অনেক সময় মোবাইল থেকে ফাইল শেয়ার করা বিশেষ প্রয়োজন হয়ে পড়ে। কিন্তু আধুনিক সকল ফাইল শেয়ারিং সাইট কিংবা ক্লাউড ড্রাইভ গুলোর সবাই মোবাইল ব্রাউজারের মাধ্যমে ফাইল আপলোড কিংবা ডাওনলোড প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে সম্পন্ন করতে পারে না। ঐ রকম গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মোবাইল থেকে ফাইল শেয়ারিং একটি সমস্যা হয়ে দাড়ায়।
তবে বিশেষ কিছু ফাইল শেয়ারিং সাইট রয়েছে, যারা তাদের সিস্টেমটাই তৈরি করেছে মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা চিন্তা করে। ঐ সকল সার্ভিস আপনি আপনার মোবাইলের সাধারণ থেকে শুরু করে আধুনিক ব্রাউজারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন। আজ তেমন কিছু মোবাইল ফাইল শেয়ারিং সাইট নিয়েই আলোচনা করব।
Datafilehost.com মূলত পিসি ভিত্তিক ফাইল শেয়ারিং ইন্টারফেস। তবে মোবাইলের সাধারণ ব্রাউজার থেকেও ফাইল আপলোড এবং ডাওনলোড করা সম্ভব। এর ফিচার গুলি নিম্নরূপ-
ফাইল সাইজ লিমিটঃ সর্বোচ্চ 150MB প্রতি ফাইল।
রেজিস্ট্রেশনঃ রেজিস্ট্রেশন করার কোন পদ্ধতি নেই।
সাপোর্টেড ফাইল টাইপঃ যে কোন ধরণের ফাইল আপলোড করা যাবে।
সংরক্ষণ সময়সীমাঃ শেষ ডাওনলোড হতে ৯০ দিন পর্যন্ত সার্ভারে ফাইল সংরক্ষিত থাকবে।
4shared.com সাইটিরও দুটি আলাদা ইন্টারফেস রয়েছে। পিসি এবং মোবাইল উভয় ব্যবহারকারী ব্রাউজার এবং 4shared এ্যাপ ব্যবহার করে ফাইল আপলোড, ডাওনলোড, শেয়ারিং এবং সম্পাদনা করতে পারবেন। ফ্রি একাউন্ট হিসেবে আপনাকে 15GB ড্রাইভ স্পেস দেয়া হবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ 3GB পর্যন্ত ব্যান্ডউইথ ব্যবহারযোগ্য। এর সুবিধাদি নিম্নে দেয়া হল –
ফাইল সাইজ লিমিটঃ সর্বোচ্চ 2GB প্রতি ফাইল।
রেজিস্ট্রেশনঃ আপলোড এবং ডাওনলোড করার জন্যে অবশ্যই আপনাকে 4shared.com সাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
সাপোর্টেড ফাইল টাইপঃ যে কোন ধরণের ফাইল আপলোড করা যাবে।
সংরক্ষণ সময়সীমাঃ নির্দিষ্ট সংরক্ষণ সময়সীমা নেই। তাদের নীতিমালা বহির্ভূত না হলে এবং ফাইলের ব্যাপারে কোন আপত্তি না জানালে ব্যবহারকারীর ইচ্ছানুযায়ী সময় পর্যন্ত ফাইল সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে।
ShareMobile.ro সাইটটির ডেক্সটপ এবং মোবাইলের জন্যে দুটো আলাদা আলাদা ভার্সনই রয়েছে। আপনি ডেক্সটপে ব্যবহার করার সময় সরাসরি এর ডেক্সটপ ইন্টারফেস একসেস করতে পারবেন, এবং মোবাইল থেকে মোবাইল ইন্টারফেস। নিম্নে এর সুবিধাগুলি দেয়া হল-
ফাইল সাইজ লিমিটঃ সর্বোচ্চ 10MB প্রতি ফাইল।
