মূল লেখায় যান

পরিণতির চতুর্থ পৃষ্ঠা

হালিম নজরুলকবিতা১৬টি মন্তব্য

বোকা নারী ধোকা দিল ওপাড়ার মোকাকে ছেলেধরা যেমনিতে বশ করে খোকাকে। তার ছিল রূপ আর যৌবন ভারী যে রঙে রূপে মনকাড়া দুর্বার নারী সে। একে ওকে কাছে ডাকে কত রূপ ছলনায় তার প্রেমে হাবুডুবু কতজনে খাবি খায়। ছলনায় ভুলে মোকা হয়ে যায় হন্য বোঝেনা সে নারীরূপী হিংস্র বন্য। টলমলে সুরোতের গন্ধেতে মাতে সে মন -মন্দিরে… [বিস্তারিত]

মা

ফজলে রাব্বী সোয়েবকবিতা৮টি মন্তব্য

আমার মাকে কখনো বলা হয়নি ‘আম্মা আমি আপনাকে ভালবাসি।’ বলতে গেলে দ্বিধান্বিত হই, বলবো কি বলবো না? মনস্থির করি, থাক বলবো না। বোঝাই নিজেকে, মাকে ভালবাসি, বলার এমন কি আছে এতে! মা দিবস গেল এইতো সেদিন, আম্মা শুধালেন, আজ তো মা দিবস গেল, তুমি তো কিছু বললে না আমাকে! আমি বললাম, মা দের তো নির্দিষ্ট… [বিস্তারিত]

সেই চারাটি

হালিম নজরুলকবিতা১৪টি মন্তব্য

মনে আছে,ভুল জোছনায় দিয়েছিলে একটি চারা? বৃষ্টি ভেবে পুড়েছিলাম সুখ আগুনে। তোমার দেয়া সেই চারাটি বৃক্ষ এখন বিস্তৃত তার ছায়া, পাতা, ছাল ও বাঁকল। প্রথম দেয়া সেই নুড়িটা পাহাড় এখন, কিয়ে গেছে রুক্ষ নদী, নোনা সাগর। শূণ্য করে ছেড়ে দেয়া হাত দুটো সেই আগের মত শূণ্য আছে আজ অবধি। তোমার মত যত্ন করে কেউ পারেনি… [বিস্তারিত]

কিছু ঋণ শোধ হবে না

অনন্য অর্ণবকবিতা১৩টি মন্তব্য

তোমার অনেক দেনার মাঝে আমার একটুখানি ঋণ আমার দুই ফোঁটা জল অশ্রু কেবল- অলক্ষ্যে বিলীন। আষাঢ় শ্রাবণ খোঁজে না মন - বাউন্ডুলে মোর তান তোমার সুরেলা গান মাতাল ভুবন - মুগ্ধ লাখো প্রাণ।। উষ্ণ তোমার আঁচল তলায় তিলেক নাই যে ঠাঁই আমার বরফ শীতল অসার দেহে- এতটুকু তাপ চাই, যদি সুযোগ জোটে উষ্ণ ঠোঁটে করো… [বিস্তারিত]

কালীতলার মেলা

হালিম নজরুলকবিতা১৮টি মন্তব্য

**(ক-গ / খ-ঘ ছন্দে লেখা একটি কিশোর কবিতা)** চল সখিনা আজকে যাবো তেরো নদীর পার প্রাক-বোশেখে যেথায় বসে কালীতলার মেলা। সেখানে থেকে আনবো কিনে সপ্ত ফুলের হার চোখ জুড়িয়ে দেখবো সেথা সাপ-বানরের খেলা। -- নারে ছোটন আর যাবোনা ঐ না বটের তলে নিত্য নাকি ঐখানেতে ভূত-পেত্নীর বাস। খোকা খুকুর রক্তে নাকি ওদের দিবস চলে কাল… [বিস্তারিত]

