ভাদ্ররী মেঘলা আকাশ বর্ণ চূড়ায় বিষাদের অনল তবু পুড়ছে না মাটির মন ভাদ্ররী মেঘলা আকাশ; এই সরিষা ফুলের মাঠ এতো বর্ষায় ভাসছে পাপড়ি অথচ বৃষ্টির আনন্দ নেই; যত সরিষা ফুলের মাঠ! মেঘ শূন্য আঁধারে আর্তনাদ ঘন রাতদুপুরে সর্বনাশ- স্নিগ্ধ ভোরে অক্লান্ত ঘাস! বলো কে বায় বাতাস? ০৮ ভাদ্র ১৪২৯, ২৩ আগস্ট ’২২
ক্যাটাগরি কবিতা
আষাঢ়ে বাদলা দিনে ফুটো চালা বেয়ে সফেদ পাড়নে পড়া ফোঁটা ফোঁটা জল, চৈত্রের দুপুরে সবে ভাত ঘুম পেয়ে তখনই কর্কশে আসা কিশোরের গল। চুপিসারে ছুটে চলা নিশাচরী মনে নীরদের আড়ে জেগে উঁকি দেয়া চাঁদ, উপহারে পাওয়া সোনা পোড়ানের ক্ষণে ভরি থেকে উড়ে যাওয়া তেরো আনা খাদ। জীবনের পথে তুলে মুসিবত বালা প্রবাহের বুকে তবু সঁপে [বিস্তারিত অবাঞ্ছিত জীবন (সনেট)]
ইচ্ছেমতি হাত বাড়ালেই চাঁদ ধরা যায় এমন যদি হতো ইচ্ছেমতো উড়ে বেড়াতাম পাখিদের মতো। পরীরদেশে আমায় নিয়ে চলছে মাতামাতি তারা আমায় ভালোবাসে ভাবে চোখের জ্যোতি। মনের সুখে ভেসে যেতাম জলের মাথায় চড়ে ঢেউয়ের দোলায় হারিয়ে যেতাম ভাসতাম পানির তোড়ে। পিপড়াদের বাড়ী বেড়াতে যেতাম ইচ্ছে হলেই পরে মৌমাছিরা আমার সনে মধু শেয়ার করে। প্রজাপতির ডানায় চড়ে [বিস্তারিত ইচ্ছেমতি]
আমাকে নষ্ট হতে দেখে তোমার বড় কষ্ট হবে জানি, তবুও তুমি হাত দুটো উঁচু করে বলবেনা আমি সব ছেড়ে তোমার কাছে ফিরে এসেছি, বলবেনা – চলো কোথাও মিলিয়ে যাই। আমাকে তিলে তিলে নিঃশেষ হতে দেখে তোমার দু’চোখে জলের মতো দুঃখ নেমে আসবে তোমার পৃথিবী উলট পালট হয়ে যাবে, তবুও তুমি বলবেনা – ফিরে এসো। [বিস্তারিত চলে যাচ্ছি।]
কলমটা হাতে নিয়ে বসেছি সেই কখন গল্প, কবিতা ,যা হোক লিখবো কিছু একটা , এলোমেলো ভাবনায় কেটে যায় সারাবেলা লেখা হয়না কিছুই । কলম আর কাগজের হয়েছে যে সন্ধি , সময় কাটানোর নতুন এক ফন্দি । হয় না নতুন কোন গল্প কবিতা লেখা , এভাবেই কেটে যায় দিন ক্ষণ বেলা। নাই বা হলো গল্প কবিতা [বিস্তারিত এলোমেলো ভাবনা]
অকূল গাঙের নাইয়া আমি উজান গাঙের নাইয়া – দিন কেটে যায় আশার তরী বাইয়া! সেঁচতে গেলে তলার পানি রয় না সোজা হাল, মাতাল বাতাস নেয় গো কেড়ে সোনালী বিকাল। খুঁজলে ওকূল হারায় একূল রাগ করলে যায় দূরে দু’কূল বোধ হারা মন হাসে তবু চাইয়া – দিন কেটে যায় আশার তরী বাইয়া! ঢেউ কি বুঝে মনের [বিস্তারিত আমি অকূল গাঙের নাইয়া! (গীতিকাব্য)]
আজ রেধেছি বিরিয়ানি সাথে দিয়ে গোশ খেয়ে সবার দিল হবে খোশ। চাল দিয়েছি বাসমতী ১ ঘন্টা ভিজিয়ে সূর্যমুখী আর সরিষার তেল সাথে দিয়েছি মিশিয়ে। গোশতটাকে মেরিনেট করেছি সারারাত চালটাকে আধাসিদ্ধ করে বানিয়ে নিয়েছি ভাত। আদা,রসুন,পিয়াজ,জিরা,মরিচের গুঁড়া চাই হলুদের গুড়া বিরিয়ানিতে দিবে নাতো ভাই। কালার যাবে নষ্ট হয়ে,তরকারির মতো লাগবে গরম পানি দিলে পরে স্বাদ ঠিকমতো [বিস্তারিত বিরিয়ানি]
অযত্নে অবহেলায় এসেছি রেখে আমার দুরন্ত বেলা আঙিনা, মাঠ, ঘাট প্রান্তরে কাটিয়েছি করে খেলা ~~~~~। সরষে কলাই মটর খেতে সাথিদের সাথে কত যে গড়া গড়ি বৈশাখি বাতাসে আম বাগানে উড়িয়েছি রঙ্গীণ ঘুড়ি ~~~~~। বর্ষা এলে বিলের জলে শাপলে শালুখের স্মৃতি আজও হণ্য হয়ে খুঁজি আমি প্রতিনিয়ত যথারীতি ~~~~~। জোছনা রাতে [বিস্তারিত আমার দুরন্ত বেলা]
