কলিজাহীনা

আমি দেখিয়াছি সে নরক, আমি চাহিয়াছি তোর মুখ মুহূর্তমাঝে ধুইয়া সাফিয়া ধূলিসাৎ হয় সুখ যায়রে ফাটিয়া তব ধমনির শিরা তুই কলিজাহীনা রুদ্র ধরণীতলে বীণা বাজে গর্জিয়া ঝংকার মোর মাঝে বাজে কাঁকন সুরে ব্যাথা মম আত্মার   অগ্নিতপ্ত অনল অশনে পুড়িয়া যে অঙ্গার জীবন-মৃত্যু ,সুধা-গরলের ফারাক পড়ে না আর   বুঝবিরে তুই খুঁজবি রে তুই ঊর্ধ্ব [বিস্তারিত কলিজাহীনা]

ভালোবাসা মানে

ভালোবাসা মানে বিক্ষিপ্ত আঁধারে ধোঁয়া ছাড়ার প্রতিশ্রুতি জ্বলন্ত আগুনের শেষ প্রান্তে অসহায় লুটোপুটি ভালোবাসা মানে অমানিশার ঘোরে, ঝাপসা চোখে শুকিয়ে যাওয়া স্বপ্ন শিশির বিন্দু ! ভালোবাসা মানে শুন্য বুকে সাজানো শশ্মান চিতা ছাই হয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলো হাঁতড়ে খুঁজে ফেরা ভালোবাসা মানে থমকে যাওয়া হঠাৎ দমকা হাওয়া হিমাঙ্কের নিচে উষ্ণতার খোঁজে উদোম গায়ে হাঁটা।। ভালোবাসা মানে [বিস্তারিত ভালোবাসা মানে]

নীলিমা কথা রাখেনি

নীলিমা কথা দিয়েছিলো সুখের একটা সংসার হবে আমাদের, স্বপ্ন দেখেছিলাম, আশায় বুক বেঁধে। হাতে হাত রেখে,মহাদেবকে সাক্ষী রেখে কল্পনায় সিঁদুর পরিয়েছিলাম,কতশত বার ওর ললাটে।। নীলিমা কথা দিয়েছিলো আমাকে নিয়েই গড়বে সুখের ভুবন, আপনার চেয়ে আমিই ছিলাম আপন।। নীলিমা কথা রাখেনি, দূরে চলে গিয়ে, ফিরে আর আসেনি।।

না, খুব বেশি খারাপ লাগেনি!

তোকে ভালোবাসি বলতে যতটা সাহস দরকার ততটা সঞ্চয়ে ছিলো না কখনোই! ছিলোনা বলেই অতটা নিজেকে লুকিয়েছিলাম তোর কাছে। ছিলোনা বলেই অতটা নিজেকে লুকিয়েছিলাম নিজের কাছেই! কতবার ভেবেছি চেয়েছি কতবার দেখা হলেই জানিয়ে দেবো এবার, জানিয়ে দেবো রেখেছি কতটা গভীরে, জানিয়ে দেবো রেখেছি কতটা যতনে, জানিয়ে দেবো অতটা সাহস কিংবা বিশ্বাসের সঞ্চয় ছিলোনা বলেই গোপনে গোপনে [বিস্তারিত না, খুব বেশি খারাপ লাগেনি!]

চলে যাও, যেদিক ইচ্ছে যাও চলে!

যেদিক ইচ্ছে চলে যাও তুমি! যাও না, বলছি যেতে তোমাকেও, যাও চলে তুমিও, যাও! জেনো, চলে গেলে তুমি অর্থাৎ তোমার প্রস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হলে, নিশ্চিত হয়ে সম্পূর্ণ-, আসন্ন শীতের এই ঝিরিঝিরি হাওয়ায় ভালোবাসাকে পুনর্বার আমন্ত্রণ জানাবো আমি, জানাবো আমন্ত্রণ গত বছরের পাতাগুলোকে মাড়িয়ে এসে, জানাবো বাস্তবিকই। অতঃপর রুমাল হবো যেন অবাধ্য বাতাসে! যেন রঙবেরঙের যত [বিস্তারিত চলে যাও, যেদিক ইচ্ছে যাও চলে!]