বইয়ের জরা-ব্যাধি

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা২১টি মন্তব্য

বইয়ের পাতাগুলো আর বাঁধে না মোহের মাধুরীতে, মলাটের-রঙের আল্পনায় সাজে না হৃদয়ের ক্যানভাস। বইয়ের অক্ষরে হাসে না অন্তর মোহিনী, শব্দগুলো আজ বড্ড বেরসিকভাবে তাকাচ্ছে অনবরত। জরা-শীর্ণ, ক্ষীণকায় বাক্যগুলো গন্তব্য খুঁজে না পায়, ছন্দ বিলাতে যামিনী জেগে রয় চন্দ্র হাতে। কাব্যরা করেছে অনশন- উদ্ভিন্ন যৌবনা বিহনে, কলমের কুঠুরিতে অবরুদ্ধ কালির ঝর্ণা ধারা। কাগজ-কলমের অভিমানে বিরহ-ব্যথায়,শূণ্যতায় এককোণে… [বিস্তারিত]

কথার ফেরিওয়ালা

আতা স্বপনকবিতা৮টি মন্তব্য

যত্রতত্র কথা বিলাই আমি কথার ফেরিওয়ালা হরেক রকম কথা আছে নিবে কে এই বেলা? কথার মালা নিতে হলে ফেসবুকটা খোল হোকনা বয়স ৮০ কি ৯০ কিংবা কুড়ি ষোল। কথা শুনে কেউ হাসে কেউ হয় রাগ কেউ আবার কান্না জুড়ে কেউ বা হতবাক। রাজনিতীর কথা আছে আছে ধর্মকথা হিজিবিজি কথাও আছে কেউ বলে যা তা। আস্তিক… [বিস্তারিত]

মা

কামরুল ইসলামকবিতা১০টি মন্তব্য

কোথাও খুঁজে পাইনি তো মা ~ তোমার আঁচলের মতো মায়া ~ ভালবাসায় যত্ন করা, বুক ভরা ~ সুখের পরম ছায়া ।। কে কবে শোধ করেছে ~ তোমার ভালবাসার ঋণ ~ তুমি চির মহান, মমতার দান ~ জগৎময় তুলনাহীন ।। তোমায় ছালাম, শ্রদ্ধ্যা আজন্ম মম ~ বিশ্ব বিধাত্রী তুমি, তুমিই তোমার তুললা সম ।। [বিস্তারিত]

অব্যক্ত নিরবতা

অনন্য অর্ণবকবিতা৫টি মন্তব্য

মাঝে মাঝে নিরবতা ও কথা বলে হাসে-কাঁদে, শোনে শোনায়- শুধু সে অস্ফুট চঞ্চল শব্দমালা বুঝবার মতো একটা সুরুচির মনন পেলে- আমি চিরকাল নিরবই থেকে যেতাম ।। তোমার যে হাত আজ আমার শরীর ছুঁয়ে গেছে- ও হাতের স্পর্শে জাগা শিহরণটাই তুমি দেখেছ অথচ এক মহাকাশ অব্যাক্ত প্রেমের নিরব মহাকাব্য তোমার অগোচরেই থেকে গেলো ।। আমি কোমল… [বিস্তারিত]

মাহবুবুল আলম || মা যে গেছেন দিয়ে আমায় ফাঁকি এ শোক নিয়ে কেমনে আমি থাকি এই তো মায়ের চশমা ও পানদানী যেমন ছিলেন তেমনই খানদানী। মায়ের হাতের ভাঁজ করা সব শাড়ি মায়ের প্রিয় শখের সেই আলমারি যেমনি ছিল তেমনি পড়ে আছে সবি আছে মা নেই কেবল কাছে। মা যে গেছেন অনেক অনেক দূরে মায়ের জন্যে… [বিস্তারিত]

