ধর্মের কল বাতাসে নড়েনা।

ইমন ৩ নভেম্বর ২০১৫, মঙ্গলবার, ০৪:৩৩:৪৭অপরাহ্ন সমসাময়িক ১৮ মন্তব্য

ধর্ম নিয়ে আঙ্গুল তুললে, প্রশ্ন করলে আরশ বা ঈমান কেপে উঠার চেয়ে বেশি যেটা হয় সেটা হচ্ছে ‘ আবেগে ‘ বা ‘ ভালোবাসা’ বা ‘ বিশ্বাসে’ আঘাত লাগা।
পয়েন্ট টু বি নোটেড,
(1) কাদের কাছে বিজ্ঞানের তত্ত্বীয় হিসাব গুলা তুলে ধরছে আমাদের নাস্তিকেরা ! যে দেশের ৬০% মানুষ শুধু মাত্র স্বাক্ষর করতে পারে ! যে দেশের বেশির ভাগ মানুষ এখনো ৫০ উর্ধ এবং ৬০ দশকের !!! যারা ধর্ম ভীরু !!! যে দেশের তথাকথিত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া স্টুডেন্ট প্রেমে ব্যর্থ হয়ে বা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে আত্যহত্যা করে !!! ভালবেসে হেরে গেলে গোপন ভিডিও ছড়ায় !!! তাদের কাছে আমাদের নাস্তিকেরা বিজ্ঞানের তত্ত্বীয় মারপ্যাঁচ মেরে যখন বলে, মহাম্মদ লুচ্চা বা কৃষন লুচ্চা তখন সেই কুটি ধর্ম ভীরু , স্বাক্ষর জানা, ষাটের দশকের মানুষের আবেগে , ভালবাসায় যে লাতথিতা লাগে তাঁর প্রতিকৃয়ায় তারা আত্যহত্যা করেনা কিন্তু, বদলাটা নেয় ” রক্ত” । হ্যা, আমরা জানি, বদলাটা কোটি মানুষ নিচ্ছে না। কোটি মানুষের মাথায় কাঠাল রেখে একটা বিশেষ দল বা বিশেষ সঙ্গঠন নিচ্ছে বা ফায়দাটা লুটছে।
(2) পয়েন্ট টু বি নোটেড, এই যে কোটি মানুষের সেন্টু তারা কাজে লাগাতে পারছে, কারণ কি জানেন ?? উপরের এক এর বিষ্বোময়বোধক প্রশ্নগুলা।
(3) আমি লিখে দিলাম, আমাদের দেশের নাস্তিকরা এই কোটি মানুষের সেন্টু কখোনো পাবেনা। আমাদের নাস্তিকেরা হয়তো ভাবে, মানূষ এক সময় রাস্তায় নামবে। ভুল। নামবেনা। ৭১-এ এই ধর্ম ভীরু মানুষেরা নেমেছিলো স্বাধিকার আন্দলনের জন্য, একটা ভূ-খন্ড, একটা ভাষা, একটা পরিচয়ের জন্য। আর কিছু দিন পূর্বে হওয়া শাহাবাগে ছিলো একটা বিশেষ দলের প্রত্যক্ষ সাহায্য।
(4) আমার আগে শুধু মনে হতো, কিন্তু এখন আমি বিশ্বাস করি, এই কোটি মানুষের আবেগ না বুঝে, ভালবাসা (হয়ত ভুল ভালবাসা) না বুঝে, জ্ঞান বা শিক্ষার স্তর না বুঝে , হাজার বছরের বিশ্বাস ‘মিথ্যা’ এই কথা হজম করার লেভেল না জেনে, দিনের পর দিন কৃষ্ণ লুচ্চা বা মুহাম্মদ লুচ্চা তা বলে যাওয়া ” আত্যহত্যার শামীল। আমি জোর গলায় বলবো আমাদের অতি জ্ঞানী নাস্তিক এবং মুক্তমনারা তাদের নিজেদের সেন্টু হারিয়ে ঐ বিশেষ দল বা সংগঠনের হাতে তুলে দিচ্ছে কোটি মানুষের সেন্টু । এবং যা কাজে লাগিয়ে ঐ বিশেষ দল বা সংগঠনটি তাদের কার্য হাসীল করে যাচ্ছে দিব্যি। যদি তাই না হতো তবে একের পর এক ব্লগার, প্রকাশক খুন হচ্ছে কেনো বাংলার হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান নিশ্চুপ!!!!
