মায়াময় শূন্যতায়

পড়শি হয়ে আসছে শীত, জড়াবে বলে, ডানা মেলে কাকাতুয়ার বেশে,
কথা বলা মায়া পাখি সরব হবে কথা না বলে শুধু চেয়ে থেকে লজ্জানত মুখে;
হৃদয়ের দ্বার খুলে ডেকে নেবে সবুজের ছায়া হয়ে।

ঝিরিঝিরি দৃষ্টিপাতে হবে বাতচিত দণ্ড দুই, হৃদয়ের যুগল পদ চিহ্নে;
ভোরবিহানের বিবর্ণ বিষণ্ণ বিচ্ছিন্ন নির্জনতায় মলিন মুখে হাসি হাসি ভাব নিয়ে দাঁড়ায় সামনে এসে প্রায়ই,
হতচকিত হই হকচকিয়ে পুরনো আমি নূতন করে সরোবর ছক কাটি কেঁচে গণ্ডূষের স্মৃতি তর্পণে।
ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে শূন্যতায় স্থির হয়ে ভেসে থাকা ঘাস ফড়িংয়ের স্তব্ধতায় সময় গুনি।
অস্তসূর্য প্রসাধন মেখে কে তুমি মায়া হরিণীর বেশে!! নক্ষত্রের অচেনা বন্দরে!!

হে সময় দাঁড়াও, দাঁড়িয়ে থেকেই দাঁড়াও; হাঁটছি আমি জোড় কদমে রাজবাড়িটির দিকে;
উচ্ছেদ অরণ্যে নয়, সবুজে চোখ পাতি। অমোঘ ভবিতব্য না মেনে।

মোট পড়েছেনঃ ৫৯৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৭টি মন্তব্য

  1. সহজ তবুও যেন বোধগম্য নয়
    কঠিন জেনেও তবু বোঝার উর্ধেব নয়
    মায়া মায়া ভাষায় এক মায়াবী কবি
    হৃদয়ের না বলা সুর এই অবেলায় বাজিয়ে যায়,,,,

  2. স্নিগ্ধ,সুন্দর কোমল একটি গল্পের আভা পেলাম লেখায়। অমোঘ ভবিতব্য না মেনে অনেক কিছুই করতে হয় আমাদের। কিছু বিষয় আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে।

    1. অনেক দিন পর, এ তল্লাটে আপনাকে দেখলাম, ভালো ও লাগল।
      আমরা আসলে অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না।
      কোমল আভা নিয়েই লিখলাম।

  3. এতো মায়াবী কাব্য! মায়ায় মায়ায় ভরে আছে লেখার উঠোন।
    কিচ্ছু বুঝিনি। মন্তব্য যে করেছি শুধু অরুনি মায়া আপুর নামের মায়াবী স্পর্শ পেয়েই। কবিতা বুঝিয়ে দিন। পিলিজ ^:^

    1. বলেন কী? জলবৎ তরলং।
      অরুনি মায়া এখানে এলো কোত্থেকে, গুরু মানুষ মাথা-মুথা আউলা হয়ে গেল নাকি
      পূজোর মৌসুমে।
      ভবিতব্য আমাদের অজানা, এ সব বোঝানোর অপচেষ্টা ভাবতে পারেন, লেখাটিতে।

  4. বাহ… -{@
    ভোরবিহানের বিবর্ণ বিষণ্ণ বিচ্ছিন্ন নির্জনতায় মলিন মুখে হাসি হাসি ভাব নিয়ে দাঁড়ায় দেখেই কি কবিতা এমন ভাব-গম্ভীর???

