আমায় যেও ভুলে
অসহ্য সুন্দরতম কোন রাত আসবে একদিন, দুদিন কিংবা তারপর অনেক অনেকদিন
নিশির তৃষ্ণা নিয়ে ভর অন্ধকারে অথবা জ্যোৎস্না চাপা পেল্লায় বৃক্ষের
তলায় আঁটসাঁট হয়ে বসে থাকা, হাঁটুতে থুতনী রেখে নিপাট লজ্জাবতীর
সদ্য ডাঙর হয়ে ওঠা বালিকার সেই রাত আসবে একদিন, দুদিন কিংবা—
সহসাই জেগে উঠবে ছুটির ওপাড় থেকে সফেদ নিখাঁদ আত্মারা
কপালে আঙ্গুলের সজোর খোঁচায়
বালিকা কি শুনতে পাবে, সাবধানবানী?
ফিরে যা… যা …আ…আ…আ…
আউলা আছি কিছুদিন। উদ্ভট লেখা দেবার জন্য দুঃখিত।
গান গাইলাম সোনেলার জন্য এই প্রথম, কেউ খারাপ বললে কিন্তু খবরই আছে।
কোথাও যদি হারিয়ে আমি যাইগো কোনদিন,
যেও ভুলে আমায় যেও ভুলে———-
মোট পড়েছেনঃ ৮৪৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন


৪৯টি মন্তব্য
নিজের মাঝে এমন সাবধান বানী শুনতে পাওয়া ভাল না।
বালিকার মন ভাল হয়ে যাক
অস্থিরতা দূরে চলে যাক, অনেক দূরে
দৃষ্টি সীমার বাইরে।
বালিকাতো আমি না, অই আত্মাটা আমি হইতারি 🙂
অস্থিরতা চলে গেছে, আমার বাসা তার ভাল্লাগেনাই। আর আসবেনা বলে গেছে। 🙂
হ বালিকাটা আপনে না তা আমি বুঝছি
না আসাই ভালো, চলে যাক বহুদূর
এরপর যেন আর আপনার বাসার ঠিকানা ভুলে যায়।
শুভকামনা রাশি রাশি -{@
বাড়ি পালটায় ফেলুম নি? ভাবতাছি বাড়ি একটা কিন্যাই ফেলুম এইবার। ঠিকানা কাউরে কইমুনা। ঠিক আছেনা?
আপনাকেও শুভকামনা। 🙂 -{@
বাড়ি পাল্টান বা কেনেন তাতে কিছুই আসে যায় না
আপনার ঠিকানা যে সোনেলা তা আমরা জানি 🙂
ঠিকানা অপরিবর্তনীয়,
পটানিয়া কথা বইলা লাভ নাই, জলদি জলদি বেতন ভাতার ব্যবস্থা করুন। :@
প্রথম হইলাম। তাহাই সান্তনা। এই লেখায় কিছু লেখার গেয়ন হয়নাই।
জ্যোৎস্না চাপা পেল্লায় বৃক্ষের
তলায় আঁটসাঁট হয়ে বসে থাকা।
পেল্লা গাছ কোনটা!!!
প্রথম হইয়াও হইতো পারিলোনা।
আহহা, দিমু নাকি উপরের থাইক্কা অইটা ঝুড়িতে ফালাইয়া? এবার বুঝছি সেই সুযোগ ক্যান আমাগোরে দেয়া হয়নাই 🙁
দুক্ষু কইরেন নাগো ভাউ, এই নেন গোলাপ ফুল -{@
পেল্লায় মানে আপনি বুঝবেন না, বড়সড় মাথা হইলে বুঝতে পারতেন।
গেয়ান কি জিনিস? কোন কামে লাগে?
এইবার মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় একজনরে চ্যাম্পিয়ান কইয়া ক্রেস্ট পড়াইয়া, একটু পরে কয় স্যরি ভুল হইয়া গেছে, তুমি পরথম না, আরেকজন 😀 এইখানে পুরুষ্কারের ব্যাপার স্যাপার থাকলে, মডুরা এমনে জালিয়াতি করতো মনে লয় 🙂
মডুরা অতীব দুষ্টু!