রেজিস্ট্রেশনঃ আপলোড করার জন্যে রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক নয়। তবে আপনি চাইলে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
সাপোর্টেড ফাইল টাইপঃ যে কোন ধরণের ফাইল আপলোড করা যাবে।
সংরক্ষণ সময়সীমাঃ সংরক্ষণ করার কোন সময়সীমা নির্ধারণ করা নেই। তবে কেউ ফাইলের ব্যাপারে আপত্তি জানালে সেটা দ্রুত ডিলিট করে দেয়া হয়।
এ ছাড়াও আরও কিছু সাইট রয়েছে। কিন্তু সে সকল সাইটে ফাইল আপলোড এবং ডাওনলোড করা বেশ ঝামেলাপূর্ণ। পাশাপাশি সাইটের কন্টেন্ট আপত্তিকর হবার কারণে সেগুলি এখনে শেয়ার করা হল না।
জনপ্রিয় কিছু ক্লাউড সার্ভিসেরও মোবাইল ভার্সন রয়েছে। কিন্তু সে সকল ক্লাউড সাইটের সকল ফিচার মোবাইল ব্রাউজার সাপোর্টেড নয়। তবে হাল-জামানার স্মার্টফোনে অতিরিক্ত কোন এ্যাপ ব্যবহার ছাড়াই শুধু ব্রাউজারের মাধ্যমে এই সাইট গুলি থেকে ফাইল ডাওনলোড কিংবা আপলোড করা সম্ভব।
4shared চমৎকার একটি সার্ভিস। কিন্তু ফাইল আপলোড করার পরেও ডাওনলোড করার জন্যে একাউন্টের প্রয়োজন পড়ে, যা একটু ঝামেলার মনে হয়েছে। তবে এখন ফেসবুক, টুইটর একাউন্ট প্রায় সবারই রয়েছে, আর ঐ সব একাউন্ট কাজে লাগিয়েও 4shared ডাওনলোড করা যায়। এদিক থেকে কিছুটা সুবিধার। তবে ডাওনলোড করার জন্যে একাউন্টের প্রয়োজন না পড়লেই বেশি ভালো হতো।
ধন্যবাদ ভাইয়া এত কিছু শেয়ারের জন্য।ক্লাউড সার্ভিস নিয়ে কিছু জানাবেন কি ? দেখি কেবল ক্লাউড ক্লাউড। একটি আলাদা পোষ্ট দিয়ে বুঝানো যায়?
এনড্রয়েড ফোনের এপ্লিকেশন গুলো চলতেই থাকে।এমন কোন এপ্লিকেশন কি আছে,যাতে রানিং এপ্লিকেশন ইচ্ছে মত বন্ধ,চালু করা যায়?
আরো অনেক প্রশ্ন ছিলো,অনুমতি দিলে আর বিরক্ত না হলে বলা যায় 🙂
:D) আমার জ্ঞান সীমিত, তবুও জানার থাকলে অবশ্যই জিজ্ঞাস করবেন। আমি চেষ্টা করব উত্তর দিতে। আর আমি না পারলেও এখানে অনেকেই আছে, তারা উত্তর দিতে পারবে আশা করছি।
ক্লাউড নিয়ে ঠিক কোন বিষয়টি জানতে চান সেটি বললে হয়তো কিছুটা বলতে পারব।
সাধারণত আমাদের হার্ডডিস্কে/মেমরি কার্ডে যেমন করে ফাইল সংরক্ষণ করি তেমনি ওয়েবে ফাইল সংরক্ষণ করা যায়। ফাইল গুলি বিভিন্ন ডেটা স্টোর সেন্টারে সংরক্ষিত থাকে সেই সময়টাতে। তবে নির্দিষ্ট করে কোন ডাটা সেন্টারে সেটা রয়েছে তা বলা সাধারণ ভাবে সম্ভব নয়। আবার এই ফাইল গুলি 24/7 অনলাইনে থাকতে হয়, যাতে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন পড়া মাত্রই আবার ফাইল গুলি একসেস করতে পারে। বিশাল এবং সীমাহীন এই স্টোরেজ সিস্টেমকে মেঘের সাথে তুলনা করেই নামকরণ করা হয় “ক্লাউড