গাছের পাতাগুলো চুপ অদ্ভুত শুধু উড়ন্ত ধূলিবালি মেঠোপথ আর এ রাস্তার অলি গলি! আজ কাল ডালপালা জুড়ে যা হচ্ছে স্ববিরোধিতা ছাড়া কিছু নয় অথচ বুঝার আত্মা মৃত প্রায়; আপন ভাল করতে গিয়ে বিদ্বেষী রুপ টেনে ধরছে সময়; মৃত দাঁড়িয়ে আঙ্গুল তুলি- মন্দ করাটাই আপন বিরোধ গাছের দু'চোখ তাই বলে- অথচ জল বিন্দু ঘাসের প্রণয়! আপনে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
গরীবের ছেলে ভোলানাথ ভোলা সহজ সরল প্রাণ, দিনমান তার খুঁটিনাটি চলা বাড়াতে গ্রামের মান। খুশিতে সে করে বৃক্ষ রোপণ পরের জমিন খুঁড়ি, অন্তরে আশা গৃহগুলি হবে পাখির স্বপ্নপুরি। পর মঙ্গলে যেচে করে কাম নেয় নাকো চেয়ে টাকা, না দিলেও কেউ হাসি তবু তার স্বর্ণের মতো পাকা। চলার আধারে সাফ করে পথ রাখতে তা পরিপাটি, গর্ত… [বিস্তারিত]
পরম পিতা রতির মিতাকরছে ক্ষতি সবেআপন পরে সকলে মরেবাড়লে অতি তবে। জীবন খসে খারাপ রসেহয়ে যে জ্ঞান হারাখুশিতে যারা আত্মাহারাপ্রাণ দেয় যে সারা। রতির যাদু শিখায় সাধুপ্রেমের কথা বলেভবের হাঁটে তুমি খাটেশিক্ষা নিয়ে চলে। সবার প্রাণে রতির টানেআঁধার নেমে আসেরতির খেলা রাতের বেলানর নারীরা ভাসে। রতি দমন করো এমননইলে মরে যাবেজীবন রথে সঠিক পথেশাস্তি তবে… [বিস্তারিত]
এক, সিগারেটে কষে এক টান দিয়ে রেশমীর কাছে জানতে চায় ইদ্রিস কী রে, কয় টুকরা করুম ? এইগুলা তুমি কি কথা কও ? একটু আগেও মানুষ টা আমার সোয়ামী আছিলো। আরে, ব্যাক্কল ছেমড়ি, সোয়ামী মইরা গেলে বেগানা পুরুষ হইয়া যায়। বিশ -বাইশ টুকরা কইরা ফালাই, কি কছ? তুমি যা ভাল বুঝো, তাই করো আমি ভিত্রে… [বিস্তারিত]
গাঁয়ের বধু হেলে দুলে নদীর ঘাটে যায়, ঝুমুর ঝুমুর শব্দ তাহার দিয়ে নুপুর পায়। নুপুরের ওই দারুণ ছন্দ পথিক ভোলে পথ, গায়ের বধু সুন্দর দেখায় দিলে নাকে নথ। নুপুর পায়ে হেঁটে চলে গাঁয়ের বধু ভাই, কলসি কাঁখে নিয়ে যখন জল আনিতে যাই। মিষ্টি মুখের মিষ্টি কথা পাখির মতো ডাক, পিছন থেকে কে দিলো রে মায়া… [বিস্তারিত]
কখনো যদি ঘুম ভেঙ্গে যায় জোছনার আহ্বানে - রাত্রির দেয়ালে লেপ্টে থাকা জোনাকির ডানা- সুশান্ত সমীরণ, আহত হৃদয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ছুটে যেও সেই তিমিরে নিজেকে সুপ্রসন্ন করে তবে তুমিও খুলো বাতায়ন সহস্র বেলা অবেলায় । বিবর্ণ স্মৃতির পাতাগুলো ফেলে রেখে ঝাপসা আলোয় মেঘেদের সাথে গড়ো মিতালী অমোঘ - করাঘাতে নয়- দৃষ্টির সুতীক্ষ্ণ বাণে করো… [বিস্তারিত]
আকাশটা ঘন মেঘে /ডেকে আছে কভু রেডেকে আছে কভু, নদীনালা খালে বিলে / জলে থৈথৈ তবু রেজলে থৈথৈ তবু। বারিধারা অবিরাম / চলে শুধু চলে রেচলে শুধু চলে,কদম কেয়া ফুলকে / বর্ষা রানি বলে রেবর্ষা রানি বলে। দেয়ার ডাকে সবাই / ঘরে মধ্যে থাকে রেঘরে মধ্যে থাকে,ময়ূর নাচের সদা / পুচ্ছ লুকে রাখে রেপুচ্ছ লুকে… [বিস্তারিত]
