সর্বমোট দোকান লুট হয়েছেঃ ১৬১৬ টি
অগ্নিকান্ডঃ ১০৩৭ টি
লুটপাট, অগ্নিকান্ডে ক্ষতির পরিমানঃ ৩০০ মিলিয়ন ডলার।
সিটিতে সব কিছু মোকাবেলা করার জন্য জরুরী অবস্থা জারী।

কোথায় হয়েছিলো এসব ?
নিউইয়র্কে। ১৯৭৭ সনের ১৩ জুলাই। নিউইয়র্ক সিটিতে এক নাগারে ২৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিলোনা। বিদ্যুৎ হীন নিউইয়র্কে এই সব অরাজকতা হয়েছে মাত্র একদিনে। সভ্যতার মুখোশ খুলে গিয়েছিলো ঐ সময়ে। এমন বিদ্যুতহীন যদি সমস্ত আমেরিকায় হতো? লুটপাট, অগ্নিকান্ডের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাড়াতো ?
১৩ জুলাই ১৯৭৭ নিউইয়র্ক শহরজুড়ে অন্ধকার। এর মধ্যে সৃষ্ট হলো এক অরাজক পরিস্থিতি। শুরু হলো বিভিন্ন স্থানে জায়গায় লুটতরাজ। রাস্তায় গোলাগুলি হল। রাত যত বাড়তে লাগল অবস্থা যেন ততই খারাপ হতে লাগল। ব্রুকলিন আর ব্র্ঙ্কসে কিছু ঘটনা ঘটলো। শহরের সবচেয়ে নাম করা এলাকা ম্যানহাটন হয়ে পড়ল সম্পূর্ণ অরক্ষিত। একেবারেই জঙ্গলের পরিবেশ তৈরি হল। কারো জন্যই শহরটা নিরাপদ ছিল না, তা পুলিশ অফিসারই হোক আর দমকল বাহিনীর লোকই হোক। গোলাগুলি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা সবখানেই ঘটছিল।
১৯৭৭ সনের নিউইয়র্কের ব্লাকআউটের ভিডিও দেখুন
১ নভেম্ভর ২০১৪
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কবলে বাংলাদেশ। এক নাগারে ১১ ঘন্টা বিদ্যুৎ ছিলোনা দেশের কোথাও।
দেশের কোথাও লুট তারাজ, অগ্নিকান্ড, দাংগা হয়েছে বলে কোন খবর প্রকাশিত হয়নি।
প্রিয় বাংলাদেশের জনগন, শতর্ক সরকার এজন্য ধন্যবাদ পেতেই পারেন।
কতো প্রতিকূলতার মাঝে আমাদের দেশের মানুষ। অশিক্ষা, কুশিক্ষা, অনাহার, অসচেতনতা,ধর্মান্ধতা ছাপিয়েও আমরা এক গর্বিত জাতি। যে জাতি অবশ্যই অনেক সহনশীল এবং একটি যুদ্ধের মাধ্যমে সৃষ্ট। আমরা গর্ব নিয়ে বলতেই পারি আমাদের দেশটির জন্ম হয়েছে আমাদের পুর্ব পুরুষদের রক্তের বিনিময়, লড়াই করে।
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।







আমরা অবশ্যই সভ্য, ধৈর্যশীল এবং গর্বিত জাতি।
কতো লক্ষ প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের মানুষ যায়, এটা আর কেউ বুঝবে কি?
ঘটনাটির কথা শুনেছিলাম, কিন্তু আপনি দেখি একদম সময় মতো গুলতি মেরে দিলেন। 🙂
গতকাল সারাদিন সবাই ফেইসবুকে হাহুতাশ করেছে
তখনই আমার এই ঘটনা মনে পরেছে।
ছবি কালেক্ট করতে একটু সময় লেগেছে।
আমরা অবশ্যই সভ্য, ধৈর্যশীল এবং গর্বিত জাতি।
ওরা সভ্যতার দিকনির্দেশনা দিয়েছে মাত্র।
বিদেশের সব খারাপটুকু নেই আমরা
তবে এবার তো প্রমান করেছি, সব কিছুর উপরে আমরা আমরাই
যা অন্য সবার থেকে আলাদা।
লেখাটির জন্য ধন্যবাদ দিচ্ছি ভাইয়া। অন্ধকারের মধ্যেও কিছু আলো তো থাকেই।
যে কোন সংকটে আমরা এক হয়ে যাই
এটিও তেমন এক প্রমান।
ধন্যবাদ আপনাকেও ।
আমাদের মানবতা ও ভ্রাতৃত্ব বিশ্বের কোথাও পাবেন না।
হ্যা, ঠিক বলেছেন আপনি
” এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবেনাকো তুমি ”
মায়ের ভালবাসার তুলনাও নাই কথায়।
ঠিক, এর তুলনা নেই।
আমাদের হুজুকে জাতী বলা হয়, হুজুকটা শুরু হয় নি তাই কিছু হয়নি। :D)
অনেক সহনশীল আমরা, ১৯৭১ এ প্রমান করেছি।
আমার মনে হয় ৭১ এ আমরা প্রমান করেছি আমাদের সমস্ত আবেগের, প্রমান করেছি আমাদের বিশাল ভালবাসার, প্রমান করেছি আমাদের আত্মমর্যাদার।
এসব কিছু নিয়েই গর্বিত আমরা।
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।
অবস্হা দৃষ্টে তাই….তবে সেটা ছিল একটি শহর আর এটা ছিল একটি দেশ পার্থক্য এটাই।অজানা ছিল জেনে উপকৃত হলাম।
আমাদের সারা দেশ ব্লাক আউট ছিলো,
শুধু ঢাকা নয়।
আমারেরিকার সারা দেশে এমন হলে কি হতো কল্পনাও করা যায় না।
আসলে জাতি হিসাবে আমরা অন্য যেকোন দেশের তুলনায় নৈতিক ভাবে অনেক শুদ্ধ ।
অবশ্যই নৈতিকতায় আমরা অনেক উপরে অন্যদেশের তুলনায়।
আমরা আসলেই কত্তো ভাল..কিন্তু মাঝে মাঝে এই উপলব্ধিটা কেন জানি মরে যায়..
