বাহুল্য বচন


এই আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর বচন।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সন্তান শিক্ষাশেষে চাকরী না খুজে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ। সবাই উদ্যোক্তা হ!

আবার তাঁর সুনামধন্য উপদেষ্টার মাধ্যমে ছাত্রলীগকে প্রতিষ্ঠিত বা চাকরী দেওয়ার সুপারিশ । এরা কি সাধারণ মানুষকে এতই বোকা ভাবে। এইরাজনিতির শেষ কোথায়?

এই নস্টালজিয়া দেশকে কুরেকুরে খাচ্ছে।

আমরা তাঁদের কাছ থেকে আদর্শ নেব না বিকিয়ে দেব?

আবার অরথমন্ত্রী মাল কি কইলেন ঘুষ নেয়া বৈধ কারণ কাজে গতি আনে। এদের লজ্জা দেশ কোথায় রাখবে?

আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিনের রিপোর্ট।

আমলনামা প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে
* মন্ত্রী ও নেতাদের এক বছরের কাজের মূল্যায়ন * সন্ত্রাসী গডফাদারদের তালিকা
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজকের খবরে আবারো প্রকাশ সাবেক মন্ত্রী ও নেতাদের আমলনামা তাঁর হাতে। কি হবে এই আমল নামা সংগ্রহ করে ৫ বছর পর। এদের অর্থ কামিয়ে বিদায় দেওয়ার পর।
দুর্নীতি দমন কমিশনে জাওয়া আর হাজিরা দেয়া। আর দায়মুক্তি দেয়া।
কি অসাধারন নিয়ম! আর মন্ত্রী হয়ার প্রয়োজন থাকবে কি তাঁদের। নির্দোষ সার্টিফিকেট দেওয়া ছাড়া আরকি?
বর্তমানে দেশের অবস্থা কি তা না ভেবে বিগত সময় নিয়ে ভাবার কতটুকু যুক্তিযুক্ত।
মোট পড়েছেনঃ ৭০০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৭টি মন্তব্য

    1. আপনি মরুভুমির জলদস্যু,
      জয় ভাইকে কে কি বলেছে তা আলাদা।
      দেশের প্রধান কিছু পরামর্শ দিতে পারে কিন্তু এই শিক্ষিত সুচতুর বোকা এইচ টি ইমাম কেন বমা ফাটাবেন।
      না সে দালালী শুরু করছে না সরকারকে বিপদে ফেলার পাঁয়তারা করছেন তা ভেবে দেখার বিষয়।

  1. একটি কথাকে বিভিন্ন ভাবে ব্যাখ্যা করা যায় মজিবর ভাই। উদ্যোক্তা হবার পরামর্শ যে বিশাল ইন্ডাষ্ট্রি করতে হবে এমন না ভাবলেও চলে। দেশের লেখা পড়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে, পড়াশুনা শেষ করেই একটি চাকরী। একটি উদহারন দেই, কবুতর পালন করেও লাখ টাকা আয় করা যায় মাসে। পড়াশুনা শেষ করে কর্ম সংস্থান ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ১ লাখ টাকা লোন নিক কেউ। বাড়ির ছাদে কবুতর পালন করা যায়, গাজিপুরে আছে এমন অনেক চাষী। দেখে আসতে পারে যে কেউ। একবারে বিশাল ধনী হবার চিন্তা বাদ দিয়ে ধীরে ধীরে ধনী হবার চিন্তা করার দিকে মন দেয়া উচিৎ আমাদের।

    1. উদাহরন টা খুব ভাল দিয়েছেন। ভূমি যখন আমরা আর বাড়াতেই পারছিনা তখন শুল্কমুক্ত আকাশকে কাজে লাগিয়ে জীবিকা নির্বাহের প্ল্যানটা কিন্তু মন্দ না। যে আইডিয়া থেকেই আমরা গড়ে তুলছি বড় বড় অট্টালিকা, যাকে আমরা অনেক সময় বলে থাকি ‘ভার্টিক্যাল স্লামস’।

    2. শিশির কনা, হ্যাঁ আমি কি বলতে চেয়েছি তা একটু উপলদ্বি করুন।
      আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামরশকে অস্বীকার বা খারাপ বলছিনা। তাঁকে আত্তাথেকে সন্মান করি ভালবাসি।
      আমার কথা হল মিস্টার ইমাম ও নেত্রীর কথার পার্থক্য নিয়েই আমার লেখা। যারা রাজনীতি করবে তারা কেন চাক্রী করবে তাদেরই ব্যাবসা বা উদ্যক্তা হয়া সমিচিন। কারণ চাকরি করে রাজনিতির সময় পাওয়া জাবেনা।