সার্ভিস”। যদিও ক্লাউড সার্ভিসটি শুধুমাত্র স্টোরেজ সুবিধার মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই এখন। এর ব্যাপ্তি বিশাল আকারে ইন্টারনেট দুনিয়াতে ছড়িয়ে আছে। আমরা যে সকল সাইট এখন ব্যবহার করছি তারও কোন ক্লাউডে সংরক্ষিত এবং নির্দিষ্ট প্রয়োজনে শুধু মাত্র নির্দিষ্ট ডেটাটাই আমরা একসেস করতে পারছি এর কারিগরি উন্নতির কারণে।
এর বাইরে যেসব জিজ্ঞাসা আছে তা নির্দ্বিধায় করে ফেলুন। চেষ্টা করে দেখি উত্তর দেয়া যায় কি না 🙂
সহমত
ব্লগে থাকলে আসলে অনেক কিছুই জানা হয়ে যায়। এমন কি যে সব টপিক ধারণার একদম অনেক বাইরে থাকে তার সম্বন্ধেও অনেক গভীর ধারণা পাওয়া যায় ব্লগ পোষ্ট থেকেই। শুধু টেক দিক থেকে নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভূতত্ত্ব সহ আরও অনেক বিষয় সম্বন্ধে ব্লগ পোষ্ট থেকেই অনেক জেনেছি।
লীলাবতী
অনেক কিছু জানলাম।এত ফাইল শেয়ারিং সাইট আছে,জানা ছিল না। ধন্যবাদ আপনাকে।
এখানে ব্লগ মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কিছু পোষ্ট থাকে যা পরে প্রয়োজন পড়বে বলে মনে হয়, কিংবা অনেক ভালো লাগারও কিছু পোষ্ট মাঝে মাঝে হয় এখানে। যদি “প্রিয় পোষ্ট” নামের অপশন যুক্ত করা হয় তাহলে সেই সব পোষ্ট গুলির নিজের প্রোফাইলের একটা সেকশনে সংরক্ষিত থাকার সুবিধা আমরা পাব। বিভিন্ন ওয়ার্ড-প্রেস ব্লগে এই অপশনটি রয়েছে, সোনেলাতে উক্ত সুবিধাটি যুক্ত করলে আমার ধারণা সকল ব্লগারদেরই সুবিধে হবে।
সোনেলাতে তো আছেই, আপনি পোষ্টের লিংকগুলি আপাতত একটি ড্রাফট পোষ্টে সংরক্ষণ করে রাখলে পুরো পোষ্ট আর সংরক্ষণ করার ঝামেলাতে যেতে হবে না। পাশাপাশি আপনি নিজেও যে কোন সময়, যে কোন স্থান থেকে ঐ গুলি ঘুরে দেখতে পারবেন 🙂
সময় নিয়ে লেখাটি দেখা এবং চমৎকার মন্তব্য দেবার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ 🙂
এমন আরও কিছু পোষ্ট টপিক রয়েছে, কিন্তু এখানে শেয়ার করতে এক ধরণের অস্বস্তি কাজ করে। সোনেলাতে মূলত এই ধরণের টপিক নিয়ে বিশেষ কেউ লিখে না। মাঝে “ব্লগার সজীব” এবং “সঞ্জয় কুমার” কিছু পোষ্ট করছিলেন। কিন্তু তাদের পোষ্ট গুলি অনিয়মিত হওয়ায় ধারণা করছিলাম এখানে এই ধরণের টপিক মূলত তেমন গ্রহণযোগ্য নয়। আর সেই ধারণা থেকেই এই ধরণের পোষ্ট গুলি দেয়ার ইচ্ছে হারাচ্ছিল।
আপনি আপলোড করার পর যাকে লিংক দিবেন শুধুমাত্র সে একসেস করতে পারবে কিংবা দেখতে পারবে আপনার আপলোড করা ফাইলটি। তবে ফাইলটিতে যদি ভাইরাস থাকে তাহলে সার্ভারের সিকিউরিটি সেটা চেক করবে, অন্যথায় সার্ভার সেগুলিকে ঘাঁটাবে না।
