হঠাও তিমির রাত্রি
উঠাও পূর্ব দিগন্তে প্রতিবাদী সূর্য,
জাগাও আবার দূর্বার জনতাকে
লড়বে তাঁরা স্বদেশের জন্য
দিবে প্রান, দিবেনা স্বদেশের মান,
ভাংবে অন্যায়ের শিকল
গড়বে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ।
মোট পড়েছেনঃ ১,৬০৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
হঠাও তিমির রাত্রি
উঠাও পূর্ব দিগন্তে প্রতিবাদী সূর্য,
জাগাও আবার দূর্বার জনতাকে
লড়বে তাঁরা স্বদেশের জন্য
দিবে প্রান, দিবেনা স্বদেশের মান,
ভাংবে অন্যায়ের শিকল
গড়বে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ।
মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে।
দুর্নীতি ও সন্ত্রাসহীন সমাজের স্বপ্ন আমরা দেখি ই।
প্রিয় হেলাল ভাই শুধু স্বপ্ন দেখলে হয় না তাঁর জন্য
নিরন্তর কলম, মাঠঘাট, সবখানে সংগ্রাম প্রয়োজন।
আমরা পরিবার, দলের নিকট বন্দী,
তাই আমাদের স্বপ্ন পুরন হাবার না।
তাপরও আশায় বুক বাধি।
ছোট লেখায় ভালোই বলেছেন।
ধন্যবাদ বস।
আমি শান্তি চাই- আর কিছু না ।
-:- এখন কেমনে সেটা দিবেন সেটা আপনাদের ব্যাপার ।
আপনি কি আমাদের বাহিরে ভাইয়া।
উপায় বাহির করেন।
সঙ্গে আছি।
আশায় বেঁধে আছি বুক।
আমিও জনাব।
প্রেরনা মুলক। ভালো লেগেছে ভাইয়া।
ধন্যবাদ দিদি।
সংগ্রামী শুভেচ্ছা।
শুধু বলব কান্ডারীরা হুসিয়ার…..।
মনির ভাই, কান্ডারিকে অবশ্যই হুশিয়ার হয়েই এগতে হবে।
কেউ যাতে সুযোগ নিতে না পারে।
ধন্যবাদ
সুবিধাবাদী এই সমাজ থেকে সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের ন্যায্য অধিকার কবে পাপ্তি হবে?
সঞ্চয়দা, হতাশা থাকবে
তারপরও একদিন না একদিন
এই বাঁধ ভাঙবেই এয়াশা রাখি।
ভালো লেগেছে খুব।
ভাল লাগলেই তৃপ্ত।
ভাল থাকুন।
কবিতাটি পড়ে রক্ত গরম হয়ে গেল — মনে হচ্ছে এখনই দেশের তরে ঝাপিয়ে পড়ি ——-অসাধারণ ——–অসাধারণ একটি কবিতা —–
আপনাকে স্বাগতম।
পড়ে উজ্জিবিত করতে পেরে নিজিকে খুশি মনে করি।
সুন্দর কবিতা। তবে ভাইয়া কেউ তো এখন আর প্রতিবাদী হতেই চায় না,সবাই যে যার মত প্রতিদিনের যাপিত জীবন নিয়ে সুখী…। 🙁
ভাল লাগলো। এমন আরো লিখুন।
শুভকামনা রইলো। 🙂
আপনাকেউ পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আমরা পরিবার আর রাজনিতির স্বার্থে থাকি
তাই আর কেউ প্রতিবাদ করেনা আপু।
শুভেচ্ছা অবিরত।
কীভাবে তা সুনিদৃষ্টভাবে বলার সময় আসলে চলে যাচ্ছে।
কেউ নেই, একাকীভাবে গার্মেন্টস্ শ্রমিকদের নিয়ে কি কষ্টকর আন্দোলন করে যাচ্ছেন মোশরেফা মিশু। মিডিয়াতে তাঁকে দেখে কষ্ট হয়।
মজিবর ভাই খুব ভাল লিখেছেন, তবে আমাদের সংগঠিত হয়ে সকল দু:শাসনের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে প্রতিবাদের ঝড় তোলার সময় কিন্তু যেরিয়ে যাচ্ছে।
প্রিয় আজিজ ভাই,
আমরা যতদিন পরিবার, আর রাজনিতির অন্যায় আবদার থেকে বাহির হতে পারবনা ততদিন আমাদের মুক্তি আসবে বলে মনে হয়না।
এক মোশরেফা মিশু কি করবে। ঐ গারমেন্ট শ্রমিকরাই আবার অন্য গ্রুপ তাঁকে মানে না। এরা রাজনিতির মার-প্যাচে ধরা শায়ী।
শ্রমিক সংগঠন গুলি রাজনিতির চালে বন্দ্বী। রাজনীতিবিদরা জেভাবে চালায় সেভাবে চলে।
এখান থেকে মুক্তির আশা করা কি সম্ভব?
ভাল থাকুন।
না মজিবর ভাই, এখান থেকে মুক্তির আশা করা সম্ভব না বলে আপনি যা বলছেন, তা এই অর্থে মানি যে, শুধু গার্মেস্টস সেক্টরের আন্দোলন দিয়ে মুক্তির আশা করা সম্ভব না। আমি মন্তব্যে সেটা বলিওনি। আমি শুধু বলেছি মোশরেফা মিশুর কষ্টটা অনূভবের কথা। প্রতিউত্তরে আপনার মন্তব্যের সাথেও আমি একমত।
এধরনের সব আন্দোলন, আপনার মতো ভাল চিন্তাধারার সকল মানুষের বিরাট একটা বুনোট ঐক্য গড়ে প্রতিটি দু:শাসনের ঘটনার ক্ষেত্রে প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আমি উপরোক্ত মন্তব্যে উল্লেখ করেছি।
কীভাবে! তা সুনিদৃষ্টভাবে বলার সময় আসলে চলে যাচ্ছে।
কেউ নেই, একাকীভাবে গার্মেন্টস্ শ্রমিকদের নিয়ে কি কষ্টকর আন্দোলন করে যাচ্ছেন মোশরেফা মিশু। মিডিয়াতে তাঁকে দেখে কষ্ট হয়।
মজিবর ভাই খুব ভাল লিখেছেন, তবে আমাদের সংগঠিত হয়ে সকল দু:শাসনের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে প্রতিবাদের ঝড় তোলার সময় কিন্তু পেরিয়ে যাচ্ছে।
এমন স্বপ্ন আমরা দেখি তবে সকলে না, ছোট হলেও লেখা গতিময়।
হ্যা ঠিক বলেছেন সকলে না।
আর এখানেই আমাদের সমস্যা।
ধন্যবাদ আপনাকে।