এই ব্লগে অনেকদিন ধরেই ভাবছি যে কিছু লিখবো,সবার লেখাই আমি কম বেশি পড়ি,কোন মন্তব্য করিনা। মন্তব্য দেবো কিভাবে, আমার তো এখানে আইডিই ছিলো না। ব্লগার সাবিনা আপুর বদান্যতায় এখানে শেষ পর্যন্ত নিবন্ধন করেই ফেললাম।
এখানে অনেক সম্মানিত লেখক ও পাঠক রয়েছেন, তাই ভয় হয়, কি না কি লিখবো। যদি আবার কোনো ভুল টুল হয়ে যায়!

আসলে আমি সবসময়ই মানুষ কে হাসাতে পছন্দ করি তাই লেখাগুলোও অনেক হাস্যকর হয়। আমার আবেগ যে নেই তা কিন্তু নয়। আবেগ কে বলেছি তুই সাবেক জায়গায় থাক, ভবিষ্যতে হাসি নিয়ে মরতে চাই আর ভালো কিছু করতে চাই। যাইহোক গতকাল ফেইসবুকে একটা পোষ্ট করেছিলাম পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে-

আমার মাথার চুল কমে যাওয়াতে মাঝেমধ্যে পেঁয়াজ ঘসি কিন্তু এই ঘসাটা বেড়ে যায় যখন পেঁয়াজের দাম বাড়ে। তো গতকাল একটা পেঁয়াজ কুচি করে মাথায় ঘসতে ছিলাম, এর মধ্যে আম্মু এসে বললো ‘ সারা বছর তো দেওনা যখনই দাম বাড়ে তখনই কি তোর দিতে ইচ্ছে করে?’ আমি বললাম হ্যাঁ আম্মু,আর কেনো দেই জানো? কারন এখন যেহেতু দাম বেড়েছে সেহেতু ওদের কার্যক্ষমতাও হয়তো বেড়েছে, এখন ঘসলে ৯০/১০০টা পর্যন্ত চুল গজাতে পারে আর আগে ঘসলে ডেইলি ৩০/৩২ টা পরে যেত। আম্মু বললো ‘ আমাকে আর জ্ঞান দিতে হবেনা মোবাইল দিয়া পেঁয়াজের ছবি তুইল্যা কাইল থেইকা মোবাইলের লগে মাথা ঘস 😭 । ‘

আসলে এই পোস্ট টা হাস্যকর হলেও এখানে আমার দেয়া একটা বার্তা ছিলো আর আম্মুর কথারো যুক্তি ছিলো, এভাবে দাম বাড়লে আসলেই সবার এই পন্থাই অনুকরণ করতে হবে। রান্নার সময় আগে থেকেই মোবাইলে পেয়াজের ছবি রান্নার সামনে রেখে রান্না করতে হবে 🙂

১২৭০জন ১১০৮জন

২৫টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য