করোনা তোমাকে স্যালুট জানাই কারণ বিশেষ বিশেষ জায়গায় ছাড়া, খেটে খাওয়া মানুষে যত সব আক্রমন কর; বিশেষ জায়গায় কবে ধরবা করোনা? নাকি তুমি আতঙ্কের খেলার পুতুল যে ভাবে নাচাচ্ছো ঠিক আমরা নাচচ্ছি অথচ বিশেষ বিশেষ জায়গায় দিব্য সুস্থ স্ববল আনন্দমুখর ভাবে বিদ্বেষের গন্ধ ছড়াচ্ছে; নাকি তুমি করোনা নামের বিশ্ব যুদ্ধের অদৃশ্য গোলাবারুদ কিংবা ভ্যাইরাস নামের… [বিস্তারিত]

আলমগীর সরকার লিটন
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৮টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৩৬১৭টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৫৫৪টি
তুমি জানো না সংসার ধর্ম কি? তাই অনেক কিছুই অবল তাবল গান শোনাও; আমার সংসার দৃষ্টির ভঙ্গিতে দেখছি প্রতিনিয়ত, যাচ্ছে ভালই- তবু তুমি মুর্খর মতো কিসব বলো! কবিতারা লজ্জা পায়- আহত হয়। সেটা বুঝও বোঝ না একটুও; তোমার ধরনা এসব নাকি পাপ ও রে মুর্খ আগে বুঝ তারপর পাপ বলো,পাপ বাবা কেউ ছাড়া না তোমার… [বিস্তারিত]
আবৃত্তির লিং https://youtu.be/2iJ_xy90q7g ২০২২ কিংবা ২৩ তারপরও অধীক, তোমাদের কাছে আমার প্রশ্ন সত্যই কি সব দুংখ গ্লানি মুছে ফেলেছো নাকি আগের মতোই আছো? শুধু -শুধু নিয়ম মাপিক নতুন বছর কে বরণ করো- এতোটুকু আনন্দ উল্লাস করে করে থাকো। আবার কি নতুন ভাবে পরিকল্পনা করো কি ভাবে অহমিকা, বিদ্বেষ, হিংসা ছড়ানও যায়, তাই নয় কি! তারপরও… [বিস্তারিত]
সত্যই রাতের গায়ে এক ভয়! নরম বিছানায় ঘুমাতে হয়; বিস্মৃতি স্মৃতিচারণ চাঁদের সাথে কথা কয়! দীর্ঘশ্বাসে একটা আতঙ্ক; সব ভাবনাকে অম্লান করে যায়, অথচ রাতকে উপভোগ করি অনেক কিছু লাল পানি- উষ্ণ শীতল বুক- তবুও ভয়ে জাগ্রত হয় না আপন সত্তা; কেনো করবে চোখে যে রঙিন নেশা উম্মাদ পাগল নয় বরং আঁধারের কাছে বিলিন হওয়া… [বিস্তারিত]
ভাবনার বেড়া জালে ঠোঁট হাসে সত্যের! অথচ বুকে হাত- ভয়ে কাপে দুনিয়া; হুমকি ধুমকি দৃশ্যপট তবু ঠোঁট বেঁকে যায় সত্য বলার কষ্টে- বাকরুদ্ধ বোবা হয়ে যাই; সময়ের ওলিতে গণিতে সত্যের ভেজাল পাই! আর কতদিন এভাবে থাকবে দেহের বৃন্দবনে ভেজাল। ০৮ পৌষ ১৪২৮, ২৩ ডিসেম্বর ২১ [বিস্তারিত]
এমন আহত দু’চোখ দেখতো অচেতন হয়ে যেতো এই জীবন সংসার এমন রক্তক্ষরণ যদি বুঝতো বালুচরে কান ফাটা স্রোতের শব্দ বয়ে যেতো অথচ ভাবি না দূরের মাটির ঘাস ফুল শুধু মনে বিদ্বেষ রোজ প্রকাশ করি কোন কবিতার ভাষায় কিংবা রাগান্বিত শিমুল পলাশের রক্ত ঝরা ভাষায় কেমন করে দেখো বন জঙ্গল প্রণয় দেখো কই! অন্ত গভীরে নীল… [বিস্তারিত]
ঐ নদীর কাঁন্না বুকের ভিতর নদ বুঝতে পাই চাঁদের মতো! রক্তাক্ত ঢেউ দেখেছো কখনো- নদের সাথে বসবাস কর রোজ তবুও রক্তাক্ত বুঝো না নদী? তোমার সসীচীন ভাবনাগুলো- প্রশংসা দাবিদার আকাশ সমূহ শস্যময় সোনালি ক্ষেত; নদী বুঝতেই পার খুব-স্রোতের ধার করাই কাজ- তাই চল গতিহীন- করে ক্ষত বিক্ষত, জাগাও বালুচর; নদ তো পারে না এভাবে সব।… [বিস্তারিত]
