মূল লেখায় যান

ঘরের বাহিরে ব্যাচেলর খাওয়া।

মোঃ মজিবর রহমানএকান্ত অনুভূতি২৫টি মন্তব্য

এই ঢাকা শহর আমায় কষ্ট পেতে দেয়নি ঢাকায় আসা প্রথম দিন গুলতে। এখন একায় নিঃসঙ্গ দিনযাপন করি। বাসায় খাওয়া রান্না টুকিটাকি মাঝে মাঝে নিজেই করা লাগে। দুখ কস্টে নাজেহাল জীবন বহমান।

আমার জুনিয়র কাম ফ্রেন্ড রাজ দূর রাজশাহি থেকে এসেই রান্না করে খাবে!! বুঝ জ্বালা। তয় মুরগি কিনে খাওয়া কাজ শুরু। রাজের হাতে পাক হচ্ছে মুরগীর মাংস।

রান্নারত অবস্থায়

 

রান্নার পর নাড়াচাড়া করা হচ্ছে।

রান্নার পর চুলায়রত মুরগীর মাংস।

খুব খুব ভাল রান্না করেছিল রাজ। খাওয়াটাও ভালই ত্রিপ্তিসহকারে হল। আমি রান্না করতে পারিনা। রাজ শিখায়ে দিল এভাবে রান্না করে খাবেন। হোটেলে খাওয়ার থেকে ঘরে রান্না খাওয়া অনেক ভাল। আর রান্না ঘরের দৃশ্য দেখে ময়লা আবর্জনা আছে নোংরা হয়।

আজ এখানেই শেষ হল। সবাই ভাল থাকুন।

মোট পড়েছেনঃ ৯২৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৫টি মন্তব্য

    1. তাহলে কেউ খাবেনা। তাও আপনাকে বলি।
      ১. প্রথমে মাংস কড়াইতে দিয়ে মাংসের পানি শুকিয়ে নিলাম
      ২. অল্প তেল দিয়ে হাল্কা সিদ্ধ বা কসানো
      ৩. পিয়াজ, রসুন, কাচা লংকা, ভেজে লাল লাল বা কাল মত করে নেওয়া হল, যতক্ষন না মিশে না যায়।
      ৪. তাঁর পর মাংস দিয়ে দুই মিনিট মত আবার নাড়া চাড়া করে
      ৫. পরিমান মত পানি দিয়ে রান্না শেষ করেছি। এই যা বস।

  1. মজিবর ভাইজান এতোদিন পরপর লেখা দিলে হয়? একটু বেশি বেশি দিলে কি হয়। কতোদিন পর লিখলেন, তাও ছোটো। মুরগির তরকারির রেসিপিটাও দিলেন না। আপনারা খেয়ে মজা পেলেই হবে? রেসিপি দিয়ে দিলে আমরাও রেধে মজা করে খেতাম 😊😊

    ভালো থাকবেন ভাইজান, শুভ কামনা রইলো 🌹🌹

    1. আপুজান, এখন অনেক অনেক মন ভুলান ও আমার পছন্দ মত লেখা পাচ্ছি তাই পড়ে ত্রিপ্তি পাচ্ছি। আর আই মুলত পাঠক , পাঠক হয়েই থাকতে চাই।
      শুভেচ্ছা নিরন্তর ভাল থাকুন।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।