আমি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যে রাষ্ট্রের সবাই প্রেমিক প্রেমিকা নেই কেউ খল। আমি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যে রাষ্ট্রের সবাই ফুলকে ভালোবাসে কেউ পদতলে নিষ্পেষিত করে না ফুলকে। আমি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যে রাষ্ট্রের সবাই পাখিকে রক্ষা করে কেউ মারে না একটি ও পাখি। আমি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যে রাষ্ট্রের সবাই পরিশ্রমী… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
কি অদ্ভুত! একে বারে কথা শোনলো না উল্টো হাতের চর দেখালো- তারপর মিছিল স্লোগান ধর- ধর- শালাকে মার- মার শালা; জ্ঞানের আলো অন্ধ! এভাবে জীবন চলে, নিয়মকানুন তৈরি করে নাকি সে! কাকে বুঝাতে আসছো নিয়ম! হু সে তো কিল ঘুশি খাইবেই- ধৈর্যের অগাত সাহসে কিল ঘুশি মারা থেকে বিরত থাকলাম। তবুও জ্ঞানের আলো অন্ধ নয়,… [বিস্তারিত]
মুনতাহ মোদের মণি, বাচ্ছা তো নয় দেখতে যেন আস্ত সোনার খনি! গর্বে কি নই ধনী! মুখ যদি হয় সদ্য গড়া ছোট্ট পুতুল ননী!! বাক চিতে সে বড্ড পটু বয়স যে তার তিন, গান গেয়ে সে নাচতে পারে ধিন তা না না ধিন। হাত দুলে তার নাগীন তালে বাজছে যেন বীন। বলতে পারে পদ্য ছড়া বেশ… [বিস্তারিত]
কতোটা দুঃখ ছুঁয়ে গেলে ? বেদনার নীলে কতোটা সুভাষিত হলে ? জানতে চেয়ে বারবার হারিয়ে গেলে। তুমি সত্যি করে কাছে এলে ঠিকই, কিন্তু বুঝতে পারোনি, কতোটা বিশালতা নিয়ে অপেক্ষমাণ ছিলাম। তোমায় সুদীর্ঘ পথ কেটে রাস্তা দেখিয়েছি। তোমার অব্যক্ত অনুভূতিতে শব্দ জুড়েছি। তবু তুমি জানলে না, ভালোবাসার হৃদয়ে কতোটা ক্ষত প্রসারিত হল। যখন বললে; নিজেকে ভালোবাসো।… [বিস্তারিত]
এই গগন নক্ষত্রের তলে আছে অজস্র লোকালয় এই পৃথিবীর অজানা দীর্ঘ পথ দৃপ্ত পায়ে হেঁটে হেঁটে দূর্গম দূর্ভেদ্য অন্ধকার আমি অতিক্রম করতে চাই দেখব আমি পৃথিবীর অপার সৌন্দর্য ঘুরে ঘুরে প্রকৃতির সম্ভারে প্রবেশ করে কখনো উঠব পাহাড় পর্বতে কখনো ও বা পাখির ডানায় ভর করে দেখব অপার সৌন্দর্য সত্যি সত্যি দেখব আমি পৃথিবীর অপার সৌন্দর্য… [বিস্তারিত]
এখন সহমতের রমরমা যুগ চলছে। অথচ কিছুদিন আগেও একটা সময় ছিলো যখন মতামতের ভিত্তিতে প্রাধান্যতা মুল্যায়িত হতো। সেই সময় বোধকরি এখন আর নেই। সময়ের আবর্তে নিজেদের মত প্রকাশের তেলেবাহী ট্রলার অত্যাধুনিক সহমত ক্রুজশিপে রুপান্তরিত হচ্ছে নিত্যদিন। যার ক্রুজশিপ যত বিলাসবহুল, সমাজে তার বিচরণক্ষমতা তত বেশী। যে যাই বলুক সহমত না বললে আপনি ভ্যালুলেস। টপ টু… [বিস্তারিত]
একদিন আমি ফুলজোড় নদীর তীরে বসে নিঝুম নিরালায়ে একাকি শৈশবের স্মৃতির খোঁজে কাটিয়েছি অজস্র সময় অতীতের কথা ভেবে, এখানেই আমি হারিয়ে ফেলেছি আমার শৈশবের সোনালী দিন গুলো। করেছ স্নান ভোজ এই ফুলজোড় নদীর জলে আর কত হারিয়েছে আমার সুন্দর মূহুর্ত গুলো, শৈশবের স্মৃতি ডায়েরি খুলে ছিড়েছি কত পাতা আর বসে দেখেছি কত ধবল বকের খেলা,… [বিস্তারিত]
কবিতা রিভিউ যৌথ কাব্যগ্রন্থ __নির্ঝর শব্দের ঢেউ সম্পাদনায়__আরজু মুক্তা প্রকাশক__আবদুল্লাহ আল তানিম প্রকাশনায়__ইচ্ছে স্বপ্ন প্রকাশনী কবিতা __( ১) ফিরব আবার (২) তবুুও চাই কবি __রোকসানা খন্দকার রুকু প্রকাশকাল __ডিসেম্বর ২০২০ কবি "রোকসানা খন্দকার রুকু " একাধারে একজন কবি, গল্পকার এবং প্রগতিশীল লেখক। প্রেমময় কাব্যে তিনি যেমন পারদর্শী তেমনি হাস্য রসাত্নক লেখনীতে সমসাময়িক তুলে ধরেন অনন্য… [বিস্তারিত]