মাথা বড় করার তরিকা কি? “পেল্লায়” মাথায় মধ্যে খোঁচাচ্ছে …
আমাকে কে যেনো একবার বলেছিলান – “সবার জন্য সবকিছু নয়”। আমার মনে হয় এই লেখা আপনার জন্য নয়। আপনি এরকম ভাঙাচুরা মানুষ না।
আমি একটু মন খারাপের কিছু লিখলেই সবাই আমার উপর ভাইঙ্গাচুইড়া পড়ে, পেল্লায় বৃক্ষটাই যেন পড়ে। যান লিখুম না আর। 🙁
মডুদের কথা আর কইয়েন না, শুনেছি আপনি মডুদের দোস্ত, সাবধান, অসৎ সঙ্গে সর্বোনাশ। 🙂
বালিকা তোমার মন খারাপ বুঝি?
আউলা ঝাউলা মাথায় লিখে বলছ কিছুই হয়নি ধূর?
তবে তাই হোক চাইনা অমন লোক দেখানো নিষ্প্রাণ হাসি
যদি ব্যথিত হৃদয় কণ্ঠে সাজায় এমন মধুর সুর |
অনেক গুলো ভালবাসা তোমার জন্য |
আবারো গান শোনার ইচ্ছে রেখে গেলাম |
শুন্যাপু কোথাকার -{@
🙂 এই আপু, অনেকদিন তোমার ছন্দ পাইনা। তুমি কি রাগ করেছ আমাদের উপর?
বালিকাতো সেই কবেই হয়েছে নারী
তবু আজো তার পরা হয়না শাড়ি
আঁচলে থাকেনা ঘরের চাবি, মোছা হয়না জল
বালিকা তাই রয়েই গেলো কলকল ছলছল।
তোমার জন্যেও অনেক অনেক ভালোবাসা আপু। ভালো থেকো, মায়ায় রেখো মায়াবতী।
(3 -{@
ছন্দ যে কেউ আর চাচ্ছেনা শুন্যাপু, কি করব বল |
সেজন্যই তো বাদ দিতে হল |
মায়াপু তোমার এখনকার লেখাগুলো অনেক বেশি পরিপক্ক। ছন্দের একটা আলাদা মাধুর্য্য আছে, তুমি সেটা অন্য কাজেও লাগাতে পারো। তোমার লেখায় আইডিয়া অনেক বেশি, তাই আমি কিছু বলছিনা, আমি তোমার মত পারবওনা। ছন্দ দিয়ে একটা রম্য লিখে ফেলো, তোমার শুরুর দিকে এক ছেলেকে ধোলাই করার যে ছন্দের লেখা ছিল, অইটা আমার ভীষন পছন্দের ছিল। সবার উপরে একটা কথা মানি আপু, নিজেকে আনন্দে রেখো। তোমাকে খুব পছন্দ করি, তাই এসব বলি। আমাকেও একটু শেখাও না আপু, কোনদিন কিছু শেখালে না 🙁
আউলা থাকলেও লেখা পইড়া বাউলা হইলাম।
🙂 আপনাকে দেখে আউলা গায়েব আপু। কেমন আছেন?
আপনি এমন লেখেন না কখনো
সোনেলায় আপনি আসার পর থেকে এক মুহুর্তের জন্যও বুঝতে দেননি যে আপনার কষ্ট আছে
আনন্দে থেকেছেন, আনন্দে রেখেছেন আমাদের সবাইকে
পাহাড় সম বা কষ্টের তুলনায় পাহাড় নগন্য হওয়াতেই এমন লেখা চলে আসে
ভাবতে ইচ্ছে করছে, শুধু গানের জন্যই এই লেখা সাজানো,
গানের জন্যই লেখা।
আপনার গানকে খারাপ বলার সামান্য সুযোগই তো আপনি দিলেন না
খারাপ বলবো কিভাবে?
