শিশুটির চোখে মুখে যেন, কি এক অসম্ভব মায়া জড়ানো। বারবার দেখেও মন ভরে না। নিষ্পাপ ওই চোখ দুটো কি যেন বলতে চায়। কেন জানি না ছবি টি দেখলে চোখের পাতা ভারী হয়ে উঠে। গত ২৮ ডিসেম্বর রাতে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কনকনে শীতের রাতে ছোট ভাইকে কোলে করে বসেছিল রাস্তায়। যতটুকু জানা গেছে বাবা মায়ের কেউ একজন রাস্তায় ফেলে রেখে গেছে। ছোট ভাইয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন। কনকনে শীতের রাতে চার বছরের ছোট শিশু হয়ে উঠে আরেক শিশুর অভিভাবক। পরম মমতায় আগলে রাখে ছোট্ট ভাইকে।
মানবতা এখনো বেঁচে আছে। তাই তো একজন অটোরিকশা চালক দেখতে পেয়ে, নিয়ে যান নিজের বাড়িতে। এখনো শিশু দুটির বাবা মায়ের খোঁজ পাওয়া যায়নি। কি অদ্ভুত ব্যাপার! মানুষ তার সন্তানের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেন। শুধু সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে আলিঙ্গন করে নেন সকল দুঃখ কষ্ট। শিশুটির নিষ্পাপ চাহনি মন ভারাক্রান্ত করে ফেলে। কি করে পারে এরা? এও কি সম্ভব? জানি না কোন রাগে, ক্ষোভে মা তার সন্তানদের কোল ছাড়া করেছেন। একজন মা বাঘের মুখ থেকে সন্তানকে রক্ষা করার জন্য জীবন বাজি রাখেন। আল্লাহ হেফাজতকারী। তিনি অবশ্যই শিশু দুটিকে হেফাজতে রাখবেন।
ছবি সংগ্রহ – নেট থেকে।
৪টি মন্তব্য
নার্গিস রশিদ
দুঃখ জনক !!
হালিমা আক্তার
আমাদের মনুষ্যত্বের অভাব। ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো।
মোঃ মজিবর রহমান
খুবই দুক্ষজনক ঘটনা। এই পুর্বেই ঘটেছিলো মনে নরসিংদী হত্যা করেছিলো।
হালিমা আক্তার
ইদানিং এ ধরনের ঘটনা শোনা যায়। আসলে আমরা অনেক বদলে গেছি। নিজের ভাবনা ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারি না। তাই এধরনের ঘটনা ঘটছে। চমৎকার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা।