তোমাকে দেখলেই দু’পা ডীপ ফ্রিজে
আটকে পড়ে যেন !
জলন্ত সিগারেট ধর্ষিত হয় দু’ঠোঁটে
প্রফুল্লতা গর্ত খুঁড়ে কেন ?
প্রয়োজন অপ্রয়োজনে
তপ্ত আকাশ চাঁদের সুরভী দেয়
নাজিফাহ দু’চোখের পাতা
নিখুঁত ক্লাইমেক্সে তোমার ছবি নেয় ;
আটকে পড়ে তোমার দু’পায়ে –
স্কিন শট নেয় দু’ফিতের স্যান্ডেলের ।
দুর্বলতা – বিষণ্ণতা – অবসাদ
মোড়ানো হয়ে তুমি দেখা দাও
পৃথিবীর নানান বন্দরে …
সপ্নময়তা – অযাচিত বেদনা
মোড়ানো এক অস্থিরতায়
কালবৈশাখী বাসনায় , সুন্দরে ..
নাজিফাহ – তুমি বরং মসৃণতা হও
আমার পথচলার , সুপ্ত বাসনার
শুভ্র কোন প্রচেষ্টার ওরস্যালাইন ;
স্বর্ণালী চাদর মোড়ানো এসএমসি
হয়ে গ্লানির বেদনা মুছে দাও
প্রেমের আল্পনায় – রুপোলী জোছনায়
তোমার ছোঁয়াতেই যেন হয়
বুকের গভীরের এই তৃষ্ণার ক্ষয় ।
প্রশ্ন _ কবিতা কি হয়েছে ? কবিতা কি লিখতে পারি ?
সঠিক উত্তর – কবিতা হয়নি , কখনো লিখতেও পারবো না ।
এতো সুন্দর লেখার পর এতো পচা উত্তর ??? লিখলেন আপনি, প্রশ্ন করলেন আপনি আবার উত্তরও দিলেন আপনি… আসলেই একনায়কতন্ত্র…
হু । স্বৈরাচারী হয়েছে
সমস্ত কবিতায় ভালোবাসা , প্রেম যেন চোখে দেখলাম ।
ভালো লেগেছে কবি ।
অবশ্যই হয়েছে ।
হু । ভালো থাকবেন
কবিতা লিখতেই হবে এমন মনে করি না ।
তবে আনন্দে মনের কথা আমরা লিখব ই ।
পড়তে তো আমার ভালই লাগে ।
হু । ঠিক
তুমি এলে,
অনেকদিনের পরে যেন বৃষ্টি এল ——-
অবশ্যই কবিতা হয়েছে।
হু । শুভেচ্ছা
কবিতা ভালো হয়েছে \|/
শুভেচ্ছা
ভালো ভালো এত প্রেম কোথা থেকে পান ভাই? একটু ধার দেন না আতাহার ভাই।
শুভেচ্ছা। -{@
প্রেম একা থাকা ।
কেন জানি নিজকে নাজিফাহ ভাবতে ইচ্ছে করছে প্রিন্স ভাইয়া :p এত আবেগ দিয়ে কিভাবে লেখেন ?
কলম দিয়ে । :p