আমার আনন্দের তুলনায় কষ্ট নগন্য হয়ে পড়ে। ও কিছুনা।
লেখার জন্য গান, কিংবা গানের জন্য লেখা হবে কিছু একটা। কিছু না হলেও সমস্যা নেই। লেখালেখিতে কিছু টানাটানি চলছে, ঠিক হয়ে যাবে আশা করি।
আপনি তো খারাপ বলেন নি আজ পর্যন্ত কিছুই? বলেছেন? 🙂
হ বুঝলাম এই আপনি আপনি না
নার্ভাস নাইন্টি নাইনে এলে এমন হয়
একটা ওভার বাউন্ডারী মাইর্যা সেঞ্চুরী পূর্ন করেন।
এক লেখায় ছয় লেখা,
আইডিয়া পছন্দ হইলে নিতে পারেন।
আপনি কি আমার আইডিয়া নিবেন? সজু অবশ্য আইডিয়া ভালো দিতারে 🙂
খারাপ ভাবে গাইয়া একটা গান আপলোড করুন, দেখবেন কিভাবে বলি,
যাই হোক, আপনার এই পোষ্টটি কিন্তু অনেক অনেক ভালো হয়েছে
যেমন লেখা তেমনি গান।
আচ্ছা আপনি কোন বিষয়ে ভালো নন, তা একটু বলবেন?
নাইন্টি নাইন নাকি? দিলেন তো আমার মাথাটা নষ্ট করে। এখন ১০০ করতে গিয়ে কতগুলো বল নষ্ট করবো কে জানে!
এক লেখায় ছয় লেখা? হ, হ ছয়জনের কাছ থাইক্কা ছয়টা পোস্ট চুরি করলে এইটা কোন ব্যাপারই না।
হিংসা খুব খ্রাপ 🙂
এই লেখা লিখে আমি ডিলিটে প্রায় চাপ দিয়ে ফেলেছিলাম 🙁 গানের জন্য পরে দিলাম।
আমি কোন বিষয়েই খুব ভালো নই, বোঝা গেলো?
আমাকে মুশকিলে ফেলে দিলেন। সজুর কাছেই যাইতে হবে আইডিয়ার জন্য 🙂
চুরিও যে আপনি সুন্দর করে করতে পারেন, তা সোনেলার সবাই জানেন< প্রমান আছে। আর একবার না হয় করলেন, ব্যাপারনা, এখানের সবার সবকিছু সবার 🙂 দিয়ে দিন দিয়ে দিন এই সপ্তাহেই, ভাগ্যিস ডিলিটে চাপ দেননি, এমন সৃষ্টি হতে বঞ্চিত হতাম তাহলে। যান সজু পন্ডিত এর কাছে, আপনার তো আবার কি হয় যেনো সজু শুভকামনা -{@
ডিলিট বাটন টা না থাকলেই ভাল ছিল, কি বলেন? মস্তিস্কের সাথে কম্পিউটারের তুলনা করার হয়, মস্তিস্কে তো ডিলিট বাটন নাই।
আমিতো লক্ষি মেয়ে হইছি, চুরি করিনা আর। ডাকাতির কথা কইতে পারিনা। অভ্যাস কি আর সহজে যায়?
আপনি সজুর পিছনে লাগছেন নাকি ভাউ? ;? এতকিছু দেখেন ক্যানে?
“বালিকা কি শুনতে পাবে, সাবধানবাণী?”
আমাদের দুঃখের সাগরে চুবিয়ে এ সাবধানবাণী শোনার প্রশ্নই আসে না।
বালিকা এমন অনুচিত কর্ম কষ্মিন কালেও করতে পারেন না।
আঁটসাঁট হোন, থুতনি যেথায় খুশি রাখুক সমস্যা দেখছি না,
আমাদের পিলে চমকানো লেখা লিখে আমাদের কপালেও খোঁচা দেয়ায় ঘোর আপত্তি রইল।
কতবার যে শুনলাম গান, তা গুনে রাখাতে গিয়ে বার বার ভুল হয়ে যাচ্ছে।
না শুনলে বালিকাই দুঃখের সাগরে ডুববে, আমার কি? রাত ফুরিয়ে দিন এলেই বুঝতে পারবে বালিকা, আত্মা কি ভুল বলে?
