লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল দোয়েলের শীষে বসন্তের আগমনী সুর শাখে সবুজ পাতা, মাঠে বুনোফুল আলপনা ডানায় প্রজাপতির উড়াউড়ি হিমেল হাওয়া দোল দিয়ে যায় সর্ষে ফুলে পলাশ, শিমুল সেজেছে তার নব রুপে দোয়েল, কোয়েল জুট বেঁধেছে ভালবাসার নতুন গানে এমন ক্ষণে এমন দিনে , নিঃসঙ্গতার অবসানে মনে জাগে প্রেম হাজার গোলাপ লুটে এনে, ভালবাসার নিবেদনে তোমার… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
কেমনে ভুলবে তুমি, যে স্মৃতি যতনে অন্তরে চলে জাগ্রত নিদে চুমি! রাখালী বাঁশির ডাকাতিয়া সুর বাজতো যখন মাঠে, গাগরী ভরতে চঞ্চলা মন ছুটে যেতো রোজ ঘাটে। আজ সে আবেগ কালের গর্ভে তবে কি গিয়েছে ভুলে! বারে বারে যদি ফিরে সে ব্যাকুলে প্রিয় তটিনীর কুলে! স্মৃতির তাড়নে যদি কাঁদে মন ভাবো বসে নিরজনে! বৃক্ষকে লতা বক্ষে… [বিস্তারিত]
আমরা পাশাপাশি বেশ ঘনিষ্ঠ হয়ে বসেছি। সাগর থেকে উতলা করা প্রেম প্রেম বাতাস এসে আমার চুল উড়িয়ে দিচ্ছে। তোমার এতো মনোযোগ আমাতে, নাকি বাতাসের সাথে শত্রুতা? যতোবারই মুখে এসে চুল পড়ছে তুমি সরিয়ে দিচ্ছো। আমি বাতাসের কাছে আবেদন করি, অনুগ্রহ করো, বারবার এসে ঝাপটে পড়, উড়িয়ে দাও আমার চুল। আর সামনে বসা মানুষটি তা বারবার… [বিস্তারিত]
তোমাকে ছুঁয়ে দিতে নিশ্বাসে পাড়ি দেই শত ক্রোশ! কথা দিচ্ছি আসবো, যদি খুলতে পারি শেকলের আগল, প্রোথিত বিশ্বাস। এনোনা; অপেক্ষায় ক্লান্তি, শুধু চোখে নয় একাত্মতায় ও হয় শুভদৃষ্টি! সিগনেচারে বিকোতে পারিনি হীরক শরীর! আমার কাছে জাত হারামি কিংবা ধূর্ত শেয়াল মনে হয় ওদের। যাদের হাতগুলো ঈগলের নখ আর হায়েনার মতো চোখ। দ্বিখণ্ডিত স্বত্বা চূর্ণ হয়… [বিস্তারিত]
চিন্তা আমার বুদ্ধু মনের নিত্য সেজে সাথী, থাকলে জেগেই রাত দিবসে খেলে চড়ুইভাতি। করলে কভু শাসন বারণ দর্পে খুঁজে তাতেও কারণ রাগ করে তাই দেয় নিভিয়ে বিজন ঘরের বাতি, ভাবখানা তার ঠিক যেন সে লাট সাহেবের নাতি! রোজ যে চলা যায় কি ক্ষণিক ক্লান্তি এলে হেরে! পারলে আরও চঞ্চলা হয় তৃষ্ণা আহার কেড়ে। নিদ্রা যদি… [বিস্তারিত]
আজ সারাদিন বৃষ্টি হচ্ছে। টুপটুপ শব্দ টিনের চাল ভেদ করে মিলিয়ে যাচ্ছে। জানি তাহিরপুরের পুকুরে দু'টো সাদা হাঁস পালকের নিচে মাথা গুঁজে বসে আছে। আমার সামনে একাশিয়া গাছটি তার পাতাদল নিয়ে বারবার কেঁপে উঠে। যেভাবে কেঁপে উঠে কিশোরী তার প্রথম যৌবনে। তুমি চাদর জড়িয়ে জানালার পাশে বৃষ্টি দেখো। বিরবির করে গাইছো রবীন্দ্র সংগীত। আমাকে মনে… [বিস্তারিত]
একুশের কান্না আমি খুব কেঁদেছি অঝোর ঝরে-এখন শুধু না বুঝার ভাষাগুলো রোদ্দুর; রক্ত মাখা হাত দাগ লেগে আছে- জোছনা রাতের মতো; অথচ একুশের আর্তনাদ তোমার বাসন্তীময় দেয়ালে স্মৃতিহীন পোস্টার; প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে ভাষা শিখেছি তাই তুমি অজস্র গোলাপ নামের একুশ! আজও আমার বুকে অম্লান করো- কিছু ভাব অক্ষরের কথা এতটুকু জানার জন্য। ২২ মাঘ ১৪২৮… [বিস্তারিত]
