নিঃসার্থতা কোথাও নেই! পৃথিবীর মানুষের কাছেতো নেইই, নেই স্রস্টা- আল্লাহ ভগবান ঈশ্বরে কাছেও! নিঃসার্থতা কোথাও নেই, জলে স্থলে সাগর-মহা সাগরে প্রকৃতির মাঝে, সাত আসমান গ্রহ নক্ষত্র, বায়ু মন্ডলে!। নিঃসার্থতা কোথাও নেই শুধু সূর্য বিহনে, সে শুধু বিলিয়ে যায় তপ্ত তাপ, কখনো,- সহ্য কখনো অসহনীয়! বিনিময়ে চাওয়ার নেই কিছু তার, আমি হবো তার মত, বিলাবো দুহাতে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
তোমাতে পুড়ে আমার ভালোবাসাটাকে আরো খাঁটি করতে চাই। কেন জানি আমার হৃদয়টা ইদানিং বড্ড অবহেলা করছিলো আমাকে! ভালোবাসাটা হৃদয়ে ঢোকার আগেই হারিয়ে যাচ্ছিলো কোথায় যেন! ঠিক যেন আরেকটি বারমুডা ট্রায়াংগেল। যেদিন থেকে পরিচয় তোমার সাথে, সেদিন থেকেই বদলে গেলো যেন সবকিছু। এখন আর ভালোবাসাটা হৃদয় থেকে হারিয়ে যায় না আগের মতো। এক গভীর ভালো লাগার… [বিস্তারিত]
অভিমানের শহরে নেমে এলো বৃষ্টি তাই বলে তুমি জানালায় দিয়েছো খিল একাকীত্বের পথে নিয়েছি ঠাঁই, আকাশের অঝরে উষ্ণ ফোটায় দেহ ভিজলেও, মনে বাড়ে উত্তাপ আমি ক্লান্ত হই, আহত হই অবিরত তোমার নিঃসঙ্গতার শহরে আলপনা আঁকি, অলি গলি পথে নগ্ন পায়ের বিরহী ছাপে আকাশ দেখি, ভেসে যাওয়া মেঘ, তাও নিজেকে খুঁজি, ডানা ভাঙা পালকে । রচনা… [বিস্তারিত]
সময়কে হারিয়ে আবার খুঁজে ফিরি পিছনের অলি গলিতে, স্মৃতির নুড়ি সেথায় জড়ো হয়ে আছে পথের বাঁকে বাঁকে। সময় হেঁটে চলে আগামীর পথে আমি থাকি অতীতের চাদর জড়িয়ে। সময় চলে যায় বহমান পথে, হায়! আবার যদি একবার আসো ফিরে। দু হাতের মুঠোয় যতন করে রাখবো তোমায় আপন করে। সময় বলে-- যে যায় চলে সে কি কভু… [বিস্তারিত]
শীতের খেজুর রস, দেখলে কে না হয় খুশিতে চঞ্চলা সরস? থাকলে সাথে মুড়ি, আর কি খাটে কথার মাঝে হিমের জারি-জুরি! খুব সকালে দেয় যদি মা গরম ভাপার থালা, আর কে থাকে কালা? লালি যদি দেয় খুলে তার গন্ধে মনের তালা? রসে ডোবা চিতই পিঠা খায় যদি বা খুকি, সূর্য কি রয় লুকি! ’আয় রোদে আয়’… [বিস্তারিত]
পাহাড়ে যার আদি নিবাস__ সে তো মাথা উঁচিয়ে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে রয়; সমতল তার অকুল পাথার। দেবদারুর সাথে ঘাস ফুলের প্রেম হয়না ওরা বরাবরই একলা নির্বিকার! পাহাড়ের নিস্তব্ধতা আর দেবদারুর নিঃসঙ্গতা তার আত্মমর্যাদা /আত্ম অহংকার। ছায়া বিথীর ঘেরাটোপে হারানো পথিক চিরকাল মনে মনে পোষে সংসার বিবাগী সংঘাত। পাশেই মহুয়ার বনে__ অনাহূত প্রশ্ন বানে ঝুলে মরে পড়ে… [বিস্তারিত]
মনটা কেমন জানি বৃষ্টি ঝরা মেঘ একটু আবেগেই ঝরে পরে বৃষ্টি! কণ্ঠ যেনো শূন্য আকাশ- মাঠ ভারি শুধু কাদা চূর্ণ উঠন কিংবা বালুচর তবুও ভেসে যায় সাদা মেঘের দল অথচ শিউলি ঝরা পাপড়ি রক্তাক্ত; শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে আহত অংকের সমাধান জ্যামিতির চতুর্ভুজ মন। ২৮ কার্তিক ১৪২৮, ১৩ নভেম্বর ২১ [বিস্তারিত]
