মূল লেখায় যান

কাকের ডাক (ভৌতিক)

তাপসকিরণ রায়গল্প৪টি মন্তব্য

তৃতীয় অংশ... দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে রাত বারটা বেজে গেল। কমলেশ বললেন, বোগাস, আরে ওসব কিছু নয়! গ্রামের লোকের গুজব ছাড়া আর কিছু নয়। --যা রটে তা কিছু বটে, চাপা স্বরে বিশুমাস্টার বলে ওঠেন। --ঠিক আছে আর আধ ঘণ্টা দেখে যাই, তারপরে ঘরে চলে যাব, কমলেশ অনিচ্ছায় বলে ওঠেন। --সেটাই ভালো হবে, শিক্ষকদের মধ্যে থেকে এক… [বিস্তারিত]

কেউ আমাকে চিনতে পারলে না

জসীম উদ্দীন মুহম্মদকবিতা২টি মন্তব্য

বড় বেশি রক্ত ভেঙে এসেছিলাম এই আকাশ ডাঙায় কেউ আমাকে চিনতে পারলে না! যে যেভাবে পারছে সেভাবেই চুম্বন করছে স্রোতের জলে অকারণ আত্মহনন, এই কি তবে ছিল বিধির লিখন? বল, কপালকণ্ডুলা! কত প্রহর রাঙায় চোখ ভাঙ্গা রাজপথে চিবোয় বুক আর কবিতা কিনে রাখে শনির আখড়ার মেলা বল, কপালকণ্ডুলা! এই কি তবে ছিল তোমার সেই মোটা… [বিস্তারিত]

দুর্বোধ্যঃ অণুগল্প

মামুনগল্প৬টি মন্তব্য

পুরুষ তার ইচ্ছা প্রকাশ করলো, নারী তার। নারীর নি:স্ব ভংগিতে চলে যাওয়া দেখে পুরুষ বুঝল না, সে নিজে ও যদি না পেয়ে থাকে, নারী নি:স্ব কি কিরে হল? পুরুষ এই পর্যন্ত নারীকে তার নিজস্ব ইচ্ছানুযায়ী সময় দিয়েছে... একান্ত বোবা অনুভূতির সময়ে ভাষা হয়ে নারীকে প্রগলভ হতে সাহায্য করেছে। আর যখন সে কথা বলার মত সক্ষমতায়… [বিস্তারিত]

“দুঃসময়ের সংবিধান”

শানকবিতা৩টি মন্তব্য

তুলে রাখা চাদরের ভাজে ভাজে ভালবাসা ধূলো পড়ে ধূসর রঙে ভারী হয়ে আছে । সময়ের সংকীর্ণতায় হাত বুলানো হয় না ওতে,যেখানে একদিন ফুলতোলা নকশারা কথা বলেছিল । সময়ের পরতে পরতে সুখগুলো এখন লেখা হয় তোমার ঠিকানায়, যেখানে একদিন তোমার সুখ সম্ভবত আমিই ছিলাম । বাতাসে ভারী নিঃশ্বাসের শব্দ না পাওয়ার সুর তোলে অবিরাম,অথচ কত নিঃশব্দের… [বিস্তারিত]

কিরে পল্টু কেমন আছিস ? ভাল না স্যার , মা বাবা নাই ছোট বোনডার জন্য খুব কষ্ট লাগে । কিছু চাইলে দিতে পারিনা । একটা সয়েটার চাইছে দিতে পারিনি । ঐ দিন রাস্তার মোড়ে একটা দোকানে দেখেছিলাম লাল সয়েটার খুব পছন্দ হয়েছিল । টাকা জমিয়ে ঐ সয়েটার টা কিনব । দুঃখ করিস না পল্টু আমাদের… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