আজ শহর জুড়ে বৃষ্টি নামুক মেঘের কান্নায় ভেসে যাক আমার বুক নিঃসঙ্গতায় আর কাটাতে চাই না রাতের গভীরতা বৃষ্টির রিমঝিমে মুখরীত হোক মনের প্রান্তর, ভাবনার চতুষ্কোণ স্বপ্নরা ডানা মেলুক, উষ্ণতার আবেশে চৈতণ্যের অভিসারে । আমি বৃষ্টির কোলাহলে নতুন করে জাগতে চাই একাকীত্বের প্রহরে, বৃষ্টিই হোক আমার প্রিয় মুহুর্তের প্রিয়ভাজন , আমার অস্তিত্বে বেসুরে বেজে উঠুক… [বিস্তারিত]
দ্ব্যর্থহীন ভাবে বলা হয়না কি চাই আর কি চাই না, চুপ কথার স্তুপ রোজ নিয়ম মেনে দেয় সন্তাপ! কি আর করতে পারি, আমার হয়েছে 'শাঁখের করাত'। ঐ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে দেখি, মহাকর্ষ বলের প্রভাব। মনোযোগ আকর্ষণের উপরি স্তরটিও সংস্কারহীন, কৃষ্ণ - গৌর দৌড় প্রাঙ্গণে এগিয়ে যায় প্রকৃতই দরশন। লোকে বকুল মালা বইয়ের ভাজে শুকোতেই ভালোবাসে, ফুলদানির… [বিস্তারিত]
আকাশ তুমি কেমন আছো নীলের আবরণে কোন পাখীটি মেলে ডানা তোমার গহীনে । মেঘ তুমি কেমন আছো কুয়াশা মাখা ক্ষনে কোন দেশেতে ভেসে বেড়াও বিষণ্ণ এই প্লাবনে । ফুল তুমি কেমন আছো পাপড়ি ঝরা বুকে কোন ভ্রমর রেখেছে মনে সুবাস নিয়ে লুটে । পাখি তুমি কেমন আছো গানে পাও কি সুর আগমনী বসন্তে জাগে কি… [বিস্তারিত]
’কার ঘরে রোজ বসত করি দেয় কে মুখের খাবার!’ ভাবনা গড়ে পাহাড়? কও তো তবু ক’জন করে খোঁজ সে মহান দাতার? পারলে আড়ে বুদ্ধু সেও গর্বে সাজে তাতার! আকাশ পাতাল চন্দ্র তারা বিশ্বজগত জুড়ে, এমনি ভাবো ঘুরে? চাইলে কি কেউ ছুটতে পারে প্রান্ত কভু পুড়ে? সব প্রাণিই তো অনুগত মেনে আপন সীমা, ভুল কি করে… [বিস্তারিত]
৪+৪/৪+৪/৪+২ স্বরবৃত্ত ছন্দ খুকিমণির পুতুল বিয়ে কাঁন্নায় ভাঙে খুকির হিয়ে দেখতে সুন্দর ছেলে, বিয়ে বাড়ির ছেলে মেয়ে দেখে সবাই বর'কে চেয়ে আঁখি দুইটি মেলে। রবের পক্ষে নানা কথা খুকির মনে লাগে ব্যথা মনটা ভীষণ কালো, কোকিল গাইছে প্রাণটা খুলে বর যে চলে হেলে দুলে দেখতে লাগে ভালো। মায়ের কাছে খুকির বায়না মেয়ের জন্য কিছু চাইনা… [বিস্তারিত]
বল না রে সখা তুই! আজও কি প্রভাতে খুঁজে ফিরে হিম সুজল গাঁয়ের ভুঁই? সেই যে বিশাল পাকুড়ের গাছ শীতল ছায়ার তাড়া, দেয় কি সে আর পত্র দুলায়ে পথিকের হৃদে নাড়া? আষাঢ়ে হঠাৎ খাল বিলে এসে নব বরষার জল, ঢেলে দিতে প্রেম ধরে কি জড়ায়ে বিরহী বাটের গল? ভাদুরে নিশীথে জ্যোৎস্নার ধারে তাল কুড়ানোর আশে,… [বিস্তারিত]
দেয়াল ঘেঁষে অনর্থক গজানো শ্যাওলাগুলোর একটি চিঠি পড়বে? হ্যাঁ চিঠি! সেকেলে কিন্তু খাঁ খাঁ বুকটা সবটুকু সেখানেই মেলে ধরে! পেরেক আঁটা দেয়ালিকায় বন্ধনী চিহ্ন আঁকা; এটা সত্যি, ওপারে নন্দনকানন সাজানো পরিপাটি তা-ও সত্যি! আকাশ ছাওয়া নির্বাণ ও সত্যি, ক্ষুদ্র এই মানবীর পায়ের তলার মাটি আর শুকতারার মাঝে মহাশূন্য বিদ্যমান, বলো এ-ও তো সত্যি, এরপর ও… [বিস্তারিত]
কতো বছর তোমাকে দেখিনা। আর কতো বছর দেখা হবেনা~জানিনা। কতো শীত পাড়ি দিয়ে দু'টো ছানাপোনা সাথে নিয়ে তুমি পাড়ি দিলে সুদূর আমেরিকায়, চোখের বাহিরে। বাচ্চারা কেমন আছে? তুমিই বা আছো কেমন! উত্তর দিতে হবেনা,বুঝে নিতে পারি এখন, হাওয়ার ভাষা, চুপ থাকার ব্যাকরণ। অনেকদিন আর কোথাও যাইনা আমি, ঘাপটি মেরে দরজা বন্ধ করে বসে থাকি। আমার… [বিস্তারিত]



















