ঘুম, তুমি ঘুমাও, আমি জেগে থাকি।
রাত্রিময় অঘুম সুনসানের এ দেশে, এ পাশ ও পাশ করে, নিঃশব্দে ঘুমের অমর্ত্য রাগিণীর তান ছুঁয়ে এঘর ওঘর করি, ঘুমানোর চেষ্টায়, স্বপ্নোত্থিত স্বপ্নের শেন্যসম দৃষ্টিভয়ে জেগে থাকি, জেগে জেগে সকাল দেখি, আবার ঘুমিয়ে পড়ি ঘুমহীন ভাবে,
নাকডাকা বিগত যৌবনা স্বপ্নঘোর স্বপ্নভোরের নিকুচি করি, ভয় পেয়ো না ঘুম, ঘুমাও, এসেছি, আসবো আবার আকাশী সিঁড়ি বেয়ে। দুষ্টু ভীষণ কিচিরমিচিরের চড়ুই ঘুম, কতবার দিয়েছি হুস হুস, হয়নি কিছু কাজের কাজ, ফিরে ফিরেই আসে, ঘুম ক্রমাগত মেপে মেপে চলে আপনার একান্তে, দেশ থেকে মহাদেশে, অন্ধ চলাচলের প্রেম বয়ে যায় আমৃত্যু।
বুড়ো হাবড়াদের ভীমরথী কবিতায় ভর করে, যা পারেনি তা পারতে; বেপথু হয়ে আসে ঘুম ভাঙ্গাতে, স্বাপ্নিকের ঘুমের দেশে অজস্র বিকট বিমর্ষ ধুন্ধুমার কাকতাড়ুয়া ঘোরদুপুরের ঔদাস্যে,
হে মধ্যরাতের তামাটে প্রহরের শয্যাশায়ী ঘুম– লেবু পানি, রোদজল বা কমলালেবুর রস চাই? পাবে তো তা অবশ্যই, তবু ঘুমাও নিশ্চিন্তপুরে; কোমল অনল পানে ডুবেও চোখ মেলেই রাখি।
ঈশ্বর প্রকাশ্যে হাসেন, দিনের শেষে রাতের প্রহরে!!
রূপকথা……২
মোট পড়েছেনঃ ৭৫৮জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
আপনার লেখায় অনেক দিন পরে প্রথম মন্তব্য করার সুযোগ পেলাম।আহ শান্তি,ওম শান্তি ওম 🙂
আমার শান্তি শান্তি লাগল প্রথমেই আপনাকে পেয়ে,
ইদানিং আপনার দেখা পাওয়াই ভার!!
লিখুন কিছু একটা। কত দিন পড়ি না আপনাকে।
এ কি দেখলাম হেলাল ভাইয়া!!! লীলাপু সবার আগে কমেন্ট করলেন!!!
পোস্ট দিয়েছেন উনি আর যা দিয়েছেন তাতে আমার আক্কেল গুড়ুম হবার দশা (ভয়ে ব্যাপক ইমু হপে)
হ্যাঁ, তাইতো, সবার আগেই লিখলেন।
ভয় পাওয়া কিন্তু খারাপ না।
ভয় পাই নাই হেলাল ভাইয়া, তবে ভয় খেয়ে গেছি :p
ও তাইলে তো প্রথমে মন্তব্য করা থেকে দূরেই থাকতে হবে…… 🙁
দূরে থাকিলেও কেউ কেউ কাছেই থাকে।
মনের দূরত্বই সব চাইতে বেশী দূরের যা সহজেই কাছে নিয়ে আসে ভালবাসার অনুভবে-ফীলিং সোনেলার টানে কাছে আসার গল্পো 😀 -{@
বাহ্, দারুণ বিশ্লেষণ।
😀 (3 (3 (3
ঘুম চাইলেই আপনাকে ঘুমুতে কে দিচ্ছে?চড়ুই হয়ে আসবোই আসবো,যতই হুস হুস করুন না কেন 😀
তাই তো দেখছি, চাইলেই পাচ্ছি না ঘুম কে।
ঐ যে, বিধাতার হাসি জারি আছে।
রাত গভীর হলেই যে কিনা ঘুম তাড়াবার সুব্যবস্থা করে নিয়ে বসে, অনুভূতি ঘরের তালা খুলে দেয়, সে যদি ঘুমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তা কি মেনে নেয়া যায়,,,,,
মেনে নেয়া যায় না তা ঠিক, কিন্তু তার পরেও কিছু না বলা কথা থেকেই যাচ্ছে।
বেশ বলেন আপনি।
জি চোখের নিচে কালি, খিটখিটে মেজাজ, ভোরের হাওয়া থেকে বঞ্চিত ঘুমহীন এক ঘুম কাতুরে মানুষ ঘুমের খোঁজে কাব্যিক আহবান জানাচ্ছেন ঘুমকে দরজার বাহিরে অপেক্ষারত অবস্থায় রেখে। কথা তো অবশ্যই কিছু বাকি থেকে যায়,,,, ,
থাক না গুপন কিছু কথা, এই অবসরে।
আধুনিক রূপকথা পড়তে ভালোই লাগে—
ভালো লাগলেই ভালো।
তবু আসেনা ঘুম আমার দুই চোখে,
তরুনী মেঘল চুলের বেনী বাধা ভাজে,
জুই বেলী গন্ধরাজের কানন ভাগে
শরতের মেঘ হয়ে পালিয়ে বেড়ায়
ঘুম ভাংগা হৃদয়ের স্বপ্ন বয়ে ।
তবু আসেনা ঘুম আমার দুই চোখে,
আচ্ছা, নিঘুম আপনাকেও খুঁজে নিয়েছে!! খুব সাবধান।
ঘুম কি অবশেষে এলো? আদৌ কি ঘুমায় আমাদের মানবীয় সত্ত্বা? জেগে থাকে অবচেতন মনে। ওই অবচেতনে স্বস্তি-সুখ জড়িয়ে রাখে। ভুল বললাম? আজকাল আবার শেকড়েই চলে গেছেন। কবিতায় মুগ্ধতা। -{@
ফিরে ফিরে যায় যতোই দূরে থাকুক ঘর
ডাকে, হাতছানি দেয় শেকড়
শেকড়চ্যুত হতে নেই। সে রাই কিংবা দেবী কিংবা আর যে-ই হোক না কেন :p
আপনিও আজকাল খুব কঠিন মন্তব্য করেন।
শেকড়ের ডাক উপেক্ষার উপায় নেই, আর সেখানে রাইয়েরাও থাকে পরম যত্নে একান্ত
আপনজন হয়ে আপনের ই মতন।
বলেন কি! আমি কঠিন!!!