(5) আমি অনুরোধ করবো আমাদের অসম্ভব মেধাবী মুক্তমনারা ওয়াজ করার স্ট্রাটেজী ফলো না করে ধ্যনে এবং সায়ানাইড গ্যাসের মতো আলোটা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে দিক। কারণ ওয়াজ শুনার মতো লেভেলের মানুষ ওই বিশেষ সংগঠনের বা দলটার আছে। এটা হাজার বছর ধরে তারা ধিরে ধীরে তৈরী করে নিছে। আমাদের মুক্তমনারাও মাইক নিয়ে ওয়াজ করতে পারবে, সে জন্য তাদের ঐ রকম একটা শিক্ষিত জনগুষ্ঠি লাগবে, ওই রকম বিজ্ঞান মনষ্ক শিক্ষিত জন গুষ্ঠি লাগবে। এখন কি তা আছে??? আমি আগেই বলেছি এখন দেশের বেশির ভাগ জীবীত মানুষ ৬০ এর দশকের। যারা শুধুই স্বাক্ষর করতে জানে। আর আমাদের মতো তথাকথিত নতুন প্রজন্ম আছি তারাও কি ততটা বিজ্ঞান মনষ্ক! তারা কতটা সাধণা করে বিজ্ঞান নিয়ে !! এদের কাছে বিজ্ঞানের দু লাইন বলে কিছু মিথকে মিথ্যা প্রমাণ করতে আশা মানে জীবনের এবং জ্ঞানের অপচয়।
(6) এতক্ষন যা বললাম, তা হচ্ছে ” পরিমিতিবোধ” ব্যাপারটা জানা। পরিমিতিবোধ হচ্ছে, ” কোথায় , কাকে, কখন, কিভাবে কি বলতে হবে তা বুঝা।
” ডঃ অভিজিৎ সহ সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্র অবশ্যি আমার চেয়ে কয়েক কুটি গুন জ্ঞানে এবং মানবিকতায় বড়। কিন্তু কমতি ছিলো একটা ব্যাপারে সেটা হচ্ছে , ” পরিমিতি বোধ”।
ভালবাসার কথা কানে কানে বলে প্রেয়ষিকে জানাতে হয় আগে। তারপর সম্মতি দিলে সারা দুনিয়াকে জানাবে। সম্মতি না নিয়ে যদি আগেই বলে দেই যে, আমি মাধুরীকে ভালবাসি এবং মাধুরি যদি রিফিউজ করে তবে মুখ লোকানুর জায়গা পাওয়া যাবেনা। যেমনটাঃ অভিজিৎ দের বেলায় হচ্ছে। তারা এই বিশাল জনগুষ্ঠিকে ভালবেসে তাদেরকে ভন্ডামীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্যই কিন্তু মুখ খুলেছিলো এবং কলম ধরেছিলো। কিন্তু, বিধিবাম! ঐ যে কোটি মানুষ তাদের এই ভালবাসা নিতে সম্মত কিনা তা না জেনেই ভালবাসা প্রকাশ করে বিপদে পরে গেছে।
(7) হ্যা, আমদের মুক্তমনারা অবশ্যই তাদের গবেষণালব্দ জ্ঞান এবং আলো মানুষের মাঝে ছড়াবে, কিন্তু ঐ যে, পরিমিতিবোধটা বজায় রেখে। কখন, কোথায়, কাকে, কিভাবে বলতে হবে এটা বুঝে বলা উচিত। তা না হলে আত্যহত্যা করা হবে বৈকি।
(8) তবে আশায় আছি, আজকে থেকে ১০০ বছর পরে হলেও এমন একটা প্রজন্ম আসবে যাদের সাথে কথা বলা যাবে, তর্ক করা যাবে, আড্ডা দেয়া যাবে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে চিৎকার করা যাবে।
ততদিন আসেননা, সায়ানাইড গ্যাসের মতো নীরবে আমাদের ভালবাসার কথা , আমদের মুক্তির কথা আমাদের বন্ধু, স্ব-জনদের কানে কানে বলে যাই। আমি ভয় বা শংকিত হওয়ার কথা বলতেছিনা, শুধু বলতেছি, স্ট্রাটেজি পরিবর্তন করে , “পরিমিতিবোধ বজায় রেখে” নীরবে, সায়ানাইডের মতো শিরায় শিরায় মিশে যেতে।
সাপকে মেরে ফেলতে হয় কিন্তু লেজে পারা দিয়ে আত্যহত্যা করতে হয় না। 🙂
[[ পয়েন্ট টু বি নোটেডঃ শেখ হাসিনা পলিটিকস করতে গদিতে বসেছেন সোশ্যাল ওয়ার্ক করতে বসেননি। উনি ভালবাসা, ছলনা, ৫২,৬৯,৭১,৭৫ এবং মাঝেমাঝে কিছু লাশ বেচে পলিটিকস করবে এটাই স্বাভাবিক । ডোন্ট ওয়েস্ট ইউর টাইম বাই পুকিং হার। এখনো, যা নড়ন-চরন করতে পারি তা এই মহিলার জোরেই 🙂 ]]

