শেষ বিকালের আলো ৩

সঞ্জয় কুমার ৯ অক্টোবর ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ০১:৩৬:৩৯অপরাহ্ন গল্প ৭ মন্তব্য

দুই মাস উনত্রিশ দিন পর …….

কবির সাহেব তাঁর পারসোনাল গুপ্তচর রতনের কাছে ফোন দিয়েছেন । তিনি এখন রতনের মাধ্যমে তিশার সব খবর নেন । তিশার গোপনীয় চিরকুট টা তিনি রতনের জন্যেই পেয়েছিলেন । রতন তিশাদের বাড়িতে অনেকদিন যাবত কাজ করে সেই সুত্রে সে তিশার খুব বিশ্বত্য । যদিও রতন প্রথমে কবির সাহেব কে সাহায্য করতে রাজি হয়নি । কিন্তু তাঁর আসল পরিচয় শুনে ভয়ে রাজি হয়েছে ।

হ্যালো রতন

জি স্যার বলেন ।

তিশা এখন কেমন আছে ?

বুঝতে পারছি না , কাল রাতে উনারা দুইজন মনে হয় খুব ঝগড়া করেছিলেন । আপামনি রে তো দেখছি না । ঘরের দরজা জানলা বন্ধ । দুলাভাইকে খুব সকালে বাসা থেকে বের হতে দেখছি ।

গুড । তুমি বাসাটার উপর ঠিকমত নজর রাখ । যাই হোক না কেন আমাকে জানাবে । ঠিকআছে?

জি আছা ।

এক ঘন্টা পর ……

হ্যালো স্যার এই মাত্র আপামনি বাসা থেকে বের হয়ে একটা ঔষধের দোকানে গেলেন কি যেন একটা কিনে দ্রুত আবার বাসায় ঢুকে গেলেন । দেখে অসুস্থ মনে হল ।

কি কিনেছে দেখেছ ?

না ।

দ্রুত ঐ দোকানে যাও এবং খবর নাও সে কি কিনেছে । দোকানদার বলতে না চাইলে আমার কার্ডটা দেখাবে । বুঝছ ?

জি স্যার ।

দ্রুত যাও ।

হ্যালো স্যার , আপামনি এখান থেকে ঘুমের ঔষধ কিনেছিলেন ।

বলো কি !! দ্রুত তোমার আপামনির বাসায় নক কর, দরজা না খুললে ভাঙ্গতে হবে । আমি আসছি ।

তিশার অবস্থা খুববেশী ভাল না । অনেক গুলো হাইপাওয়ার ঘুমের ঔষধ একবারে খেয়েছে । স্টমাক ওয়াস করা হয়েছে । এখনো জ্ঞান ফেরেনি । কবির সাহেব দ্রুত দরজা ভেঙ্গে হাসপাতালে না নিলে হয়ত বাঁচানো একেবারেই সম্ভব হত না । সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে তিশার গর্ভস্থ বাচ্চা টাকে নিয়ে । মা এবং শিশু দুজনের জীবনই সঙ্কটে ।

চলবে ………..

৪২০জন ৪১৮জন
0 Shares

৭টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