শরৎ বন্দনা

 

ক্লান্ত দেহ জুড়াতে
বেলকনিতে এসে দাঁড়াই।
হৃদয় কুঠুরির ঘষামাজা শেষে
মেঘমুক্ত আকাশ দেখি।
এবছর পাঁজরে প্রেম জমিয়েছিলো বর্ষাকাল,
উথাল পাতাল বাতাসে, পানির স্রোতে ;
ভেসেছে ঘর, নৌকা,  হাঁড়ি পাতিল
ফুটপাতে বেড়েছে লোকের আনাগোনা।
সাদাকালো মানুষগুলোর চেহারায়
আমের আচারের হলুদ ফাংগাস!
বাণিজ্যের জাহাজ ঢুকে পরেছে,
দুঃসহ স্মৃতি!

হঠাৎ তোমার কণ্ঠে রবীন্দ্র সংগীত!
নিজেকে ফিরে পেয়ে, দেখি
জুন,  জুলাই ক্যালেন্ডার থেকে সরে
সমাধি ফলকে আটকে আছে আগস্ট।
ফুটেছে কাশ,  শিউলি, কাঞ্চন, মাধবী
শরতের বিকেলে, ” নীলাকাশে কে ভাসালে ”
গানটার সাথে স্মৃতিসিক্ত অলকানন্দা।

মোট পড়েছেনঃ ১,৩৮০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৭টি মন্তব্য

  1. বর্ষা, শরত শোকের মাস আগষ্ট সবই ফুটিয়ে তুলেছেন এক কবিতার ভিতরে। শিউলি কাঞ্চন মাধবী ফুলগুলি কবিতাটিকে আরো অলংকৃত করেছে। সত্যিই বলেছেন আপু, বর্ষায় বেলকনীতে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত দেহ জুড়ানোর মজাই আলাদা। খুব সুন্দর কবিতাটি। ভাল থাকবেন।

  2. খুব সুন্দর লিখেছেন আপু। আপু আপনার লেখায় লক্ষনীয়ভাবে মানবতার কথা পাওয়া যায়। এটা সত্যি অসাধারণ অভিব্যক্তি।
    আমরা বৃষ্টি কাব্য লিখে থাকি উপরতলায় বসে যারা ফুটপাতে থাকে তাদের কথা ভাবি না।
    শুভেচ্ছা রইল আপু।

  3. প্রথমে তো দারুন ভাবে বর্তমানতাকে তুলে এনেছেন।
    অলকানন্দা আর কাশ ফুলের সৌন্দর্য আপনি ও দেখতে পাচ্ছেন জেনে ভাল লাগল।
    আহা শরৎ কত ভাবেই না ধরা দেয় এক এক জনের কাছে।

  4. শরৎ বন্দনায় ফুটপাতের জীবন
    বর্ষাএলেই যে বানবাসির কান্দন,
    শিউলি সুভাসে ভরে উঠুক মানব জীবন।
    ধন্যবাদ দিদি আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।

মন্তব্য করুন