ফাইল আপলোড করার পর আপনি তা মুছে ফেলবার কিংবা ডিলিট করার লিংক কিংবা কোডও পাবেন। প্রয়োজন শেষে আপনি সরাসরি ফাইল ডিলিট করে দিতে পারবেন।
তবে একান্তই ব্যক্তিগত এবং খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলে এই সকল সার্ভার ব্যবহার করার চেয়ে নিরাপদ কোন সার্ভার ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
আপনি যদি মোবাইল হতে ব্যবহার করেন তাহলে শুধুমাত্র ফাইল শেয়ার করার সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে প্রথমে আপনি ফাইলটি আপলোড করুন। এরপর আপলোড শেষে ফাইলের উপর ক্লিক করুন। নতুন যে লিংক পেইজ লোড হবে সেটি যেখানে বা যার প্রয়োজন তার সাথে শেয়ার করুন।
আপনি যদি পিসি থেকে ব্যবহার করেন তাহলে প্রথমে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। তারপর যেসব ফাইল শেয়ার করতে চান তার সব ঐ ফোল্ডারে আপলোড করুন। এবার ফোল্ডারের পাশের ড্রপ আইকনে ক্লিক করে Share অপশনটি সিলেক্ট করুন। কিছুক্ষণের মাঝেই আপনি আপনার ফোল্ডারের শেয়ার লিংক পেয়ে যাবেন। এখন এটি যেখানে বা যার প্রয়োজন তাকে দিলে সে উক্ত ফোল্ডারে থাকা সমস্ত ফাইল ডাওনলোড করে নিতে পারবে 🙂
তারপরও বুঝতে সমস্যা হলে জানাবেন। এর উপর নতুন করে পোষ্ট লিখে সেটি পাবলিশ করবো 🙂
৩০টি মন্তব্য
ব্লগার সজীব
4shared এর কথা জানতাম আমি।এখন অনেক গুলো জানলাম।ধন্যবাদ আপনাকে এমন এক পোষ্টের জন্য।
অলিভার
4shared চমৎকার একটি সার্ভিস। কিন্তু ফাইল আপলোড করার পরেও ডাওনলোড করার জন্যে একাউন্টের প্রয়োজন পড়ে, যা একটু ঝামেলার মনে হয়েছে। তবে এখন ফেসবুক, টুইটর একাউন্ট প্রায় সবারই রয়েছে, আর ঐ সব একাউন্ট কাজে লাগিয়েও 4shared ডাওনলোড করা যায়। এদিক থেকে কিছুটা সুবিধার। তবে ডাওনলোড করার জন্যে একাউন্টের প্রয়োজন না পড়লেই বেশি ভালো হতো।
আপনাকেও ধন্যবাদ সময় নিয়ে লেখাটি দেখার জন্যে 🙂
শুভ কামনা জানবেন -{@
মেহেরী তাজ
কয়েক দিন আগে একটা মাত্র সাইটের নাম, সিস্টেমের দরকার ছিলো পাইনি। আজ কত্তগুলা পেলাম। যাক কি আর করা…. পরের বার কাজে লাগবে।
ধন্যবাদ আপনাকে…..
অলিভার
প্রয়োজনের সময় যেটা প্রয়োজন সেটা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, আমার বেলাতেও এমন হয়েছে। পরে কোন সহজ পদ্ধতি না পেয়ে বিকল্প পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়েছে।
আশা করছি ভবিষ্যতে প্রয়োজন পড়লে আপনার সুবিধা হবে 🙂
শুভ কামনা আপনার জন্যে 🙂
সোনিয়া হক
ধন্যবাদ ভাইয়া এত কিছু শেয়ারের জন্য।ক্লাউড সার্ভিস নিয়ে কিছু জানাবেন কি ? দেখি কেবল ক্লাউড ক্লাউড। একটি আলাদা পোষ্ট দিয়ে বুঝানো যায়?
