মজনু মিয়া হকচকিয়ে উঠলো। ভয়ে কলিজাটা নড়েচড়ে বসেছে। হৃৎপিণ্ডটা ভেতর থেকে গুতাগুতি করছে। যেকোনো সময় বের হয়ে আসতে পারে। পুরো শরীর কাঁপতে শুরু করেছে। ঝড়-ঝাপটার মতো। যেদিকে যাচ্ছে নিঃশেষ করে যাচ্ছে। লাল্টু ভয়ে স্তম্ভিত। পুরোপুরি সংকুচিত। দেহপিঞ্জর নিবুনিবু। কন্ঠস্বর নিরুত্তাপ দোটানায় সংশয়। পুরো শরীর ঘামে ভরা। কপাল চুইয়ে চুইয়ে ঘাম ঝরছে। ভয়ের ছিটেফোঁটা চোখেমুখে। ঠোঁট… [বিস্তারিত]

মুহম্মদ মাসুদ
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ১৯ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১১৭টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১০৩৩টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১০৪৭টি
একটি শোক সংবাদ! একটি শোক সংবাদ! চৌবাড়ীয়া নিবাসী...। হকচকিয়ে ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠি। পুরো শরীরটা ঝিনঝিন করছে। ঝিনঝিন শব্দের তালে শরীর থেকে ঘাম ঝরছে। ঘামের শিশিরবিন্দুর শীতলতায় বুকের মধ্যে ধুকপুকানি শুরু হয়েছে। এ ধুকপুকানি মৃত্যুর ঘ্রাণে জীবন্ত। জীবন্ত মৃত্যুর ভয়। জানালার কাছাকাছি হ্যারিকেন। হ্যারিকেনের আলো আয়নার কাঁচে আবদ্ধ, বদ্ধ। আয়নায় ভাসে পরিচিত মুখ। মুখ লুকিয়ে… [বিস্তারিত]
একটি শোক সংবাদ! একটি শোক সংবাদ! উত্তর পাড়ার...। শেষরাত্রি। ফজরের আজানের খুব কাছাকাছি। মিনিট কয়েক দূরত্ব। হয়তো তার-ও একটু কাছাকাছি। সত্যি! এই সময়টায় মৃত্যুর সংবাদ কলিজা অবধি গেঁথে যায়। আফসোস হয় কেউ একজন ফজরের নামাজ আদায় করতে পারলো না। ঘুমের ঘোরে তখন হুঁশ বেহুঁশে অজ্ঞান অবচেতন হয়ে ঘুমিয়ে আছি। নানামুখী স্বপ্নের অংশগ্রহনে সংক্ষিপ্ত পদার্পণ এবং… [বিস্তারিত]
তোমার শহরে আমি অবহেলিত ধূলো। আমার শহরে তুমি আঁধারের আলো। তোমার রঙিলা শহর বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যা বিলাস। আমার পরিত্যক্ত নগরীতে শুধুই দীর্ঘকাল দীর্ঘশ্বাস। আমার দেহ ভিটে পরিত্যাক্ত, জনমানব শুন্য। তোমার অখণ্ডিত যৌবন পতিতালয়, কোলাহলে পূর্ণ। ভালোবেসে আগলে রাখতে কজনই বা পারে। পরিচিত কন্ঠস্বর ভুলে গেলেই অনুভুতিরা কেঁদেই হারে। ডায়েরির বয়স পাতা কেবলই সাদা শূন্যতা। ভালো থেকো… [বিস্তারিত]
তোমার প্রিয়ভাষি বহু কথার জালে । তোমার আঁকা লাল নীল হলুদের গাংচিলে । তোমার হাঁটা মেঠো পথ ধান সিঁড়ির পারে । তোমার দেখা সূর্য অস্ত মেঘমালার পারে । প্রিয় বাংলা , প্রিয় শস্য শ্যামল মাঠ ভরা ধান খেতের মেলা। প্রিয় যমুনা মেঘনা পধ্মা বাহারি তরীর খেলা । প্রিয় বাউল ময়না টিয়ে চড়ুই পাখির আসর ।… [বিস্তারিত]
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়, জন্ম হয় জাতির পিতার। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চে, নতুন সূচনার আগমন আবার। গিমাডাঙ্গা বিদ্যালয়ে, ছাত্রজীবনের সূচনা হয়। ১৯২৭ সালে সাত বছর বয়সেই, লেখাপড়ায় মনোযোগী হয়। ১৯৩৮ শে ১৬ জানুয়ারিতে, পরিচয় হয় শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের সাথে। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে, বাংলার প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শনে এলে। ১৯৩৯ সালের প্রতিবাদে, কারাবরণ করে প্রথম বারে। স্কুলের কর্তৃপক্ষের… [বিস্তারিত]
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। তাঁর আরেকটি ছোট নাম "খোকা"। শৈশব থেকেই খোকা দুঃখী ও গরিব মানুষের প্রতি দরদি । খোকা টুঙ্গিপাড়া গ্রাম ছেড়ে বাবার কার্যালয় গোপালগঞ্জ শহরে চলে যাচ্ছে। সেখানে ভাল স্কুলে ভর্তি হবে। মা ,ছোট ভাই -বোন ও গ্রামের বন্ধুদের ছেড়ে যেতে খুব খারাপ লাজছে তার । খোকা খেলাধুলা ভালবাসত। ফুটবল ছিল… [বিস্তারিত]