৫৯২জন ৫৯২জন
0 Shares

১৮টি মন্তব্য

  • নীতেশ বড়ুয়া

    মুক্তমনা অর্থে আমার কাছে ‘মুক্ত মনে সবকিছুকেই ভাবা।’ কিন্তু আজকাল বা আমাদের দেশে মুক্তমনা বলতে ঈশ্বরে অবিশ্বাসীরা কারণ তাঁরা মনে করেন ঈশ্বরে বিশ্বাসকে অবিশ্বাস করলেই মুক্তমনা হয়ে যাওয়া অথচ অন্যের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধার সাথে নেওয়াটাই মুক্তমনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য!

    যে দেশের মানুষের স্বাক্ষরতার হার কি তাঁদের সাথে তাঁদের বিশ্বাসকে উগ্রভাবে অবিশ্বাস করাটা কতোটুকু মুক্তমনের পরিচয় দেয় তা তো প্রকাশ্যই…

    তবে, আপনি আপনার ৪* পয়েন্টের শেষ যেভাবে করলেন তা একেবারেই সাম্প্রদায়িক মন্তব্য বলে মনে হলো আমার কাছে! কি করে জানলেন অন্য ধর্মালম্বীরা নিশ্চুপ? আপনি কি জনে জনে জিজ্ঞেস করে জেনেছেন সবাই মুসলিম? আপনি কি জানেন এই দেশে অন্য ধর্মালম্বীরা কতোটা অবহেলিত এই দেশের সব ক্ষেত্রে!! দেখান দেখি সমাজের কোথায় কোন ধর্মালম্বীদের আধিক্য! কোথায় কোন ধর্মালম্বীরা কতবেশী ভন্ড মুক্তমনা লেবাস ধারণ করে আছে!

    জ্ঞান আর বিজ্ঞান দুই যে আলাদা তা মুক্তমনারা এখন বুঝতে পারেনি বলেই এই দশা।

    সবশেষে ব্রাকেটের মধ্যে যা বলেছেন তা শতে শতভাগ সত্য। -{@

    • ইমন

      ‘মুক্তমনা’ টার্মটা কোনো সমাজের জন্যই আমার কাছে প্রযোয্য বা ভাল মনে হয়না।এর ফলে সামাজিক জীবন অনেক জটিল হয়ে যাবে যতদূর মনে হচ্ছে। অনেক কিছুই আমার মন চায় তাই বলে, সমাজ বা রাষ্ট্রের কাছে তা আমি মুক্ত ভাবে চাইতে বা দাবি করতে পারিনা। যেমনঃ কদিন পরে আমার ন্যাংটা হয়ে হাঠতে মন চাইবে। আমার সাথে আমার বন্ধুদেরও মন চাইবে। তাই বলে কি তা রাষ্ট্রের কাছে চাওয়া উচিত হবে!! আমার রাস্তায়ই সঙ্গম করতে মন চাইবে। আমি কি রাষ্ট্রের কাছে এই দাবী করতে পারি যে, গিভ মি ফ্রিডম টু সেক্স এনি হোয়ার ওভার দা কান্ট্রি !! এসব দাবি মুক্তমনা চর্চার পরবর্তি স্টেপ। ইউরোপ, আমেরিকায় স্টেপ বাই স্টেপ তাই হইছে। আমাদের মুক্তমনারাও এমনই চাইবে। লিখে দিলাম। কোট করে রাখেন।
      কয়েকদিন পূর্বে , রংধনু নিয়ে একটা ব্যাপক আলোচনার ঝর এরাই কিন্তু তুলেছিলো।
      আমি যেটা বলি, কিছু জিনিষ এক্সপোজ করার আগে পরিমিতিবোধটা ভাবা উচিত। শিক্ষিত মানুষের মূল কাজই হচ্ছে চারপাশের আবহে নিজের চাহিদা ডিমান্ড করা।
      আর, ৪ নাম্বার পয়েন্টটা আমি উল্লেখ করেছি ” ব্লগার,নাস্তিক,প্রকাশক হত্যার প্রেক্ষিতে।”
      এই আর্টিকেলের আলোচ্য বিষয় সাম্প্রদায়িকতা না। আশা করি বুঝতে পেরেছেন ভাইয়া/দাদা 🙂

      • নীতেশ বড়ুয়া

        ৪ নং পয়েন্ট নিয়ে “ব্লগার,নাস্তিক,প্রকাশক হত্যার প্রেক্ষিতে।” যে কজন রাস্তায় দাঁড়িয়েছে তাঁদের মাঝে অন্যরা আছেন ইমন ভাইয়া!

