বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৭১) ” হক সাহেব হেসে দিয়ে বললেন, “এই তো দুনিয়া!” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

বললাম, ঢাকা যেতে হবে, শামসুল হক সাহেব খবর দিয়েছেন। রাজনৈতিক কর্মীদের একটা সভা হবে। পরে আবার একবার এসে দেখা করব।” বললেন, “এস।” নূরুদ্দিন এল না, কারণ সামনেই তার এম এ পরীক্ষা। পরীক্ষার পরি চলে আসবে। নূরুদ্দিনের নানা অসুবিধা, তার স্ত্রী তখন মেডিকেল কলেজে পড়ে। তাকেও আনতে হবে। আমি ভাবতাম, পাকিস্তান কায়েম হয়েছে, আর চিন্তা কি? [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৭১) ” হক সাহেব হেসে দিয়ে বললেন, “এই তো দুনিয়া!” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৭০) ” বন্ধু ইয়াকুবের এই ফটোগুলি যে মহাত্মা গান্ধীর মনে বিরাট দাগ কেটেছিল তাতে সন্দেহ নাই। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

তারপর প্যাকেটটা এমনভাবে বাঁধা হল যে, কমপক্ষে দশ মিনিট লাগবে খুলতে। আমরা তাঁকে উপহার দিয়েই ভাগব। এই ফটোর মধ্যে ছিল মুসলমান মেয়েদের স্তন কাটা, ছোট শিশুদের মাথা নাই, শুধু শরীরটা আছে, বস্তি, মসজিদে আগুনে জ্বলছে, রাস্তায় লাশ পড়ে আছে, এমনই আরও অনেক কিছু। মহাত্মাজী দেখুক, কিভাবে তাঁর লোকেরা দাঙ্গাহাঙ্গামা করেছে এবং নিরীহ লোককে হত্যা করেছে। [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৭০) ” বন্ধু ইয়াকুবের এই ফটোগুলি যে মহাত্মা গান্ধীর মনে বিরাট দাগ কেটেছিল তাতে সন্দেহ নাই। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বিশ্ব বিখ্যাতদের স্বরণীয় ঘটনা-৩য় পর্ব “বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন”

টমাস আলভা এডিসন।বিখ্যাত বিজ্ঞানী।বৈদ্যুতিক বাতি,কিন্টোগ্রাফ ও ফোনোগ্রাফ তাঁর বিখ্যাত আবিষ্কার গুলোর কয়েকটি,যা মানুষের জীবনযাপনকে আমূল পাল্টে দিয়েছিল। ১৯৩১ সালে মারা যাওয়ার আগে হাজার খানেক প্যাটেন্ট ছিল তাঁর নামে।১৮৪৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওর মিলানে জন্ম নেন এডিসন। বাবা স্যামুয়েল ও মা ন্যান্সি এডিসনের সবচেয়ে ছোট এবং সপ্তম সন্তান ছিলেন এডিসন। এডিসনের বাবা ছিলেন কানাডা থেকে [বিস্তারিত বিশ্ব বিখ্যাতদের স্বরণীয় ঘটনা-৩য় পর্ব “বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন”]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৯) ” সত্যই ভদ্রলোক জাদু জানতেন। লোকে চিৎকার করে উঠল, হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

এই সময় শহীদ সাহেবের সাথে কয়েক জায়গায় আমার যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। মহাত্মা গান্ধীর সাথে শহীদ সাহেব হিন্দু-মুসলমান শান্তি কায়েম করার জন্য কাজ করছিলেন। তখন মুসলমানদের উপর মাঝে মাঝে আক্রমণ হচ্ছিল। সেদিন রবিবার ছিল। আমি সকালবেলা শহীদ সাহেবের বাসায় যাই। তিনি আমাকে বললেন, “চল, ব্যারাকপুর যাই। সেখানে খুব গোলমাল হয়েছে। মহাত্মা গান্ধীও যাবেন।” আমি বললাম, ” [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৯) ” সত্যই ভদ্রলোক জাদু জানতেন। লোকে চিৎকার করে উঠল, হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বিশ্ব বিখ্যাতদের স্বরণীয় ঘটনা-পর্ব ০২ আইনস্টাইন