মরে যেতে দিয়েন না পরী। আমরা সংকটে আসলে এক জাতি।
মরতে দিতে চাই না–কিন্তু পরিস্থিতিই বাধ্য করে এমনটা।
তারপরেও বাঁচিয়ে রাখবো আমরা এই আবেগ।
গর্বিত। 🙂
হুম, গর্বিত 🙂
আমরা আসলেই গর্বিত জাতি। গতরাতে অনেক কিছুই হয়ে যেতে পারতো, হরতাল ছিলো আজ।
দেশ বিরোধী রাজাকারদের হরতাল ছিলো। অনেক কিছুই হতে পারতো।
এ ধরনের ধ্বংসাত্মক চিন্তাই তো গতকাল কারো মাথায় আসেনি।
সহনশীল এজন্যই বলেছি।
অবশ্যই আমরা জাতি হিসেবে অনেক সভ্য, অনেক ধৈর্যশীল।
অবশ্যই আমরা জাতি হিসেবে অনেক সভ্য, অনেক ধৈর্যশীল (y)
আজ এ নিয়েই এক প্রিয় মানুষের সাথে তর্ক করছিলাম যে আমরা ৩য় বিশ্বের অনুল্লেখ্য একটি দেশ হতে পারি কিন্তু জাতিসংঘের শান্তি মিশনের সেই সেব বাংলাদেশী সেনাদের মতই আমরাও শৃংখলিত 😀
ধন্যবাদ লেখাটির জন্যে।
আপনি ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ আপনাকেও ।
যদিও ইতিহাসটি জানা ছিলো না তবে এমন হওয়াটাও অস্বাভাবিক ছিলো না, আজকাল আমরা নিজেদেরকে নেগেটিভ ভাবে উপস্থাপন করতেই যেন বেশি ভালবাসি, আর তাই অনেকে আবার গতকালের এই ঘটনা নিয়ে ত্যানা পেচানো শুরু করেছেন, কখনো ভাবেনি যে আমাদের জাতির তুলনা অন্য কোন জাতির সাথে হয় না। ধৈর্য্য আর একতার নিদর্শনের প্রমাণ আমরা আগেই দিয়ে দিয়েছি। ধন্যবাদ এতো সুন্দর করে তুলে আনার জন্য ভাইয়া।
এত সুন্দর কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকেও ।
আমেরিকার ঘটনা জানা ছিলো না। আমরা আসলেই অনেক সহনশীল এক গর্বিত জাতি।
অবশ্যই গর্বিত আমরা।
বাংলাদেশের মানুষ লোড শিডিং দেখে খুবই অভ্যস্ত। আমার শহর ঝালকাঠিতে ২৪ ঘণ্টার ১৪-১৫ ঘণ্টা লোড শিডিং হত। তাই কোণ লুটপাট হয়নাই।
আপনার শহর ঝালকাঠীর সেই দিন আর নেই। এখন ঝালকাঠীতে লোড শেডিং মাঝে মাঝে হয়। দিন পাল্টাইছে না 🙂
এ সব কিছুই জানতাম না।এখন পড়ে জানলাম।বিদ্যুৎ না থাকলে এখানে এ সব কিছুই হয় না।
সংকটে আমরা এক থাকি সায়ন্তিকা, আমরা অনেক সহনশীল।
ঘটনা জানা ছিলো না, জাতি হিসেবে আমরা আসলেই অনেক সহনশীল।
ঠিক বলেছেন।