নীলুর মন টা খুব খারাপ, কেন খারাপ তা অনুসন্ধান চালিয়ে তেমন কিছু পেলোনা।আজ বার বার কাজে ভুল হচ্ছে কিছুক্ষন পর পর মন উদাসিনী হয়ে যাচ্ছে ।বিষন্নতায় ভুগছে উদাস মন। মনকে ভালো রাখার জন্য রবীন্দ্র সংগীত ছেড়ে চুপচাপ শুয়ে আছে।নীলুর গান শুনলে মন ভালো হয়ে যায় আজ খুব একটা পরিবর্তন হচ্ছে না।আসলে বিকালে শুয়ে থাকলে মন… [বিস্তারিত]
বিভাগ: অণুগল্প
অচিনপুর, শান্ত নিরিবিলি গ্রাম। একদিন ভোরবেলা কেঁপে উঠলো। কার যেনো নিথর দেহ পরে আছে অচিন গাছের নিচে। রাজনৈতিক নেতা খোকন। প্রতাপে গ্রাম কাঁপে। ছাগল গরু পোষে। এক টাকাও খরচ করেনা। সারাদিন ওদের ছেড়ে দিয়ে রাখে। এর ওর ক্ষেত খায়। মানুষজন রাগে গজগজ করলেও। মুখে বলতে পারেনা। কখন কী করে বসে! কার জীবন অর্ধেকেই পরিসমাপ্তি হয়।… [বিস্তারিত]
রাস্তায় যেতে যেতে একটা মেয়ে দেখলাম,অনেক কষ্টে ঠিকানা সংগ্রহ করে,রাত আনুমানিক দেড়টার সময়,পাশের বাড়ির বার তলা ছাদ থেকে-একটা বড় গোলাপ চুরি করে,দেয়াল টপকানোর সময় লুঙ্গী গেল ছিঁড়ে,পায়েও পেলাম ব্যাথা,হাত গেল কেটে,দশ মাইল হেটে ক্লান্ত হয়ে-মেয়েটির বাড়ি গেলাম,দেখি চীনের প্রাচীর,তা টপকাতে গিয়ে হাত ভাঙ্গে,পোলাপটাকে কোন রকমে কামড়ে ধরে,ওই পারে গেলাম,বাথরুমের পাইপ বেয়ে-চারতলায় উঠলাম,জানালা দিয়ে তার-রুমে ঢুকলাম,ফুলটা… [বিস্তারিত]
গার্লস স্কুলের সামনে প্রতিদিন একজন লোককে ভিক্ষা করতে দেখা যায়। লোকটার পায়ে ঘা। আর ফুলে একাকার। রক্ত, পুঁজ আর কষ ঝরে। ছুটির পর কৌতূহল বশতঃ তার পাশ দিয়ে যাই। কিছুই জিজ্ঞেস করা হয় না। কিন্তু মনে মনে প্রশ্ন করি, কেমনে এখানে আসে? কে নিয়ে আসে? গ্রীষ্মের আর রমযানের ছুটি এবার একসাথে। অনেকদিন স্কুল বন্ধ। সবাই… [বিস্তারিত]
১. আমি তখন অনেক ছোট, বয়স পাঁচ কি ছয় বছর হবে। গ্রামের বাড়িতে থাকতাম। অবাধ স্বাধীনতা, বাঁধভাঙা আনন্দ আর গাছের সবুজ পাতার মতই সজীব মন নিয়ে বেড়ে উঠছিলাম। গ্রামেরই একটি সমবয়সী ছেলের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সারাদিন তার সাথে খেলাধূলা অতপর কোনদিন তার বাসায় খাওয়া তো কোনদিন আমার নিজের বাসায় দুজন মিলে খাওয়া। ছেলে আর… [বিস্তারিত]
হায়, মেয়েটা কী করলো? এতো সরঞ্জাম দেয়া হয়। এন,জি,ও র আপারা বুঝায় ; তাও তোরা বুঝিস না ! কেনো যে এমন ঘটনা ঘটাইলি ? রূপালি বলে, বুঝলাম না কোন ব্যাডায় এমন কাজ করলো? আমি তো সাবধানী ছিলাম। " তুই হয় এ্যাবসন করা ; না হলে কই যাস যা। আমার ব্যবসা নষ্ট করাস না। রূপালি ভাবে,… [বিস্তারিত]
👉 বানুর মা এক কাপ চা দিয়ে গেছে, জামিল সাহেবের হাতে। গরম চা, কাপে চুমুক দিতেই দীর্ঘশ্বাস নেমে এলো বুকের গভীর থেকে। বানুর মা ( কাজের মহিলা) কে হাজার বার বলেও উপায় হলো না, চায়ে চিনি বেশি দিবেই। আজও চিনি বেশি হয়েছে চায়ে । শরীরে সুগারের পরিমান ঠিকই আছে, তবুও চিনি বেশি খেতে অভ্যস্ত নয়… [বিস্তারিত]
শরৎ কবে চলে গিয়েছে। এখন আর কাশফুল নেই বললে চলে। দু একটা শিউলি ফুল ব্যতীত। একটানা বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর সবেমাত্র শীত চেপে বসেছে। চারদিক জুড়ে ঘন কুয়াশা আর শীতের তীব্র শনশন বাতাস। অবশ্য এখনো পুরোপুরি শীত চেপে বসেনি। কেননা সবেমাত্র হেমন্তকাল। সদ্যজাত হেমন্তের সাজে বাড়ির আঙিনা জুড়ে ফুটে উঠেছে গাঁদাফুল, জবাফুল আর কত সুগন্ধিজাত… [বিস্তারিত]
