সরকার একের পর এক মানুষের উপর ব্যয় বাড়িয়ে চলেছে, কিন্তু ঢাকা বা দেশের ঘেঁটে খাওয়া মানুসগুলো কি করবে, কিভাবে জীবনযাপন করবে ? মানুষ কিভাবে সংসার চালাবে?
বিদ্যুতের দাম বাড়াবে, গ্যাসের দাম বাড়াবে আয়ের পথবন্ধ , মানে বাড়ছে না আয়। গ্যাসের দামের সাথে বাড়বে গাড়িভাড়া , বাড়িভাড়া, রিকশাভাড়া সব, আমরা কোথায় যাবো?
এবার জেই হরতাল ডাকুন না কেন রাস্তায় নামতেই হবে , বাধ্য।কোন উপায় থাকবেনা।
সরকারের ভিতর থেকে এগুল বাড়ানর কুমতলব কে দিচ্ছে তা সরকারের জানা উচিত।
এই মুহুরতে সরকারের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মুল্য না বাড়ানই উত্তম।
সাধারন মানুষকে পথে বসিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ করা যায়না। মানুষের জীবন যাত্রা ব্যাহত করে কিভাবে দেশের উন্নয়ন সম্ভব?
”জান যদি না থাকে, রুপ দিয়া কি হইব?” বিখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লাল সালুর উক্তি ।
সরকারের চাকুরী জিবিদের বেতন বাড়িয়ে খমতায় থাকা যাবে না। যারা আওয়ামিলীগের আদর্শ মানে না তাঁদের যতই টাকা, গাড়ীবাড়ি দেন তারা আপনার দল করবেনা। সাধারন জনগনের ভালো মন্দ দেখুন, তারা আপনাদের সাথে বেইমানি করবেনা।
আগামী জানুয়ারী থেকেই বাড়বে এই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম।
কোথায় ৪৫০/= টাকা আর কোথায় ১০০০/= টাকা। আদও কি সাধারন মানুষ এই বোঝা বইতে পারবে কি পারবেনা তা কি সরকারের জানা উচিত নয়? বিদ্যুতের দাম বাড়াবে ৩০% ভাগ কি আজব দেশ আজব সরকার।প্রত্যেক পন্যের দামের সহিত ভ্যাট, টেক্স বাড়ছেই। কিভাবে সম্ভত জীবন বাঁচানো।
সাধারন মানুষকে রাস্তায় ফেলে কিভাবে ক্ষমতায় থাকবেন? এটা বোধগম্য না। সাধারন জনতার ভালোমন্দ বুঝুন তাঁদের অবস্থা কি হবে তা উপলধ্বি করুন। তাঁরপর ভাবুন মাননীয় দেশপ্রধান।
অবশ্যই ভাবনার বিষয়।
এখানে ভাবনার কিছু নাই ভাইয়া।
আমার সব মিলিয়ে বাড়বে প্রায় ২০০০/= টাকা।
কিভাবে সম্ভব বলুন। বিগত ২বছর বেতন বাড়ে নাই।
চুরি বন্ধ না করে দাম বাড়ানো এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা
সহমত।
চুরি ত করবেই সুযোগ দিচ্ছে সরকার।
আমাদের কি হবে ?
মানুষের আয় কিছুটা বেড়েছে, তবে এতটা বাড়েনি, যাতে সাধারন মানুষ এই ব্যয় বৃদ্ধি সামলাতে পারবে।
হইত আপনার বেড়েছে।
যার বাড়ে নাই তাঁর অবস্থা বুঝুন আপু।
এই ব্যয় বহন করা সত্যিই কষ্টসাধ্য ——-
অসম্ভব!
এই অবস্থায় ঢাকা শহরে দেখবেন চুরি, ছিনাতাই বেড়ে যাবে, আর অসহায় মানুসে আবার এদের শিকার হবে।
আয়ের পথ বন্ধ হলে মানুষ অন্যায় কাজে জড়িত হবে
আবার মানুষ আইনের শাসনে বন্দি হবে।
অনেক সমস্যার সৃষ্টি হবে।
চুরি বন্ধ না করে দাম বাড়ানো এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা 🙂 মনির ভাইয়ের লগে একমত ।
সমস্যা হচ্ছে বলয় । এই বলয় ভেদ করে কথা গুলা জায়গা মতো পৌছে না 🙁
জায়গায় পোঁছে ঠিকই কিন্তু
এই চুরির টাকা পোঁছে জায় সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ব্যাক্তির নিকট।
নেতার নিকট।
যার জন্য কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়না।
সুন্দর লিখেছেন। ভালো লাগা রেখে গেলাম।
একটা ব্যাপারে একটু খটকা লেগেছে, “”জান যদি না থাকে, রুপ দিয়া কি হইব?” – সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর লাল সালুর এই উক্তিটি কি এমন ছিল না- “”জান যদি না থাকে, ধান দিয়া কি হইব?”। আমি শিওর নই, তবে এই উক্তিটি মজিদের প্রথম স্ত্রী প্রচণ্ড ঝড়ের সময়ে বোধহয় মজিদকে বলেছিল। বেশ আগে পড়েছিলাম (১৯৯০ ইং তে)।
আমার র ১৯৯০ বা ১৯৯১ তে পড়েছিলাম আবার আমার সংগ্রহে নাই ।
ধন্যবাদ মামুন ভাই।
একটা কথা বেশ ভাল লেগেছে – “সাধারন মানুষকে পথে বসিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ করা যায়না”।
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
চিন্তার বিষয় ;?
পথে বসার বিষয় আপু।
কি যে হবে শেষ পর্যন্ত ? 🙁
ভালো পোষ্ট ।
এই একই চিন্তা আমার বস।
জানিনা সামনে কেমন দিন অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য । চলছে চলবে হয়ত এভাবেই আমাদের দিনযাপন ।
কিভাবে সম্ভব সঞ্চয়দা।
আয় না বাড়লে কিভাবে সম্ভব।
চিন্তাশক্তি কাজ করেনা।
গরীবদের বেঁচে থাকতেও ট্যাক্স লাগে কিনা দেখুন। বেঁচে থাকবে শুধু ধনীরা।
মরে গেলে চিন্তা করা লাগত না।
বেচে থেকে জত জ্বালা।
জীবনের লাশ কাটা ঘরে নিথর পড়ে আছে মুক্তির অপেক্ষায়। কু মন্ত্র দেওয়ার লোকের অভাব নাই হর্তাকর্তাদের আশেপাশে। কেন পামমারা বামরাতো আছেনই।
হুম !
১৯৭১ ২ ১৯৭৫ রে ডুবাইছে
২০১৪ তে ও দুবাইবে মনে হইতাছে।
নিজেদের পেট মোটাতাজা করনে এ বৃদ্ধি না করে উপায় কি?
সহমত
কিন্তু কতদিন
একদিন অবসান হবে নিশ্চয়।
একটা কথা আছে – পরেছো মোগলের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে।
যে সরকারই আসুক, আমাদের যা খাওয়াবে তাই খেতে হবে।
খেয়ে জাচ্ছি উপায় নাই যে ভাইয়া।