কোথায় যেন দেখেছি তোমাকে আমি হাজার বছরের পুরনো বেহালার তার অথচ নিত্য নতুন সুরেতে বাজো নতুন রূপেতে গড়ো যে অলংকার। চাহনি তোমার জলজ ক্লান্তি ঘেরা অলীক স্বপ্নে সাজিয়ে প্রমোদতরী নিত্য সেথায় করেছি যাওয়া আসা দারুন ব্যথায় বিভোর বিভাবরী। প্রথম যেদিন দেখেছি সে রূপ সুধা আপনি বলিলে বন্ধু তব হে গুণী কি গান রচিলে মম মঞ্জিলে… [বিস্তারিত]
মাদল বাজে মনের ভিতর ওই না বর্ষার ছন্দে আশেপাশে ভরে গেছে কদম কেয়ার গন্ধে। বৃষ্টির শব্দ জল কলতান দারুণ ভালো লাগে বর্ষার আরো কত ফুল ওই ফুটে আছে বাগে। জেলে নেমে গোসল করা নৌকা নিয়ে ঘোরা কদম গাছে কেয়া গাছে ফুল যে জোড়া জোড়া। বর্ষাকালে নদের জলে নানান জিনিস ভাসে, দূরের কোনো স্থানে থেকে মাঝি… [বিস্তারিত]
আবার যদি দেখা হয়, গলির মোড়ে, উসকো খুসকো চুল, সাদা পাকা অবয়বে মোটা কাঁচের চশমায়, দৃষ্টি রেখে জাগবে কি হৃদয়, ব্যথাতুর আবিরে ? আবার যদি কথা হয়, মুঠোফোনের বদৌলে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে, গাঢ় নিশ্বাসে নিরবতার ভাষায়, সময়ের গভীরে বুঝবে কি তুমি, আকুতি ঝরা মনের ? যদি মনে পড়ে, বৃষ্টির অঝরে বিষণ্ণ অবসরে, একাকীত্বের প্রহরে স্মৃতির… [বিস্তারিত]
যতোই স্বার্থে হোক ছয় ঘুরে নয়, সবই কি হৃদের সাড়া মিছে অভিনয়? গহনে সুজন পাখি দিয়ে শ’ যাতনা মাখি আড়ালে ভাবলে তবু এনেছি বিজয়! তবে কি আধারে জাগে রসালো বিনয়?? নিশীথে শ্বাপদ গেলে চুপে অভিসারে, দোষ কি যদি সে আশা তক্ষক কাড়ে? তা’ বলে বাদাড়ে অতি কাঁদলে অবলা নতি জেনেও না হলে তবু জোনাকি উদয়!… [বিস্তারিত]
কী বলবো ? কী লিখবো ? ভাষাহীন আজ মানবসত্তা মানুষ মানুষকে পিটিয়ে মারে কাঁদে শত শত আবরারের আত্মা। দুটি হাত , দুটি পা , আছে দুটি চোখ যা অবিকল মানুষের মতো কিন্তু আছে কি ? ভিতরে সেই মানবাত্মা। কে কারে পিছনে ফেলে বড় হবো আমি ছোঁব ওই আকাশটাকে একবার ও ভাবিনা আকাশ ছুঁতে গিয়ে পড়ে… [বিস্তারিত]
হঠাৎ কোথায় যাও হারিয়ে আবার ফেরো সাঁঝে- লুকোচুরির নিত্য খেলায় বিয়োগের সুর বাজে - কত আপন ! পরের ভীড়ে বোঝাই কেমন করে ? তোমার অনেক ব্যথার দান এই পাথুরে অন্তরে । সকল খেলায় হারি আমি জেতার ঘর যে খালি ভাঙ্গন যখন হয় শুরু তার নেয় কি জোড়ার তালি অনেক আশার প্রদীপ যখন সলতে পোড়ায় ধুঁকে… [বিস্তারিত]
পিতা মাতার বিশৃঙ্খলায়কাঁপে শিশু ভয়ে,বিশৃঙ্খলার ভেতর থেকেসব জ্বালা যায় সয়ে। কোমল মনে আঘাত পায়'রেছোট্ট শিশু তবে,তাদের সাথে ভালো কথাবলতে ও-ই হবে । নইলে তারা বিপথ যাবেহবে না'কো ভালো,জীবন থেকে মুছে যাবেধরার সকল আলো। ছেলেমেয়ের সামনে রে ভাইরীতি ভালো রাখোপরিবারের সবে মিলেসুখে শান্তি থাকো। পিতা মাতার আচরণেসন্তান পায় ভাই কষ্ট,একটি ভুলের জন্য হয়'রেকয়টা জীবন নষ্ট। রচনাকালঃ১০/০৭/২০২১… [বিস্তারিত]
সংসার ধর্মে তেলাপোকার বাস জায়নামাজটাও অপবিত্র হচ্ছে- মাটির পাপগুলো নোনে যাচ্ছে কোন চুরাগলি অন্ধকার পথ! অথচ টিকটিকির সাবধানতার শব্দ কানে নাকি যায় না; তেলাপোকার কি কান আছে দুটো! তাহলে বিধাতারী দোষ? আমার দৃশ্যগুলো চোখে ভাসে না তবু সন্দেহের এক গলা তেলাপোকা! কিলবিল করে যাচ্ছে বসবাস- তাহলে বলো বিধাতা কার দোষ। ২১ আশ্বিন ১৪২৮, ০৬ অক্টোবর… [বিস্তারিত]
















