পাহাড়ে যার আদি নিবাস__ সে তো মাথা উঁচিয়ে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে রয়; সমতল তার অকুল পাথার। দেবদারুর সাথে ঘাস ফুলের প্রেম হয়না ওরা বরাবরই একলা নির্বিকার! পাহাড়ের নিস্তব্ধতা আর দেবদারুর নিঃসঙ্গতা তার আত্মমর্যাদা /আত্ম অহংকার। ছায়া বিথীর ঘেরাটোপে হারানো পথিক চিরকাল মনে মনে পোষে সংসার বিবাগী সংঘাত। পাশেই মহুয়ার বনে__ অনাহূত প্রশ্ন বানে ঝুলে মরে পড়ে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
মনটা কেমন জানি বৃষ্টি ঝরা মেঘ একটু আবেগেই ঝরে পরে বৃষ্টি! কণ্ঠ যেনো শূন্য আকাশ- মাঠ ভারি শুধু কাদা চূর্ণ উঠন কিংবা বালুচর তবুও ভেসে যায় সাদা মেঘের দল অথচ শিউলি ঝরা পাপড়ি রক্তাক্ত; শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে আহত অংকের সমাধান জ্যামিতির চতুর্ভুজ মন। ২৮ কার্তিক ১৪২৮, ১৩ নভেম্বর ২১ [বিস্তারিত]
আমার মা এখনো জীবিত। তার দেহে প্রবহমান মাধবীর রক্ত। মাধবীর জন্য এখনো আমি শিউলি কুড়াতে যাই। সে আমার প্রেমিকা ছিল না কোনদিন, তার রক্তই আমাকে বানাল প্রেমিক পুরুষ। মায়ের সাথে সাথে আমি ওর জীবন পাহারা দেই। আমি সকাল পাহারা দেই, বিকাল পাহারা দেই, শিউলি কুড়াবো বলে সারাটা রাত্রি পাহারা দেই। মাধবী কুড়াব বলে আমি শিউলি… [বিস্তারিত]
তোমাকে আশ্রয় করে জন্মেছিলো যে কাব্যের ছত্রাক, আমিই তার জননী 'পরজিবী অকবি '। তোমার সাথে সাথে আমি এবং আমার আত্মজা অকবিতা বিলুপ্ত প্রায় । আজ বুঝতে পারছি, আমিই সেই নিরন্ন শব্দহীন পথিক। আমার নিজের কোন বর্ণমালাই নেই, শব্দতো অবান্তর, আর কাব্যিক চরণ "আকাশ কুসুম কল্পনা"। তাই তো শৈশব, কৈশোর এবং তারুণ্য অরণ্যে রোদন করেছে অহেতুক… [বিস্তারিত]
আকাশের দৌড় দেখে- দেখে মনে হয় একটা তারাও থাকবে না সব তারায় মাটিতে ঘর বাঁধবে; অথচ নাকি বাতাসের গন্ধ ভারি- নাকের সহ্য হয় না, করোনা ভাইরাস! তবুও সূর্যের হাসি দেখে মনে হয়- দিনের আলোকিত মুখ! সৃষ্টি থেকে ধ্বংস প্রলয়ের সুখ- সুতরাং প্রণয় শিখ প্রকৃতি মেঘের মাঝে-এভাবেই চলবে জীবন থেকে আকাশে দৌড়। ২২ কার্তিক ১৪২৮, ০৭… [বিস্তারিত]
চায় কি যেতে এই ধরণী ছেড়ে রোজ বাঁচে যে কষ্ট পেয়ে ঢের! তাই বুঝি তার বক্ষে উঠে বেড়ে স্বপ্ন খাতায় নিত্য নতুন জের। হয়তো সুখের পরতে সে তাজ পথে করছে তাতে কিস্তি মাপিক ঋণ, জেনেই তাকে জন্মিলে আজ রথে মরতে হবে কাল বা পরের দিন। তবু মানুষ শ্রেষ্ঠ জাতি ভবে জ্ঞান গরিমায় নেই বলে তার… [বিস্তারিত]
দাও দু’চরণ প্রভু! থাক না যতোই পাপ কালিমা মুক্ত করে তবু! নয় কি তোমার দাস? ক্যান তবে তার করবে তুমি বাঞ্ছা যা বিনাশ? অধম ভেবে রোজ যদি দাও বক্ষে দুখের ভার, আসবে জানি হার, নয় তবে কি সবার তরে মাগফেরাতের দ্বার? গন্ধ বা গাদ হতেই পারে থাকলে জেগে জল, হোক হয়ে অতল, তাই বলে কি… [বিস্তারিত]
পকেটে নাই পয়শা কড়ি অবস্থা খুব চরম এমন সময় ঝোক বুঝে বাজার টাও খুব গরম। সকাল বেলাই বউয়ের গলা চালের ড্রাম ফাকা তেলের ডাব্বায় ইঁদুর ছোটে পকেটে নাই টাকা। শেষ কচুটাও আজই খেলাম কাল কে খাবা কি? বিছানাটায় শুয়েই থাকো নাকে দিয়ে ঘি! বাজার ঘুরে দেখতে গেলাম যায় কি কিছু কেনা? সব্জি সমেত ঘরে যেতে… [বিস্তারিত]
