বন্ধু তুই কেমন আছিস পরপারে, আমায় তুই দেখা দিস সেখানে হাসবো খেলবো দুজনে বন্ধুত্তের হাত বাড়াবো খোলা মনে, বন্ধু তুই কেমন পরপারে, আমায় তুই দেখা দিস পরপারে। বন্ধু তুই কেমন আছিস পরপারে, ছোট বেলার কত সৃতি মনে পড়ে এমনি ঝড়ো বর্ষার দিনে, তোর কি মনে পড়ে! সেই আম তলায় ঝড়ে লুটোপুটি খাওয়া এক নজর প্রিয়া… [বিস্তারিত]
বিভাগ: বিবিধ
বিশাল মনোহর বাতানুকুল অপেক্ষাকক্ষ ডাক্তার সাহেবের। অপেক্ষা করছি ডাক্তার সাহেবের। এই তো এলো বলে। বিরাট বপুর স্লিম টিভিতে ঝাকানাকা হিন্দি ছবিছুবি চলছে, চোখে গিলছি কানে পট্টি দিয়ে। দক্ষ কারিগরি ব্যবস্থাপনায় আমার রুগীর সিরিয়াল নম্বরটি 'টু'। আর যায় কোথায়, মার দিয়ে কেল্লা অবস্থা। শানেনজুলে আসি এবারে। একজন গ্রাম্য, অবশ্যই গাঁইয়া বুইড়া ভাম প্রকৃতির মানুষ, যথার্থ অপদার্থটি… [বিস্তারিত]
ঘটনাটা পাচ টাকার মাত্র। কিন্তু এর ব্যাপ্তি, সততা, নিষ্ঠা, ম্যান কাইন্ড অতুলনিয়ো। ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসের কনকনে শীতের সন্ধ্যা। আবুল অফিসের কাজে গুলিস্তান মোরে দাঁড়িয়ে আছে। রাম্পুরা যাবে। পকেটে ফুটা পয়সা নেই। পকেটে ষোল টাকা ছিলো তা মধ্যবিত্ত ফুটা দিয়ে কখন পরে গেছে খেয়েল করেনি। সামনের মাসে স্যালারী পেয়েই একটা মানিব্যাগ কিনবে সে। কি করবে… [বিস্তারিত]
শফিকের কয়েকদিন অফুরন্ত অবসর । রিজিয়া গত কিছুদিন আগে বাপের বাড়ি যাওয়াতে ,পাচটায় অফিস ছুটির পর বাজার করার ঝামেলা নাই। তাই অফিস থেকে ফিরে কাপড় পাল্টে বের হয়ে যায়। চট্টগ্রাম শহরটা এখনও ঢাকার মত অতটা ব্যাস্ত হয়ে উঠেনি। পাহাড়ের আড়ালে-আবডালে শুয়ে থাকা শহরটা ঢাকার তুলনায় অনেকটা শান্ত। ইদানিং শফিক অফিস ছুটির পর একা একা উদ্দেশ্যবিহীন… [বিস্তারিত]
পৌলমী, কফি মগ হাতে নিয়ে বারান্দায় বেড়ুলাম মেইল বক্সটা চেক করতে। আমি ভাবতে পারছিনা, তুই, তোর এত্তো বড়ো চিঠি!! অবাক হয়ে গেছি আবার নাও। তোর মধ্যে আবেগ আছে, তেমনি বাস্তবতাও। তবে তুই যে এভাবে চিঠি লিখবি আমাকে, এটুকু সত্যি ভাবিনি। তখন আমাদের সেল ফোনের কোনো নাম্বার ছিলোনা। ছোট্ট চিরকুট ছাড়া খবরের আদান-প্রদান আর তো কিছু… [বিস্তারিত]
ডিম লাইটের নিয়ন আলোয় চোখ নামিয়ে কিবোর্ডের দিকে দৃষ্টি অনুপাত করে একটা একটা করে বোতাম চেপে যাচ্ছি। অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত। জ্যোৎস্না বিলুপ্ত হয়েছে আমাবর্ষায়! রাতের গভীরতা বাড়ছে। নড়বরে হাতল ভাঙ্গা চেয়ারে নির্লিপ্ত বসে আছি আমি। দেয়াল ঘড়ির টিক টিক শব্দটা সময়ের শৃঙ্খলতা বর্ণনা করছে। চক্রাকারে বিহব্বলতা কানায় কানায় পূর্ণ। অবাঞ্চিত ধ্বনিমুক্ত শহর নিস্প্রান ঘুমে আচ্ছন্ন। কলঘর… [বিস্তারিত]
তারপর তোর আর ফোন নেই বহুদিন। পুলকের সাথে কথা হলো। বললো, "ফোন দেয়ার সময় কোথায়? প্রেমে পড়েছে যে।" আমি শুনে অবাক। তুই যে কিনা অনেক স্বচ্ছতর সম্পর্ক বিশ্বাস করিস, সে বিয়ে-বহির্ভূত প্রেম! বিশ্বাস না করেও পারিনা পুলকের কথা। পুলককে বললাম ধ্যৎ তুই না যে কি! পুলক আর আমি অনেক জোরে হাসলাম। তারপর জানিস পুলক আমার… [বিস্তারিত]