গোনায় ভুল হলে চলবে না। গুনে গুনে আবার বলুন কয়বার শুনেছেন? 🙂 আহারে এখানেও অংক? 🙂
আপত্তি থাকলেও খোঁচাখুঁচি একটু দেওন লাগে কিন্তুক। ঘুমায় না পড়ে সবাই।
সুখের সাগরে ডুবুরি হয়ে মণি-মাণিক্য সব তুলুক, আপত্তি নেই ।
রাত আর দিন বলে আলাদা কিছু নেই, সব ই দিনের মত ফকফকা।
অংক কেউ শেখাতে চায় না, কাচা ই থেকে গেলাম।
এবার থেকে আপনার প্রতি লেখায় একটি করে গান দিতে হবে,
জাতি এখন এ দাবী করতেই পারে!
ওরে সর্বোনাশ, প্রতি লেখায় গান? এরপর কিন্তু থামাতে বাধ্য হবেন 🙂
আমিও অংকে কাঁচাই আজীবন, চলে তো গেলো। আপনার তো জীবন সবে শুরু, মাত্র ২৫। শিখে যাবেন, মাস্টর তো হাতের কাছেই আছে আমাদের। 🙂
দিনের বেলাতেও আলো লাগে কাভি কাভি 🙂
এতো সুন্দর করে বললে,মন খারাপের কথাও মন্ত্রমুগ্ধের মতো লাগে
তবে মন খারাপের কথা শুনতে চাই না,চাই ইচ্ছার কথা শুনতে
অনেক ভাল লাগা একটা গান দারুণ ভাল শুনলাম -{@
আপনার সুন্দর মন্তব্য টা আচ্ছন্ন করলো। মন খারাপের কথাও কখনো কখনো ইচ্ছের কথা বলে। শোনাবো, শুনবোও। গান দারুণ বললে খুশি না হয়ে পারি? অনেক ধন্যবাদ মাসুদ ভাই।
আমার বড়পা,মেঝপা গান করতেন,বড়পা একবার খুলনা বিভাগ কম্পিটিশানে আমাকে তবলজি হিসাবে নিয়ে গিয়েছিল,আমি এত ছোট ছিলাম যে আমার উঁচু টুলের উপর দাঁড় করিয়েছিল,গান শেষে সবাই আপার চেয়ে তবলজি কে নিয়ে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছিল……. আমার যে সি কি আনন্দ !!!!
আপনার গানের সাথেও টুংটাং করেছি,এখানে আমার তবলা নেই থাকলে তবলায় দাদরা বাজিয়ে আপনাকে গানটা পাঠাতাম ………
হাহাহা মানুষের কত যে ছোট খাট শখ ধুলোয় মিশে যায় বয়সের সাথে সাথে ……..
আপনাকেও ধন্যবাদ আপু
শখ কখনো ধূলায় মিশিয়ে দেয়া ঠিকনা, বেঁচে থাকে ভেতরেই। এরপর দেশে এলে অবশ্যই তবলা সাথে নিয়ে যাবেন আর টুলটাও সাথে নিতে ভুলবেন না যেন :p
দাদরা, আহা! ঝংকারেই গান বেজে ওঠে।
আপু গো এতো সুন্দর করে গাইলে কিভাবে ভুলে যাবো বলো তো? আমি মুগ্ধ!
তোমার মন খারাপ না থাকলে এতো মিষ্টি কন্ঠ কি শুনতে পারতাম?
আজ শুধু গান শোনার দিন(এ শুধু গানের দিন, এ লগন গান শোনাবার), লেখা পড়ে মন্তব্য করার দিন নয়।
তুমি আরোও মন খারাপ করো, তারপর গান শোনাও।
এই এতো ভাব ধরেছিলে কেন তোমার কন্ঠ শুনলে সব পালিয়ে যাবে? :@
প্রকৃত কন্ঠশিল্পীরা এতো ভাব ধরে কেন? ;?
এই মেয়ে আর নো ভাব, ফটোগ্রাফি-স্কেচ-লেখা-গান-কবিতা-লেখা আর কি কি আছে গোপন? তাড়াতাড়ি সিন্দুক খোলো। -{@
ভালবাসার গুনটা ধরলে না গো আপু? 🙁 আর গুলা দিয়া কি করবো?