যাও ভালোবাসা, যাও…

একই পাতা ঝরে যায় বারবার, একই আক্ষেপে হয় হৃদয় পুড়ে ছাই! এ এক অচিকিৎস্য ব্যাধি, রক্তফোয়ারা বইয়ে দেয় অস্তিত্বজুড়ে সমস্ত। জানি, যাচ্ছ চলে অদূরেরই কোন একদিন; ভীষণ তাড়া তোমার, যেতেই হবে, যাও তবে ভালোবাসা, দ্যাখো হৃদয় পেতে রেখেছি যাবে বলেই তুমি যাও ঈপ্সিত লক্ষ্যে তোমার, যাও, খানিক কষ্টও হবেনা পথে… যাও ভালোবাসা, যাও, যাও তোমার [বিস্তারিত যাও ভালোবাসা, যাও…]

আট বছর পর ওর সাথে একদিন!

মাস্কটের সিক্সথ ফ্লোরের নোকিয়া কেয়ারে ওকে পেয়ে আমিতো অবাক! পুনর্বার দেখা হতে পারে কখনো, কিংবা হবে এতো ছিলো কল্পনার অতীত। ভেবেছিলাম এড়িয়ে যাবে। যায়নি, অবাক করে দিয়ে এগিয়ে এসে ওই বললো, ‘আরে, তুমি যে এখানে! কেমন আছো, কোথায় আছো, কেমন চলছে বিজনেস?’ প্রশ্ন অনেকগুলো! আট বছর পাঁচ মাস পর পুনর্বার আমাদের দেখা-হাঁটা, পাশাপাশি। ওর হাজব্যান্ড [বিস্তারিত আট বছর পর ওর সাথে একদিন!]

তারপর না হয়!

হাজারটা তুমিহীন রাত্রি কিংবা সুশোভিত জান্নাতুল ফেরদৌস কে চায়? চায় কে যদি তোমায় না পাই! তারচে এও ভালো ভয়ঙ্কর জাহান্নামেও যদি নিক্ষেপ করা হয় আমাকে, যদি নিক্ষেপ করা হয় অমার্জনীয় অপরাধে ভালোবাসার! বুক পেতে নেবো যত অভিশাপ সেদিন, দাঁড়াবো হাসি মুখেই ঈশ্বরের কাঠগড়ায়, দণ্ড হয় যদি হোক বিন্দুমাত্রও থাকবেনা আক্ষেপ, মেনে নেবো নরকযন্ত্রণা অনন্তকাল! কেবল [বিস্তারিত তারপর না হয়!]

স্মৃতির নীলাভ আগুনে…

হাসনাহেনার সৌরভে গভীর রাত আরও গভীরতর হয়ে এলে এলে হয়ে, শেয়ালের ডাকে কেঁপে উঠে শ্মশানের পাড়। উঠে বারবার। ইথারে ভেসে এলে সেই স্বর, এলে ভেসে নীরবতা ভাঙে, ভাঙে আমার। ইদানিং এভাবেই ফেরে সম্বিত। কুয়াশার চাঁদর জড়িয়ে আসা শীতের ঠোঁট চুইয়ে তাকিয়ে দ্যাখি, দ্যাখি ঝরছে ফোঁটা ফোঁটা শিশির। দ্যাখি, যাই দ্যাখে দ্যাখে! ইদানীং এভাবেই কেটে যাচ্ছে, [বিস্তারিত স্মৃতির নীলাভ আগুনে…]

নারীর নিভৃত নীড়ে…(ভাঁজের কবিতা)

অর্ষা-, রুপোলী নারীশ্বরী আমার টেনে নিলে আমায়- তাঁর মধুময় চাকের কাছে গোলাপি অধরের সতৃষ্ণ তৃষ্ণায়, কেঁপে ওঠে স্নিগ্ধ মনভুমি । উষ্ণ স্তনযুগলে কিঞ্চিৎ- ভালোবাসা আঁকার সুতীব্র বাসনায় হৃদ স্পন্দন এতটাই বেড়ে যায় যেন চিরকালীন অস্তসূর্যে সমস্ত পৃথিবী তখন নিথর হলেও বিবসনা সৌন্দর্যের বৈভবে বোধহয় পাবোনা কিছুই টের ! লিপস্টিক রাঙ্গানো ওষ্ঠাধরে ওষ্ঠাধর রেখে লালসার ক্রুর [বিস্তারিত নারীর নিভৃত নীড়ে…(ভাঁজের কবিতা)]