        যে সব দাবীর কথা বললেন তা তো নাগরিক অধিকার নয়? ব্যক্তি অভিলাষ মাত্র। এ নিয়ে রাষ্ট্রের কাছে যাওয়া মানেই ব্যক্তি অভিলাষকে রাষ্ট্রীয় অধিকারে নিয়ে আসার আরো একটী অভিলাষ মাত্র! যারা মুক্তমনা বলতে এইসব বুঝে তাঁরা মুক্তমনা নয় কোনদিনই বরং ব্যক্তিমনা।

        পশ্চিমা দেশে স্টেপ বাই স্টেপ হচ্ছে, কিন্তু কিভাবে হচ্ছে? কি কারণে হচ্ছে? ফ্রী কান্ট্রি বলে পশ্চিমা দেশকে কারণ সব কিছুই ফ্রী অর্থাৎ আপনার জীবন ধারণের জন্য যা লাগে তার জন্য দাবী জানানো বা তার জন্য পথ খুঁজে নেওয়া ফ্রী, এই ফ্রী পথে আপনি কিভাবে জীবন ধারণ করবেন তার মূল্য কিন্তু আপনাকেই দিতে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায়! আমরা বাইরেরটুকু দেখেই বলি ফ্রী কান্ট্রির দেশে অযাচার, ফ্রী সেক্স হচ্ছে অথচ সেক্স ফ্রী কথাটার মানেই আলাদা!

        “গিভ মি ফ্রিডম টু সেক্স এনি হোয়ার ওভার দা কান্ট্রি” মানুষ হিসেবে এই দাবী জানানো যৌক্তিক। কেননা আমি যেখানেই যাই সেখানে যেন আইনি ঝামেলায় পড়তে না হয় তাই বলে পশুদের মতো সেক্স করা বা করতে বলার জন্য এই দাবী আসেনি! যারা করে তাঁরা পশু আর মানুষের যৌন সঙ্গমের মাঝে তফাৎ খুঁজে পায় না বলেই এমন দাবীতে সোচ্চার।

        রংধনু নিয়ে আমাদের দেশে যা হয়েছে তা হচ্ছে আকাশে ধূলো দেখে মেঘ না ভেবে মরুচর জেনে নেওয়া। সমলিঙ্গের আকর্ষণ হয়ে গেলে তার জন্য পাবলিক হেরাজমেন্ট বা শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন না হতেই রংধনু আইন। অথচ আমরা এ নিয়ে কি করলাম? আপনার আমার পরিচিত কেউ যদি সমলিঙ্গে আকর্ষিত হয় তবে তাকে ধিক্কার, ন্যাক্কার, তিরষ্কার আর এক ঘরে করে না করে তার মনোজগতে কেন এমন পরিবর্তন তা জেনে নিয়ে তাকে হয় বুঝিয়ে সরানো নতুবা তাকে তার মতো থাকতে দেওয়াটাই তো কাজ? অথচ আমরা সেই কাজটি না করেই অকাজটি করছি! আর ‘চিলে কান নিয়েছে’ ভাবের সাথে দুনিয়াতে আমরাই শুধু লাফালাফি করেছি…

        আপনি যা বলেছেন “কিছু জিনিষ এক্সপোজ করার আগে পরিমিতিবোধটা ভাবা উচিত। শিক্ষিত মানুষের মূল কাজই হচ্ছে চারপাশের আবহে নিজের চাহিদা ডিমান্ড করা।” পশ্চিমা দেশের সেই শুরু থেকেই তাঁদের পরিবেশ জনসম্মুখে চুমু খাওয়ার অধিকার চালু, তাই আজকে তাঁদের এই রকমের পরিবর্তন তাঁদের পরিবেশের সাথেই যায়।

        কিন্তু আমাদের পরিবেশ তো এমন নয়! আমরা যদি এমন কিছু নিয়ে লাফাই পশ্চিমাদের দাবী নিয়ে তবে বলতেই হয় “একজন দুর্নীতিবাজই সবচাইতে দুর্নীতি বিরোধী কথা বলে কারণ সে সবাইকেই নিজের মতো মনে করে।” আমাদের দেশে যারা সতীত্ব, ধর্ম, ফ্রী সেক্স, যৌনতা এইসব নিয়ে লাফায় তাঁদের প্রায় সবাই এইসব হারিয়ে অবিশ্বাসে থেকে নিজেকেই সতী, ধার্মিক বানাতে লাফায়। কথায় আছে “চোরের মায়ের বড় গলা”।

