নিভৃত মিলেছে দূর-পথের দূরত্বে, দূরত্ব চোখ ছুঁয়ে যায়নি, দূরেই মিলিয়েছে দূরের হাতছানি; এ যেন অন্তবিহীন পালিয়ে পালানো-খেলা, গাছগাছালির ভিড়ে ফাগুনের বসন্ত-মেলা; আজব ছুতোয় স্বপ্ন-স্বপ্ন স্বপ্ন-মেলা। জাফরান বাতাসের শুভ্র হাসিতে পুতুল খেলার ব্যস্ত দিনে, ছায়া-পথের নিভৃত-রাতে অপলক চোখে আড়াল-নিস্পৃহতায় মরণ খেলার মত্ত নেশা। [বিস্তারিত]

ছাইরাছ হেলাল
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১৩ বছর ১০ মাস ২৮ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৭৮টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১৯৪৬০টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১১৬৯০টি
পাখি-মুখে খবর পেলাম, বসন্ত আজ ফাগুন মেলায়! হুররে!! এমন খবর কী আর সহসা পাওয়া যায়, হবে সেথায় ম্যালা হৈচৈ; আহ্লাদে ষোল/ বত্রিশ খানা, পাইক/বরকন্দাজ/গোমস্তা থৈ থৈ! ফলোয়ার পরিবৃত্ত; লাইভে থাকবে সারাক্ষণ। নিরন্তর বিভ্রম-ম্যাজিকে মর্ত্যের ধুলোয় ছুটোছুটি এ যেন খুঁজে ফেরা, হারিয়ে খোঁজা নিপুণ দীর্ঘশ্বাস, ঝাঁক ঝাঁক একাকীর সোনালী দুপুর খান খান হয়ে লুটিয়ে পড়ছে বন্য-জমায়েত… [বিস্তারিত]
ধূলির প্রসার-নিমজ্জনেও হৃদয়ে পুঁতে রাখা বিপুল আনন্দ-উচ্ছ্বাসের প্রাণ-উদ্দীপক ঘোরতে ভালোলাগার উত্তেজিত-আলোড়ন নিয়ে এলোমেলো ঘুরে বেড়ানো বই মেলা জুড়ে; গৃহগামীতার শজারু-শূলবিদ্ধতার পিছুটান মোটেই ছিল না। ধূলি-গুঞ্জনে ভেসে ভেসে লাস্যময়ীদের ঝাঁক এড়িয়ে এক স্টল থেকে অন্য স্টলের চৌহদ্দি পেরিয়ে পুস্তক মাখামাখি ধীর-ধীরতার সাথে, দ্রুততায় ও; নই ল্যাখক, পাঠক-ও!নই, নেই ধনাত্মক ঋণাত্মকের সঙ্কট, নেই তেঁতুল বৃক্ষের জমাট হাতছানি,… [বিস্তারিত]
বিশুদ্ধ-রাগকুমারির ঝাঁক বাঁধা পায়রাবাঁজী নয় নয় ঝাঁপা-ঝাঁপি কাঁপা-কাঁপি করে হামলে পড়া; তবুও বসন্ত এসেছিল এই ফাগুন উৎসবে। আধা বা পুরো পাগলের মিসকে হাসি বা চোখে ঠার ফেলে নয়। বাসন্তী সাজ নিয়েই এসেছিল, বেঁটে-খাটো বিলাসী দুঃখ মাড়িয়ে জীবন্ত চাঁদের ঝলমলে পোশাকাবৃত হয়ে। অসহ্য সুন্দরের সেই হৃদয় ছোঁয়া দারুণ কেলেঙ্কারি, ফিনকি দিয়ে ছড়িয়ে-গড়িয়ে পড়ে অনবরত অবিরত। ভাষাহীন… [বিস্তারিত]
খুবই সহজ-সংক্ষেপে দু’টি অতীব সাধারণ ঘটনা বলার চেষ্টা হবে,মহা-ব্যস্ত পাঠকের অতি মূল্যবান সময়-ক্ষেপণ না করে ধৈর্যচ্যুতির দায়ভার এড়িয়ে যাচ্ছি। ঘটনা.........১ সেবার হঠাৎ করে প্রস্তাব এলো বিশেষ কর্মের জন্য দূরগামী গন্তব্যের সাথী হতে হবে। ঘুরুক্কু মন (ঘোরতে ভাল্লাগে) বিনা পায়ে-ই এক বাক্যে রাজি, দেখি না কী কী হয়! যেতে যেতে যেতে ক্লান্তিহীন, প্রায় জন-মানবহীন এক ছাড়া-ভিটেয়… [বিস্তারিত]