আলবার্ট আইনস্টাইন মজার সব ঘটনা গুলো: (y) আইন স্টাইন বিশ্ব খ্যাত তাঁর আপেক্ষিক তত্ত্বের জন্য।কিন্তু কে কী ভাবত তাঁর আপেক্ষিক তত্ত্ব নিয়ে?জার্মান বা ফরাসীরা?১৯৩০-এর দশকে সরবোনে (Sorbonne) বক্তৃতা দেওয়ার সময় এ বিষয়ে বলেন,যদি আমার আপেক্ষিক তত্ত্ব সত্য প্রমাণিত হয়,তবে জার্মানি আমাকে জার্মান হিসেবে দাবি করবে।আর ফ্রান্স বলবে যে আমি পুরো বিশ্বের নাগরিক।কিন্তু যদি তত্ত্বটা ভুল [বিস্তারিত বিশ্ব বিখ্যাতদের স্বরণীয় ঘটনা-পর্ব ০২ আইনস্টাইন]

বিশ্ব বিখ্যাতদের স্বরণীয় গল্প- ০১ম পর্ব: “বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর”

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি,ঔপন্যাসিক,সংগীত স্রষ্টা,নাট্যকার,চিত্র কর,ছোট গল্পকার,প্রাবন্ধিক,অভিনেতা,কণ্ঠ শিল্পী ও দার্শনিক।তাঁকে বাংলা ভাষার সর্ব শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়।রবীন্দ্রনাথকে গুরু দেব, কবি গুরু ও বিশ্ব কবি অভিধায় ভূষিত করা হয়।রবীন্দ্রনাথের বায়ান্নটি কাব্য গ্রন্থ,আট ত্রিশটি নাটক,তেরটি উপন্যাস ও ছয়ত্রিশটি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্য সংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়েছে।তাঁর সর্ব মোট পচা [বিস্তারিত বিশ্ব বিখ্যাতদের স্বরণীয় গল্প- ০১ম পর্ব: “বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর”]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৮) “আমার যদি কোন ভুল হয় বা অন্যায় করে ফেলি, তা স্বীকার করতে আমার কোনোদিন কষ্ট হয় নাই।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

পরের দিন মিল্লাত প্রেসে গিয়ে হাশিম সাহেবের সাথে দেখা করি। পাশের ঘরে আমার সহকর্মীরা চুপ করে বসে আছে; শুনবে আমাদের কথা। আমি খুব শান্তভাবে তাঁকে বললাম, “প্রেসটা নাকি বিক্রি করবেন?” বললেন, “উপায় কি, প্রত্যেক মাসেই লোকসান যাচ্ছে, কি করি? আর চালাবে কে?” আমি বললাম, খন্দকার নূরুল আলম তো ম্যানেজার হয়ে এতোকাল চালাল। খরচ কমিয়ে ফেলল। [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৮) “আমার যদি কোন ভুল হয় বা অন্যায় করে ফেলি, তা স্বীকার করতে আমার কোনোদিন কষ্ট হয় নাই।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৭) “আমি বিশ্বাসঘাতকতা বলতাম। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

এই সময় আরও কয়েকটা ঘটনা ঘটে আমাদের কর্মীদের মধ্যে। আমাদের যে মিল্লাত প্রেসটা ছিলো— সেটা হাশিম সাহেব পরিচালনা করতেন। কথা উঠল, প্রেসটা কি করা যায়? হাশিম সাহেব পূর্বেই দেনা হয়ে পড়েছেন বলে একটা রঙিন মেশিন বিক্রি করে দেন, তাতে দায়দেনা শোধ হয়ে যায়। তিনি শামসুল হক সাহেবকে ঢাকা থেকে ডেকে নিয়ে বললেন, ” কলকাতার কর্মীরাও [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৭) “আমি বিশ্বাসঘাতকতা বলতাম। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৬) ” নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিতে হয়। যে কলকাতা পূর্ব বাংলার টাকায় গড়ে উঠেছিল সেই কলকাতা আমরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