ইচ্ছে মতো মনটাকে রোজ রিপুই যদি নাচায়, লাভ কি রে তোর বোদ্ধা হয়ে দাস সেজে তা যাচায়? তারচে’ বিবেক যাতায় ছেঁচে ভবের হাটে সব দে বেচে তারপর না হয় লাউ হয়ে ঝুল নিঃস্ব বুড়ির মাচায়, বুঝবি তবু সুখ কারে কয় হোক ক’টা দিন বাঁচায়!! ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]
দৃষ্টির বেড়াজালে জলের ভূত নদীর বুকে বালুচর-তাও মাটির অনুভূতিতে রঙিন ছবি হাজার স্বপ্ন শাপলা ফুল- পদ্ম দেখে আকাশ তারা, সরিষা ফুল কিল বিলিয়ে যাচ্ছে কত ভূত সময় অসময়ে বেদনার অসুখ লোভ লালসার নেই ঔষধ- তবুও চলে মনের বিদ্বেষী যত ভূত! বিধাতায় জানে কালে ঔষধ। ১৭ কার্তিক ১৪২৮, ০২ নভেম্বর ২১ [বিস্তারিত]
বহুদিন আকাশ দেখা হয়নি গাঙচিলেরা ও এদিকে ডানা মেলে উড়েনি বহুদিন জানালার কার্ণিশে ঘুমুতো যে জালালি পায়রাগুলি ধান খুঁটে খেতে গিয়ে তারা ও আর ফেরেনি। ঋতু বদলে আজ নাকি হেমন্ত এসেছে দূর পাহাড়ের বুকে; কিংবা আমার নাগালের বাইরের ঘাসের ডগায়, লোকমুখে শুনেছি শুধু টের পাইনি। উত্তুরে হাওয়ায় কার আগমনী বার্তা ভেসে বেড়ায় কোন আবহ সঙ্গীত… [বিস্তারিত]
প্রিয় একুশ সাল, এবার শান্তি হলো তোমার? সেই বিশে খালি করতে শুরু করেছো আমার চারপাশ, প্রিয় বন্ধু, প্রিয় আত্নীয়, প্রিয় পরশী, জানা-অজানা সবকিছু কেড়ে কেড়ে। বিশ্বময় তোমার লালা ঝড়ে সবাই নতজানু তবুও যেন তোমার শান্তি নেই। এক কোণে ছিলাম আমি আমার ‘ বুনোমাধব’ কে নিয়ে সুখের বসতে; একান্তে লুকিয়ে আমার হৃদস্পন্দনে; শেষ আশ্রয়ে। সেখানেও ড্রাগন… [বিস্তারিত]
বনমালী তুমি ভয় পেয়ো না, কারুর হার যদি হয় কারুর জয়ের সূচনা, সহস্রবার সয়ে যাবে শব্দ বাণের শূল, শুনবেনা কেউ যাতনার মূর্চ্ছনা! এ-ই তো জীবন কেউ দেনা কেউ পাওনা। লৌহ প্রস্তরীভূত প্রহরীর এ জীবন আমৃত্যু কেউ ছুঁতে পারবেনা । প্রাণের দাওয়ায় ছটফটিয়ে মরে ঘরকুনো চড়ুই তবুও তার বাহির-পানে যাওয়া মানা। সে যে আজানুলম্বিত স্বভাবের শিকল… [বিস্তারিত]
যৌনতায় আমার পঞ্চমুখ সুখ আমার শরীর মন মগজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যৌনতা আমার ভীষণ খিদেও পায়, সকাল দুপুর রাতে- নিয়ম করে খেতে হয় বাঁচার তাগিদে। তোমরা ল্যাম্পপোস্টে রেডিয়াম বাতি লাগাও আবার চারদেয়ালের ঘরে খুশবু ছড়িয়ে অপেক্ষা করো- নীলাভ আলোয় উলঙ্গ দেবালয়ের ক্ষুদার্ত মন্দিরে রতিরহস্য আবিষ্কারের ব্যর্থ প্রচেষ্টায় নিস্তেজ হও । অথচ আমার কেবল একটুকরো অন্নপূর্ণা যোনী… [বিস্তারিত]
নাগর নদীর বাঁকে, চ্যাং চেলা আর ট্যাংরা পুঁটি ঘুরছে ঝাঁকে ঝাঁকে! সদ্য যে সকাল, ছুটছে তবু দুষ্টুরা সব নিয়েই টেলা জাল। গামছা পরে নামছে ক’জন, কেউ বা উদোম গায় রাখছে খুলে লুঙ্গীটা তার পাশের ডিঙি নায়, পট্টি বেঁধে ঘায়। ছোট্টুরা কেউ বাদ পড়েনি ঘুম যে গেছে খসে, ডলছে তবু চোখ দু’খানি খলই ধরে কষে, কেউ… [বিস্তারিত]






