গোধূলি বেলায় কুহু তান তুলে ঈষৎ অবগুণ্ঠিত বসন্তকে হন-হনিয়ে পাশ কাটাতে দেখলাম হালকা তাচ্ছিল্যের সুবাস ছড়িয়ে, যাক বাবা, বেঁচে গেলাম এ যাত্রায়! আজকাল বসন্তদের খুশিতে ঠ্যালায় ঘোরতে ভাল্লাগে অবস্থা। বাঁক বদলে হঠাৎ হোঁচটের ঝাঁকি খাওয়ার মত করে থমকে দাঁড়ালাম, পুরোটা পথ আগলে বসন্ত দাঁড়িয়ে আছে , দাঁতি হয়ে!! অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে, একরোখা সন্ধি চাইছে বিনা মধ্যস্থতায়;… [বিস্তারিত]
শুনলাম/শুনতে পাচ্ছি বসন্তের নূপুর ধ্বনি, উৎকৃষ্ট প্রকৃষ্ট প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে/নিয়ম করে যেমন আসে ফি বছর। আসুক। দহরম মহরম হবে, হয়ত হয়েছে/হচ্ছে গভীরতম গোপনে কিছুটা প্রকাশ্যে, জনারণ্যেও জনেক জনেকে/অনেক অনেকে; ঔচিত্য অনৌচিত্যেকে কলা (কাঁচা/পাকা) দেখিয়ে, গোমরা মুখে, কেলানো দাঁতে; প্রজাপতি রঙ বাহারের ডানা দোলাবে, ফুলেরা গন্ধ দেবে/বিলোবে, প্রজাপতি গুঞ্জরিবে; বসন্ত আসে নব নব রূপে, সবার জন্য… [বিস্তারিত]
আনমনা জল, ভেসে ভেসে চলে, গন্তব্য-অজানায়, দোষাচ্ছি-না কাউকে; অবিচল এক স্বৈরিণী চোখ, উষ্ণতার জল নিঃশ্বাসে জাঁতা-পিষ্ট নিঃসঙ্গ বিমর্ষ মন গুঁজে-গুটিয়ে অকারণ উচ্ছ্বাসের অট্টরোল তুলি। এ এক অসম্ভব রানীময়তা শীতের, অধৈর্যের এলাম-গেলাম অহংকারে; বিচূর্ণ আয়নায় শুধু ফেলে রেখে ফেলে যাওয়ার ক্ষয়িষ্ণু অবয়বের আলোহীন চোখ, চোখে চোখ রেখে চোখ-কথার উদোম উদ্দাম নৃত্যে পেছনে ফেলার নৃশংসতা, হাজারো উপমা… [বিস্তারিত]
বালুকায় শুয়ে রোদে গা এলিয়ে, হাঁটু-গেড়ে-বসা শীতের সান্নিধ্য-উপত্যকায় উষ্ণতা একটু একটু অস্ফুট কথাবার্তা খুনসুটির ছলে, লোনা-নীল-জল সৈকতে; বেদনার-নীল-তরঙ্গ হৃদ-প্রান্তর-ঘেঁসে দাঁড়িয়ে আছে গলা অব্দি ডুবিয়ে বিচ্ছিন্নতার ছায়া ফেলে, মুহুর্মুহু ঢেউয়ের তাড়ন নিঃস্ব হৃদয়ে। ধোয়া ধুলো এড়িয়ে শৈশব-গ্রাম-প্রান্তরে, বট-পাকুড়ের আড়াল খুঁজে, শুধু দু’জনে দু’জনার চড়ুইভাতি, হোক না সে শুধু শুধু মিছামিছি খাইয়ে দেয়া, খেয়ে নেয়া; আকাশের পেছনে… [বিস্তারিত]
ঘুম-জাগা গুলিয়ে খেয়ে শীত বসেছে গ্যাট হয়ে বারান্দার ইজি চেয়ারে পারিপার্শ্বের খুঁটিনাটি নেড়েচেড়ে দুরন্ত মনযোগের জানপহচান ভাব নিয়ে দুরূহ দূর-চাহনিতে আঁকড়ে ধরা সকালের শেষ কুয়াশা, শেষ-শীতের মৃদু সৌন্দর্য বাতাস মনের গহনে বিগলিত দুপুরের স্বপ্ন-ডাক ডাকে না। ফিরে যেতে হবে দূরের হিম হিমালয়ে বসন্ত এসে দাঁড়িয়েছে দ্বারে। প্রণয় উচ্ছ্বাসের মহানন্দ প্রেমিকের ব্যর্থ বাসনার বেঁধা তীর! তাও… [বিস্তারিত]
