একটি ছায়া ও একটি পাখী

কিছু মানুষ সারি সারি

কিছু সবাক ডাকাডাকি,

আগুনের ছায়া কাঁচ দেয়ালে।

কিছু ফানুস কাড়াকাড়ি

কিছু স্বপ্ন বাড়ি গাড়ি,

বিষাদের কালো ছায়ার আড়ালে…

 

গুবরে পোকা সারি সারি

মগজের জং ধরা মেঝেতে,

কিছু গাছে পাথর নুড়ি

পাহাড়ের ধ্বনি সবুজে,

মানুষ আমি চিলে ঘুড়ি

আকাশের নোনা ধরা মেঘেতে…

 

একটি ছায়া আর একটি পাখি

কিছু বিষাদ আর শব্দ ভঙ্গি,

এলোমেলো ভাবনার খেয়ালে…

একটি জীবন আর কিছু স্মৃতি

না বলা কথা এলোপাথারি,

জীবনের ছুটে চলার রাজপথে…

মোট পড়েছেনঃ ৭৯৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৭২টি মন্তব্য

  1. “চাওয়া-পাওয়ার বুকের ভেতর না-পাওয়া ফুল ফোঁটে
    দিশাহারা গন্ধে তারি আকাশ ভরে ওঠে।”———তাই না দাদা?
    নাকি,
    “স্বপন-পারের ডাক শুনেছি, জেগে তাইতো ভাবি
    কেউ কখনো খুঁজে কি পায় স্বপ্নলোকের চাবি!”

    “মানুষ আমি চিলে ঘুড়ি” উফ এ কি লিখলেন! মাথার ভেতর বসে গেলো। আজ আর কোনো স্বপ্নই আসবে না।

    ছায়ার পাখী নাকি পাখীর ছায়া? ভালো থাকুক। -{@

    1. “চাওয়া-পাওয়ার বুকের ভেতর না-পাওয়া ফুল ফোঁটে
      দিশাহারা গন্ধে তারি আকাশ ভরে ওঠে।”
      এবং
      “স্বপন-পারের ডাক শুনেছি, জেগে তাইতো ভাবি
      কেউ কখনো খুঁজে কি পায় স্বপ্নলোকের চাবি!”
      দুটোই…

      ছায়ার তো কোন নাম থাকে না। থাকে কায়ার। ছায়া শুধুই ছায়া -{@

      1. ঠিক ঠিক।
        আমার একটা ছায়া আছে, যার নাম আশ্রয়।
        কায়ার নামের পেছনে সামাজিক পদবী।

        থাক কঠিন কথা। ভাবতে এবং কইতে গেলে আর হাসতে পারবো না গো দাদা। চলুন হাঁটি-নাচি-হাসি আমাদের কায়া-ছায়াকে নিয়েই। 😀 :D) \|/

  2. মানুষ আমি চিলে ঘুড়ি নাকি ঘুরি? যদি ঘুড়ি হয় তাহলে কি চিলের শেপের ঘুড়ি এমন বোঝাচ্ছ?
    মাথা তুমিও তো কম ঘুরান্টিস দিলা না, আগুনের ছায়া কাঁচ দেয়ালে। সুন্দর লিখছো।
    ও দাদা ভাই, মেঘও নোনা হয় এইটা তো কখনোই ভাবিনাই। এলোপাথাড়ি না বলা কথাও আমরা শুনতে পেয়েছি। কবিতা লাইন বাই লাইন তুমিও বুঝিয়ে দেবে আবার।
    প্রথম প্যারায় কি ছদ্মবেশ বুঝিয়েছ? ভিড়ের মাঝেও নিজের বিষাদের ছায়ার আড়ালে?

    1. চিলেকোটার মতোই চিলে ঘুড়ি। ভো কাট্টা হয়ে যাওয়া ঘুড়ি যাযাবর মানুষের প্রতীক, কবে কোথায় থামবে কেউই জানে না… চিলও যেমন কোথায় নামবে আগে থেকে জানে না কিন্তু আকাশে ঘুরতে ঘুরতে এক সময় কোথাও নামে… চিলেকোটায় যেমন চাঁদ আর জোছনা আসে তেমনি সূর্য আর তার তেজ থাকে। একই সাথে ভিন্ন রূপ। তাই চিলে ঘুড়ি। সূতোয় বাঁধা ঘুড়ি নিয়ে কেউ স্বপ্ন দেখে না কিন্তু সূতো ছিঁড়ে গেলেই অনেকের স্বপ্ন নিয়েই ভেসে বেড়ায় আকাশের ঠিকানায়… এইগুলো সবই বুঝালাম।

