
বাড়ীর ধারে আড়শী নগর পড়শী বসত করে
আমি একদি-ও তারে দেখলাম না-রে দেখলাম না-রে দুই নয়ন ও ভরে।
——————————————————–
তবে শুনো ফাতেমা তুমি মুসলমান আমি হিন্দ- ওটা আমাদের পরিচয় নয়।আমাদের পরিচয় আমরা মানুষ,
যখন রাস্তা দিয়ে আমরা চলা ফেরা করি , তখন কেউ বলেনি তুমি মুসলমান আমি হিন্দ-সবাই বলে তুমি কেমন আছ। তবে যাই হোক এসব বাদ দাও!এখন চল তো তুমি-দেখছ না সন্ধ্যে নেমে আসছে
বাড়ি ফিরতে হবেতো তাড়াতাড়ি – দাড়াও মিত্র বাবু আসছি?
কি করিম ভাই কোথায় যাওয়া হইচ্ছে শুনি।না যাচ্ছি ওই পড়শি নগরে হাঁঠে, কিনতে হবে যে বেগমের জন্য শাড়ী-?
তাই ভালো বটে- তবে বেগমকে সাথে নিয়ে আসতে পারতে?
সে কি আর পারা যায় বলো, বেগম যে বড্ড রাগি বটে।ধামটা একটু বেশী চাইলেই ঝগড়া বাঁধাবে শেষে!
বেশ যাও, আমিও যাচ্ছি আড়শী নগর অতিথি আপ্পায়োন করতে,কালযে আমার মেয়ের মঙ্গল কাজ-তুমিও এসো ভাবী কে সাথে নিয়ে,।
আসবো রাধা ভাই আসবো,তোমার মেয়ে যে আমার ও মেয়ে বটে।বেশ আসিবেন কিন্তু,-এখন যাই রফিক ভাই কাল দেখা হবে-বেশ ভালো থেকো?!
কি ফাতেমা কথা বলো রাগ করেছো নাকি?না-গো মিত্র বাবু রাগ করিনি এই আড়শী নগরে মানুষ একে অন্যের সাথে মিলে আছে দ্যাখ ওখানে নেই কোন জাতি বিবাদ। মন্দির মসজিদ পাশাপাশি- একি সাথে যাচ্ছে সবাই হাতে হাত ধরে।
এ-তে বহু যুগের পরম্পরায় চলে আসছে পিতা পুত্রের হাত ধরে।
চলো চলো মিত্র বাবু, ওখানে চায়ের দুকান দ্যাখা যাচ্ছে, চা খাইতে খাইতে কথা বলি,বেশ চলো?
দাদা দু কাঁপ চা দাও। দিচ্ছি বাবু বসেন!নেন বাবু চা লন,
দাদা এতো তাড়াতাড়ি দিলে যে,সেতো বটেই বাবু আপনি যে আমাদের আড়শী নগরে অতীতি, তাড়াতাড়ি না দিলে কি হয়।, বাবু আপনার বাড়ি কোথায়, সেকি গো দাদা আপনি আমাদে চিনেন-নি? আগ্গে না গো দাদা? আমরা তো, ঐ আপনাদে পড়শি পাড়ার মানুষ।,তাই কি বাবু, হে কৃষ্ণ দাদা, আরে বাবু আপনে নাম জানেন। হে জানি কৃষ্ণ দাদা। আর আমি হলাম পড়শি নগরে রনো মিত্রের ছেলে- আর ও হলো বরফি সাহেবের মেয়ে?
বেশ ভালো, আমাদে আড়শী নগর বস্তিতে এসেছ বেশ ভালো লাগলো , তবে মাঝে মধ্যে এসো গো আমাদের আড়শী নগর, হে হে কৃষ্ণ দাদা আসবো – আসি দাদা আরেক দিন দেখা হবে, হে হে বাবু আসুন। চলো ফাতেমা, সবাই কিন্তু আমাদের জন্য অপেক্ষায়- হে চলো যাওয়া যাক।
কি মিত্র বাবু- এখন তোমার কি আসার সময় হলো,
না-রে পাগল আমি তো বহু ক্ষণ আগেই এসেছিলাম-কিন্তু তদের আড়শী নগরে- আসার পথে কৃষ্ণ দাদার দুকানে চা খেয়ে আসলাম -আর
কি হলো জানিস,তবে শোন, আশার পথে পেয়েছি তারে-! সে যে বাঁধিল আমারে তাঁহার ও গলার হারে,।চিনা নেই জানা নেই তবু হাসিলো আমারে দেখে,সে যে তোমাদের আড়শী নগরে রহিম সাহেবের মেয়েরে!
