কোকিলের ঠোঁটে ধ্রুপদী সুর-ব্যঞ্জণ বসন্তের আগমনী বার্তা; তিন ফসলি জমিনে হরিদ্রার সমুদ্র-নাচন; রঙ-বেরঙের ফুল কাননে চঞ্চরী, পুলস্ত্যদের অভিসার। কিশোরীর কর্ণ-লতিকার একখন্ড ভিটায় সোনার ফসল হাসছে অবিরত; পান্থ পরিযায়ীর নেশার উষ্ণতায় রাঙ্গানো কপোলের উন্মুক্ত ময়দান; অধরের চুম্বকীয় সঙ্গমে সুনামির সর্বনাশা জলোচ্ছ্বাসে বাঁধ ভাঙ্গে দেহের কঙ্কণ। ললাটে শিমুল রাঙ্গা-ময়ুখমালী ছড়ায় প্রেমের পীড়ন- পরিপাটি খোঁপার পাপড়ি এলোমেলো হয়… [বিস্তারিত]
সর্বশেষ লেখা
আমাদের প্রকৃতি আমাদের সাথে অনেক আগে থেকেই বিরূপ আচরণ শুরু করেছে। ভূপৃষ্ঠ দিন দিন উষ্ণ হচ্ছে, দুঃখজনক ভাবে বাতাসে সীসার পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন, কখনো অতি বৃষ্টি, কখনো বা অনাবৃষ্টি, কখনো খরায় ধূ ধূ সবুজ ঘাস হীন মাটের পর মাট খাঁ খাঁ করে উত্তপ্ত হয়ে উঠে ধরণী। তপ্ত অসহনীয় তাপমাত্রা ভ্যাঁপসা গরম, তাপদাহ। কখনো… [বিস্তারিত]
দৃপ্ত পায়ে যাচ্ছো কোথায় একটু দাঁড়াও ভাই, কে তুমি? কথাটির জবাব দিয়ে যাও। শোন তাহলে - কে আমি শুদ্ধ আমি, শান্ত আমি ভ্রান্ত আমি নয়। বেলি আমি, টগর আমি ফুুলের রাণী নয়। পদ্মা আমি, মেঘনা আমি গঙ্গা আমি নয়। তাঁরা আমি, জোনাকি আমি আঁধার আমি নয়। আকাশ আমি, বাতাস আমি পাতাল আমি নয়। দোয়েল আমি,… [বিস্তারিত]
মোবাইল ফোন আমাদের জীবনে এক অভিনব এবং বৈজ্ঞানিক পরিবর্তন এনে দিয়েছে। জীবনকে দিয়েছে গতিশীলতা। বিশ্বকে নিয়ে এসেছে হাতের মুঠোয়। স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষকে নিকট থেকে নিকটে নিয়ে আসছে। স্কাইপে, ইমো, ভাইবার, ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটস আপ, টুইটার, গুগল সহ বিভিন্ন এপ্যাসে মানুষকে একটা সামাজিক গণমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ার আওতায় নিয়ে এসেছে। এই… [বিস্তারিত]
আমরা মানুষগুলো অনেক ব্যাস্ত থাকি। ব্যাস্ততার কারণে চারপাশের মানুষগুলোকে নিয়ে ভাববার অবকাশ পাইনা, ভাবি দূর কোন অচেনা সম্মোহনী নিয়ে। এভাবে ভেবে ভেবে একসময় নিজেকে একা করে ফেলি। এটাই হল প্রকৃতির প্রতিশোধ। প্রকৃতি খুবই ক্রূরমতি কিংবা দুর্বোধ্য। মানুষ তার পাপ হয়তো ভুলে যায়, কিন্তু প্রকৃতি সময়মত যার যা প্রাপ্য কড়ায়গণ্ডায় হিসেব করে সব উশুল করে দেয়… [বিস্তারিত]
ভালবাসা নামক একটা শব্দ আছেএখন আর বিশ্বাস করিনা আমি,ভাঙ্গাচোরার মাঝেই যার অস্তিত্বকিছুটা আবেগ আর পাগলামী।কখনো আনন্দে ভাসায় কখনো দুঃখে কাঁদায়সুখীকে নাচায় নিঃস্বকে আরো নিঃস্ব বানায়।ভালবাসা মানেইতো বুক ভাঙ্গা আর্তনাদস্নিগ্ধ গোলাপ পাপড়ির দু'ফোটা জল,আর দু'চোখের মাঝে যে সমুদ্র দেখা যায়তা ভাঙ্গা বুকে সারাক্ষণই করে টলমল। [বিস্তারিত]
একুশের রক্ত লেগে আছে বাংলার পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ায়, লেগে আছে রাজপথে আরো লেগে আছে দুঃখী মায়ের হৃদয়ে একুশের আগমনে মনে জাগে সেই দিনের কথা যে দিন আমার ভাইয়ের উপর পাকরা করছে কত পাশবিক পৈশাচিকভাবে নির্যাতন আজও মায়ের বুক কাঁদে আমার ভাই সালাম জব্বার রফিক শফিকের জন্য মা তো থালা দাঁড়িয়ে আছে খোকা আসবে বলে সেই… [বিস্তারিত]
তিন পাগলের খেল, কিনছে বা কেউ ঘুরছে মেলায় থাকতে জেগে বেল। এক পাগলে চশমা কিনে ভাবছে সে এক বীর, আরেক পাগল খোশ পেয়ে সে মণ্ডা মিঠাই ক্ষীর। কিনতে দু’জন ফুলের তোড়া সুযোগ বুঝেই মারছে কোড়া ভাবছে এ এক মুক্ত স্বাদের দারুণ মজার ভেল, তিন পাগলের খেল। আরেক পাগল ভাবছে বসে একলা গাছের তল, এই ভুবনে… [বিস্তারিত]