এনড্রয়েড ফোনের এপ্লিকেশন গুলো চলতেই থাকে।এমন কোন এপ্লিকেশন কি আছে,যাতে রানিং এপ্লিকেশন ইচ্ছে মত বন্ধ,চালু করা যায়?
আরো অনেক প্রশ্ন ছিলো,অনুমতি দিলে আর বিরক্ত না হলে বলা যায় 🙂
অলিভার
:D) আমার জ্ঞান সীমিত, তবুও জানার থাকলে অবশ্যই জিজ্ঞাস করবেন। আমি চেষ্টা করব উত্তর দিতে। আর আমি না পারলেও এখানে অনেকেই আছে, তারা উত্তর দিতে পারবে আশা করছি।
ক্লাউড নিয়ে ঠিক কোন বিষয়টি জানতে চান সেটি বললে হয়তো কিছুটা বলতে পারব।
সাধারণত আমাদের হার্ডডিস্কে/মেমরি কার্ডে যেমন করে ফাইল সংরক্ষণ করি তেমনি ওয়েবে ফাইল সংরক্ষণ করা যায়। ফাইল গুলি বিভিন্ন ডেটা স্টোর সেন্টারে সংরক্ষিত থাকে সেই সময়টাতে। তবে নির্দিষ্ট করে কোন ডাটা সেন্টারে সেটা রয়েছে তা বলা সাধারণ ভাবে সম্ভব নয়। আবার এই ফাইল গুলি 24/7 অনলাইনে থাকতে হয়, যাতে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন পড়া মাত্রই আবার ফাইল গুলি একসেস করতে পারে। বিশাল এবং সীমাহীন এই স্টোরেজ সিস্টেমকে মেঘের সাথে তুলনা করেই নামকরণ করা হয় “ক্লাউড সার্ভিস”। যদিও ক্লাউড সার্ভিসটি শুধুমাত্র স্টোরেজ সুবিধার মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই এখন। এর ব্যাপ্তি বিশাল আকারে ইন্টারনেট দুনিয়াতে ছড়িয়ে আছে। আমরা যে সকল সাইট এখন ব্যবহার করছি তারও কোন ক্লাউডে সংরক্ষিত এবং নির্দিষ্ট প্রয়োজনে শুধু মাত্র নির্দিষ্ট ডেটাটাই আমরা একসেস করতে পারছি এর কারিগরি উন্নতির কারণে।
এর বাইরে যেসব জিজ্ঞাসা আছে তা নির্দ্বিধায় করে ফেলুন। চেষ্টা করে দেখি উত্তর দেয়া যায় কি না 🙂
লীলাবতী
ক্লাউড সার্ভিস নিয়ে আমারো জানার ছিল।জেনে গেলাম 🙂 একারনেই আসলে ব্লগে থাকা।প্রশ্ন না করেই অনেক কিছু জানা হয়ে যায় 🙂
অলিভার
সহমত
ব্লগে থাকলে আসলে অনেক কিছুই জানা হয়ে যায়। এমন কি যে সব টপিক ধারণার একদম অনেক বাইরে থাকে তার সম্বন্ধেও অনেক গভীর ধারণা পাওয়া যায় ব্লগ পোষ্ট থেকেই। শুধু টেক দিক থেকে নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভূতত্ত্ব সহ আরও অনেক বিষয় সম্বন্ধে ব্লগ পোষ্ট থেকেই অনেক জেনেছি।
লীলাবতী
অনেক কিছু জানলাম।এত ফাইল শেয়ারিং সাইট আছে,জানা ছিল না। ধন্যবাদ আপনাকে।
অলিভার
:p আরও অনেক রয়েছে। তবে সব গুলি সকল ডিভাইস এবং সহজে ব্যবহার যোগ্য মনে না হওয়ায় এই কয়টিই শেয়ার করলাম।
ক্লাউড সার্ভিসের হটলিংক তৈরির আরও একটি পর্ব রয়েছে। সামনে সেটা শেয়ার করার ইচ্ছে রয়েছে 🙂
ইমন
হাতে হাতে শেয়ার করার কোনো উপায় আছে :3