তুমি তো ভারী স্বার্থপর, আমার মন খারাপ করিয়ে রাখতে চাও? মন ভালো থাকলে আর সুন্দর করে শোনাবোনে :p
তোমার কন্ঠের কাছে ইহা কিছুই না আপু, তিন সত্যি। ভাবই জীবন ভাবই মরন। :p
(3 -{@ নীল আপু।
আজকাল স্বার্থপর না হলে চলে না। ও মা বলো কি! আরোও সুন্দর করে শোনাবে গান? তার মানে যা শুনলাম সেটা কম সুন্দর? কি দুষ্টু মেয়েরে বাবা। মন ভালো করো তাড়াতাড়ি, বলো কিসে মন ভালো হবে?
গান শুনবোওওওওওওওওওওওও \|/
শুধু সুন্দর গান শুনবে, পঁচা গান শুনবেনা তা কি করে হয়? জানোই তো মন ভালো থাকলে সব সুন্দর হয় তা সে যেমন পঁচাই হোক সমস্যা নেই। আমিও যে তোমার গান শুনবো ওও ও ও ও ও ও ও ও। \|/ -{@
আপদ বালাই ষাট!
আউলাভাব সরে গিয়ে বালিকার মন স্থিরতা পাক।
গান শোনলাম। ভালো গান গাইয়াও যারা পচা কয়….
নিজের কথাতো কেউ পঁচা কয়না নন্দিনী আপু, আমি না হয় একটু কইলাম। তবে কথা কিন্তু মিথ্যা কইনাই। আসল গান শুনলে আমি দৌড় দেই।
আপু, কম কম দেখছি কেন?
আমার মন এখন স্থির আপু, একটুও বাতাস নেই। 🙂
দুষ্টজনের বদনজর লাগছে মনে হয় গো আপু। হাতে ব্যথা, লিখতে পারিনা। 🙁
যাহ যাহ কি বলেন, বদ নজরের চাইতে সুনজরের ক্ষমতা অনেক বেশি। লিখতে শুরু করলেই ব্যাথা কমে যাবে। লেখা দিন টুংটাং আপু। আপনি না লিখলে উইন্ড চাইম বাজে না।
দিদি গ জিবন্টায় এরকম।
সময়তে বিশ্রী লাগে।
তবে মনপ্রান সতেজ সবল থাকুক।
আউলা বাউলা লাগায়ে কার পিছু লয়েন না। সাবধান।
পিছু তো নিয়া ফালাইছি ভাই, ফিরা যামু? 😀
আমিতো অলটাইম সতেজ, মাঝে মাঝে ভাব লই :p
ভাল থেকেন ভাইয়া।
বালিকাকে কেউ লোহা দিয়ে গুঁতিয়েও শুনাতে পারবে না, বালকাকে কোন আত্মা এসে বললে তাঁকে দু দিয়ে হটিয়ে দেব। আপনার গাওয়া প্রথম গান শুনলাম। কোথায় আনন্দ পাবো তা না, দিলেন মনটা কাঁদিয়ে 🙁 আপু সব ঠিক আছে তো?
♪♪♪
যেও না সাথী, ও ………
যেও না সাথী,
চলেছো একেলা কোথায় ?
পথ খুঁজে পাবে না’কো, শুধু একা ।। ♪♪♪ (-3 🙁
একেলা কোথায়? আমিতো ভাবছিলাম তুমারে সাথে পামু ভাভু বাইয়া। 🙁 কি আর করার? যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে 🙁
আমি তো আপনার সাথেই আছি আপু। ভাবনা অব্যাহত রাখুন, ডাক দিয়েই দেখুন না একবার 🙂
আপনি তো দারুণ গান!!! শুনেছি আউলা অবস্থায় নাকি গানের ভাব ভাল আসে। আশা করি আরো কিছুদিন এই অবস্থায় থাকবেন এবং আমাদের জন্য নুতুন কিছু গান শেয়ার করবেন। অপেক্ষায় থাকলাম কিন্ত…
আউলা গান গেলাম, সব বকলো, দেখি এরপর আনন্দ নিয়ে গাইবো। আনন্দধারা বহিছে ভূবনে 🙂
অনেক ধন্যবাদ অপার্থিব।
আউলা মনে বাউলা বাতাস দোলা দিয়ে যায় 😀
সবাই আমার লেখা আর গান বাদ দিয়া আউলা নিয়া পড়ছে, এতেই বোঝা যায় সবার মাথাই আউলা, কম আর বেশি :p