আকাশপানে

সেদিন বিষাদ ছুঁয়েছিলো একফালি রোদ। আদুরে মেঘ বড়শী নিয়ে নেমেছিলো কাদাঘোলা জলে; ভেবেছিলো ধরবে তারামাছ, সাথে ছিলো বকধার্মিক বিজলী। তারামাছের ঠোকর দিলে বিজলী সাঁই করে সূর্যহাঁড়ি এগিয়ে দিতেই; বড়শিতে উঠে আসতো বাতাসী পাদুকা জোড়া!বিজলী শুধায়- তারামাছ বুঝি বাতাসী পাদুকাতেই এতো ছটফটে! তাই বুঝি পাকড়াও হয় না? ভাগ্যবতী দূর হতে হেসে উঠে; বলে- মেঘের গায়ে আকাশী [বিস্তারিত আকাশপানে]

নষ্টের নষ্টা ও তাঁর গাঁদা ফুল

প্রতিটি বিদ্রোহী মনের এক কোণায় আঁকা থাকে প্রেয়সীর দু’চোখ কিংবা কোন প্রিয় স্পর্শ। প্রতিবার বিদ্রোহের স্লোগানের ঠিক ঊষা লগ্নেই মনে মনে ভেবে নেয় প্রেয়সী কিংবা অন্য কাউকে। বিদ্রোহী সে, তবুও মানুষ। প্রতিটি বিদ্রোহই ছিনিয়ে নেয় কোন প্রেয়সী কিংবা প্রিয় কারো প্রিয়কেই। বিদ্রোহের রণাঙ্গণে কিংবা দূর প্রবাসে দু’চোখ অথবা সেই স্পর্শ আজো খুঁজে ফিরে বিদ্রোহীকে। বিদ্রোহী [বিস্তারিত নষ্টের নষ্টা ও তাঁর গাঁদা ফুল]

রক্তাক্ত চাঁদটি সুভাস বিলোবে মহুয়ার মত

এই লিখাটি আমার একজন ফ্রেন্ড কে ডেডিকেট করে লিখা, যে কিনা সবসময় ক্লান্ত পথিকের মত নির্বাক থাকে। আমি জানিনা তার এত কষ্টের সূত্রপাত কোথায়? জানতে ও ভয় হয় যদি কষ্ট আমাকেও আচ্ছন্ন করে দেয়? শুভ কামনা রইলো, তুমি স্মৃতি ভেজা সমুদ্র জলে স্নান করে উড়ে যাও পাখিদের মত___   -এখানে আরেকটু এগোও, তবে দেখবে রক্তাক্ত [বিস্তারিত রক্তাক্ত চাঁদটি সুভাস বিলোবে মহুয়ার মত]