বাহ্ মিত্র বাবু বাহ্- বেশ কবিতার ভাষায় বললে তো। তবে আসতি না আসতেই তারও দেখা পেয়ে গেছিস?হেরে পেয়েছি আমার মনের মানুষ?
তবে মিত্র বাবু আমি বলিকি বেশি এগিও না,যা বলেছ তা ওখানে ক্ষমা দাও, তুমি হিন্দু ও মুসলমা সেটাও তোমার মনে রাখতে হবে।,কি বলিস তোরা আমি তো কোন জাত বাদ দেখিনি,আমি তো মানুষ হয়েই মানুষ কে দেখেছি, তাথে আমার অপরাধ কি?না, তোমার কোন অপরাধ নেই,
শুধু তোমাকে সেটা মনে করিয়ে দিলা-মনে থাকলেই বেশ!
আচ্ছা ছাড় তো এসব,এখন বল তোরা কেমন আছিস,
হে- আমার বেশ ভালোই আছি,তোমর খবর কি-,হরে ভালই,
তোর বন্ধু ফাতেমা কেমন আছে-হে সেও বেশ ভালোই আছে,সে তো আমার সাথে এসেছে,!
কোথায় সে-দিখছি না-তো,বাহিরেই আছে,ডাক না ওকে সবাই মিলে এক সাথথে আড্ডা দেই,জানিস তো বহু দি গিটার টা বাজেনি,আজ না হয় সবাই মিলে একটা সূর তুলে নেবো,
তবে তুই কি নতুন কোন গান লিখেছিস,না রে,তবে সেই পূরনো গানটা নতুন করে সূর দিয়েছি,
সেই সূর টা তোরা শুনবি,বলিস কি,গিটার টা হাতে নেই,তুই না হয় সূর টা ধর,,তবে শুন,
(আমি পেয়েছি তারে এই আরশী নগরে,হৃদয়ও মন্দিরে
আমি দেখিনি তাহারে আগে কখনো
রূপ লেগেছে নয়নে,
আমি পেয়েছি তাহারে এই আড়শী নগরে,হৃদয়ো মন্দিরে)
বাহ্ মিত্র বাবু বাহ্ বেশ চমৎকার সুর দিয়েছ তো।
আগামীর অপেক্ষা ওখানে সমাপ্ত।
ভুল হলে ক্ষমা করবেন ধন্যবাদ।
আগামীর অপেক্ষা ওখানে সমাপ্ত।
১৯টি মন্তব্য
জিসান শা ইকরাম
গল্প ভাল হয়েছে দাদা,
শুভ কামনা।
সঞ্জয় মালাকার
ধন্যযোগ্য হলাম ভাইজান, ধন্যবাদ আপনাকে।
ইঞ্জা
বেশ ভালো গল্প লিখলেন দাদা, ভালো লাগলো।
সঞ্জয় মালাকার
ধন্যবাদ দাদা, ভালো লাগা রইলো।
চাটিগাঁ থেকে বাহার
লেখাটা কিছুটা অগোছালো মনে হলো।
ঠান্ডা মাথায় আপনি কয়েকবার পড়ুন। পড়ার সময় নিজেকে লেখক হিসেবে না ভেবে পাঠক হিসেবে কল্পনা করুন। এভাবে পড়ে দেখুন কোথায় গ্যাপ আছে। তারপর আবার এডিট বা সম্পাদনা করুন।
আর হ্যাঁ, পাঠকের সমালোচনাকে আশা করি পজেটিভলি নিবেন।
আপনার জন্য শুভ কামনা।
সঞ্জয় মালাকার
ধন্যবাদ দাদা, আমি কারো মন্তব্যেে রাগ হয়নি বরং আমি আনন্দিত হই, কারণ আমি আপনাদের মন্তব্যথেক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাই।
আর দাদা আমি অবশ্যই সম্পদনা করে নেবো, ভালো থাকুন সব সময় শুভেচ্ছা রইলো।
তৌহিদ
আড়শী নগর নামে কোলকাতার বাংলা একটি সিনেমা দেখেছি। গল্পে তার ছোঁয়া পেলাম কিছুটা।