ফলদ গাছটির প্রতিটি ডালে ডালে ছড়িয়ে আছে ফলের জৌলুস, ফলের ভারে নুইয়ে পড়েছে গাছের শাখা-প্রশাখা… এতটুকুন গাছ, মাথা ভর্তি পাতা! যেনো সবুজ পাড়ের শাড়িতে ঘোমটায় আঁটা। ফলের আশায় গাছের নিচে গিয়ে জানলাম, সে ফল দিবে না, আমার জন্য বরাদ্দ রেখেছে পাতার নিচের ছায়া। ঠান্ডা ছায়ার নিচে বসে অনুভব হলো সে ছায়া ভীষণ শীতল, সে [বিস্তারিত ফলদ বৃক্ষ।]
হায় রে ভাই- আজ কাল কথার কোন রূপ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না; সত্য থেকে মিথ্যাই নাকি বেশী- আতরের গন্ধকেও হার মানাচ্ছে- ছিঃ ছিঃ- রাত দুপুর কিংবা ভোরের গায়ে কি এমন ফাঁকির আওয়াজ? কথায় বলে ‘‘চোরের মায়ের ডাঙ্গশ কথা’’- সত্য তো শেওলা গায়ে পা পিছলাইবে-জল কাদামাটির দষাবে অথচ ভাবলোই না রূপলাবণ্যের কথা আমার আমিত্ব শুধু ক্ষমতায় [বিস্তারিত যত কথা]
#সোনেলা_ম্যাগাজিন_২০২২ #রম্য_কবিতা হোমড়া রাজা গোমড়া মুখে পিটপিটিয়ে চায়, তাকে দেখে দুষ্ট ছেলের দল আড়ালে আবডালে বংশী বাজায়। রাজার মেজাজ বড্ড খারাপ গেছে তার চুরি, দুপুরবেলা ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে দেখে উধাও তার ভুঁড়ি। ভুঁড়িখানা তাঁর বড্ড প্রিয় ছিল, ছোট্ট রাজকুমার তার ভুঁড়ি নিয়ে করতো খেলা ফুঁ দিয়ে গুঁতো দিয়ে মজা করতো মেলা। এখন কি হবে উপায় [বিস্তারিত রাজার ভুঁড়ি]
বেশ্যা রানী ——————- বাইজীর সুর তবো, ঝংকার তুলে প্রানে, নরকের কালো দাগ, নিয়ে তার কপোলে। লেবাসের মুখোশে, ছি ছি করে উঠে সে। তৃষ্ণা মিটায় ঠিকই, শুকরিয়া বলে সে। নিশি ভোর হলে পরে, হাজী হয়ে ঘোরে ফিরে। নেতা হয়ে দাপটেই, চলে এই সমাজে। অধ্যাপক সাহেব নামেই, ডাকে তারে সকলে। আযান দিলেই সে, ছুটে যায় [বিস্তারিত বেশ্যা রানী]
যেভাবে থাকি না আমি হে মোর হৃদয় যামী রোদন র’লেও জেগে পাঁজরের দোরে – তোমাকেই যাবো তবু স্মরে! কাঁদনে সিক্ত হলে অভাবী কাঁকাল, ভাববো নিজেকে এক রঙিলা মাকাল! অসুখী হোক এক মতি তাতেও নেই গো ক্ষতি না হয় থাকবো বেঁচে আজীবন মরে – তোমাকেই যাবো তবু স্মরে! সতেজ করতে যতো তিয়াসীর ভূমি, নীর হারা মেঘে [বিস্তারিত তোমাকেই যাবো তবু স্মরে! (গীতিকাব্য)]
আকাশে মেঘ নেই,তবুও আঁধার। ভরা শ্রাবণে নিখোঁজ বৃষ্টির বিজ্ঞাপন রৌদ্র দীপ্ত দিনেও উত্তাপের অভাব। কারণে অকারণে মন খারাপ, চারদিকে বিষন্নতার বৈরী বাতাস। ক্রমাগত ক্ষয়ে যাওয়া সময় এগিয়ে যায়, নিরানন্দের অতল গহ্বরে। অজানা দানব গ্রাস করে নিচ্ছে নির্মল জোৎস্নার নির্যাস। সব কিছুই চলছে থেমে থেমে গতির আজ বড় অভাব। সবুজ পাতায় হলদেটে ভাব ঘাসের বুকে জমানো [বিস্তারিত নিখোঁজ বিজ্ঞাপন]
যাত্রীরা সব ট্রেনে বসে তালে তালে দুলছে, কেউবা আবার অকারণে মাথাটা চুলকাচ্ছে। ফেরিওয়ালা, ভিক্ষুক আর খাবার বিক্রেতা, অবাধ তাদের বিচরণ সামান্যই ক্রেতা। কেউবা আবার কাঁধের কাছে দাঁড়িয়ে একনাগাড়ে কাঁসছে। ট্রেনে ভ্রমণের আনন্দটাই মাঠে মারা যাচ্ছে। একটা করে স্টেশন পিছনে চলে যাচ্ছে, নতুন আরেকটা স্টেশনের জন্য ট্রেনটা এগিয়ে চলছ । মায়ের কোলে ছোট্ট শিশু মনের সুখে [বিস্তারিত ট্রেনে ভ্রমণ]