প্রাচীন সীতা এখনো বর্তমান

চিন্তা চেতনা মননে যতই আমরা আধুনিক হই , যতই শিক্ষিত হই
আমরা এই উপমহাদেশের মানুষরা নারীর আদর্শ ভাবি সীতাকে ।
কারন
সীতার কোন প্রতিবাদ নেই
তাঁকে অত্যাচার করা যায় ইচ্ছে মত
বনবাসে পাঠানো যায়
আমাদের ইচ্ছেমত তাঁকে সতীত্বের পরীক্ষা দিতে হয়

প্রতিবাদহীন নারী আমাদের সবার অতি প্রিয়। আমরা এখনো রয়ে গিয়েছি সেই রাম সীতা রাবনের যুগেই। বেড় হতে পারছি না , বেড় হতে চাইনা। বনবাস , সতীত্বের পরীক্ষা ইত্যাদির আধুনিকায়ন করেছি শুধু।

অঃকঃ লেখাটা অসম্পূর্ণ , আরো লিখবো

মোট পড়েছেনঃ ১৯০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. সহমত হলেও কিছু কথা বলার আছে।
    এই উপমহাদেশের লোকজন নারীদের “আত্মোৎসর্গ”কেই পুজো করে আসছে। রামায়ণের শেষ অংশে সীতা তাঁর দ্বিতীয় বনবাস থেকে ফিরে আসার পর রাম আবার প্রজাদের জন্য সীতাকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে বলেন। সীতা অগ্নিপরীক্ষা দিয়েই মা বসুমতি(পৃথিবী)কে ডাক দেন উনাকে গ্রহণ করার জন্য, ভূমি ফাঁক হয়ে যায়, অতঃপর সীতা ভূমিমধ্যে প্রবেশ করেন। রামের কাছে সীতা ফিরে যাননি- এই অংশে বুঝানো হয়েছে সীতার নীরব প্রতিবাদ। কিন্তু আমাদের সমাজ সীতার এই ভুমিপ্রবেশ নিয়ে বিরহ করলেও প্রতিবাদকে চোখে দেখে না। এখনো যদি কোন মেয়ে স্বামীকে ত্যাগের সিদ্ধান্ত (অর্থাৎ ডিভোর্স) নেয়, সেই মেয়ের পাশে সমাজ দাঁড়ায় না তা মেয়েটি যতই নির্যাতিতা হোক… যুগ-যুগান্তর ধরে এই চলে আসছে…

    1. আপনি সত্যি বলেছেন ।
      তবে এই নিরব প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে তিনি নিজকেই উৎসর্গ করেছেন , ধ্রুপদির মতো প্রতিবাদী হননি।

      লেখাটা শেষ করি , এরপর আবার আপনার মন্তব্য আশা করছি ।

  2. ‘প্রতিবাদহীন নারী আমাদের সবার অতি প্রিয়। আমরা এখনো রয়ে গিয়েছি সেই রাম সীতা রাবনের যুগেই। বেড় হতে পারছি না , বেড় হতে চাইনা। বনবাস , সতীত্বের পরীক্ষা ইত্যাদির আধুনিকায়ন করেছি শুধু।’ বড়ই সত্য এই কথাগুলো ।

  3. আমাদের সমাজ মেয়েদের শুধু সীতা রূপেই দেখতে চায় , আর মেয়েরাও কেবল অগ্নি পরীক্ষা দিয়ে যাই … বাকি অংশের অপেক্ষায় রইলাম জিসানদা 🙂

মন্তব্য করুন