      মেইন হল সাধারন মানুস উদ্যক্তা হবে আর দলের ক্যাডার চাকরি করবে এই আহ্বান কতটুকু যুক্তিযুক্ত।

  2. লেখাটি আরো গুছিয়ে লিখলে ভালো হতো মজিবর ভাই।
    খুব ভালো একটি টপিকস।
    উদ্যোক্তা হবার বিষয়ে শিশির কনার বক্তব্যের সাথে একমত।
    আর অর্থ মন্ত্রীর কথা কি বলবো– এই লোকটার অনেক কথাই বিরক্ত হন সবাই।

    1. প্রিয় জিসান ভাই, আমি উদ্যক্তা বিষয়ে মোটিভেটকে অবজ্ঞা বা অমান্য করিনি।
      আমার কথা হল মিস্টার ইমাম ও নেত্রীর কথার পার্থক্য নিয়েই আমার লেখা। যারা রাজনীতি করবে তারা কেন চাকরী করবে তাদেরই ব্যাবসা বা উদ্যক্তা হয়া সমিচিন। কারণ চাকরি করে রাজনিতির সময় পাওয়া জাবেনা।

      মেইন হল সাধারন মানুস উদ্যক্তা হবে আর দলের ক্যাডার চাকরি করবে এই আহ্বান কতটুকু যুক্তিযুক্ত।

    1. হ্যাঁ সঞ্চয়দা, কিন্তু তার মাথার উপর উপদেস্টার জন্য তাঁর কাজের বা কথার অনেক সমস্যা হয়।
      কথায় আছেনা, “এক বনে দুই বাঘ থাকা সম্ভব নয়”।

  3. পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করতেই হবে এমন কথা আসলে নেই। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট এমনই হয়ে গেছে। যেকারনে অন্য কোন পেশায় শিক্ষিত মানুষ নেই উন্নতিও নেই। সবকিছুর আগে স্বশিক্ষা টা জরুরী।
    রাজনীতি বিদদের রাজনীতিতে আসার আগে কথা বলতে পারার মতো একটা কোর্স বাধ্যতামূলক করা হোক।

    1. প্রিয় দিদি, আমি উদ্যক্তা বিষয়ে মোটিভেটকে অবজ্ঞা বা অমান্য করিনি।
      আমার কথা হল মিস্টার ইমাম ও নেত্রীর কথার পার্থক্য নিয়েই আমার লেখা। যারা রাজনীতি করবে তারা কেন চাকরী করবে তাদেরই ব্যাবসা বা উদ্যক্তা হয়া সমিচিন। কারণ চাকরি করে রাজনিতির সময় পাওয়া জাবেনা।

      মেইন হল সাধারন মানুস উদ্যক্তা হবে আর দলের ক্যাডার চাকরি করবে এই আহ্বান কতটুকু যুক্তিযুক্ত।

  4. লেখার টাইটেলটা ভাল দিয়েছেন। হ্যাঁ, এ রোগে আমরা আক্রান্ত মোটামুটিভাবে পুরো জাতিই বলতে পারেন। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি একটু পালটালে চাকরি বনাম উদ্যোক্তা আসত না। এ রকম হয়তো হতে পারত, উদ্যোক্তা বাড়লে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বাড়বে, কাজের ক্ষেত্র প্রসারিত হবে, চাকরির সুযোগ এমনিতেই বেড়ে যাবে কয়েকগুন।

    1. আপনাকে ধন্যবাদ, আমার কথা হল মিস্টার ইমাম ও নেত্রীর কথার পার্থক্য নিয়েই আমার লেখা। যারা রাজনীতি করবে তারা কেন চাকরী করবে তাদেরই ব্যাবসা বা উদ্যক্তা হয়া সমিচিন। কারণ চাকরি করে রাজনিতির সময় পাওয়া জাবেনা।

      মেইন হল সাধারন মানুস উদ্যক্তা হবে আর দলের ক্যাডার চাকরি করবে এই আহ্বান কতটুকু যুক্তিযুক্ত।

    1. আমার সোনেলা ব্যাবহারে অনেক সমস্যা পাচ্ছি কয়েকদিন,
      প্রবেশ করলে নাম ও অবস্থান বঝা যাচ্ছিলোনা। আবার অফিসের কাজেও ব্যাস্ত ছিলাম আপুনি।

মন্তব্য করুন