অনতিক্রম্য


ইদানিং আমাকে দেখতে পাই আলাদা ভাবে, যেন আমি দুুুটো মানুুস। সবার মাঝে থেকেও কেমন আলাদা। প্রিয়জনদের আনন্দ উল্লাস স্পর্শ করেনা আমাকে। অচেনা আগন্তক অনাহুত মনে হয় চারপাশের মানুষকে, অথবা চারপাশের মানুষই হয়ত ভাবে আমাকে অচেনা আগন্তক অনাহুত।

বয়সের কারনেই হোক বা অভিজ্ঞতার কারনেই হোক বর্তমান বা নিকট অতীত ঘটনা দেখে বুঝতে পারি কি হয়েছে, কি হতে চলেছে, বা কি হবে। যার প্রায় শতভাগই মিলে যায় পরবর্তিতে। নিকট অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যত চোখের সামনে 3D সিনেমার মত দেখতে থাকি। কস্টে দুমরে মুচরে অথবা আনন্দ উল্লাসে মাতোয়ারা না হয়ে ব্যাখ্যাতীত কোন কারনে এই কস্ট এবং আনন্দ আমাকে স্পর্শ করেনা।

এ কেমন জীবনের সময় অতিক্রম করছি? অন্তরের গহীনে বসবাস করা ভালবাসা বা ঘৃনা কেন আন্দোলিত করবেনা আমায়? কেন মনে হয় এসবই তো ঘটা উচিত বা স্বাভাবিক। বোধশূন্য জীবনের ক্রান্তিকালে কি উপনিত হয়েছি আমি?

কিছুদিন আগেও ধাবমান কোনো অমংগলের পুর্বে অস্থিরতায় পেয়ে বসত। আজকাল সেই অস্থিরতা স্থির বিশাল পাথর।

মহাকালের পথে হেটে যাওয়া একাকি একজনকেই যেন দেখতে পাই, দূরে অনেক দূরে পথ সরু হতে হতে একটি বিন্দু ক্রমশ অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে,

মোট পড়েছেনঃ ৭৫৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. জীবনে কখনো কখনো এমন হয়, এক অস্থির কি যেনো পেয়ে বসে। সব আছে চারপাশে, প্রিয় সব মুখ, পরিপূর্ণ জীবন। অথচ কোনো এক কাজ বা চাওয়া যাতে তীব্র ইচ্ছা জড়িত থাকে তা না হওয়ার কষ্টগুলো ভিতরে দুমড়ে মুচড়ে চলতে থাকে। মনে হয় সময় শেষ, করতে টারব তো! এটা কি কোনো কর্তব্য করতে না পারার যন্ত্রণা, ভাইয়া?

  2. আমাদের প্রত্যেকের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, কোনো অনুভূতিই স্পর্শ করেনা। এ-ও কিন্তু একরকমের ডিপ্রেশন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ কি বলেছিলেন দেখো,
    “এখন যে দিকে চাই কূলের উদ্দেশ নাই
    সম্মুখে আসিছে রাত্রি, আঁধার করিছে ঘোর
    স্রোত প্রতিকূলে যেতে বল যে নাই এ চিতে
    শ্রান্ত ক্লান্ত অবসন্ন হয়েছে হৃদয় মোর।”

    নানা তোমার জীবনের এই সময়ের ভেতর আলো-ছায়া খেলা করুক। -{@

  3. কেমন জীবনের সময় অতিক্রম করছি? অন্তরের গহীনে বসবাস করা ভালবাসা বা ঘৃনা কেন আন্দোলিত করবেনা আমায়?

    বস এইসমস্যা তো আমিও আক্রান্ত। উত্তরনের উপায়। কি? বস।

  4. নীলাঞ্জনা নীলা আপুর সুরেই বলি, আমাদের জীবনে এমন কিছু সময় আসে যখন কোন অনুভূতিই স্পর্শ করেনা, এরপরেও জীবন থেমে থাকেনা ভাইজান, ভাইজান আমি যতদূর আপনাকে চিনি, আপনি অনেক দিঢ় স্থির টাইপের মানুষ, আশা করি সময় সব ঠিক করে দেবে ইনশা আল্লাহ্‌।

  5. অনেক ভাবনার কারণেই এমন হয়। অভিজ্ঞতা আর জ্ঞান মিলিয়ে আপনি যা দেখেন তা অন্যরা দেখতে পায় না বা পেলেও বুঝার চেষ্টা করে না, আর তখনি তৈরি হয় হতাশা।
    আশা করি সবাই আপনার গুরুত্বটা বুঝতে পারবে।

  6. সব সময়ের কারনে ঘটে আর অভিজ্ঞতায় বলা যায় অদুর ভবিষৎ কি এমনটি যিনি ভাবতে পারেন বা ভাবেন নিশ্চিত তিনি এ মায়া জগতের আর কেউ নয়।ভাবনাগুলো বাস্তব সুন্দর।

মন্তব্য করুন