রাজনিতি

 

আমি জানি আমার এই লেখায় অনেকে রাগম্বিত হবেন। এখানে উত্তর ও প্রতি উত্তরের বিষয়। আমার ধারনা যুক্তিতর্ক এখানে প্রধান বিষয়। তাঁরা নিতি কোথায় বিশ্বাসী কিন্তু খমতায় যেতে পারেনি। আবার অনেকেই ধামাধরা পথে খমতায় গেলেও আদর্শচ্যুত । এখনো তাঁরা টকশো তে আদর্শ আর নিতি কথা ছহাড়া কিছুই আওড়াতে পারেনা।

বাংলাদেশের রাজনিতিতে সব চেয়ে ক্ষতিকারক দল জাসদ ও বাম্পন্থী দল।

তারা অস্ত্রবাজি বেশি পছন্দ করত।

তাঁরা কোন সরকারকে সুস্থভাবে দেশ চালাতে দেয়নাই।

 

প্রথম সরকারকে তাঁরা প্রথম রাজনিতিতে বিপথ গ্রস্থ করেছে, কিন্তু তাঁরা কিছুই করতে পারেনি দেশের জন্য।

 

মেজর জিয়া আসলে তাঁকে স্বাগত পরে বিরুধচারণ।আবার কেউ নিজ আদর্শ ভুলে তাঁকে পিতা হিসেবে নিয়েছে।

 

এরশাদ সাহেবকে খমতায় আনা এক জাসদ  এবং অন্য জাসদ ের বিরুধ্ব চারণ। রাজনিতির পুরাতন চাল।

 

আবার খমতায় সরাতে আরও জাসদ।

 

এরা সব সময় ধামাধরায় ব্যস্ত ।

এগুলো সপুরন আমার ব্যাক্তি গত ধারনা।

মোট পড়েছেনঃ ৭৫৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১০টি মন্তব্য

  1. বর্তমানে জাসদ ভেঙ্গে যেতে যেতে এমন অবস্থায় এসেছে যে, এরা দেশের রাজনীতিতে এখন আর ফ্যাকটর নয়।

    দুই লাইনের মাঝে অনেক বেশী স্পেস হয়ে গেছে।

    স্পেস কমালে মনে ভালো লাগবে দেখতে।

    বানানের দিকে একটু নজর দিন মজিবর ভাইু ।
    যদিও আমিও প্রচুর বানান ভুল করি।

    1. বস এরা ভাঙ্গা থেকে নয়, এরা অস্ত্রের মুখে মানুস্কে জিম্মি করে কতদিন চলবেন।।

      এরা যে আদর্শে আদরশিত হয়ে রাজনিতি করত তারাই সে আদর্শ বহন করতনা।;

  2. প্রথমত রাজনীতি বুঝি না, আর দ্বিতীয়ত যেটা কাজ করে মনের ভেতর- “কি লাভ কথা বলে?” আপনি বলতে যাবেন তো এক পক্ষ আপনার একটা কথাকে মাথায় তুলে ঘুরবে তো অন্য পক্ষ বিচিত্র একটা ট্যাগ লাগিয়ে কোণঠাসা করার চেষ্টায় থাকবে। আর যুক্তির কথাই যদি বলেন তাহলে বলবো, জনগণের কোন যুক্তিটা তারা মানে? যে যেভাবেই বলুক নিজের আখেরের গুছিয়ে যদি কিছু বাকি থাকে তখন সেটা বিলানোর চিন্তা করে।

     

    হ্যাঁ, এর মাঝেও কিছু ব্যতিক্রম আছে। কিন্তু সেটা এত বেশি নগণ্য যে তার ১ বছরের পরিশ্রম নষ্ট করতে তার বিপরীত চিন্তার একটি ব্যক্তির মাত্র ১০ মিনিট সময়ই যথেষ্ট। যুক্তি বলুন আর তর্কই বলুন, এরা কারো কোন কথাই গা করবে না। নিজেদের মতই নিজেরা চলবে।

মন্তব্য করুন