অচিনপুর, শান্ত নিরিবিলি গ্রাম। একদিন ভোরবেলা কেঁপে উঠলো। কার যেনো নিথর দেহ পরে আছে অচিন গাছের নিচে। রাজনৈতিক নেতা খোকন। প্রতাপে গ্রাম কাঁপে। ছাগল গরু পোষে। এক টাকাও খরচ করেনা। সারাদিন ওদের ছেড়ে দিয়ে রাখে। এর ওর ক্ষেত খায়। মানুষজন রাগে গজগজ করলেও। মুখে বলতে পারেনা। কখন কী করে বসে! কার জীবন অর্ধেকেই পরিসমাপ্তি হয়।… [বিস্তারিত]
মাতাপিতার সুদীর্ঘ পরিকল্পনার পর এই নদী নক্ষত্র দেশে এসেছি আমি অজস্র নদীর ভীড়ে আমার জীবনের সোনালী স্বপ্ন গুলো হারিয়ে গেছে খুঁজে পায় না সেই স্বপ্ন গুলোকে নক্ষত্রের বর্ণিল আলোর জন্য। জীবন তো নদীর ঢেউয়ের মতো দোল খায় নক্ষত্রের আলোর কাছে জীবন, আবার ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পায়, জীবন মান সংগ্রাম ঘাত প্রতিঘাত স্বপ্নের বাতিঘর যে খানে… [বিস্তারিত]
শীতকাল বরাবরই আমার পছন্দের সময়। সেটা অবশ্য এমন না, এবার শীতের কেমন আগ্রাসী ভাব। আগের শীত ছিল নরম-নরম, প্রেম-প্রেম, মিষ্টি-মিষ্টি। আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন আপুর মত। লেখা আছে, ব্লগ আছে, আমরা সবাই আছি কিন্তু তিনি ছাড়া ব্লগ আগ্রাসী শীতের মত প্রেমহীন! কমে যাবার ঢং করে- করেও আগ্রাসী শীত যেন কমছেই না। বাসা থেকে বের হতে মন… [বিস্তারিত]
অসম্পূর্ণ জীবনের ক্ষণিক হাসি-কান্না বিস্তৃত লোকায়তিক দর্পণের এপারওপারে। বিচিত্র দোলায় দোদুল্যমান চিন্তা-চেতনারা তরঙ্গবীণার উচ্ছ্বাসিত আবহে - নবচেতনায় উদ্বুদ্ধ করে, আন্দোলিত হয়; এ যেন কুমন্ত্রণার আড়ালে সুক্ষ্ম মায়াবী হাতছানি। অনুভূতিপ্রবণ স্পর্শকাতরতার দ্বন্দ্বে পলাতক আখ্যানশৈলীর শিশির মাল্য আজও পৃথিবীর বুকে অপরুপ মাধুর্যের সাক্ষী। ভুলে যাই, মাত্র আর ক'টা দিন! এরপরে গন্তব্য সেই অনাদি অনন্তের পথে। অতীন্দ্রিয় এ… [বিস্তারিত]
ছোট্টা ছোট্টা শব্দে বসে আছি আমি অব্দের পর অব্দে, একাকি অমরত্বের লাভের সন্ধানে কেমনে আমি আমার নামকে ধরার বুকে করব অক্ষয় শুধু আমার জীবনে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা লিখব কীর্তিমানের সারিতে আমার নাম খানি। নেই আমার মনে সুখ শুধু আমার চিন্তা, কীভাবে রচিতে পারি অমর কীর্তি কাব্য যেমন রচিল নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ যদি আমি তেমন কিছু… [বিস্তারিত]
সুমধুর মধুরতম প্রতিশ্রুতির ঘন নিঃশ্বাস কেড়ে নেয় হাজারো হৃদয়, গতানুগতিক রং-ঢংয়ের স্বভাবে, বিলাপের এলোমেলো ছিন্নবস্ত্র পড়ে থাকে পথের প্রান্তে, চাঁদমুখ পীড়াপীড়ির অতিমানবীতার আড়ালে; বসন্ত সে আমার চাই-ই। বসন্ত বারে বারে ফিরে আসে স্ব-মহিমায় প্রীতিময় প্রেমে প্রেমে প্রেম মেলে, বসন্ত তুমি কী চাও? প্রতি বসন্তের মত এবারেও? কীসের এই অতি সাময়িক আকুলতা? ফিকফিকে হাসি-দাঁত লুকিয়ে স্পিকটি… [বিস্তারিত]
চোখের দেখা- দেখে কি হবে- মনের দেখা- দেখলে না ভব সংসারে; শেষ বেলাতে বিবেক কেঁদে, কি হবে- শিক্ষার আগুন নিভে গেলো দ্বিগুণ- তবুও ভয় পেলে না শুধু মরণে, চোখের মায়া অন্ধ দূর- বহুদূর ধর্মগুরু অন্ধসুরু আসল চিনবে কি ভাবে? যখন আবেগ এসেছে শেষ বেলায়- তখন চোখের দেখা দেখে কি হবে- অন্তর দিয়ে দেখলে না- ভালমন্দ… [বিস্তারিত]