  5. কথা বলা মায়া পাখি সরব হবে কথা না বলে শুধু চেয়ে থেকে লজ্জানত মুখে!!!!! এ তো ভয়ানক অবস্থা দেখছি।
    আবার………উচ্ছেদ অরণ্যে নয়, সবুজে চোখ পাতি…… অমোঘ ভবিতব্য না মেনে।…… ভয় পেলাম ভাইয়া।
    পড়শিকে শুভেচ্ছা -{@

  6. শুনেছি রাজবাড়ির রাজকন্যা টি বেহালা বাদক ছদ্মবেশি রাজকুমারের শোকে শয্যাসায়ি। জোরকদমে না হাঁটলে দেরি হয়ে যেতে পারে। 🙂
    শীত ও কাকাতুয়ার বেশ নিলো? এহেম, ঘাড়ে করে রেখেন, খাঁচায় না। নূতন করে সরোবর ছক কাঁটি, খুব সুন্দর। নেয়ার মতো অনেক শব্দ আর উপমা আছে, তবে নেবোনা। পাগল আপনার শব্দ নিয়ে জরিমানা গুনতে রাজি না
    ঘাস ফরিং এর স্তব্ধতায় সময় গুনে সময় চলে যাচ্ছে, শেষে ভবিতব্য ও পালাবে। সময় কে ভালোবাসুন। শীত আসলে সোয়েটার পড়তে হয়, হাতপাখার কথা ভাবতে হয়না।

    1. দ্রুত চিকিৎসা দিয়ে তাকে ফুল ফিট করে রাখুন, বাদকের আর তর সইছে না, উফফ, আপনি তার দাঁতের দাক্তার আগে বলবেন না!! আপনি দাক্তার মানুষ যেখানে রাখলে সব পক্ষের মঙ্গল সেখানেই না হয় রাখব,
      কে আপনাকে জরিমানা করবে? ফাগোল!! শেষে কী না কী ঔষধ খাইয়ে সব দাঁত তুলে নেবেন সমুদয় রাজবাড়ীর, সে ভয় আছে না!!
      আপনি অভিজ্ঞ স্বজন, আপনার পরামর্শ মতাবেক সোয়েটার পরিধান পূর্বক শীতের দেশে গমন করিলাম,

      সিট্টি বাজালে রেস্কিঊ টিম পাঠাতে ভুল করার ভাব নিয়ে ভুল করে মগা লিবেন না যেন আবার,

      1. দাঁত ফুলফিট কেনু রাখতে চান ভাউ? ;? শীতের দেশে কি দাঁতের সমস্যা বেশি হয়? নাকি রাজবাড়ির চকলেট খাওয়া রোগ আছে?
        ভাগ্যিস আমি দাঁতের ডাক্তার না, হইলে দাঁত না, দাঁতের মাড়িতেই গন্ডগোল বাঁধায় দিতাম 🙂 রেস্কিউ টিম লাগবে কেনু? মজা নিতে সিট্টি বাজাবেন, একটু কষ্টতো সইতেই হবে ভাউ।

        1. আপনি পাশে পাশে না এলে ঠিক ভাবে মনে বল পাই না,
          বুঝতেই পারছেন রাজবাড়িতে এসেছি সাহস করে আপনার ভরসাতেই,
          জ্ঞানী আপনজন,
          কিন্তু আপনি লুক ভাল না,
          কোথায় একটু হাওয়া দেবেন, তা না, খালি খোঁচা-ফোঁচা দেন,
          ভাউ এটা ঠিক না।

  7. ভাগ্যিস শুন্য আপু আগেই মন্তব্য করছে,নাইলে বুঝতেই পারতাম না রাজকুমারী, রাজপুত্র কাহিনী।

    আমাকে নিয়ে কেউ লেখে না। 🙁

      1. আচ্ছা এই ব্যাপার! তবে কথা হচ্ছে আমি শুন্যাপু কোথাকারকে যা দেই তা আপু যত্ন করে রেখে দেয় , আপনি কি তেমন যত্ন করবেন? নাকি অন্য কাউকে দিয়ে দিবেন? সেটা আগে বলুন দেখি |

মন্তব্য করুন