আমার মা এখনো জীবিত। তার দেহে প্রবহমান মাধবীর রক্ত। মাধবীর জন্য এখনো আমি শিউলি কুড়াতে যাই। সে আমার প্রেমিকা ছিল না কোনদিন, তার রক্তই আমাকে বানাল প্রেমিক পুরুষ। মায়ের সাথে সাথে আমি ওর জীবন পাহারা দেই। আমি সকাল পাহারা দেই, বিকাল পাহারা দেই, শিউলি কুড়াবো বলে সারাটা রাত্রি পাহারা দেই। মাধবী কুড়াব বলে আমি শিউলি… [বিস্তারিত]
‘একটা ঝোলা ব্যাগ কাঁধে আর লম্বা চুল- দাঁড়িতে কিছু মানুষ নিজেকে লেখক হিসেবে দাবী করে। আজকাল আবার এই দলে যোগ হয়েছে মহিলারাও। টিভি সিরিয়াল দেখে বাকি সময়টুকু তারা ফেসবুকে এর, ওর লেখা কোট করে নিয়ে কিছুমিছু লিখে নিজেকে লেখক হিসেবে দাবী করে।’- এমন কথা শুনছিলাম বিয়ে বাড়ির স্বনামধন্য লোকেদের মুখে। আমি অনিন্দিতা হক, লেখালেখি করি।… [বিস্তারিত]
তোমাকে আশ্রয় করে জন্মেছিলো যে কাব্যের ছত্রাক, আমিই তার জননী 'পরজিবী অকবি '। তোমার সাথে সাথে আমি এবং আমার আত্মজা অকবিতা বিলুপ্ত প্রায় । আজ বুঝতে পারছি, আমিই সেই নিরন্ন শব্দহীন পথিক। আমার নিজের কোন বর্ণমালাই নেই, শব্দতো অবান্তর, আর কাব্যিক চরণ "আকাশ কুসুম কল্পনা"। তাই তো শৈশব, কৈশোর এবং তারুণ্য অরণ্যে রোদন করেছে অহেতুক… [বিস্তারিত]
কবিতা - রিভিউ যৌথ কাব্যগ্রন্থ - নির্ঝর শব্দের ঢেউ সম্পাদনা - আরজু মুক্তা প্রকাশক - আব্দুল্লাহ আল তানিম প্রকাশনায় - ইচ্ছে স্বপ্ন প্রকাশনী কবিতা - ১) শেষ প্রহরের ভূষণ ২) অধরা অমৃত রস কবি -- সুপর্ণা বসু ফাল্গুনী কবি কবিতা লিখে , পাঠক তাঁর অনুভূতি দিয়ে সেই রস উপভোগ করে | কখনো কবির সাথে পাঠকের… [বিস্তারিত]
আকাশের দৌড় দেখে- দেখে মনে হয় একটা তারাও থাকবে না সব তারায় মাটিতে ঘর বাঁধবে; অথচ নাকি বাতাসের গন্ধ ভারি- নাকের সহ্য হয় না, করোনা ভাইরাস! তবুও সূর্যের হাসি দেখে মনে হয়- দিনের আলোকিত মুখ! সৃষ্টি থেকে ধ্বংস প্রলয়ের সুখ- সুতরাং প্রণয় শিখ প্রকৃতি মেঘের মাঝে-এভাবেই চলবে জীবন থেকে আকাশে দৌড়। ২২ কার্তিক ১৪২৮, ০৭… [বিস্তারিত]
চায় কি যেতে এই ধরণী ছেড়ে রোজ বাঁচে যে কষ্ট পেয়ে ঢের! তাই বুঝি তার বক্ষে উঠে বেড়ে স্বপ্ন খাতায় নিত্য নতুন জের। হয়তো সুখের পরতে সে তাজ পথে করছে তাতে কিস্তি মাপিক ঋণ, জেনেই তাকে জন্মিলে আজ রথে মরতে হবে কাল বা পরের দিন। তবু মানুষ শ্রেষ্ঠ জাতি ভবে জ্ঞান গরিমায় নেই বলে তার… [বিস্তারিত]
দাও দু’চরণ প্রভু! থাক না যতোই পাপ কালিমা মুক্ত করে তবু! নয় কি তোমার দাস? ক্যান তবে তার করবে তুমি বাঞ্ছা যা বিনাশ? অধম ভেবে রোজ যদি দাও বক্ষে দুখের ভার, আসবে জানি হার, নয় তবে কি সবার তরে মাগফেরাতের দ্বার? গন্ধ বা গাদ হতেই পারে থাকলে জেগে জল, হোক হয়ে অতল, তাই বলে কি… [বিস্তারিত]
পকেটে নাই পয়শা কড়ি অবস্থা খুব চরম এমন সময় ঝোক বুঝে বাজার টাও খুব গরম। সকাল বেলাই বউয়ের গলা চালের ড্রাম ফাকা তেলের ডাব্বায় ইঁদুর ছোটে পকেটে নাই টাকা। শেষ কচুটাও আজই খেলাম কাল কে খাবা কি? বিছানাটায় শুয়েই থাকো নাকে দিয়ে ঘি! বাজার ঘুরে দেখতে গেলাম যায় কি কিছু কেনা? সব্জি সমেত ঘরে যেতে… [বিস্তারিত]