এদিকে লর্ড মাউন্টব্যাটেন চিন্তাযুক্ত হয়ে পড়েছিলেন কলকাতা নিয়ে কি করবেন? ‘মিশন উইথ মাউন্টব্যাটেন’ বইটা পড়লে সেটা দেখা যাবে। ইংরেজ তখনও ঠিক করে নাই কলকাতা পাকিস্তানে আসবে না হিন্দুস্তানে থাকবে। আর যদি কোন উপায় না থাকে তবে একে ‘ফ্রি শহর’ করা যায় কি না? কারণ, কলকাতার হিন্দু-মুসলমান লড়বার জন্য প্রস্তুত। যে কোন সময় দাঙ্গাহাঙ্গামা ভীষন রুপ [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৬) ” নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিতে হয়। যে কলকাতা পূর্ব বাংলার টাকায় গড়ে উঠেছিল সেই কলকাতা আমরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৫) “সেইদিন থেকে শহীদ সাহেবকে আমি আরও ভালবাসতে শুরু করলাম। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

যেদিন নির্বাচন হবে তার পূর্বের দিন রাত দুইটার সময়—- আমি তখন শহীদ সাহেবের বাড়িতে, শহীদ সাহেব বারান্দায় শুয়ে আছেন। ডা. মালেক এসে বললেন, ” আমাদের অবস্থা ভাল মনে হচ্ছে না, কিছু টাকা খরচ করলে বোধহয় অবস্থা পরিবর্তন করা যেত।” শহীদ সাহেব মালেক সাহেবকে বললেন, “মালেক, পাকিস্তান হয়েছে, এর পাক ভূমিকে নাপাক করতে চাই না। আমার [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৫) “সেইদিন থেকে শহীদ সাহেবকে আমি আরও ভালবাসতে শুরু করলাম। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৪) ” হাশিম সাহেব কোন কর্মীকে নির্দেশ দিলেন না। অনেককেই নিষেধ করে দিলেন এবং তলে তলে বলে দিলেন, শহীদ সাহেবকে সমর্থন না করতে।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

শহীদ সাহেব তো কোনোদিন দুই গ্রুপ চিন্তা করেন নাই, তাই নাজিমুদ্দিন সাহেবের সমর্থকদেরও নমিনেশন দিয়েছিলেন, মন্ত্রী করেছিলেন পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি, চিফ হুইপ, স্পিকার অনেক পদই দিয়েছিলেন। এরা সকলেই তলে তলে শহীদ সাহেবের বিরুদ্ধাচরণ করছিলেন। অন্যদিকে, পশ্চিম বাংলার মুসলিম লীগ এমএলএরা ভোট দিতে পারবেন না, কারণ তারা হিন্দুস্তানে পড়ে গিয়েছেন। তাঁর নিজের দল হাশিম সাহেবের নেতৃত্বে ঘরে [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৪) ” হাশিম সাহেব কোন কর্মীকে নির্দেশ দিলেন না। অনেককেই নিষেধ করে দিলেন এবং তলে তলে বলে দিলেন, শহীদ সাহেবকে সমর্থন না করতে।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৩) ” শহীদ সাহেবের বিরোধীদের প্রপাগান্ডা হল তিনি পশ্চিম বাংলার লোক; তিনি কেন পূর্ব বাংলার প্রধানমন্ত্রী হবেন? ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