দ্য আউটসাইডার

মামুনগল্প১০টি মন্তব্য

রাসেল এবং তিশা দুজনে আধুনিক উচ্চশিক্ষিত। দুজনেই উচ্চবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে। একই ইউনিভার্সিটি থেকে দুজনে পড়ালেখা শেষ করেছে। ওরা চট্টগ্রামে বড় হয়েছে। রাসেলের বাবা-মা ঢাকায় থাকেন। সে ওর খালার বাসায় থেকে চট্টগ্রামেই পড়ালিখা শেষ করেছে। ভার্সিটির অঙ্গনে কাছাকাছি-পাশাপাশি থাকবার সময়ে দুজনের ভিতরে বন্ধুত্ব হয়। একজন অন্যজনের কাছে আসে। ভালোলাগা থেকে ভালবাসার দিকে পথটি ঢালু হয়ে যায়।… [বিস্তারিত]

সেই তুমি # অণুগল্প

মামুনগল্প৬টি মন্তব্য

ইদানিং শিহাবকে কেন যেন দূর্বোধ্য লাগছে কণার কাছে। সেই একই মানুষ... কাছে আসার সময়টাতেও সেই চিরচেনা,তবুও হঠাৎ হঠাৎ কেন এমন অচেনা মনে হয়? সেদিন চশমার দোকানে গেল দু'জনে। পরিচিত দোকানদার দু'জনের জন্য চা আনালো পিচ্চিকে দিয়ে। শিহাব ধীরে ধীরে তার নিজেরটা শেষ করে কণার জন্য 'সানগ্লাস' পছন্দ করায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল। কণাকে এক একটা চোখে… [বিস্তারিত]

গুমোট আকাশ

ছারপোকাগল্প১৬টি মন্তব্য

মাঝে মাঝে ঘুমের ঘোরে দুঃস্বপ্ন গুলো মুহুর্তের মধ্যেই মন খারাপ করে দেয় ফাহিমের । অহনা ফাহিমের জীবন থেকে চলে যাওয়ার পর তার হাসিমুখটা যেন চলে গেছে । তার পর থেকে আর ফাহিম কে প্রাণ খুলে হাসতে দেখেনি কেউই ।অহনার মাঝেই পৃথিবীর সমস্ত সুখ খুঁজে পেয়েছিল ফাহিম। ভালবাসার অপার সাগরে সর্বদা ডুবে থাকত ফাহিম ।আজকাল দিনকাল… [বিস্তারিত]

কাকের ডাক (ভৌতিক)

তাপসকিরণ রায়গল্প৬টি মন্তব্য

পরবর্তী অংশ... অবিবাহিত কমলেশের বয়স তখন বাইশ তেইশ হবে। ভূতটুতে তখনও বিশ্বাস ছিলনা, তবে কৌতূহল ছিল অনেক। বিশু মাস্টারের গল্প শুনেই তিনি ঠিক করে নিলেন, যাচাই করে দেখতে হবে জিনিষটা কি! গাঁয়ের তিন চার জন শিক্ষককে রাজি করালেন, প্রত্যেকের মধ্যেই ব্যাপারটা নিয়ে বেশ কৌতূহল দেখা গেলো। ঠিক হল কোন শনিবার ধরে গভীর রাতে তাঁরা দেখতে… [বিস্তারিত]

ভালোবাসা একপলক

মামুনগল্প৮টি মন্তব্য

শেষ বিকাল। সোনারোদে পৃথিবী মায়াবী। পার্কের ভিতর দিয়ে যেতে যেতে পথের পাশ থেকে এক টুকরা কাগজ কুড়িয়ে নিলো যুবক। কেউ ঝালমুড়ি খেয়ে ফেলে গেছে। শিউলি ফুলে সাদা হয়ে আছে পথের পাশে ফুটপাথ। সে মাড়িয়ে যেতে পারছে না। শৈশবের দিন মাখামাখি হয়ে আছে শিউলির সাথে। স্মৃতির ভিতর যত্নে রাখা। তার ওপর পা ফেলা যায় না। তাকে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

