আমায় ফেলে তুমি চলে যাবে ভেবে থাকলে আমি বাঁচব কিভাবে? তোমায় ছেড়ে দূ’চোখে শ্রাবণ ধারা বইবে তোমাকে সেধেই কষ্টের যন্ত্রনা অঝর ঝরবে। চন্দ্রহীন রাত্রী, সুর্যহীন দিন কেমনে ভাব তুমিহীনা জীবনে আমি কেমনে ভাব! দু”জন যুগল স্রোতে ভাসব বলেই ভাসি তোমায় ফেলে তুমিহীনা আমি কেমনে ভাসি! তুমি আমায় করলে লালন যে কাঁথায় গেঁথে যায় মলিন বর্নীল… [বিস্তারিত]
সর্বশেষ লেখা
প্রকৃতি আজ মেতেছে চরম প্রতিশোধ নিতে ধ্বংসলীলায় দাঁড়িয়ে মৃত্যু ঘন্টা বাজিয়ে, লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল বাঁচাও মুখরিত শ্লোগানে কম্পিত পৃথিবী নিচ্ছে হিসেব কড়ায়গণ্ডায় পাল্লাতে। বিজ্ঞানের যত অহংকার নিভৃতে কাঁদে অদৃশ্য কীট করোনার মরন ফাঁদে, কদম ফুলের রূপে মহামারী করোনার ভয়ে আধুনিক বিশ্ব আজ খাঁচায় বন্দি লোকালয় ছেড়ে। একবার ভাবি এইযে রাস্তা-দালান সারি সারি করছে নিশ্চিহ্ন… [বিস্তারিত]
পদ্ম দীঘির ধারে লাইন সারে সারে, বাহারি রকমের হাসে ফিরে দেখি পাছে, করে ওরা স্নান দূর হয় ম্লান। বসে দেখ শিশু পদ্মফুলের কিছু, জলের ঢেউয়ে নাচে পাতা ভেসে আছে। মাছরাঙা ধরে মাছে বসে আছে কদমগাছে, কচ্ছপ ভেসে উঠে তীরে শীতকালের রৌদ্রের দুপুরে। পাশ দিয়ে যায় নারী শালুকে তার আঁচল ভারী, পানকৌড়ি ধরে মাছ পদ্ম দীঘিতে… [বিস্তারিত]
ঝিলের জলে শাপলা-শালুকের সন্তরণ, মাছেরা খেলে আপন মনে; মাছরাঙা যমের বেশে বসে আছে ছিপ ফেলে একমনে। শুকনো পাতার সারিবদ্ধ লাশ ভেসে যাচ্ছে অজানা ঘাটে। ঝিল-ক্যানভাসে নিচু মেঘের আকাশটা, ছুঁয়ে যায় যেন তুলির আঁচড়ে মর্ত্যের আঁচল। পূর্ণাঙ্গ মুখাবয়বের ছায়া এঁকেছে কোন সে মন-কারিগর? উত্তরের মলয়ে জমে যাওয়া সুখস্মৃতি- কোন সে কাব্য-উষ্ণতায় ছুঁয়ে যায়? ফুলশয্যা সজ্জিত ক্ষিতিজ-শাখে… [বিস্তারিত]
ওগো আমার দিবস ওগো রজনী তুমি নিত্য নৃত্যে যাও চলি নব প্রভাতে নব সাজে কালো কেশে মুখ ঢাকি, আপন নীড় ছাড়ি পিছন ফিরে ফিরে চাহি পুরোনোকে দূরে ঠেলি নতুনেরই লাগি পদদলি আমারই ভালোবাসার তরুলতা ছিঁড়ি। তোমারেই আমি করিছিনু আপন শূন্য এ ধরায় নিদ্রাহীন চোখে তারার আলোকে নিয়েছিনু টানি বুকেরই মাঝায়, হৃদয়ের দোয়ার খুলি ভালোবাসার সবি… [বিস্তারিত]
বলতে পারো সোনার বাংলা এমন হবে কবে? কামার কুমার চাষা শ্রমিক সম মর্যাদা পাবে। দূর্নীতি আর ঘুষের খেলা বাড়ছে সারাবেলা এসব কিছুর বড় কারণ আদর্শের অবহেলা। খুনখারাবি রাহাজানি বাড়ে কমছে না তো সমাজ আরো স্বদেশীয় সংস্কৃতি পালন কর বিজাতীয়টা ছাড়ো। যানজট আর পরিবেশ দূষণ মুক্ত হবে কবে শান্তিতে ঘুরে বেড়াবে আর নির্মূল শ্বাস নেবে। ইভটিজিং… [বিস্তারিত]
১. আমি তখন অনেক ছোট, বয়স পাঁচ কি ছয় বছর হবে। গ্রামের বাড়িতে থাকতাম। অবাধ স্বাধীনতা, বাঁধভাঙা আনন্দ আর গাছের সবুজ পাতার মতই সজীব মন নিয়ে বেড়ে উঠছিলাম। গ্রামেরই একটি সমবয়সী ছেলের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সারাদিন তার সাথে খেলাধূলা অতপর কোনদিন তার বাসায় খাওয়া তো কোনদিন আমার নিজের বাসায় দুজন মিলে খাওয়া। ছেলে আর… [বিস্তারিত]