প্রিয় শাশুড়ী মা, ছোট বেলায় বাচ্চাদের অনেক কিছুর ভয় দেখিয়ে খাবার খাওয়াতে কিংবা ঘুম পাড়াতে হয়..কখনো ভূতের কখনো বা বাঘ সিংহের ভয় দেখানো হয় ..কিন্তু আমাকে যে প্রাণীর নাম দিয়ে ঘুম পাড়ানো হত তা হলেন "আপনি" মানে "আমার শাশুড়ী.. মা"। -"এত বেলা করে ঘুম থেকে ওঠো?যাও শশুর বাড়ি শাশুড়ী চুল টেনে উঠাবে.." -ঝাল খাও না,শশুর… [বিস্তারিত]
আশ-কথা পাশ-কথায়, বাঁকা-নয়ন খাড়া-কানে কত কী লিখি-ফিখি, ফেলে রাখি, উল্টে পাল্টে দেখি, দেখি-ও-না, কখনও সখনও হারিয়ে ফেলি, হারিয়ে যায়-ও, ভুলে-টুলে-ও যাই। অগোচরে একান্ত নীরবে পড়ে থাকা, ভুল করে ফুল!! হারানো মানিক!! ভাল করে বিনোদ বেনী বাধিয়া দে............ পুরোন আঁকের মাঝে, অধরা, একান্ত গভীর জীবন্ত অনাবাদী কিছু পেয়ে গেছি, পেয়ে-ও যাই, এমন-ও কিছু-না। শিউলি কুড়ানো ঝিরঝিরে… [বিস্তারিত]
কয়েক দিন ধরেই আমার মালিক বাড়িতে নেই। এতবড় বাড়িতে আমি সম্পূর্ণ একা । একা থাকার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে কোন নিয়ম মানতে হয় না। যা ইচ্ছা তাই করা যায়। আর একা থাকার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো নিজের খাবারের ব্যবস্থা নিজেকেই করতে হয়। এবারই প্রথম না। এর আগেও অনেকবার একা থাকতে হয়েছে আমাকে। গ্রামের শেষ প্রান্তে… [বিস্তারিত]
বাস ষ্টেসনে এসে অপেক্ষা করাটা ভীষণ বোরিং লাগে। বার বার ঘড়ি দেখা। কতক্ষন পরপর যাত্রী ছাউনীর ওপারে রাস্তায় নজর চলে যায়। এই বুঝি এলো পথের বাঁক ঘেসে চাকার কর্কশ শব্দ আর ভেঁপু বাজিয়ে। ১০ মিনিটের যাত্রাবিরতির ফাঁকে এই ষ্টেসনের জনা বিশেক যাত্রী নিয়ে বাস ছুটবে ঢাকা ছেড়ে দক্ষিনাচঞ্চলের পথে। এবার একাই যাচ্ছি বরিশাল। সঙ্গী সাথীরা… [বিস্তারিত]
মিঠু ভাই সহ একই পাড়ায় থাকি আমরা। সে আগে ওয়েল্ডিং এর কাজ করতো, করোনাকালে কাজ নাই তাই রিক্সা চালায়। তার মেয়েটা ক্লাস নাইনে পড়ে আর বড় ছেলে কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক কলেজে। পড়ুয়া বাচ্চারা অনেকের মত অনলাইনে ক্লাস করতে পারছেনা কেন জানেন? কারন তাদের একটা এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নেই। শুরুর দিকে কিছুদিন পাশের বাসার একজনের মোবাইলে ইন্টারনেট… [বিস্তারিত]
কে….! কে এখানে…? তখন ঘোর সন্ধ্যা। চায়ের কাপ এবং সাথে দু'টো টোস্ট বিস্কুট নিয়ে বসেছি দোতালার দখিনা বারান্দায়। সবে চায়ে বিস্কুট ডুবিয়েছি এমন সময় পুরো শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে উঠলো। মনে হলো অদৃশ্য একটা হাত ছুঁয়ে দিলে আমার কাঁধ। হ্যাঁ ইদানিং এমনই ঘটছে আমার সাথে। সর্বোক্ষণ মনে হচ্ছে কেউ একজন আমার সাথে সাথে চলছে, আমি বসলেও… [বিস্তারিত]
।মাগরিবের নামাজ শেষ করে বাজারের পথে হাঁটা ধরেছে মোবারক মিয়া। আশ্বিনের কুয়াশায় গ্রামের রাস্তার ঘাসের শিশিরেরা পায়ে কাদার মতো জড়িয়ে যাচ্ছে। আজকের চাঁদের আলো যেন বেশী মনে হয়,কারণ খুঁজতে থাকে।নাহ! কিছুই মনে আসছেনা।তবে এমন চাঁদের আলো আরও দেখেছে সে। মোবারক মিয়া আপন মনে বিড় বিড় করে যেন বিরক্তির ভাব ফুটে উঠেছে। এবারে রহিম মিয়ার মায়ের… [বিস্তারিত]

