সাজিদ একসময় গল্প উপন্যাস লিখত এখন লেখে না । কিভাবে লিখবে ! ও এত কষ্ট করে লিখবে আর মানুষ পড়ে বলবে সুন্দর হয়েছে তবে পড়ে মনে হয়েছে হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা । কি অবাক কথা !!! এত কষ্ট করে লিখে সব প্রশংসা হুমায়ুন আহমেদ এর !!!! রাগ করে লেখাই ছেড়ে দিয়েছে । রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক কবিরা… [বিস্তারিত]

নোনতা জলের পরাজয়

জসীম উদ্দীন মুহম্মদকবিতা৬টি মন্তব্য

একদিন এক উর্বশী নোনতা জল রোজই জাগিয়ে দিত পড়শি রাতের অনার্য ঘুম, সমানে ঢেলে দিত শুরা আর সাকির অবচেতন মদিরা; এমনি করে কুয়াশা রোদ নিয়ে এসেছিল দ্রুত লয় ইন্দ্রধনু, কিছু জীবন্ত কবিতার ফসিল! আমিও কিছু বুঝে উঠার আগেই ডুবে মরেছিলাম, এই নোনতা জল জোসনা; কৃষ্ণপক্ষের কোনো এক বৃহস্পতি তিথিতে সযতনে একদিকে রেখে দিয়েছিলাম পাঞ্জাবির পকেট,… [বিস্তারিত]

ধূলিকণা

ভোরের শিশিররম্য১৪টি মন্তব্য

এক মুঠো ভালবাসা এনেছিলাম দেশমাতাকে দেখাবো বলে, মুঠো খুলতেই দেখি পড়ে আছে ধূলোকণা! মরিচীকা ভেবে দেশমাতার সেই প্রিয় ধূলোকণাকেও তাচ্ছিল্যে ঝেড়ে ফেলে, ছুটলাম আবারো মুঠ ভর্তি করতে। হায় সন্তান! চিনলি না তুই 'ভালবাসা কারে কয়' আর দেশমাতা কিসে রয়!! [বিস্তারিত]

অনন্য সুভাষ (৭)

সাতকাহনসাহিত্য৯টি মন্তব্য

সুভাষের প্রতিবাদের ফল পাওয়া গেলো অচিরেই। অবিভক্ত ভারতের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য তালিকা থেকে মহাত্মা গান্ধীর একক সিদ্ধান্তে বাতিল করা হলো সুভাষের নাম। মহাত্মা গান্ধীর ভাষায়, ‘যারা এক মতের মানুষ, একমাত্র তাদেরই ওয়ার্কিং কমিটিতে থাকা উচিত।’ সঙ্গে সঙ্গে সুভাষ অধিবেশন ছেড়ে বেরিয়ে এলেন তাঁর বাষট্টিজন সহকর্মী নিয়ে। সুভাষ বললেন: ‘আবেদন নিবেদনে কোনোদিনও স্বাধীনতা আসে না।… [বিস্তারিত]

প্রজন্মের ঋণ শোধ ১৮তম

মনির হোসেন মমিগল্প, মুক্তিযুদ্ধ২০টি মন্তব্য

আড্ডা শেষে সূর্য্য, অভি, সমর সাথে আরো বেশ কয়েক জনকে সাথে নিয়ে চলে গেলেন মিরপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে।সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা কোন মতে খড় কুটা নিয়ে দাড়িয়ে আছেন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নামক বিশাল অট্রেলিকার নাম সর্বস্ব ঝুলিয়ে।অথচ তা স্বাধীনের ৪৩টি বছর পর এক খন্ড জমিও রেজিষ্ট্রি হয়নি মুক্তিযোদ্ধাদের নামে।শুধু মাত্র ১৩ একর জায়গা বরাদ্দ দেওয়া ছাড়া যুদ্ধাহত ও শহীদ… [বিস্তারিত]