ভেজা খোঁপা

সামনে এক বিশাল সমুদ্র নিয়ে রাশমেলার কোনো পূর্ণিমা রাতে রাশভারী কথার পিঠে আধো আলতো আহ্লাদী কথা নিয়ে
ঘাড়ে তোমার আলতো হ্যালানে
শক্ত হাতে আলতো খোঁপায়
ঝিনুক সেঁটে বসে রব।
চোখে চোখে চোখের কথা
মধ্যমা, তর্জনী, অনামিকার
পিঠদেশে চিত্ররেখা এ তোমার হায়ারোগ্লিফিক লিপি।
বুঝতে হিয়ে লজ্জায় লাল কপল,
কেঁপে ওঠে ঠোট।
কি এমন হয়!
যদি, একটা দিন একটা রাত
কেটে যায় এমন করে
দূর দৃষ্টিপানে
সাগরের ওঠানামা,
চাঁদ সূর্যের উঁকিঝুকি
ভেজা কাঁদাবালির বিছানা
তোমার শক্ত হাতের বালিশ
এলোখোঁপার এ মলিন মুখ।

,,,রিতু,,, কুড়িগ্রাম।

২৪.১১.১৮.

মোট পড়েছেনঃ ১,১৩০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. সমুদ্র-সাক্ষী বালিয়াড়িতে কত কিছুই-না ভেসে আসে
    ভেসে যায়-ও, তবুও থেকে যায়
    র‍য়ে যায় ভালোলাগা/ভালোবাসার বিরাম চিহ্ন।

    মন দিয়ে লিখুন, তাড়াহুড়োর কিচ্ছু নেই।
    ব্যস্ততার সুখাবসান হোক সে প্রত্যাশায় থাকছি।

  2. শক্ত হাতের বালিশে
    এলোখোঁপায় যে মুখটি থাকে তা মলিন হয় না।চাঁদের আলোয়,উষ্ণ পরশের ছোঁয়ায় ভেঁজা এলোখোঁপাটি হয়ে যায় রুপালী নদী।আর মুখটি,,যদিও তা লুকানো থাকে,তথাপি তার সৌন্দর্যের বর্ননা দিতে কবিরাও হার মেনে যাবে।

    অপূর্ব লিখেছেন।টেনশনে থেকেও এতো চমৎকার লেখা যায় আগে জানতাম না। (3 (3 -{@

  3. এলো খোঁপায় জড়িয়ে আছে বাতাবী লেবুর ঘ্রাণ,
    চাও কি?
    অঘ্রাণের পূর্ণিমা এ চোখের মেঘে ভেসে আছে,
    ভিঁজতে চাও কি?
    চাওয়া-পাওয়ার সমান্তরাল থেকে বেরিয়ে এসো বাইরে
    মৌন মুখর মুখটা তোমারই হবে।—-

    আপু তোমার লেখনীর কাছে এ কিছুই নয়। খুব ভালো লিখেছো তুমি।

    1. বাতাবী লেবুর ঘ্রাণ চাই, সেই সাথে এক চালতে ফুল।
      এ চাওয়ার যে শেষ নেই। নেই ছুঁয়ে আসার আকঙ্খার উৎকন্ঠা।

      দারুন লিখেছো।
      ভালবাসা নিও আপু। ভালো থেকো আপু।

মন্তব্য করুন