মূল লেখায় যান

হংকং,সিঙ্গাপুর,কাতার,ওমান ইত্যাদি দেশে নারী কর্মী প্রেরনের জন্য নিবন্ধন চলছে।

শিশির কনাবিবিধ, সমসাময়িক১২টি মন্তব্য

হংকং, সিঙ্গাপুর, কাতার, ওমান সহ যখন যে দেশে নারী কর্মীর প্রয়োজন হবে, চাহিদা মাত্র যাতে দ্রুততার সাথে ঐ সমস্ত দেশে নারী কর্মী পাঠানো যায় এজন্য সারা দেশ ব্যাপী নিবন্ধন শুরু হয়েছে ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় খুব অল্প খরচে  বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নারী গন অতি সত্বর নাম নিবন্ধন করুন।

নিবন্ধনের স্থানের নাম  :
সারা দেশের ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র( ইউপি অফিস ) এবং  নগর তথ্য সেবা কেন্দ্রগুলোতে ( পৌরসভা ) । প্রতিদিন রোজ সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচ টা পর্যন্ত  নিবন্ধন চলবে ।

কোন বিভাগে কোনদিন নিবন্ধন :

রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগ : ৭ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ।

খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগ                 : ১২ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ।

ঢাকা ও বরিশাল                            :  ১৭ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সারা দেশে নিবন্ধিত এই তালিকা থেকে হংকং, সিঙ্গাপুর, কাতার, ওমানসহ যখন যে দেশে নারী কর্মীর প্রয়োজন হবে, সেখানে পাঠানো হবে।

 

পূর্বের খবর :
প্রায় ৮০ হাজার প্রশিক্ষিত গৃহকর্মী হংকংয়ে যাবার সুযোগ পাবে

আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৮০ হাজার প্রশিক্ষিত নারী গৃহকর্মী নিতে আগ্রহী হংকং। মালয়েশিয়ার মতোই সরকারিভাবে দেশটিতে নারী শ্রমিক পাঠাবে সরকার।

এ লক্ষ্যে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে অনলাইনে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

এ প্রসঙ্গে বিএমইটির এক কর্মকর্তা জানান, সরকারিভাবে হংকংয়ে যেতে আগ্রহী নারীকর্মীদের নিবন্ধন ২ এপ্রিল শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন কয়েক দিনের মধ্যেই পত্রিকায় দেয়া হবে। সারা দেশ থেকে নারী শ্রমিকদের নিবন্ধনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দফতরের এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইআইসিটি) মনিটরিং করবে। মালয়েশিয়ার মতোই সারা দেশে নিজ নিজ ইউনিয়নের তথ্য সেবা কেন্দ্র থেকে এ নিবন্ধন করতে পারবেন কর্মীরা।

মোট পড়েছেনঃ ৮৯৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১২টি মন্তব্য

    1. মুলত দেশে রেকর্ড বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ , সব ই এদের কৃতিত্ব । অথচ এদের প্রতি আমাদের দেশের কর্মকর্তা এবং আমাদের বিভিন্ন দুতাবাসের আচরণ দেখে মনে হয় – এরা আসামী ।

  1. নিঃসন্দেহে এই পোস্ট ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানবে। নারীকে যখন গৃহের মধ্যে আবদ্ধ থাকার দাবি তোলা হচ্ছে, তখন এ ধরনের পোস্ট ধর্মীয় উস্কানি ছড়াতে পারে। পোস্টদাতাকে তাওবা পড়ানোর দাবি জানাই।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।