১)যেখানেই যাই, চাঁদ মামা পিছু পিছু হাজির ! খুব অবাক হতাম
২)টিভির ভেতর ছোট্ট ছোট্ট মানুষগুলা ঢুকলো কিভাবে !
৩)প্রতিবেশী মেয়েটা কেন জানি শুধু রান্নাবাটি খেলা খেলতে চাইতো আর আমাকে হতে হতো ওর জামাই !
৪)অঙ্ক স্যাররা এতো পাজী কেন !
৫)ভুত ছাড়া অন্য সবকিছুর ব্যাপারেই বেজায় সাহসী !
৬)অন্যের বাসার কলিংবেল টিপেই ভোঁ দৌড় !
[ আরো অনেক ইন্টারেস্টিং ব্যাপারই ভুলে বসে আছি । তবে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ার জন্য এই পযেন্টগুলোও যথেষ্ট ]
:D) ^:^
মোট পড়েছেনঃ ৬৬৩জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
স্মৃতি কথা হয়ত একটু একটু করে এ ভাবেই তৈরি হয়।
ঠিক বলেছেন ।
৬ নং টা দারুন ইন্টারেষ্টিং । আর ৩ নং টির কথা ঝাতি বিস্তারিত জানতে চায় 🙂
৬নং টা কাকে যেন ভালবেসে আঘাত পেয়েছে সে যে ………………
১ আর ৫টাই শুধু কমন পরছে।
প্রায় সবারই এমন একটা শৈশব থাকে । তাই না ?
প্রায় সবারই এমন কিছু কিছু স্মৃতি আছে। ডিটেইলস দিন ভাইয়া।
ডিটেইল দিতে গেলে শৈশবের মালতী দি’ দের কথা প্রসঙ্গক্রমে এসে যাবে গো বুনডি ।
তাঁদের কে একটু শান্তিতে থাকতেই দেই না হয় ! ^:^ ;(
আসুক সমস্যা কি? বুনডি মানে বুঝিনি ভাইয়া ।
দিদি,আপু, বুনডি সবই সমার্থক ।
স্রিতি বড়োই খোরাক হয়
১. হাসির
২. বেদনার
৩. লজ্জার
৪. লাজুক মুখের উপহার
খুব ভাল লাগলো ভাইয়া চলুক।
হুম…চলবে ব্রাদার ।
আহ ! ছেলেবেলা , কত স্মৃতি জমে আছে।
লিখুন ছেলে বেলার স্মৃতি।
সত্যিই তো। আমাদের ছেলেবেলা কতো সমৃদ্ধ ।
লিখব – ভাবছি লিখব । ধন্যবাদ ।
জীবনের প্রকৃত চরিত্র।
আমার ধারণা, ছেলেবেলায় সবারই এমন চিত্র থাকে …প্রায় একই রকম । 😀
মেমরী কার্ড থেকে আরো কিছু রিকভার করুন ভাইয়া।
ইস এত মনোযোগ দিয়ে পড়ছিলাম হঠাৎ দেখি শেষ ——– দারুন লেগেছে —- ১,২ আর ৫ আমার সাথে মিলে গেলো ——
ধন্যবাদ
১,২ আর ৬ মিলে গেছে আমার সাথে…। 😀
এক নিমিষে পিচ্চিকাল থেকে দৌড়ে আসলাম স্মৃতিতে ভর করে…।
ভাল লাগলো।শুভকামনা…।
ছেলেবেলার কিছু কমন জিনিশ সবার ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে ।
বড়ই অদ্ভুত, তাই না ?
হা হা বেফুক মজা। আমি একবার অঙ্ক স্যাররে বেতন দিছিলাম ১টাকার একহাজার কয়েন দিয়ে। তয় একখান সত্য স্বীকার করি ভাই স্যারের চেয়ে আমি বেশি পাজি আছিলাম ননে লয়