স্বপ্ননদী, তোমাকে…

এ জন্মটা তোমাকেই উৎসর্গ করেছি, করেছি জন্মাধিক সত্যি প্রিয় ভালোলাগা ভালোবাসায় । হৃদয়ের কাছে শাদা নীলমনি ফুল, অনুভবে ফুটেছো তুমি সমস্ত আবেগ মিশিয়ে । আগামী কোনো জন্মে মনুষ্যজন্ম পেলে তোমার অভাবিত সুন্দরকে প্রদক্ষিন করার বরই চেয়ে নেবো আমি ; মঞ্জুরিত বসন্তদিন বরাদ্দ নাও হয় যদি । কী চাইবে তুমি ? মৃণালের শীর্ষে পদ্ম নাকি শতবর্ষী [বিস্তারিত স্বপ্ননদী, তোমাকে…]

সৌন্দর্যের প্রস্থানে…

নাম দিয়েছি ভালোবাসা যে সম্পর্কের তা যে আমাকেও অতটা কাঁদাবে ভুলেও তা ভাবিনি আমি, কসম ! ছিলোনা কিংবা আসেনি তা দূরতম ভাবনাতেও কখনো ! যে আমাকে হারানো তুমি অসম্ভব ভেবেছো সে আমাকে ফেলেই তুমি চলে যাবে কিংবা যেতে পারো দূর-বহুদূর তাতো ভাবিনি আমি কোনো দুঃস্বপ্নেও । তাই তুমি চলে গেলে আমাকে ছেড়ে হৃদয়ের দাহে জ্বলে [বিস্তারিত সৌন্দর্যের প্রস্থানে…]

ডিসেম্বরের চিঠি

প্রিয়তা, অবশেষে লিখছি তোমায়, অবশেষে, কেননা না লিখার ইচ্ছেটাও কম ছিলোনা একেবারে ! লিখছি তবুও, ইন্টার ভার্সিটির স্বপ্নরঙিন জীবন পেরিয়ে এলে, আসা অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ব্যাধিটার পর ! এ সময়টার ভেতরে কত জীবন ঝরে গেলো জীবনের এই নন্দন কানন থেকে কিংবা কত জীবনের আবির্ভাব ঘটলো তোমার আমার চারপাশে তাঁর কোনো হিসেবই নেই আমার কাছে ! হিসেব [বিস্তারিত ডিসেম্বরের চিঠি]

ভালোবাসার গল্প

দরোজা খুলে দাঁড়াতেই চমকে গেলো আবির । চমকালো খুব করে । রুমগুলো সাজানো, গোছানো, ছিমছাম তখন ! ঠিক যেন পরিপাটি একদম । তাকাতেই সে দেখলো ডাইনিং টেবিলটায় দুটো মোমবাতি জ্বলছে । জ্বলছে আসন্ন উৎসবের অভিপ্রায়ে, একটা ছোট্ট কেক তাঁর সামনেই ! ব্যাপারটা বুঝেই দুষ্টুমি খেলে যায় তাঁকে । আহা, আজ যে বিয়ে বার্ষিকী তাঁদের । [বিস্তারিত ভালোবাসার গল্প]

জেগে থেকো, অপেক্ষায় জেগে থেকো প্রিয়তমা !

এত ভালোবেসেছো, কোথায় যাই তোমায় ছেড়ে টুকটুকে লাল ফুল ? যতই চাই, দুই চোখের মনি ফেটে, তোমার ভালোবাসা উপচে পড়ে, উপচে পড়ে টলমল অশ্রুবিন্দু হয়ে । কিভাবে যাই আমি ? জেনো, তুমিতো স্বপ্ন কিংবা কল্পনা নও, স্বপ্নাধিক সত্যি ভালোবাসা । হৃদয়ের খুব কাছে শাদা নীলমনি ফুল, ফুটেছো সমস্ত আবেগ মিশিয়ে । দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলো কিভাবে [বিস্তারিত জেগে থেকো, অপেক্ষায় জেগে থেকো প্রিয়তমা !]