      প্রথম প্যারায় মানুষের কথা বলেছি। একই সাথে কত মানুষ! কেউ হাঁকে কেউ নীরবে চলেছে নিজ স্বপ্ন নিয়ে আবার কেউ স্বপ্ন হারিয়ে! স্বপ্নবাজ ও স্বপ্নহীন দুইই আগুনের উত্তাম বা জীবন সংগ্রামের বোধটুকুকে আগুনের সাথেই তুলনা করে। আগুন এক অর্থে সভ্যতার প্রতীক আবার নরক যন্ত্রণারও প্রতীক। আগুন একই সাথে উৎকর্ষতা ও ধ্বংসের প্রতীক। আগুনের ছায়া কাঁচ দেয়ালে বলতে এই প্রতীকের আগমণের ইশারাকে বুঝালাম।

      প্রতিটি মানুষের মনে বিষাদের ছায়া থাকে। প্রথম প্যারায় যা আছে তা হচ্ছে রাজপথে গাড়ীতে, বাসে, ফুটপাতে চলা মানুষের সার্বিক চিত্র। কেউই দেখি না এরা কেমন অথচ আমরা সবাইই এমন।

      ছদ্মবেশ বললে ঠিক হবে না, তবে অন্যের মাঝে নিজেকে চেনার চেষ্টা করলাম মাত্র।

      আমার শব্দভান্ডার সীমিত আর শব্দের ব্যবহারের সীমানাও তাই আরো সীমিত বলে আপনাদের তোমাদের মতো রঙ বেরঙের শব্দাঞ্জলী দিতে পারি না… 😀

      1. ও দাদাভাই, তুমি আসলে সহজ লুক নও। প্যাঁচে ভর্তি। নইলে এই সহজ সহজ শব্দের মধ্যেও কি কি ভাবনা ঢুকাইছো, ঠিক আমার শহরের তাজ সিনেমা হলের সামনে বারোভাজার মত (মিক্সড চানাচুর) ।
        চিলে ঘুড়ি। আচ্ছা আমি তাইলে চিলে নাটাই লিখুম। দারুন তোমার ভাবনা দাদা ভাই।

        1. ভাবতে গেলে অনেক কিছু ভাবা যাই
          লিখে গেলে শব্দে যে তার দেখা না পাই! ;(

          এটা ঠিক যে অনেকেই বলে আমি প্যাঁচালু কারণ সোজা সাপ্টা কথা বলে সবকিছু নিয়েই নড়াচড়া করে ফেলি :p

          আমি সেই বারোভাজা খামু, আইন্না দেও ^:^

        2. শুন্যাপু, তাজু বলছে সে নাকি পালাবে! পালাতে চাইলে ঠ্যাং আর ডানা দুইটারই ব্যবস্থা তো করন লাগবো নাকি?

          আবার আম্রে গুল্লি মারবো কপিতাছে, দেখছো??? 🙁

  3. অদ্ভুত ছন্দ!!
    এমন লেখা কী আগে পড়েছি বুঝতে পারছি না।
    দিনে দিনে নীতেশ কী দেখাচ্ছে আমাদের!!

    হ্যাকার আমি সহ গুটি কয়েক আইডি এর দিকে কৃপা দিয়ে ক্যারাব্যারা করে দিয়েছে, এ যাত্রা বেঁচে আছি
    ভবিষ্যৎ উপর ওয়ালার দয়া,
    লেখালেখি উদাউ, ঘর গোছাতে গোছাতে কম্ম কাবার।

    1. তাই তো বলি রুপকথার সম্রাট কাকাতুয়া খোঁজে নেমে উদাউ হয়ে গেলো কেন!!! ;?

      email এর 2nd Step Verification চালু করে রাখেন, ব্যাকয়াপ মোবাইল দিয়ে রাখেন এবং অতিওবশ্যই মোবাইল কিংবা ল্যাপ্পী বা ডেস্কি যাই হোক প্রতিবার লগইনের পরে কাজ শেষে লগ আউট করে নিয়ে ব্রাউজার হিস্টোরি আর কুকিজ ক্লিয়ার করে ফেলবেন।

      হামলায় ঘর গোছানোর চাইতে আগে ভাগেই ডিফেন্স শক্ত করে রাখেন :p

      এইগুলা সব পুরান লেখা। নতুন কিছু নাই। ;( আগে দেখেননি বলেই এমন হচ্ছে, এরকম আউলাক=ঝাউলা অন্ত্যমিলের লেখাই লিখি শুধু ;(

মন্তব্য করুন