দূরদর্শী চোখের সীমানায় চঞ্চলকর অদ্ভুত কিছু দৃশ্যপট! ভাবনার গহীনে অদৃশ্য আফসোস ঘিরা বট; নীবর কষ্টতে ছায়া পুড়ি- মলিনকরা পূর্ণিমা রাত অথচ সুখেরা অম্লান কোন রাস্তার মোড় কিংবা অহংকারের শহরতলি! মন হিংসার ঘাট; তবুও মৃদূলকরা সোনালি রোদের জলক আঁখি পল্লবে রাতপোহান স্বপ্ন ডাঙ্গার ঘর অতঃপর দূরদর্শীর মেঠোপথে এক সুখের ছবি করেছো প্রচ্ছদপট- অদৃশ্যেই ছায়া বট। ২০… [বিস্তারিত]
হোক না হেলায় জন্ম তোমার নয় তবু তা ভুল, পণ গড়ে নিজ মন গহীনে নড়লে না এক চুল। কাল যদি যায় পরের হিতে হোক তা গরম তীব্র শীতে দিন শেষে ঠিক দেখবে ভিতে চৌদিকে তার কূল। চাও যে দিকেই মিলবে তখন সদ্য সতেজ গুল। বাগ বলো আর পথের পাশে অল্প আয়ুর প্রাণ, রোজ ফুটে ফুল… [বিস্তারিত]
এই যে শিশু ভাবছ কিছু তাকিয়ে গগনে প্রাণে ও পথিক ভাই এই গগনের তারকারাজির হিসাব কি, এই ধরার কি কেউ জানে আমি তো জানিনে বাপু। শোন শোন পথিক ভাই বলি তোমারে সাদা মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায় শূন্যে কি করে এই প্রশ্নটি রইল পথিক ভাই তোমার তরে জানো নাকি না, না বাপু। ও পথিক ভাই সন্ধা… [বিস্তারিত]
একবার বোধ করি; খুব খরার কবলে পড়েছিলাম। চৌচির বুকের জমিনটা কাঁদত, ক্ষুধার জ্বালায়! হঠাৎ দুর্ভিক্ষে যতোটা না;তারচেয়ে বেশি ছিল, হাভাতের কাঙ্গালপনা। একদিন, বেরিয়ে পড়লাম; বিরান পথে নদীর ধার ঘেঁষে, শুনেছি, নদীর কিনারা ধরে এগুলে, উর্বর জনবসতি মিলবে, ঠিক পেয়ে গেলাম। আশ্চর্যের বিষয় হল ঐ গাঁয়ে একজনই মানুষ ছিল, বেচারা সব শুনে, আমায় খুব যত্ন আত্তি… [বিস্তারিত]
আমরা প্রত্যেকেই স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ন আশা যোগায়, স্বপ্ন মানুষকে নতুন করে বাঁচতে শেখায়। আমাদের মনের ইচ্ছেরা প্রতিমুহূর্তে ডানা মেলে স্বপ্নাকাশে। অনেক সময় আনন্দে বিহ্বল হয়ে আমরা উচ্ছাস করি। তেমনি নিজের অনেক ইচ্ছে পূরণ না হলে ব্যথাতুর মন নিয়ে হতাশায় ডুবে যাই। কারন স্বপ্ন নিয়েই বেঁচে থাকা আমাদের সকলের। তবে স্বপ্ন এবং ইচ্ছের মাঝে একটি… [বিস্তারিত]
নিরাপরাধ সুর্যের কিরণ নিত্য কুয়াসা চিড়ে হেসে খেলে পৃথিবীর কিনার ঘেঁসে উঠে আবার অপরপ্রান্তে ডুবেও যায়। আমি অগ্নিগোলকের চোখে চোখ রাখার দুঃসাহস দেখাই আদিকাল থেকে। সময়ের দেয়ালঘড়ি কালের তকমায় ওল্ডফ্যাসনের ট্যাগ পরেছে। স্থুল অপেক্ষা শীর্ণ কিংবা তারও কিছুটা সরু কাঁটার আকার আজও পারেনি কেউ পরিবর্তন করতে। আমাদের জ্যোতি ক্ষয়ে আসে ক্রমশঃ চোখের ভঙ্গী বদলে দিতে।রক্তের… [বিস্তারিত]
"বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর"- কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন যথার্থ। এমন বলে নিজের ঢোল নিজেই পেটাচ্ছি কি? ঢোল নয়, হয়ত আমি পারিনি কিন্তু কেউ তো পেরেছেন অবদান রাখতে। শরীরে এতটুকু মাংস নেই। তাঁকে দেখলে মনে হয়, কিশোরী মেয়েটি ব্যাগ কাঁধে তুলে এখুনি স্কুলে যাবার জন্য দৌড়… [বিস্তারিত]
তোমার অভয়ে মুয়াজ্জিন দিতে মধুর সুরে আজান তাই না শুনে নিখিল বিশ্ব করতো স্রষ্টার জয় গান। দ্বীনের পথে দিয়েছ তুমি অঢেল ধন সম্পদ তার জন্য পেয়েছো উমর রাসূলের মহব্বত। তুমি তো ছিল উমর আল্লাহর রাসূলের দক্ষিণ বাহু তার জন্য নিধন করতে পেরছো ইসলামের সকল রাহু । নিজের জীবনের চেয়ে তুমি রাসূলে বাসিত ভালো ধর্ম গ্রহণের… [বিস্তারিত]