বাপু কি যে হয়েছে ভগবানই জানেন!
আপনি বলেন কঠিন, আর জানেন আমার একটা বন্ধু ও বলে আমি নাকি ঝগড়ুটে হয়ে গেছি।
কি যে জ্বালা।
রাই গো তুমি কই গো!
কবি ভাইরে আগলে রাইখো গো। 😀 দাঁত লাগিয়েছি নতূন করে :p
আপনি দেখছি মহা ইয়ে হয়ে যাচ্ছেন,
রাই এর দিকে তাকাবেন না যেন, আপনাদের পাল্লায় পড়লে সে আর সে থাকবে না।
দাঁতের যত্ন নিন।
মুক্তগদ্য!!!!!!!
আহ!! অনেক সহজ করে লিখছেন অনেক দিন পরে :p এইজন্য ডাবল (3 (3 -{@ -{@ আপনাকে হেলাল ভাইয়া 😀
খুবই সহজ, তবে এখনই ডাবল দিয়ে ফললে তো হবে না।
এরপর তো আরও আছে। তখন কী হবে!
ইমুর অভাব হবে না 😀
আর আপনার এই মুক্তগদ্য উপলক্ষে এই গানঃ
খালিদের গাওয়া ‘ঘুমাও তুমি ঘুমাও গো জান- https://youtu.be/YbRFzwnW25Y
ফাহমিদা নবীর কন্ঠে একই গানঃ https://youtu.be/C47jBurAzGM
দুটোই শুনলাম।
ইমুর অভাব হবে না 😀
আর আপনার এই মুক্তগদ্য উপলক্ষে এই গানঃ
খালিদের গাওয়া ‘ঘুমাও তুমি ঘুমাও গো জান- https://youtu.be/YbRFzwnW25Y
একই গান এইবার ফাহমিদা নবীর কন্ঠেঃ https://youtu.be/C47jBurAzGM
ফাহমিদারটি বেশি ভাল লাগল।
খুব সুন্দর গান। শুনলাম।
আপনার জন্য এই গান ডেডিকেট করা হলো তবে। আর জান বলার মানুষ আপনার আছেই :p
খুব ই দুষ্ট হয়ে যাচ্ছে সবাই।
স্পর্শে লজ্জাবতীও সাড়া দেয় :p
খুব ই অভিজ্ঞ দেখছি।
একেবারে সিঁড়ি ছাড়া নামার ট্র্যাপে ফেলে দিলেন দেখছি ;?
যারা পারে তারা পারে,
-{@ রাত্রিময় অঘুম সুনসানের এ দেশে, এ পাশ ও পাশ করে, নিঃশব্দে ঘুমের অমর্ত্য রাগিণীর তান ছুঁয়ে এঘর ওঘর করি -{@
চমৎকার লিখনি
চমৎকার কিনা জানিনা, তবে ভাবনার প্রকাশনা মাত্র।
ঘুমের জন্য এতো কিছু?
পাহারাদার পেয়ে ঘুম কি ঘুমিয়েই পড়েছে,নাকি জেগে আছে?
ঘুম কোন হেলাফেলার বিষয় নয়,
সে তো কঠিন প্রশ্ন কে ঘুমায় আর কেই পাহারা দেয়।
ঘুমদের ঘুমেরা পাহারা দিক
আচ্ছা ঘুম হলে কি রূপকথা থেমে যাবে?
পাহারা চলছে চলবে।
ঘুমালে থেমে যেতেই পারে, তাই অঘুমের আয়োজন।
অঘুমপায়ীরা অনেক কিছু পারে, চাইলে ঘুম কে পাহারা দিতে পারে, চাইলে বেপথু হয়ে ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিতে পারে। রুপকথার রাজ্যে সোনা আর রুপোর কাঠি নেই? তবে রূপকথার সেই ব্যাকগ্রাউন্ড সুর পুরোটাই আছে লেখাতে।
ঈশ্বরের সাথে দেখা হবার জন্যে হলেও আমার রাত জাগা উচিৎ, কিন্তু হায় ঘুম, মরার ঘুম ছাড়িস না ক্যান?
অনেক ভালো লেগেছে ভাউ। লেখার জন্য বিনামূল্যে টিপস কিন্তু দেয়া উচিৎ।
চাইলেও সবাই সব কিছু পায় না, অবশ্য যা পাওয়া যায় স্বতস্ফূর্ত ভাবে তাও অনেক।
আমতা তা নিয়েই আনন্দে থাকি। বাহ্ ব্যাকগ্রাউন্ডে তা আছে, আপনার কাছে ধরাই ধরা।
আপনার জন্য ঘুম ই উত্তম।
আপনি টিপস্ চাইছেন!! চাইলে টিপস্ কেন পুড়ো লেখাই দিতে পারি, অনুমতির অপেক্ষা মাত্র।