একটি রোমান্টিক স্মৃতি কাহিনী!

আমি একটি মেয়েকে চার বছর যাবৎ মনে মনে ভালবেসেছি, মেয়েটি একজন সরকারী প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষিকা! সামনা-সামনি কোন দিন ভালবাসার কথা বলিনি,শুধু ভয় হতো ভালবাসার কথা বললে না জানি কি হয়! তবুও মনের ভীতর সবসময় সাহস রাখতাম একদিন না একদিন মনের লুকানো কথা বলবোই বলবো! এভাবে অনেক দিন চেষ্টা করলাম কিন্তু মনে সাহস আনতে পারলাম না! প্রাইমারী স্কুলের পিছনে একটা পুকুর আছে,আমি যখন গোসল করতে যেতাম, তখন আমি তার পানে অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকতাম সেও আমার পানে অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকতো! মনে মনে তাকে নিয়ে অনেক কিছু ভাবতাম এমনকি অনেক কিছু কল্পনা করতাম, তাকাতাকি আর চোখাচোখিতে দিন মাস পার করি! চৈত্র মাসের খরার মতো আমার মনের কথা গুলো শুকিয়ে যেতে লাগলো!*এভাবে আমার জীবনে ৩ টি বছর পার হয়ে যায়! শেষের বছর মনের ভীতর পর্বতসম সাহস আনলাম যে কোন ভাবে আমি ওর সামনে মনের কথা গুলো বলবোই, যেই কথা সেই কাজ! একদিন সকাল বেলা আমার মনের কথা গুলো বলার জন্য আগেই স্কুলে চলে গেলাম আর আমি তার আসার অপেক্ষায় বসে থাকলাম! অবশেষে,সে আসল এখন আমি তাকে ভাল বাসার কথা বললাম এভাবে “আমি তোমাকে ভালবাসি” জবাবে উত্তর এলো-এতো দিন কোথায় ছিলে মজনু,আমার বিয়ে হয়ে গেছে)
এ কথা শুনে আমি তো “থ”

মোট পড়েছেনঃ ৭৫১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১২টি মন্তব্য

  1. হ,মজনু!
    ও সে আসল কথা বলা হয়নি,
    আসলে সত্যি ওর বিয়ে হয় ছিল না;
    ঐ ছেমড়ি আমার সাথে মজা করে ছিল!
    আমার রিআকশান দেখার লাইগা৷

    1. ‘ ছেমড়ি ‘ শব্দটা এই ব্লগে প্রথম ব্যবহার করলেন। ‘ মেয়েটা ‘ বলা যেতো। তাইনা ? শব্দ নির্বাচনে যত্ন নেয়া উচিৎ আমাদের ।

  2. ভালো লেগেছে ভাইয়া । আমি এবং অন্যন্য অনেকে লেখেন এখানে। তাঁদের লেখাও যদি একটু পড়তেন তবে আমরা উৎসাহিত হতাম। আপনার মত বিরাট লেখকের পদধুলিতে ধন্য হতাম আমরা। তবে আমার লেখা কোন লেখা না । হুদাই লিখি আনন্দের জন্য 🙂

  3. ধন্যবাদ লীলাবতী আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য,
    আসলে অনেক ব্লগে আছি,এই জন্য সব জায়গায় নিয়মিত হতে পারি না,তারপরেও চেষ্টা করবো লেখা পড়া ও মন্তব্যের করার জন্য,আপনারা সবাই পাশে থাকলে এখানেও নিয়মিত হবো ইনশাল্লাহ৷ আমিও কিন্তু ভাল লেখক নই,আমিও হুদাই লিখি৷
    সর্বশেষ,
    সকল মন্তব্য কারীকে অসংখ্য ধন্যবাদ!

মন্তব্য করুন