পেটে দিলে পিঠে সয়

পেটে দিলে পিঠে সয় অনেক পূর্বের একটি বাস্তবমুখি প্রবাদ বাক্য। সবার নিকট সমান হারে গ্রহণযোগ্য তা নয় তবে বিশ্বাস মোটামটি  ভাবে ।শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করে জিনি।  আমাদের দেশের সরকার গুলো দেশের উন্নয়ন ও বেকার সমস্যার সমাধান না করে দেশের সোন্দরয্য বাড়ানোতে মহাব্যাস্ত।

কে টি ২০ বিশ্বকাপ দেখতে আসবে তাঁর নাই খোঁজ আর সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিভিন্ন মহান মহান ব্যাক্তির বাণী রাস্তায় রাস্তায় লাগিয়ে রাস্তার সোন্দরয্য বাড়াচ্ছে। কে দাড়িয়ে থেকে জ্যামের মধ্যে মনোরঞ্জন করবে। সরকার গুলো নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে আর একেকবার একেকজনকে মন্ত্রী বানায় জাতে একেক বার একেকভাবে দেশের টাকা মারার ধান্দা করে নিজের ও দলের টাকা বানায়। নেতা গো  চেক/পরীক্ষা করতে করতেই দেশের শোষণে দেশের বারটা বেজে গেছে।

দেশের জনগণকে বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে যদি এভাবে অর্থ ব্যয় করতো তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই শিক্ষিত জনশক্তি পাঠিয়ে প্রচুর বৈদেশিক অর্থ উপারজন করা আমাদের জন্য বেশি কল্যাণকর । সরকার বা নগরীর প্রশাসক বা মেয়র গন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা সংগ্রহ করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শহরের শ্রী বাড়াতে কাজ করে। অথচ রাস্তায় হাটার মতো অবস্থা থাকে না  শুকনাকালেই , বর্ষাকালে তো কখনো জুতা খুলে কখনো পোশাক নষ্ট করে বাসায় ফিরতে হায় ক্ষেতে কাজ করে আসার মতো , মনে হয় হাঁ ডু ডু খেলা করে বাড়ি ফিরা, অফিস থেকে নয়!

সাবেক মেয়র শুধু রাস্তার মাথায় মাথায় একটি করে রাস্তার নামকরন করে পিলার দিয়ে জনগনের সেবার মান বাড়িয়েছেন কিন্তু রাস্তার অবস্থার উন্নয়ন করেননি ৯ টি বছর!

৮ কোটি টাকা ব্যায়ে সিলেটে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম কিন্তু খেলার মান বারল কই? এই খেলা বিশ্বের অন্যদেশ নেওয়ার জন্য তদবির করে না কিন্তু বাংলাদেশ করে। বাংলাদেশের সরকার গুলো এভাবেই যদি দেশের শিক্ষিত বেকার সমস্যার জন্য কর্মসংস্থান করতে চেষ্টা করতে পারেন না?  নাকি ইচ্ছা জাগেনা মনে।

আহ ! কি নয়নাভিরাম স্টেডিয়াম

খুধার জ্বালায় কুপকাত।

কি লাভ এতে?  সোন্দরয্য

দেশের রাস্তা ঘাট যদি ভাঙ্গাও হয় সাধারন মানুষ হেটে গিয়েও কাজ করতো যদি কর্মসংস্থান থাকত। আমাদের দেশের মানুষ অনেক কর্মঠ ও পরিশ্রমী। দেশের শিক্ষিত সমাজে যত গরদ আছে তা পা ফাটা চাষি সমাজে নাই।দেশের কিলোর পর কিলো পায়ে হেটে কাজ করতে কোন সংকোচ বা দ্বিধা নায় কাজ চাই কাজ।

মোট পড়েছেনঃ ৯৭০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৪টি মন্তব্য

  1. যাই হোক তবুতো কিছু হচ্ছে। কেন ভাবছি খেলার মান বারেনি।কোথায় ছিলাম কোথায় এসেছি একবার ভাবুন। আমাদের আশা বেড়েছে, তাই হতাশাও বেড়েছে। একটা প্রবাদ আছে যা তোমার চোখ দেখেনি তা তোমার মন ভাববে না। তাই এই সব সৌন্দর্য মানুষের মনে আকাং্খা জাগাবে। আমি খুব আশাবাদি মানুষ। ধন্যবাদ।

    1. ভাইয়া সেই ২০০০ সালে টেস্ট মরজাদা পেয়েছি এখন যদি মাঝে মাঝে জিতবইভাবি তা কি হয়?
      আশা বাদি না হলে তো নিরাশায় থাকতাম ভাই,
      আশাবাদি বলেই তো এখন সেই ১৯৭১ নিয়ে ভাবি।
      সুনীল গঙ্গপধ্বায়ের মতো এখন কি বলব আর কত সময় গেলে আমরা পরিপক্ক হব?

  2. যোগাযোগ ব্যবস্থা যত দিন আমাদের ঠিক না হবে ততদিন গাছের মূলে পানি ঢেলেও লাভ হবে না। ধন্যবাদ সমাজ সচেতনা মুলুক পোষ্টি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

    1. আপনাকেও আমিন ভাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।
      ভাই ঢাকা শ্যামলি থেকে আগারগাও পর্যন্ত সৈয়দ মাহবুব মরশেদ স্বরনী বিগত ৩ বছর একবার পানির লাইন বসাই, এরেকবার গ্যাস, বিদ্যুৎ, নর্দমা এখন পর্যন্ত শেষ হয়নি প্রতিবার এক্কাজ করে রাস্তা সম্পূর্ণ ভালো করে আবার নতুন করে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে আবার ভাঙ্গে েই ভাবে বার বার খোঁড়াখুঁড়িতে কত ব্যয় হয়? বার বার ঠ্যালায় ক্রতে ভাংতে কত যায়? ভাবুন।

    1. অবশ্যই দরকার আছে ১০০%।
      তবে বাস্তব ৮০% থেকে ৯০% চাই বস।
      এই সরকারের কাছে চাইব না কার কাছে হাত বাতব বলতে পারেন?
      তাহলে জামাতের কাছেই আশ্রয়ই চাই তাই বলবেন?

  3. এগুলোর দরকারও আছে ভাইয়া..
    যে সমস্যাগুলোর কথা বলেছেন তা যেনো দেশের ঐতিহ্যবাহী.সরকার দেশের মানুষ সবারই একসাথে কাজ করা প্রয়োজন ..

    1. দিদি দেশের মানুষের কোন ক্ষমতা নেই
      রাজনীতিবিদরা সর্বেসর্বা।
      তাদের ইচ্ছাই সব।
      আমরা ডালেই হু খাটেটাও হু।
      রাজনীতিবিদরা সরকারী জমি ও সাধারন মানুষের জমি ও অনেক কেড়ে নিলেও কিছু করার থাকছেনা।
      প্রতিবেশিরা ্সাহাজ্য তো দূরে থাক প্রতিবাদ ও করেনা।

  4. হার জিত মানে বার বার হারব? মাঝে মাঝে হারব, কিন্তু সব!
    হায় আল্লাহ !

    আপু সবকিছু বলতে কি দুর্নীতিকেও বললেন? ^:^
    ভালো থাকবেন।

    1. দিদি আপনার সাথেও একমত কিন্তু পেটেও দেয়না কিন্তু পিঠে দেয় ঠিকমত কিন্তু।
      সেগুলো দেয় পুলিশ, বিভিন্ন সরকারী অফিস ও রাজনীতিবিদরা।

মন্তব্য করুন