অর্পিতা রোড একসিডেন্ট করেছে । তুই দ্রুত যশোর সদরে চলে আয় ।
আমি এখনই আসছি ।
আধা ঘন্টা পর……..
মিলন অর্পিতা কই ?
ইমারজেন্সিতে আছে ডাক্তার বলছিলেন রক্ত লাগতে পারে ।
যত রক্ত লাগে আমি দেব ।
তোর রক্তের গ্রুপ আর ওর টা পরিক্ষা না করলে বোঝা যাবে না যে তুই রক্ত দিতে পারবি কি না ।
কোন পরিক্ষা লাগবে না । ডাক্তারকে বল যত রক্ত লাগে যেন আমার দেহ থেকে নেয় । আমার জন্যই আজ ওর এই অবস্থা আমি আসতে না বললে এই দূর্ঘটনা আজ ঘটত না । সব কিছুর জন্য আমিই দায়ী ।
তুই অযথাই নিজেকে দোষী ভাবছিস । দূর্ঘটনার কথা আগে কেউ জানতে পারে না ।
তারপরও ওর যদি কিছু হয়ে যায় আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারব না ।
এখন শান্ত হ আগে ওকে সুস্থ করতে হবে ।
অর্পিতার বাড়ি থেকে কেউ এসেছে ?
রাজু এসেছে মাসিমাকে জানানো হয়নি ।
এসব কখন ঘটল তুই খবর পেলি কিভাবে ?
তোকে বাসে উঠায়ে দিয়ে হোষ্টেলে ফিরছি । এমন সময় অর্পিতার ফোন আমাকে একটু অপেক্ষা করতে বলল মায়ের জন্য ঔষধ কিনবে ।
ঔষধ কেনার পর আমি হোষ্টেলে সবে মাত্র পৌছে ছি । এমন সময় একটা অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসল একজন মেয়ে রাস্তায় একসিডেন্ট করছে উনার ফোনের শেষ ডায়াল লিষ্টে আপনার নম্বর পেয়ে আমরা আপনাকে ফোন দিয়েছি আপনি যত দ্রুত সম্ভব চলে আসুন ।
এরপর আমি প্রথমে তোকে তারপর রাজুকে ফোন দিলাম ।
ঐ তো রাজু চলে এসেছে ।
দাদা দিদি কোথায় ? ইমার্জেন্সিতে আছে চিন্তা করো না সব ঠিক হয়ে যাবে ।
ইমার্জেন্সি থেকে ডাক্তার বের হলেন
চলবে………..
লেখক যখন আপনি তখন আপনার মতো করেই লিখুন, শুধু আমাদের কথাটা একটু ভাবুন।
আপনাদের কথা!!! প্লিজ একটু সহজ করে বলুন
অর্পিতার সুস্থতা কামনা করছি।
ধন্যবাদ
চলতে থাকুক , ভেবেছিলাম অন্য কেউ ।
নিয়মিত পড়ার জন্যে ধন্যবাদ
নিয়মিত পড়তে পারছিনা, সময় করে পড়বো । ভাল হোচ্ছে গল্প ।
সময় পেলে অবশ্যই পড়বেন
বেশ নাটকিয়তা —
অপেক্ষা পরের পর্বের জন্য
হুম কিন্ত আমি এখনো আপলোড সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারলাম না । ফেবু তে কথা বলা দরকার
আশা নিরাশা , সুখ দুঃখ নিয়েই আমাদের জীবন । অপেক্ষা পরের পর্বের জন্য ।
যথার্থ বলেছেন । ।
কবে যে বার পেরিয়ে হতভাগা ১৩তে পরল টেরিই পেলাম না।
হতভাগা এখন চৌদ্দতে । মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
হু কি লিখব মানাইতে পারছিনা, কস্ট হোক আর কত?