অলিভার
অবশ্যই আছে 😉 তবে ঐটা তোমার বেলাতে প্রযোজ্য নহে ইমন ভায়া :p
খেয়ালী মেয়ে
ধন্যবাদ এতো কিছু শেয়ার করার জন্য–আপনার পোস্টগুলো আমাকে সবসময় সেভ করে রাখতে হয়, বলাতো যায় না যে কখন কোনটার প্রয়োজন পড়বে…
অলিভার
এখানে ব্লগ মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কিছু পোষ্ট থাকে যা পরে প্রয়োজন পড়বে বলে মনে হয়, কিংবা অনেক ভালো লাগারও কিছু পোষ্ট মাঝে মাঝে হয় এখানে। যদি “প্রিয় পোষ্ট” নামের অপশন যুক্ত করা হয় তাহলে সেই সব পোষ্ট গুলির নিজের প্রোফাইলের একটা সেকশনে সংরক্ষিত থাকার সুবিধা আমরা পাব। বিভিন্ন ওয়ার্ড-প্রেস ব্লগে এই অপশনটি রয়েছে, সোনেলাতে উক্ত সুবিধাটি যুক্ত করলে আমার ধারণা সকল ব্লগারদেরই সুবিধে হবে।
সোনেলাতে তো আছেই, আপনি পোষ্টের লিংকগুলি আপাতত একটি ড্রাফট পোষ্টে সংরক্ষণ করে রাখলে পুরো পোষ্ট আর সংরক্ষণ করার ঝামেলাতে যেতে হবে না। পাশাপাশি আপনি নিজেও যে কোন সময়, যে কোন স্থান থেকে ঐ গুলি ঘুরে দেখতে পারবেন 🙂
সময় নিয়ে লেখাটি দেখা এবং চমৎকার মন্তব্য দেবার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ 🙂
খেয়ালী মেয়ে
খুব ভালো প্রস্তাব…
আশা করি সোনেলা কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখবে…
অলিভার
🙂 🙂
জিসান শা ইকরাম
কাজের পোষ্ট।
এমন পোষ্টের জন্য সীমাহীন ধন্যবাদ।
অলিভার
এমন আরও কিছু পোষ্ট টপিক রয়েছে, কিন্তু এখানে শেয়ার করতে এক ধরণের অস্বস্তি কাজ করে। সোনেলাতে মূলত এই ধরণের টপিক নিয়ে বিশেষ কেউ লিখে না। মাঝে “ব্লগার সজীব” এবং “সঞ্জয় কুমার” কিছু পোষ্ট করছিলেন। কিন্তু তাদের পোষ্ট গুলি অনিয়মিত হওয়ায় ধারণা করছিলাম এখানে এই ধরণের টপিক মূলত তেমন গ্রহণযোগ্য নয়। আর সেই ধারণা থেকেই এই ধরণের পোষ্ট গুলি দেয়ার ইচ্ছে হারাচ্ছিল।
ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য দিয়ে উৎসাহ দেবার জন্যে 🙂
সঞ্জয় কুমার
আসলে প্রচন্ড ব্যাস্ততায় এখন আগের মত সময় দিতে পারিনা । কোন মতে একবার ঢু মমেরে আবার চলে যায় । আপনার লেখা গুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয়
মনির হোসেন মমি(মা মাটি দেশ)
এমন দরকারী এই সোনেলায় অলিভার এবং সোনিয়া হক হতেই পাই দেরী না করে সেভ করে রাখি প্রয়োজনে কাজে আসবে।বিশেষ ধন্যবাদ অনেক শেয়ারিং টেনসন থেকে বাচালেন।
অলিভার
মন্তব্য দিয়ে উৎসাহ দেবার জন্যে অনেক ধন্যবাদ মনির ভাইয়া 🙂
নীলাঞ্জনা নীলা
এসবে আমি আপলোড করলে অন্যরা তা দেখবে?