চড়ুই পাখির সংসার... গান বাজছে। গুড়ুম গুড়ুম আওয়াজে। তীব্র গানের আওয়াজে আত্মা ধুকপুকানির চিপায় পড়ে চুপসে গেছে। পূর্ব পাড়ায় বিয়ের আয়োজন। আত্মীয় স্বজনদের ভীড়ে পুরো বাড়ি মুখরিত। ইয়ার্কি মশকারি, ভাবি দেবরের খুনসুটি, রংচং রং মাখিয়ে, হৈ-হুল্লোড়ে মাতোয়ারা গোটা বাড়ির লোকজন। বিয়ে বাড়ি। যেখানে বিষাক্ত বিষাদের দলাদলি নেই। নেই দুঃখ কষ্টের চিহ্ন টুকুও। আছে শুধু একরাশ… [বিস্তারিত]
বাবা ডাক শুনতেই পিছনের খুঁটোয় মাথায় ধাক্কা লাগে শামসুর। ততক্ষণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে শামসু। ধাক্কার শব্দ দ্রুতই মজনু মিয়ার কানে গিয়ে পৌছায়। মজনু আর লাল্টু ভেবেছিলো...। না। আর কোন শব্দ শোনা যাচ্ছে না। শুধু ডুকরে ডুকরে কান্নার শব্দ ভেসে আসতে ছিলো। মেয়েটা কিছু একটা বলে বলে কাঁদছে। কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। সন্দেহ গয় মজনু মিয়ায়।… [বিস্তারিত]
জেলখানা থেকে ছাড়া পেয়েই সোজাসুজি বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে হাজির। পরিচিত কাউকেই দেখতে পাচ্ছে না। মুখটা চুপসে বিবর্ণমুখ। কপালে বুঝি একটা বিড়িও জুটবে না। পকেটে টাকা নেই। চায়ের দোকানে বসে শুধু এদিকসেদিক তাকাচ্ছে। যদি পরিচিত কাউকে পাওয়া যায়। দোকানে অল্পবয়সী এক ছেলে বসে আছে। জিজ্ঞেস করলো, 'তোমার আব্বায় কই গেছে? দোহানে আয়ে নাই?' আব্বায় তো খাইতে গেছে।… [বিস্তারিত]
শেষ নিশ্বাস বন্ধ হোক অদৃশ্য ছায়ায়। আত্মাটুকু ভেসে যাক অতৃপ্ত মায়ায়। শেষ পলক পড়ে যাক দুফোঁটা অশ্রু বেঁয়ে। শেষ হাসিমুখ বিদায় হউক সুনজরে চেয়ে। শেষ আকুতির অনুমতি হোক একটু আলিঙ্গন। শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান হোক চিলতে চুম্বন ভোজন। তবুও, তুমি রয়ে যাবে এই অভাগার কল্পনায়। আমৃত্যু স্মৃতিপথে আর শেষ প্রহরের প্রার্থনায়। [বিস্তারিত]
শহরের দরগাহ শরীফের মোড়ে বহু মানুষের ভিড়। কেউ কেউ বলছে মনে হয় বাঁচানো গেলোনা। আত্মাটা যায় যায় অবস্থা। কেউ যদি হাসপাতালে নিয়ে তাহলে হয়তো লোকটা...। বৃদ্ধ বয়সী একজন মানুষ। বেহুশ, অনাহারী বাতাসে ঘুরপাক খেয়ে মাটিতে পড়ে আছে। অথচ মাথায় এক ফোঁটা পানি ঢালবার মতো কেউ নেই। আফসোস! বাঙালীরা শুধু চিল্লাচিল্লি করে লোকজন জড়সড় করতে পারে… [বিস্তারিত]
বাক্সবন্দি...(৫ম পর্ব) - নৃ মাসুদ রানা বেশি লম্বা নয়। এই পাঁচফুট পাঁচফোড়ন। টক ঝাল মিষ্টি, নরম তুলতুলে। থুক্কু! মিথ্যা বললাম। পাঁচফুট উচ্চতা মানে কি? একদম পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের মতো? মেয়ে মানুষ একটা হিল জুতো পড়লেই আসমানের মতো লম্বা মনে হয়। আর পাঁচফুট হলে তো প্রেমিককে কোলে তুলে নিয়ে ঘুরবে। রুহনী। হৃদয়ের ছোট্ট রশ্মির নাম। তিন অক্ষরে… [বিস্তারিত]
বালিকা, তুমি আমার নদী হবে? যাবো নিবিড় আলিঙ্গনে ধন্য হয়ে। তরী ভেসে যাবে অজানা গন্তব্যের পথে। বালিকা, তুমি আমার শিশির বিন্দু হবে? মিশে যাবো ভোরের সূর্যকিরণে। ঘাসফড়িং ডাকপিয়নের খবর দেবে। বালিকা, তুমি আমার মধ্যাহ্ন হবে? বিলীন হবো রোদ সূর্যের প্রেমাবেগে। তপ্ত দুপুরে মরমরে পাতায় সংসার পাতবো। বালিকা, তুমি আমার বিকেল হবে? নদীর তীরে কাশফুলের সন্ধ্যে… [বিস্তারিত]
বাক্সবন্দি... (পর্ব - ৪) - নৃ মাসুদ রানা মেহের আলী ছোটবেলা থেকেই একগুয়েমি ধরনের মানুষ। হাড়কিপটেও বটে। তবে খাবারের প্রতি ভীষণ লোভ তার। এ নিয়ে কতবার যে নহরের সাথে ঝগড়া হয়েছে তার বালাই নেই। অবশ্য নহর ছিলো প্রিয় পাত্র। শরীরের এই একটা অংশে নহরের সাথে মিল রয়েছে তার। আর বাকী সবটুকু ধোঁয়াশা। খেলাধূলায় বেশ পারদর্শী… [বিস্তারিত]