শহীদ সাহেব শাসন চালাবেন, মুসলমানদের রক্ষা করবেন, না ইলেকশন নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন! সিলেটের গণভোটেও শহীদ সাহেবকে যেতে হল। আমাদের মত হাজার হাজার কর্মীকে সিলেটে পাঠালেন। টাকা বন্দোবস্ত করতে হয়েছিল তাঁকেই বেশি। এস. এম. ইস্পাহানী সাহেব বেঙ্গল মুসলিম লীগের কোষাধ্যক্ষ হিসাবে বহু টাকা দিয়েছিলেন, আমার জানা আছে। কারণ, শহীদ সাহেব তাঁর সাথে যখন আলোচনা করেন ৪০ [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬৩) ” শহীদ সাহেবের বিরোধীদের প্রপাগান্ডা হল তিনি পশ্চিম বাংলার লোক; তিনি কেন পূর্ব বাংলার প্রধানমন্ত্রী হবেন? ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬২) ” পাকিস্তান হওয়ার সাথে সাথেই ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয়েছিল।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

এই সময় বড়লাট লর্ড মাউন্টব্যাটেন তলে তলে কংগ্রেসকে সাহায্য করছিলেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল তিনি ভারত ও পাকিস্তানের গভর্নর জেলারেল একসাথেই থাকবেন। জিন্নাহ রাজি হলেন না, নিজেই পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হয়ে বসলেন। মাউন্টব্যাটেন সম্বন্ধে বোধহয় তাঁর ধারণা ভাল ছিল না। মাউন্টব্যাটেন ক্ষেপে গিয়ে পাকিস্তানের সর্বনাশ করার চেষ্টা করলেন। যদিও র‍্যাডক্লিফকে ভার দেওয়া হল সীমানা নির্ধারণ করতে, [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬২) ” পাকিস্তান হওয়ার সাথে সাথেই ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয়েছিল।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬১) ” যখন বাংলা ও আসাম দুইটা প্রদেশই পাকিস্তানে যোগদান করুক, এর জন্যই আমাদের আন্দোলন ছিল, তখন সমস্ত বাংলা পাকিস্তানে আসলে ক্ষতি কি হত তা আজও বুঝতে কষ্ট হয়! ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

এই সময় শহীদ সাহেব ও হাশিম সাহেব মুসলিম লীগের তরফ থেকে এবং শরৎ বসু ও কিরণশংকর রায় কংগ্রেসের তরফ থেকে এক আলোচনা সভা করেন। তাঁদের আলোচনায় এই সিদ্ধান্ত হয় যে, বাংলাদেশ ভাগ না করে অন্য কোন পন্থা অবলম্বন করা যায় কি না? শহীদ সাহেব দিল্লিতে জিন্নাহর সাথে সাক্ষাত করে এবং তাঁর অনুমতি নিয়ে আলোচনা শুরু [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬১) ” যখন বাংলা ও আসাম দুইটা প্রদেশই পাকিস্তানে যোগদান করুক, এর জন্যই আমাদের আন্দোলন ছিল, তখন সমস্ত বাংলা পাকিস্তানে আসলে ক্ষতি কি হত তা আজও বুঝতে কষ্ট হয়! ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬০) “আমরা কর্মীরা কি জানতাম যে, কেন্দ্রীয় কংগ্রেস ও কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগ মেনে নিয়েছে এই ভাগের ফর্মুলা? ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

সরকারে যোগদান না করে একটু অসুবিধায় পড়েছিল মুসলিম লীগ। শেষ পর্যন্ত জনাব লর্ড ওয়েভেলের সাথে সাক্ষাত করেন এবং মুসলিম লীগ যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যোগদান করতে পারে সেই সম্বন্ধে আলোচনা করেন। মি. জিন্নাহ তাকে অনুমতি দিয়েছিলেন আলোচনা চালাতে। শেষ পর্যন্ত জিন্নাহ-ওয়েভেল আলোচনা করে মুসলিম লীগ সরকারে যোগদান করতে রাজি হয়। অক্টোবর মাসের শেষের দিকে লিয়াকত আলী [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-৬০) “আমরা কর্মীরা কি জানতাম যে, কেন্দ্রীয় কংগ্রেস ও কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগ মেনে নিয়েছে এই ভাগের ফর্মুলা? ” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]