অলিভার
আপনি আপলোড করার পর যাকে লিংক দিবেন শুধুমাত্র সে একসেস করতে পারবে কিংবা দেখতে পারবে আপনার আপলোড করা ফাইলটি। তবে ফাইলটিতে যদি ভাইরাস থাকে তাহলে সার্ভারের সিকিউরিটি সেটা চেক করবে, অন্যথায় সার্ভার সেগুলিকে ঘাঁটাবে না।
ফাইল আপলোড করার পর আপনি তা মুছে ফেলবার কিংবা ডিলিট করার লিংক কিংবা কোডও পাবেন। প্রয়োজন শেষে আপনি সরাসরি ফাইল ডিলিট করে দিতে পারবেন।
তবে একান্তই ব্যক্তিগত এবং খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলে এই সকল সার্ভার ব্যবহার করার চেয়ে নিরাপদ কোন সার্ভার ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ধন্যবাদ সময় নিয়ে পোষ্ট পড়ার জন্যে 🙂
মিথুন
কতো অজানারে……… !!!
অলিভার
আমারও কিন্তু অনেক কিছুই অজানা আছে :p
শুন্য শুন্যালয়
এই পোস্টটিও কপি পেস্ট করে রাখলাম। দরকারের সময় সার্চ দিয়ে মাথা খারাপ হয়ে যায়, কোনটা ফলো করবো ভেবে। আপনার মতো টেকি পেয়ে চিন্তায় চিন্তায় টাক হবার থেকে রক্ষা পেলাম। ধইন্যবাদ 🙂
অলিভার
:D) হয়তো শেষে দেখা যাবে এইসব হিজিবিজির কোনটাই কোন কালে প্রয়োজনের ছিল না :p
লীলাবতী
4shared.com এ আইডি করলাম।ফাইলও জমা করছি।এখন কিভাবে ফাইলগুলো শেয়ার দেবো? আমার আইডি বলে দিলেই হবে? একটু বুঝিয়ে বলুন প্লিজ।
অলিভার
আপনি যদি মোবাইল হতে ব্যবহার করেন তাহলে শুধুমাত্র ফাইল শেয়ার করার সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে প্রথমে আপনি ফাইলটি আপলোড করুন। এরপর আপলোড শেষে ফাইলের উপর ক্লিক করুন। নতুন যে লিংক পেইজ লোড হবে সেটি যেখানে বা যার প্রয়োজন তার সাথে শেয়ার করুন।
আপনি যদি পিসি থেকে ব্যবহার করেন তাহলে প্রথমে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। তারপর যেসব ফাইল শেয়ার করতে চান তার সব ঐ ফোল্ডারে আপলোড করুন। এবার ফোল্ডারের পাশের ড্রপ আইকনে ক্লিক করে Share অপশনটি সিলেক্ট করুন। কিছুক্ষণের মাঝেই আপনি আপনার ফোল্ডারের শেয়ার লিংক পেয়ে যাবেন। এখন এটি যেখানে বা যার প্রয়োজন তাকে দিলে সে উক্ত ফোল্ডারে থাকা সমস্ত ফাইল ডাওনলোড করে নিতে পারবে 🙂
তারপরও বুঝতে সমস্যা হলে জানাবেন। এর উপর নতুন করে পোষ্ট লিখে সেটি পাবলিশ করবো 🙂
ধন্যবাদ
সঞ্জয় কুমার
মিডিয়া ফায়ার কিন্তু এ ব্যাপারে বেশ জনপ্রিয়