এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেব একজন বাক প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন। এটা শুনে কেউ কেউ আড়ালে তিরস্কার করছেন থুতু ফেলছেন। ইমামের বয়সের মুরব্বিরা তো বিশ্বাস-ই করতে চাচ্ছেন না। আবার কেউ কেউ বলছেন এখন এসব হয় হচ্ছে। পত্রিকা খুললে এর চেয়ে জঘন্য খবর পাওয়া যায়। ইমাম সাহেব মুখ উঁচু করে তাকাতেই পারছেন না শুধু তার চোখ দুটো… [বিস্তারিত]
বিভাগ: অণুগল্প
আষাঢ় মাস সারাদিন ধরে বৃষ্টি পড়ছে। কখনো উঁকি দিচ্ছে রোদের তেজস্বী ফণা। আবার শুরু হচ্ছে মেঘ ডাকার শব্দ। একদল শিশু বৃষ্টিতে ভিজছে আর বলছে, মেঘ হচ্ছে বৃষ্টি হচ্ছে খেঁকশিয়ালের বিয়ে হচ্ছে। একটা মেয়ে সংক্রান্ত ঝামেলায় পড়ে দ্রুত বিয়ে করতে হয়েছে আফরানকে। বারান্দায় বসে বই পড়ছে সদ্য বিয়ে করা আফরান। কিন্তু বৃষ্টি প্রপাতের দিকে চলে গেছে… [বিস্তারিত]
অফিস থেকে বাসায় এসে রান্না করে প্রতিদিন ছাদে যাই। প্রতিদিনের মত কেউ একজন আজও ছাদে আমার জন্য অপেক্ষা করছে! মেয়েটি পাশের বিল্ডিং এ থাকে। ছোট একটি বেসরকারী কম্পানিতে চাকরী করে অনেক দিন ধরে। তার অফিস শেষ হয় আমার থেকে এক দেড় ঘন্টা আগে। আজ ছাদে আসতেই তার মায়াবী চেহারায় কেমন একটা অভিমানী ছাপ। হয়তো দেরিতে… [বিস্তারিত]
নদীর ধারে বসে আছে নীলিমা। আজ তার পাশে আসিফ নেই। অথচ আজকের আগে নীলিমা কখনো এখানে একা বসেনি। তবে একটু আগে একা ছিল না। আসিফ ছিল। আসিফ ই নীলিমাকে আসতে বলেছিল। সব সম্পর্ক শেষ করে দিতে আজকে আসা। অবশ্য একপ্রকার টেনে টেনে চলছিল ওদের সম্পর্ক। আসিফ আর নীলিমা খুব ভাল বন্ধু ছিল। দশ বছরের বন্ধুত্ব… [বিস্তারিত]
হৈতি'তলার পাহাড়ি পথ বেয়ে ফিরছি, হুট করে একটা বৃষ্টির ফোঁটা দেহের এমন এক জায়গায় ছুয়ে গ্যালো, চমকে উঠে অদ্ভুত এক শিহরনে ডুবে গেলুম, তারপর ঝম ঝম বৃষ্টি আমায় পুরো ভিজিয়ে গ্যালেও সেই অনুভূতি আর নিভলো না। প্রতিটা মানুষের আদরের নিয়ম আলাদা আলাদা, যারা বাজার থেকে রঙিন মোটা কাগজে ছাপা বাধাই কামাসুত্র কিনে এনে মানচিত্র ধরে… [বিস্তারিত]
মেয়েটাকে দেখেছিলাম এক হলুদ সন্ধ্যায়। বোরকা পড়া নেকাব দিয়ে ঢাকা মুখটার পঞ্চাশ ভাগ দেখেছিলাম তার নেকাব খোলার সময়। ফুলের মতো মিষ্টি মেয়েটা। যে মিষ্টি চোখের দৃষ্টি পড়লে সবকিছু প্রশান্ত হয়ে যায় তেমন একটা আপন আপন মিষ্টি। আমি বার বার তাকাই তার দিকে বুকটা ছনছন করে ওঠে যেন একটা শান্ত নদীর ঢেউ মিহি বাতাসের দানায় পৃথিবীর… [বিস্তারিত]
এক. সঞ্জীবনী কবিতা ----------------------- ইদানিং সন্ধ্যায় বারান্দায় দাঁড়ালেই অন্ধকারাচ্ছন্ন আকাশ আর ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দে অদ্ভুত এক বিষণ্ণতা গ্রাস করে আমায়। উত্তরের শীতল বাতাসে ছন্দহারা সব ইচ্ছেরা মুক্ত হতে চেয়েও কোন এক অজানা আশঙ্কায় গৃহবন্দিত্ব বরণ করে নিয়েছে নিজে থেকেই। কেমন আছে পৃথিবীর মানুষ এ প্রশ্ন এখন অবান্তর। কে দেবে এর উত্তর? করোনা যেনো দেখিয়ে দিলো… [বিস্তারিত]
