গলে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন বিকল্প নেই
        কত নামেই কত ভাবেই না আমরা সম্মোধন করি মানুষকে
        যেমন নিশুত……

      4. ইশ রে দিয়ে দিলো একটা খোঁচা। লেখার খাতিরে আউলাঝাউলা কতকিছুই আসে। কবিরা সব মাথা উল্টা পাব্লিক, আপনিও। @জিসান ভাই

    1. সম্পর্কের ক্ষণস্থায়ীয়তা ও দীর্ঘস্থায়ীয়তা বুঝতে পারি না, ভাবনায় ও নেই,
      ভাল বা খারাপ বুঝে বুঝে লিখতে পারি না,
      ধন্যবাদ।

  3. নাতো চিনতে পারলাম না। তবে বুঝতে পারলাম, ৭ টি লাইন, সাত অথবা শতাব্দীর কথা বলে।
    কবিতায় যে অনুভূতি ফুঁটিয়েছেন তা কিন্তু মোটেও নির্দোষ মনে হচ্ছেনা, এখন আপনিই বলুন, লেখা ঠিক নাকি শিরোনাম?
    দুস্টুমি মাফ করে দেবেন জাহাপনা। দুপুরের রোদ জ্যোৎস্নায় ভিজে ভিজে সুন্দর কোন মন্তব্য আনতেই পারছিনা, লেখার সময় একটু অযত্ন করলে আমাদের এত কষ্ট হতোনা।
    আমি চললুম শিশির ভেজা গোলাপের সাথে খুনসুটি করতে। এত কঠিন লেখা ঠিক না বলে দিলাম।

    1. সবাই সবাইকে চেনে না, হয়ত চিনতে চায় ও না।
      সাকুল্যে সাতটি মাত্র লাইন তাতে সাত সেকেন্ড ধরাই কঠিন, আপনি জনম জনম ধরে কী এমন দেখলেন!!
      আমাকে দুষ দেবেন্না, আমি কিছু জানি না।
      দেখুন আপনাদের সাথে থেকে যত্ন-আত্তি করা শিখেছি, কেড়ে নেবেন্না যেন।
      শুধু খুনসুটি না, আপনি চাইলে অন্য কোন সুটিও চালু রাখতে পারেন, ব্যাপার না।
      এত্ত কঠিন মন্তব্য করাও ঠিক না।

      1. সেকেন্ড দেখি আর জনম জনম ধরে দেখি, এক তুমুল দুপুরকে এমন আবেগে ফুঁটিয়ে তুলতে পারতাম না কখনই। আপনি যখন লেখেন, তখন কিছু একটা ভর করে, আমার মনে হয়। 🙂

      2. ইস, আবার ও ধরা,
        আমি যখন লিখি তখন লিখি ই।
        আমার অনুভবকে আমি ছুঁয়ে যাই গভীর মায়ায়।

        সে এক তুমুল মায়াবী দুপুর, না ভোলা দুপুর।

    1. বহুদিন পর আপনাকে দেখলাম,
      আপনি এত বোঝেন কী করে তাই ভাবছি!!
      আমিও ভাবি কী করে সবাই সব কিছু বুঝে ফেলে।

      কিছু লিখে ফেলুন, অনেকদিন তো হলো।

মন্তব্য করুন