চুল বেয়ে পালঙ্কে উঠে আসে
নীল গোখরো। মহাকালের পঞ্চ চাষী লাঙ্গল চালিয়ে দূরত্ব মেপে নেয় তোমার আমার বর্ধিত ব্যাসার্ধ। সারারাত পাশাখেলে আমাকে ধরে ফেলে মনসার স্পর্ধা। দংশনে আর বিষ ওঠে কই ?
যতটা বোধ দখলে নেয় নিউরন ।
বুকের ঠিক মাঝখানে গজিয়ে ওঠে হাসনাহেনা, বকুলের বেওয়ারিশ ডালপালা।
প্রিয়তমা,
ধাতুপ্রকৃতির আলপথে হেঁটে
কি ? বেহুলার ব্রত অথবা অনুমেয় দিগন্ত রেখা ?
মোট পড়েছেনঃ ৭০০জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
চমৎকার ছন্দ । অপূর্ব শব্দ বুনন I
শুভেচ্ছা রইল ভাই
অসাধারণ প্রতি শব্দে ভাব আছে অনেক শুভ কামনা কবি দা
ভালোবসা রইল লিটন ভাই
শুভ কামনা।
ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা চিরন্তন
কঠিন শব্দমালা। এমন শব্দ কখনই বাংলা পাঠ্যপুস্তকে পড়িনি। আসলেও কবি সাহিত্যিকরাই হচ্ছেন শব্দমালা তৈরীর কারিগর।
ভাল লাগলো ভাই।
শুভেচ্ছা জানবেন ভাই।সময় তো পার করছি কঠিন।তাই এমন শব্দের বুনন আবশ্যক হয়ে যাচ্ছে
সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক কখনোই ছিল না। আমি যেভাবে ভাবি সেভাবেই সরল ও বোধগোম্য করে লিখার চেষ্টা করি। তবে সব শব্দেরই সুন্দর সুন্দর ভিন্নার্থক অর্থ রয়েছে। আপনার শব্দমালাগুলো অনেক কঠিন হলেও বেশ ভাল লেগেছে। “ চুল বেয়ে পালঙ্কে উঠে আসে নীল গোখড়ো” ভয়ে গা শির শির করছে। ধন্যবাদ।
বেহুলার বাসর চোখের সামনে ভেসে উঠল। চমৎকার লিখেছেন বরাবরের মতই। নিরাপদে থাকুন সুস্থ থাকুন শুভকামনা রইলো অবিরাম
হুম আপনার আম্রপালি লেখাটা আমাকে মুগ্ধ করেছিলো।ইতিহাসের ঘটে যাওয়া ঘটনার কাব্যিক বয়ন।আমি বরাবরই মিথলজি এবং সমসাময়িক যাপনকে অভারলেপিং করে কবিতা নির্মান করি।
শুভেচ্ছা নিবেন।
আসলেই একটা অমোঘ ভয় জনজীবনে বিরাজওমান। এটা সমসাময়িক এবং মিথলজিক্যাল ইন্টারপিটেশান।
অসাধারণ ব্যঞ্জনাময় কবিতা।
ভালোবাসা নিবেন হালিম।ভাই
কম লিখে চমৎকার উপস্থাপন,সত্যি অসাধারন।
ধন্যবাদ দিদি