সকল পল্লব আজি পড়ছে ফাল্গুনের হিল্লোলে, হাহাকার হৃদয়ে দাড়িয়ে অসীম শূন্যতার মাঝে, কোনো এক পূনর্তার লোভে প্রতীক্ষ্যমান অপলক চোখে! বেদনাবিধুর হৃদয়ে তারি লাগি আজো, সহস্রবছর সাধনার ধ্যানে। কবে সে বলে ছিল সে কবেকার কথা! মনে তা গাঁথিয়া রাখিছি যক্ষের ধনে। নিয়তির পরিহাসে তারি দ্বারে ফিরে ফিরে আসি। আমিতো আবার সাজবো নতুন পল্লবে, তাহাকে কোথা পাইবো… [বিস্তারিত]
এক সাগর রক্তের দামে কেনা বাংলা চাইলে পারে না কেউ করতে হামলা। বাংলা আমার মা বোনের ইজ্জতের দামে কেনা চাইলে থাকতে পারে না বাংলায় কোনো হায়েনা বাংলার মাটি শহীদর রক্তে ভেজা পারে না করতে চাইলে যখন যে যা। লাল আর সবুজের পতাকা উড়বে বাংলায় যতদিন মুজিব, মুজিব, মুজিব বাঙালি বলবে ততদিন। রচনাকালঃ ১৫/১২/২০২০ [বিস্তারিত]
তোমার শহরে ফাগুনের ইন্দ্রধনু, আমার শহরে কালবৈশাখীর ধূসরতা। তোমার শহর সুকন্ঠী পাখির কলকাকলিতে মুখরিত, আমার শহর শকুন, চিল আর কাকের ছড়াছড়িতে অতিষ্ঠ। তোমার শহরে দক্ষিণা মলয়ের সুমিষ্ট লহরী, আমার শহরে পঁচা লাশ, ধর্ষন আর ক্ষুধার্তের প্রলয় বাঁশরী। তোমার শহরে ভালোবাসারা করে লুটোপুটি, আমার শহর ঘৃণা, ক্রোধ আর লোভের বেসাতি। তোমার শহরে হ্যামিলনের বাঁশির সুর ব্যঞ্জণ,… [বিস্তারিত]
গার্লস স্কুলের সামনে প্রতিদিন একজন লোককে ভিক্ষা করতে দেখা যায়। লোকটার পায়ে ঘা। আর ফুলে একাকার। রক্ত, পুঁজ আর কষ ঝরে। ছুটির পর কৌতূহল বশতঃ তার পাশ দিয়ে যাই। কিছুই জিজ্ঞেস করা হয় না। কিন্তু মনে মনে প্রশ্ন করি, কেমনে এখানে আসে? কে নিয়ে আসে? গ্রীষ্মের আর রমযানের ছুটি এবার একসাথে। অনেকদিন স্কুল বন্ধ। সবাই… [বিস্তারিত]
যদি আমার ভাষায় বলি- কবিতা বলতে কী? কবিতা বলতে কেবলেই অনুভব ও শব্দের সংমিশ্রণে কবির নিজস্ব একটা খেলা। সেই খেলা কবি যেভাবেই পারে খেলে। তবে পাকা খেলোয়াড় হতে হলে প্রতিনিয়ত ভাবতে হয়, ভাবতে হয় পারিপার্শ্বিক পরিবেশ নিয়ে, রাষ্ট্র নিয়ে, আপনজন নিয়ে এবং ভাবনার যাতাকলে যা যা ঘুরপাক খাচ্ছে তা নিয়েই ভাবতে হয়। যৌথ কাব্যগ্রন্থ "নির্ঝর… [বিস্তারিত]
আবার যে দিন দেখা হবে তোমার সাথে কোনো জ্যোৎস্না শোভিত রাতের গভীরে অথবা ভোরের দোয়েলের মিষ্টি গানে হয়তো বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সময় যখন তুমি উড়বে বুনো শালিকের দলের সাথে আমি উড়ব তোমার মিলন পাওয়ার আশায় তোমার স্পর্শ পাওয়ার জন্য গুনবো প্রতীক্ষার প্রহর গোলাপ ফুলের সৌরভে মুখরিত হব কখনো দুজন না হয় কোনো মিছিলে অংশ নেবার… [বিস্তারিত]
রঙ বদলে গ্যাছে হৃদয়ের ঢেউটিনের নখের শরীরে জ্বর ঠান্ডা আঙুলের ঠোঁটে আহাজারি! পদচিহ্নের উঠোনে পান্তা ভাতের বাসর খেয়াল নেই- খামখেয়ালি চুলের মেরুদণ্ড, নাকের দুপাড়। তুমি নেই! কদম ফুলে কাকের বাসর। রঙ বদলে গ্যাছে আত্মার হ্যারিকেনের পিঁপড়ে খেয়ে গ্যাছে গোটা যৌবন! শরীরের গন্ধে মাছির ঝাঁক মশারা উড়ে গ্যাছে আত্মা পচনের দুর্গন্ধে নিশ্বাস নেই- নৃত্য করে মৃত্যু… [বিস্তারিত]