এখানে, এই সোনেলায় পুরনোদের মধ্যে তিনি আছেন ঔজ্জ্বল্যের স্ব-মহিমায় ভাস্বর হয়ে, নিঃসঙ্কোচ আভিজাত্যের স্বপ্ন বিভোরতায়, অসুস্থ শরীরেও ভাড়ারের দরজা খুলে রেখেছেন দরাজ হাতে। তিনি আছেন সোনেলার হৃদপিণ্ড জুড়ে, যা আমরা টের পাই সোনেলা-ধমনীর প্রতিটি প্রবাহে, প্রতিটি প্রাণ-স্পন্দনে। তিনি আমাদের নীলাঞ্জনা নীলা। এই সুদীর্ঘ পথ যাত্রায় তাঁর অসংখ্য লেখায় তুলে ধরেছেন বিচিত্র অসংখ্য হাসি কান্না দুঃখ… [বিস্তারিত]
পড়ুক গলে গলে মোমের নূপুর ক্লান্তির শ্রান্তি এড়িয়ে আয়না প্রদীপে, সলাজ চোখ-সীমান্তের উপকূলে; মৌনতার হাতে অনুনয় মেখে দাঁড়িয়ে আছে বিষণ্ণ স্মৃতির ভাঁজে ভাঁজে, প্রতিশোধ-স্পৃহায়, স্বীকৃতি তার চাই-ই। ভালোবাসার অহংকারী ভূগোল-দুঃসাহসে বনস্থলী ফুলের বাগান অঙ্গার করে কবিতা-লেখক সে হবেই, জ্যোৎস্নায় না বলা কথা সে বলবে এবার আত্মরক্ষার তাগিদে। 'টান' ------------------------------------------ প্রহেলিকাকে কিচ্ছুটি বলছিনে!! [বিস্তারিত]
“হে মহামান্য জিউস আমিই আমাকে খুন করে এসেছি আমাকে শাস্তি দিন, আমিই বুকের কুসুমে ঢেলেছি এক-শিশি বিষ।“ চির-ঘুমের মানুষ ঘুমায় দু’চোখে বন্ধ রেখে, শখের বিষখোর ঘুমায় উঁকি-মারা-চোখে, বিষ খেয়ে বেশি বেশি ঘুমায়, ঘুমের ভান করে; জিউস সব-ই দেখেন, বোঝেন, বলেন একটু একটু করে। বিষ অমৃতটুকু ভাগ নিয়ে ভেগে যাবে বলে বসে আছে সুনসানের দুপুর-ঘুমে জিউস… [বিস্তারিত]
আমি তো স্বীকৃত-ই চেয়েছি মনে মনে, কবিতার কাছে, ঘুমিয়ে-ঘুমিয়ে শুনতে থাকা পরণ কথার মত; আবরণহীন সূচনা-রাত্রির মত, অরণ্য-দিনে ছিন্ন-বস্ত্রের মত, ফেনিয়ে ওঠা সূচী-শুভ্র ঘূর্ণাবর্তের মত; আড়াল-হীন রঙ্গ মঞ্চে প্রতিধ্বনির কলরোল তুলে হাজারো সম্মুখ দৃষ্টির তোয়াক্কা না করে হস্তান্তরিত হোক এ অদম্য কবিতা; বিষে বিষক্ষয় সে তো জানাই আছে, নির্ঘুম ঝর্ণা-বকুনির দেয়া বিষ নিয়ে নেব অঢেলে;… [বিস্তারিত]
দোর্দণ্ড প্রতাপের অশ্বারোহী ছুটছে টগবগিয়ে, প্রশস্তিবাচক উচ্চারণ আউড়ে, যদিও আপাদ মস্তক ভীতু, ফন্দিবাজ, নির্বোধ স্তাবক, ভাব নিয়েছে সত্যবাদের সাহসী শিশু। কখনো পাহাড় গাত্রে বিশ্রাম নিচ্ছে, নির্জন প্রান্তরে গাছেদের ছায়ায় নদীকুলের মিষ্ট-মিষ্টি বাতাসে। যেমন-তেমন করেই হোক খুঁজে-পেতে পৌঁছে যাবে কবিতার কাছে, বেঁতো ঘোড়ায়; নির্ভয়ের ভাব করে দাঁড়াবে কবিতা-সম্মুখে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতার নিরিখে নয়, উদ্ধত উদ্যত ছুরি হাতে-ও… [বিস্তারিত]


