নবীণা

নবীণা

বেশ কদিন আমি আকাশ দেখিনা

উত্তরের জানালা টা ও বন্ধ

রুদ্ধ দ্বারে জীর্ণ মানুষিকতায়

অন্তদন্ডে কাতর প্রায়  ।

বড় ইচ্ছা জাগে,  আকাশের সীমা পেরিয়ে

নীলাভ আবীরে হারিয়ে যাই

তুমি আমি একাত্মার গহীনে   ।

 

নবীণা

আজ কাল আমি বড্ড উদাসী

গরম চায়ে চুমু পরে না

একুশ বছর পর তোমার লিখা

চিরকূট টা বার বার পড়ি

” একটু দৈর্য আর অপেক্ষা করলেই হয়তো,

পরিপূর্ণতায় রঙিন হতো আজ জীবন  ” ।

 

নবীণা

সেদিন ছিল এক বর্ষন মুখর বিকাল

বৈরী আবহাওয়ায় বাঁধা ছিলাম আমি

বিশ্বাসের দড়ি ছিড়ে তুমি

পা রেখেছো চলন্ত ট্রেনে   ,

একবার ও ভাবোনি,  তোমার জন্য কেউ

অনুকুল জোয়ার অতিক্রম করে

অদম্য প্রচেস্টায় জয়ের নিশান নিয়ে

ভালবাসার আবীর জড়িয়ে ফিরে আসবে

তোমার স্পর্শ  পাবে বলে      ।

 

নবীণা

যে দিন তোমার প্রথম চিরকুট পেয়েছিলাম

দু ফোটা জলে ভিজে ছিল বুক

হাজার রজনী নির্ঘুম বেদনাকে

ভাসিয়ে  দিয়েছিল না পাওয়ার সুখ।

 

নবীণা

আজও ট্রেন আসে, ট্রেন যায়

আমি অপেক্ষায় থাকি

আমার পৃথিবী আমার জন্য

রাখেনি কিছু বাকী        ।

মোট পড়েছেনঃ ৭৪৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১১টি মন্তব্য

  1. হয়তো নিরুপায় হয়েই নবীণা অপেক্ষা করতে পারে না। অনেকটা বাধ্য হয়েই প্রিয় মানুষ, প্রিয় মুহূর্ত ছেড়ে চলে যেতে হয়।
    চমৎকার লিখেছেন

  2. নবীন রাও চলে যায় এভাবে কারো জন্য ই কেউ নয়। সব যেন মরীচিকা। নবীনারা ফিরে আসতে চাইলেও ফিরে আসতে পারেনা অনেক বাধার কারণে। ভালো থাকবেন শুভ কামনা রইলো

  3. বাহ কবি বাহ।
    এক সঙ্গে ৫ টা কবিতা পড়ার সুযোগ করে দিলেন।
    তবে প্রতিটি কবিতায় না পাওয়ার বেদনার সুর কেন?
    কবিরাতো উচ্ছল হয়। না চাইতেই সব ছন্দে পায়।
    শুভ কামনা।

মন্তব্য করুন