শুভকামনা রইলো।
সঞ্জয় মালাকার
দাদা আড়শী নগর, সিনেমার কথা এই প্রথম আমি আপনার কাছে শুনলা,তবে দাদা আমি কিন্তু কোন সিনেমার গল্প লিখনা, যা কিছু লিখে আমার মনোভাবনা থেকে লিখেছি, দাদা ভুল হতে পারে শো তে শো, কিন্তু আমি কারো লেখা কফি করিনা আর কোন সিনেমার কথাও লিখিনা, দাদা তেমন শিক্ষা জ্ঞান নেই আমর, আমি যা কিছু শিখেছি তা আপনাদের লেখা পড়ে পড়ে। দাদা এই সোনেলায় আমি আপনাদের উৎসাহে উৎসাহিত,দাদা আমার কথায় রাগ হবেন না, দাদা আমি নিজেরপায়ে দাঁড়াতে পরি যেনো এই আশীর্বাদ টুকু করবেন। ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা অফুর।
ভুল হলে ক্ষমা করবেন, আপনার ছুট ভাই।
তৌহিদ
আপনার ভাবনাকে সম্মান জানাই দাদা, লিখুন নিজের মত করে।
শুভকামনা রইলো দাদা।
বন্যা লিপি
বাড়ির কাছে আরশি নগর,
একঘর পড়শি বসত করে
আমি একদিন ও না
দেখিলাম তারে…….
বিখ্যাত লালনের এই গান যে কতটা গভীর বোধ ধারন করে তা যদি আমরা সকলে গভীর ভাবে উপলব্ধি করতে পারতাম।
লেখায় প্রচুর সম্পাদনার প্রয়োজন।
শুভ কামনা।
সঞ্জয় মালাকার
দিদি আমি গল্পটা লিখেছি আমার আঞ্চলিক ভাষায়
দিদি,
বাড়ির কাছে আরশি নগর,
একঘর পড়শি বসত করে
আমি একদিন ও না
দেখিলাম তারে…….
গানটি আমার খুব প্রিয়, তবে দিদি আমি এ-গানটির কোন কথা লিখনি, যা কিছু লিখেছি আমার মনোভাবনান থেকে লিখেছি একান্ত অনুভূতি থেকে। তবুও দিদি আমি সম্পাদনা করে নেবো,। ধন্যবাদ দিদি ভালো থাকুন সব সময় শুভ কামনা।
ছাইরাছ হেলাল
পড়লাম, ভালই।
একটু মন দিয়ে লিখুন।
সঞ্জয় মালাকার
ঠিকআছে দাদা, আশীর্বাদ করবেন।।
আরজু মুক্তা
গাইতে গাইতে গায়েন।
পরের পর্বের অপেক্ষায়।
সঞ্জয় মালাকার
ধন্যবাদ দিদি, অপেক্ষায় থাকুন, শুভেচ্ছা ও ভালো লাগা রইলো।
মনির হোসেন মমি
গল্প ভাল হচ্ছে। আর একটু সময় নিয়ে লিখতে হবে দাদা। গল্পের প্লট রীতিমত আলোড়ন তুলবে কিন্তু লেখার বানান ভাষাগত দিকটি উপেক্ষিত মনে হচ্ছে। আর একটু নজর দিলেই হয়ে যাবে বেশ পাঠ উপযোগী একটি চমৎকার গল্প। লিখতে লিখতেই এক দিন সব ঠিক হয়ে যাবে। চলুক।
সঞ্জয় মালাকার
দাদা আপনাদেন মন্তব্যেে আমি উপকৃত, আমি উৎসাহিত, দাদা আপনাদের মন্তব্যে আমি আলোর আহরণ খোঁজে পাই, শিখার এবং বুঝার আস্তিত্বি পাই, শত ভুলের পরেও আপনাদে পাশে পাই, ধন্যবাদ দাদা শুভেচ্ছা রইলো।
সুরাইয়া পারভিন
চমৎকার লিখেছেন
অপেক্ষা পরের পর্বের
সঞ্জয় মালাকার
ধন্যবাদ আপু, আসছি