সময়ের স্রোতে দু’চোখে এখন বিভীষিকাময়! রাত নেই দুপুর নেই সব ক্ষেত্রেই মন জঙ্গল ভরা তবু ক্ষণে ক্ষণে পথ চলা হাজার বছর পর স্বপ্নে দেখা পৃথিবী আমার রূপ লাবণ্য যেনো ধূসর ময় আতঙ্কিত সোনালি ভোরের ফুলেল শোভা! অথচ সুবাসে যত সব কিচ্ছা কাহিনী দুধের সরে ঢেউ অবসান শুধু মাটির ঘ্রাণ ভরা মৃত্যুর বার্তা; কাঁদবে কি আর?… [বিস্তারিত]
বাস্তবতা শিকড় বড়ই নিঠুর নির্দয় তাই বুঝার মতো মন হয়ে উঠে না কার; চার দেয়ালে যতোই শ্বেত পাথর দিয়ে গড় প্রসাদ বাস্তবতার শিকড়ে ভাঙ্গবেই একদিন; কিছু বলার ক্ষমতা থাকবে না চারপাশ নীরব নিস্তব্ধ সময়ে অহমিকা হিমালয়ে নিক্ষেপ কর- দেখবে উষ্ণতা ছুঁয়ে গেছে দেহের চারপাশ! তখন মনে হবে বাস্তবতা পানির মতো সহজ সরল চোখের সমুখে যাহা… [বিস্তারিত]
একটা মৃত্যুর সংবাদ আরেকটা মৃত্যুর স্বাদ যোগায়; অথচ অনুভব করতে ব্যর্থ শুধু ক্ষীণ সময়ে শোকাবহ- আমার মৃত্যু এই বুঝি হয়; স্মৃতিরা কিন্তু জলপাই কিংবা তেঁতুল স্বাদ নেবে না। অতঃপর যে সবটুকু নিসঙ্গে করে চলে গেলো না ফিরার দেশে- আমি কি করে খুঁজবো তাকে? অম্লান করে গেলো এ সমারহে! পরিচয়টুকু দিয় প্রভু আমি সেই জন। উৎসগঃ… [বিস্তারিত]
ঘানি টানার মতো রোজ সরিষা তৈল উৎপাদন হচ্ছে খুব; ক্ষত বিক্ষত মাটির দলা যেদিন দুর্বলা ঘাসফুলের সাথে বাসর হবে; সেদিন ও এতটুুকু ঘ্রাণ পাবে না লম্বা নাকটাও আর জুরাবে না! সমস্ত উপলদ্বি ধ্বংস হবে। হৃদয় ঘানিতে মুক্তির সানাই বাজাবে নিশ্চিয়- আবার কোন এক সরিষা দানার; অথচ এক মুহুর্তের জন্যও হলো বুঝার ক্ষমতাটুকু রাখলে না- অনুশোচনা… [বিস্তারিত]
দেহের ভীতর অন্তদণ্ড ঝড় হাওয়া বইলে কি আর প্রেমময় সুবাস থাকে? এক বার ভাবো কি অনুরাগ? অদ্ভুত হাস্যকর, রূপালি কথাগুলো শুনলে- জেনো ঝর্ণা ধারা ক্ষত বিক্ষত মিছিল- নীরবে পদচিহ্ন লেগেই থাকে, রক্তাক্ত দাগ; হতচ্ছাড়া তবুও মন থাকে, দেহের ভাজে- ভাজে অন্তহারা, অথচ মনে হয় বিবেক বুদ্ধি শূন্য আকাশ- বল কি ভাবে পাবে একখণ্ড মাটির সুগন্ধ… [বিস্তারিত]
জানেন না হয় তো! মৃত্যুর সাথে নিঠুরের এক সম্পর্কের কুটুম্বিতা আছে; অনেকেই বলে উঠেন বোবার নাকি শত্রুতা নেই- দিবালোকের মতো সম্পন্ন মিছে কথা, হয় তো কেউ পছন্দ করেন না ঠিক কিন্তু অপদার্থ একটা; নিঠুরতা হলো জলশূন্য চোখ মুখ- বোবাটা বুকের গহীনে তাপহীন অনল নিশি ক্লান্তি ভাষার কোন বিরাম নেই তবুও একটা সম্পর্ক খুঁজে ফিরা শঙ্খচিল… [বিস্তারিত]
মনটা কেমন জানি বৃষ্টি ঝরা মেঘ একটু আবেগেই ঝরে পরে বৃষ্টি! কণ্ঠ যেনো শূন্য আকাশ- মাঠ ভারি শুধু কাদা চূর্ণ উঠন কিংবা বালুচর তবুও ভেসে যায় সাদা মেঘের দল অথচ শিউলি ঝরা পাপড়ি রক্তাক্ত; শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে আহত অংকের সমাধান জ্যামিতির চতুর্ভুজ মন। ২৮ কার্তিক ১৪২৮, ১৩ নভেম্বর ২১ [বিস্তারিত]
আকাশের দৌড় দেখে- দেখে মনে হয় একটা তারাও থাকবে না সব তারায় মাটিতে ঘর বাঁধবে; অথচ নাকি বাতাসের গন্ধ ভারি- নাকের সহ্য হয় না, করোনা ভাইরাস! তবুও সূর্যের হাসি দেখে মনে হয়- দিনের আলোকিত মুখ! সৃষ্টি থেকে ধ্বংস প্রলয়ের সুখ- সুতরাং প্রণয় শিখ প্রকৃতি মেঘের মাঝে-এভাবেই চলবে জীবন থেকে আকাশে দৌড়। ২২ কার্তিক ১৪২৮, ০৭… [বিস্তারিত]