        আলোচ্য বিষয় অবশ্যই সাম্প্রদায়িকতা নয় ইমন ভাইয়া, কিন্তু শুধুমাত্র এই ৮ নংরের শেষ লাইনটা নিয়ে আপত্তি। 🙂 -{@

      • নীতেশ বড়ুয়া

        বাদ দিন ইমন ভাই। এইসব নিয়ে নাড়াচাড়া আর ভাল লাগে না। আমি জানি আপনি কি আর কেমন মনোভাবাপন্ন কিন্তু এইসব নিয়ে কথা বলতেই আর ইচ্ছে করে না। কথা শুরু করলেই ‘ব্লগার’ ‘আস্তিক’ ‘নাস্তিক’ বিষয়ে চলে যায়। অথচ ব্লগার বলে আলাদা কোন স্বত্বা নেই-যে ফেসবুকে লিখে সেও ব্লগার, যে টুইটারে লিখেন সেও ব্লগার, যে নিজের ডায়েরিতে লিখে সেও ব্লগার, যে মনের মধ্যে লিখে সেও ব্লগার, যে অন্য কোন সাইটে লিখে সেও ব্লগার কিন্তু আমরা সবখানেই ব্লগার বলতে আলাদা প্রাণী বুঝিয়ে থাকি যা দেখতে মানুষের মতো কিন্তু আলাদা মানুষ!

        নাস্তিক কি সেই শব্দের মানেই তো জানে না অধিকাংশই, তার উপরে সবাই এ নিয়েই কথা বলে ট্যাগ করে।

        ইমন ভাই, হয়তো শেষ মন্তব্যটি এখানে প্রাসঙ্গিক মনে নাও হতে পারে তবুও লিখে দিলাম।

        এইসবে আর কোন মন্তব্য করছি না। 🙂 -{@

  • শুন্য শুন্যালয়

    বিশ্বাস কে আরো পোক্ত করা উচিৎ। আমাদের সেরা মানুষটি তার বিশ্বাস কে স্থাপন করতে গিয়ে অনেক নির্যাতিত হয়েছিলেন দিনের পর দিন, সেই বিশ্বাস এতই ঠুনকো হওয়া উচিৎ না যে শুধু কথা বলায়, লেখায় একদম শিরোচ্ছেদ করে ফেলতে হবে। সবার নিশ্চুপ থাকাকে, আমি হত্যাকান্ডে সমর্থন মনে করিনা।
    অনলাইন জুরে এইভাবে তীব্রভাবে ধর্মকে আক্রমন মানিনা, তবে পরিমিতিবোধ কিভাবে বজায় রাখতে হবে তাও ঠীক জানা নেই। 🙁
    লেখাটা ভালো হয়েছে ইমন ভাই। আল্লাহ্‌ সবাইকে ঈমান দিক।

  • আবু খায়ের আনিছ

    বেশির ভাগ মানুষ ৬০ এর দশকের এই বেশি বলতে কত শতাংশ???
    আমি যতদূর জানি বর্তমান বাংলাদেশর মোট জনসংখ্যার সিংহভাগ তরুণ অথাৎ প্রায় ৬০/৬৫ শতাংশ।
    মানুষ হত্যা কোন ধর্মই সমর্থন করে না। কোন ধর্মই মানুষ হত্যার মত অপরাধ বৈধ করেনি।
    আমাদের দেশে ধর্ম বিশেষ করে ইসলাম জন্মগত ভাবেই প্রাপ্ত হয় অধিকাংশ মানুষ। কোরআন মুখস্ত করে কিন্তু বলতে পারবে না কোরআনে কি আছে। বলা হয়ে থাকে কোরআন হচ্ছে সকল সমস্যার সমাধান। কিন্তু আমাদের দেশের কোরআন বিদ্যায় পারদর্শীরা কি তা করত পারছে কি?
    হত্যা কে করছে বা করাচ্ছে সেটা জানিনা তবে এই টুকু বলতে পারি যেই হোক সে শিখেছে এক বিদ্যা, মাথা ব্যাথা হয়েছে মাথা কেটে ফেল।
    অথচ প্রফেট মোহাম্মদ, যিশু ( ইসা) মুসা, বা অন্য ধর্ম প্রচারকদের জীবনি কিন্তু ভিন্ন কথা বলছে। এটা কি ধর্মগুরুরা দেখতে পায় না।

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