প্রয়োজন আরেকটি ৭ই মার্চের ভাষণ ।

এ

ভায়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়। কী অন্যায় করেছিলাম?

আর যদি একটা মানুষ পোড়ে, আর যদি আমার লোকদের হত্যা করা হয়, তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ
রইল,- প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছুআছে তাই নিয়ে শত্রুরমোকাবেলা করতে হবে,

মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দিব।
এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ্।
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম।
জয় বাংলা।

বঙ্গবন্ধু আপনি কোথায় ?

এক বারের জন্য হলেও আবার বাংলায় আসুন ।
ওরা আমাদের সোনার বাংলাকে ধ্বংস করার চক্রান্ত করছে ।

আবার প্রয়োজন একটা জ্বালাময়ী ভাষণের ।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২০টি মন্তব্য

  1. এবারের সংগ্রাম আরো কঠিন সংগ্রাম।
    এবারের সংগ্রাম, হায়েনাদের ধ্বংস করে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম
    বঙ্গবন্ধু ডাক দিয়েছিলেন শত্রুর মোকাবেলা করতে।
    শত্রু কারা? পাকিস্তানী শোষনকারীরা।
    কিন্তু এবার?
    কাদের মোকাবেলা করতে হবে আমাদের? আমাদেরই ভাই, এদেশে জন্ম নেয়া কিছু পাকিজারজদের। যাদের আমরা ভিনদেশী শত্রু হিসাবেও চিহ্নিত করতে পারছি না।

    হ্যাঁ, জাতির হিমশীতল রক্তে আগ্নেয়গিরির লাভা জ্বালিয়ে তুলার মতো একজনের বড়বেশি প্রয়োজন এখন।

    1. যারা আগুনে পুড়িয়ে নিষ্পাপ শিশু, মানুষ মারতে পারে এরা মানুষের কাতারে পড়ে না ।

      পাকিস্তান ভীন দেশী দের তবুও ক্ষমা করা যায় । কিন্তু বিশ্বাসঘাতক স্বদেশী কে কোন ক্ষমা নয়

  2. মাঝে মাঝে মনে হয় দেশের ভালো ভালো মানুষগুলো বুঝি একাত্তরের শেষ হয়ে গেছে। একজনই শুধু ছিল, তিনিও খারাপ মানুষদের ভীড়ে টিকে থাকতে পারলেন না।

    1. অবশ্যই তাই । বাঙালী কে দাবায়া রাখা সম্ভব নয় । শুধু বাঙালীর ভেতরের ঘুমন্ত জাতীয়তাবোধ টাকে জাগিয়ে তুলতে হবে ।

  3. হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একাত্তরের ৭-ই মাচের্র ভাষনের মত ভাষন আর হবেনা, তাঁর মত মানুষ আর আসবেনওনা, এটা সঠিক।
    তবে দেশও কিন্তু এভাবে চলবেনা। কারন অধিকাংশ মানুষ শান্তি চান, উন্নতি চান, সমৃদ্ধি চান, তাই সে সবই হবে দেশে। অন্যায়-অবিচার বন্দ্ব হওয়ার কাযর্ক্রম শুরু হয়ে যাবে দেশে। দেশে একজন নেতার অভাব অনেকে বোধ করেন, এজন্যই নেতাও আসবেন। অভাববোধটা যত তীব্র হবে, তত তাড়াতাড়ি নেতার শুন্যস্থানটা পূরণও হবে।

মন্তব্য করুন