হৃদয় জমিন

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা২৫টি মন্তব্য

আমার বুকের বাম কুঠুরিতে কিনলে জমিন সেদিন, কপোল ছুঁয়ে লোনাজলের ঝর্ণাধারা দেখেছি যেদিন। সেই জমিনে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব সবই হলো চাষাবাদ- তোমার হেলায় এখন সেখানে স্খলিত আবাদ। অকস্মাৎ হারিয়ে গেছো কোথায়, কোন কাননে? অপেক্ষার প্রহর অনন্ত, অসীম- তোমার বিহনে। পেরেছো কি সুখী হতে প্রত্যয়ের ভগ্নে? তোমায় সতত খুঁজে ফিরি বিমূর্ত লগ্নে। তোমার হৃদয় জমিনে দিবারাত্রি… [বিস্তারিত]

চৈতন্যের দরজায় এখন কবিতার ঈশ্বর, বর্ষনে উদ্যত ফণিল সৌরভ। কবিতার প্রসবে দিও একটি উৎকৃষ্ট উতপ্রেক্ষা। না হয় দিও তুমি উপমার ভান্ডার; অনুপ্রাসে কিছুটা ভুল হয় হোক। অন্যের কাছে যতটা দুর্বোধ্যই হোক, রহস্যময় বিমূর্ততাও জ্যোতির্ময় সূর্য, বহুরৈখিকতা সহজবোধ্য আমাদের কাছে। অলংকার বা শব্দশৈলীর কথা ভেবোনা এখন, তোমার বৈভবী অনুচর এই অনুপম প্রকৃতি; ওরাই এঁকে দেবে সুনিপুণ… [বিস্তারিত]

আমার চেনা শহর বড়ই অচেনা ঠেঁকে একবিংশ শতাব্দীর অবিশ্বস্ত করোনায়। নি:শব্দ অবচেতন মনে হারিয়ে যায় কোন গহীন কোণে। রাজপথের হাহাকার শুন্য হৃদয়ে ভারী হয় নি:শ্বাস। বিষন্নতায় ভরে উঠে মন, খুঁজে ফিরি প্রাণ চঞ্চল রাত জাগা শহরে। সারি সারি বাড়ি সব কবরের নিস্তব্দতায় সভ্যতাকে ব্যঙ্গ করে রাত জাগা নিয়ন সাইনের আলো জৌলুসহীন শহরে প্রাণ খুঁজে বিপন্ন… [বিস্তারিত]

ছুড়ে ফেলেছি, হয়ত আর না; উদ্বাস্তু ভিখারির মতো বহুবার আমি বহুবার সয়ে গেছি অবহেলার দাগ। বলো নাই; আমি বলেছি- ক্ষোভের আগুন চাপা রেখে জল ছিটিয়েছি আতংকিত জলন্ত চিৎকার থামিয়ে দিয়েছি আমি বহুবার- ভালো রাখার শব্দেই খুঁজেছি তুমি বলো নাই; আমি বলেছি- একটি চোখে নোনা গন্ধে আমারও বুক ফাঁটে। আমিই বলেছি; কেউ বুঝে নিয়েছে- নারীর ষষ্ঠ… [বিস্তারিত]

অঙ্গীকার

অনন্য অর্ণবকবিতা৯টি মন্তব্য

তুমি অপেক্ষার ডালা সাজিয়ে রেখো বাসন্তী ফুলের পসরায়, চৈত্রের খরতপ্ত বিকেল গড়িয়ে- আমি আসবো বৈশাখের প্রথম বৃষ্টির ফোঁটা হয়ে তোমার তৃষিত নয়নে, অধরে শিরা উপশিরায়। বিরহী জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তুমি লিখে রেখো- মহাকালের বর্ণীল ডায়েরীতে, আমি মহাশূণ্যের দ্বিতীয় অধ্যায় পেরিয়ে এসে পড়ে নেবো সেই তৃষাতুর নিঃসঙ্গ প্রেমোপাখ্যান। প্রজাপতির ডানায় চিঠি লিখে পাঠিয়ে ছিলাম- তোমার শহরে,… [বিস্তারিত]