আম্মুর মোবাইলের ব্যালেন্স শেষ,যাকে জরুরী দরকারে ফোন দিবেন তার টেলিফোন নেই তাই মোবাইলে ফেক্সিলোড করতে হবে। এমন সময় বাসায় কেউ নেই আম্মু নাম্বার টাকা দিয়ে ছোট্র আলিফকে পাঠালেন দোকানে। রাস্তায় মানুষের প্রচুর জ্যাম ওপেক্ষা করে দোকানে ঢুকলাম বুঝতে পারলাম শহরে কোন ভিআইপি মানুষের আগমন ঘটেছে গাড়ির পর গাড়ি রাস্তায় ভরা। আমি দোকানে ঢুকতে পারছিলাম না… [বিস্তারিত]
মাঝবরাবর পুকুর থেকে বুদবুদ ওঠে। ১০/১২ বছরের দু' বেনী ঝোলানো ফ্রকপরা মেয়োটা নানা বাড়ির ভেতরবাড়ির শানবাঁধানো ঘাটলায় দাঁড়িয়ে দেখছে। পুকুরের চারদিক ঘন গাছপালা ঢাকা। এ সময়টা বড্ড সুনসান নিরবতা বিরাজ করে চারদিক। ছমছম করা এক ভয় কাজ করে অযথাই। কি এক অজানা আকর্ষণ আছে এই পুকুরঘাটে! মাটির ছোটো চুলায় ছোটো ছোটো হাড়িপাতিলে রান্নাবাটি খেলা ছেড়ে… [বিস্তারিত]
একটা পুতুলকে মেয়েটা তার মনের সব কথা বলতো মনের সব দু:খ গাথা বলতো নির্জীব পুতুল ছাড়া তার কথা শোনার কেও নেই আপন মনে সে তার সঙ্গী পুতুলকে সব বলতো তার আপনজনরা তার যে মনের যে কথা জানেনা তার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতার কথা জানেনা অকপটে পুতুল তার সব মনের কথা জানতো নীরব পুতুল কিছুই বলতোনা তার… [বিস্তারিত]
জানালা খুলে উদাস হয়ে বসে আছে রূপু। বসে আছে সেই বিকেল থেকেই। গোধূলির রঙ ছড়িয়ে সূর্যটা ডুবে যাবে ভাব। পাখিদের তোড়জোড় নীড়ে ফেরার। কিন্তু কোথায় সে? ব্যস্ত পায়ে রোজ বিকেলেই তো হেঁটে আসে এপথ ধরে, কিন্তু গত দু'দিন কোনও খবরই নেই! কখনও কখনও হুটহাট ঢুকেও পড়ে রূপুদের বাড়িতে। মা, বাবা আর আপুর সাথে হৈচৈ করে… [বিস্তারিত]
১. ডেভিড ভেবেছিল তার মেয়েটা তার মত ইশ্বর ভক্ত হবে। প্রভু যিশুর নামে সে আরধনা করবে। প্রতি রবিবার গির্জায় যাবে। না! সোহানা হয়েছে তার মা ন্যান্সির মতো। নাস্তিকবাদিদের মতো। প্রায় সে বলতো প্রে করে কি হবে? তোমার ভাগ্য তোমার হাতের মুঠোয়। তুমি কাজ করবে । খাবার আসবে। করবেনা অভুক্ত থাকবে। শুধু শুধু জীবনের কিছু সময়… [বিস্তারিত]
অফিসের গেটে হাতাহাতি হৈচৈ দেখে পুলিশ অফিসার এগিয়ে এলেন। কিন্তু দারোয়ান কাউকে ঢুকতে দিতে নারাজ। লতিফ সাহেব বললেন দেখুন তো পুলিশ অফিসার, আমারই অফিস, অথচ দারোয়ান ঢুকতে দিচ্ছেনা ! রাশেদ সাহেব বললেন, আপনিও তো আমাকে ঢুকতে দিচ্ছেন না! পাশে দাঁড়িয়ে হো হো করে কেঁদে যাচ্ছে কমলা বেগম। দশ বছর ধরে এই অফিসের এমএলএসএস। অথচ আজ… [বিস্তারিত]
স্বপ্নের তীর্থ ভূমি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম প্রথম সুযোগে। মা একমাত্র মেয়ে ভীতু প্রকৃতির আমাকে অভয় দিয়ে বলেছিল মনে সাহস রাখবি। ভয় পেলে হেরে যাবি। এই রক্ষাকবচ তোকে রক্ষা করবে। ক্লাস শেষে টি এস এসি তে আড্ডা দেয়া একটা রুটিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেদিন কাজিন এসেই বলে কেটে পর।রুপ পাল্টানো ছাত্র অধিকার… [বিস্তারিত]
চিত্র:১ উত্তরা -বিমান বন্দর- রামপুরা- সদরঘাট সদরঘাট!!!! যেইখানে যাইবেন কমের বাড়া ৫/-টাকা কইয়া রাখলাম। আমিতো যাবো চেরাগ আলী গাজীপুরা থেকে ভাড়া তো ২/-টাকা হেই দিন ভুইলা যান। সরকার ওখন আইন করছে। সর্ব নিম্ন ভাড়া ৫/-টাকা তোর গাড়ির তো লক্কর জক্কর। জানালার কাঁচ একটা নাই। সিট বেশীর ভাগই অপরিস্কার। ভাঙ্গা। এরপরো তোরে ৫/- দিতে হবে? হ… [বিস্তারিত]

