"আমারে নিবা মাঝি লগে??".যদিও আমি মাঝি না। তবে হ্যাঁ, আমি মাঝি কিন্তু নৌকার মাঝি না, বড় বড় জাহাজের মাঝি।তবুও এমন করে কোনদিন কেউ বলেনি তারে লগে (সাথে) নেওয়ার কথা।.বলেনি কেউ "জানি আমাকে ছেড়ে থাকতে তোমার কষ্ট হয়/হবে, এইবার যাওয়ার সময় আমাকে সাথে নিয়ে যাবা, আমিও দিনের আলোতে সীমাহীন বিশাল নীল সমুদ্র দেখবো, ঢেউয়ের সাথে পাল্লা… [বিস্তারিত]
-চোখ দুটো ঝাপসা হয়ে আসছে, তবুও লিখছি! কারণ লিখতে টিখতে ভালো লাগে। খারাপ লাগেনা! একদিন এক রাত জেগে শরীরটায় বেশ দুর্বলতা অনুভব করছি। তবুও লিখছি। কিছু প্রকাশ করার মাঝে এক্সট্রা কোন সুখ নেই। পরিবর্তন নেই। এতে ক্লান্তি বিদেয় হয়না। দুঃখ মোছেনা। আবার কষ্টও ঘুচে না! তবুও মনের ভাবটা প্রকাশ করতে ভালো লাগে। খারাপ লাগেনা। -যতবারই… [বিস্তারিত]
সূর্য এখন আর নেই, তবুও সে তার অস্তিত্ব জানান দিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমের আকাশটা এখনও লাল হয়ে আছে। গাছগুলো ছায়া মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টায় আছে। সেই কখন থেকে ঝিঁঝিঁ পোকাগুলো ডেকে চলেছে। তাদের চিৎকার শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি। রাণু গান ধরলো। রাণুর গানের গলা বেশ ভালো। সে গানে আমি আমার মগজের শুকনো জমিতে… [বিস্তারিত]
মেয়ে হয়ে জন্ম নেয়ার সব থেকে বড় কষ্ট হল তাকে সারাক্ষণ ধর্ষণের ভয় নিয়ে বড় হতে হয়। এই ভয়ংকর ব্যাপারটি তাকে খুব ছোট বেলা থেকে বিভিন্ন ইশারায় বোঝানো হয়। একসময় কোলে নিয়ে পিঠে হাত বোলানোর ভেতরেও সে অন্য কিছু টের পায়। এই ব্যাপারটা মা কে বলতে গিয়েও সে বলতে পারে না। উল্টো বকা খাবার ভয়ে… [বিস্তারিত]
আফঘানিস্তানের ঘটনায় আমরা কেউ স্তম্ভিত, কেউবা হতাশ । কেউ বা ভাবছি , যাক ভাই আমাদের এখানে বোধকরি এমনটা হয় না ।না ,এমন ধারনা মটেও সঠিক নয় । হয়, আমাদের এখানেও হয় ; লজ্জা আর সামাজিক হেনস্থা , উপরন্তু ধিক্কৃত জীবনের কথা ভেবে মেয়েটি অথবা তার পরিবার সব গোপন করে যায় ।দেশ জাতি কাল ভেদে সারা… [বিস্তারিত]
হাসপাতালের হৃদরোগ ওয়ার্ডের দারোয়ান দেলোয়ার হোসেন। মধ্য বয়স্ক মানুষ । চাকরির বয়সও অনেক হয়েছে । হাসিখুশি অমায়িক চরিত্রের এক মানুষ। তার কাজ ওয়ার্ডের গেটে বসে থাকা আর অসময়ে আসা অবান্চিত দর্শনার্থীদের আটকে দেওয়া । মাঝে মধ্যে ডাক্তারদের ফাই ফরমাশও করতে হয়। প্রতি সপ্তাহে একদিন আর সরকারি ছুটি ছাড়া, অসুস্থ না হলে এভাবে বছরের প্রতিটি দিন… [বিস্তারিত]
জুলাই যেন কেবলই আমার! জুলাই মানেই আমার আমি সময় ঘুরিয়ে নিজেকে দেখার। জুলাই মানেই আমার স্বপ্ন দেখা। জুলাই মানেই বাজিতে হেরেও নতুন করে ফের বাঁচতে শেখা। জুলাই মানে দৃঢ় প্রত্যয় করি শুন্যের খোঁজ। জুলাই আমার হিসাবে অমিল নিকাশ রোজ রোজ। [বিস্তারিত]
জানি তুমি অনেক সুখেই আছো। সুখে থাকাটাই স্বাভাবিক। তোমার স্বামী অনেক বড় ব্যাবসায়ি! টাকা পয়সার কোন অভাবই থাকার কথা না। তুমিতো চেয়েছিলেই তোমার বিয়ে হোক কোন বড়লোক টাকা ওয়ালা ছেলের সাথে। তোমার ইচ্ছাই পূর্ণ হয়েছে। আমার মত চাল চুলোহীন ছেলে তোমাকে কি বা দিতে পারতো? ভালোই করেছো আমাকে ত্যাগ করে। তুমি সুখে থেকো সব সময়… [বিস্তারিত]




